হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার হাটবাজারগুলোতে দীর্ঘ দিন ধরে সামুদ্রিক ‘রূপচাঁদা’ নামে বিষাক্ত ও নিষিদ্ধ পিরানহা এবং আফ্রিকান মাগুর মাছ বিক্রি করে আসছিল একটি অসাধু চক্র।
অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার বিকেলে উপজেলার মুড়াকড়ি বাজারে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২৫ মণ নিষিদ্ধ পিরানহা ও আফ্রিকান মাগুর মাছ জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ মুরাদ ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ মাছ জব্দ করে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২ লাখ টাকা।
তবে অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে জব্দকৃত মাছগুলো কেরোসিন ঢেলে গর্তে মাটিচাপা দিয়ে ধ্বংস করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত ইউএনও সৈয়দ মুরাদ ইসলাম জানান, সাধারণ মানুষকে প্রতারিত করে বিষাক্ত ও নিষিদ্ধ মাছ বিক্রি বন্ধে এবং জনস্বার্থে প্রশাসনের এ ধরনের কঠোর অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
বুলেটিন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে
Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্ত্রীকে রেখে দীর্ঘদিন মালয়েশিয়া প্রবাসী রফিউদ্দিন । এরই মধ্যে স্ত্রী পরকীয়ায় মজে এক ইতালি প্রবাসীর সাথে। খবর পেয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন তিনি। বছরখানেক ঘর-সংসার করে আবার প্রথম স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক করে তাকে নিয়ে দিয়েছেন মালয়েশিয়া পাড়ি। এরপর ক্ষুব্ধ হয়ে মাটিকাটা স্কেভেটর দিয়ে রফিউদ্দিনের ঘর-বাড়ি গুড়িয়ে দিয়েছে ২য় স্ত্রীর লোকজন।
ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার (৩ আগষ্ট) চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার খেজুরতলা গ্রামে।
আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ জানায়, আলমডাঙ্গা উপজেলার নাগদাহ ইউনিয়নের খেজুরতলা গ্রামের মৃত রোমজান আলির ছেলে রফিউদ্দিন বিবাহ করেন একই গ্রামের সহিদুল ইসলামের মেয়ে ছনিয়া খাতুন কে। দীর্ঘদিন বিদেশে (মালয়েশিয়া) থাকার কারনে ছনিয়া খাতুন এক ইতালি প্রবাসীর সঙ্গে অজানার উদ্দেশ্য পাড়ি জমিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত থানায় বিচার শালিশের মাধ্যমে নিস্পত্তি হয় এবং ছনিয়া খাতুন ইতালি প্রবাসীর কাছে থেকে যায়। মালোয়েশিয়া প্রবাসী রফিউদ্দিন বাড়ি এসে একই গ্রামের মুকুল হোসেনের মেয়ে রিমা খাতুন কে বিবাহ করেন।
বিবাহের একবছরে মাথায় রফিউদ্দিন আবার প্রথমা স্ত্রী ছনিয়া খাতুন কে পুনরায় বিবাহ করে ঘরে তোলেন এবং তাকে নিয়ে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান।
এই ঘটনায় গ্রামবাসী থেকে শুরু করে দ্বিতীয় স্ত্রী রিমার খাতুনের পরিবার ও আত্মীয় স্বজনরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।
রবিবার সকাল ১০ টার সময় মাটিকাটা এস্কেভেটর দিয়ে রফিউদ্দিনের বাড়িঘর ভেঙে গুড়িয়ে দেয়। এ সময় ঘরবাড়ি ভাঙার দৃশ্য গ্রামবাসীরা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখতে থাকেন।
এ বিষয়ে গ্রামের মানুষ রফিউদ্দিনের অসামাজিক কার্যকলাপের প্রতি ঘৃণা পোষন করে। তারা বলেন, মুকুলের মেয়ে অতিভদ্র,নম্র প্রকৃতির মেয়ে। তার জীবনটা এভাবে রফিউদ্দিন শেষ করে দিয়েছে। তার যথাযথ শাস্তি হওয়া উচিত।
নাগদাহ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বোরহান উদ্দিন মেম্বার বলেন, মুকুল হোসেনের মেয়ে অতিভদ্র ও অমায়িক একটা সভ্য মেয়ে।তার জীবন নিয়ে এভাবে ছিনিমিনি খেলা উচিত হয়নি। ক্ষোভের কারনে এইভাবে ঘরবাড়ি না ভেঙে আইনি পদক্ষেপ নিলে ভাল হতো।
এ ব্যাপারে আলমডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ বানী ইসরায়েল বলেন, ঘটনা সমন্ধে অবগত আছি।অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইন অনুযায়ী ব্যাবস্থা করা হবে।
প্রাইেভেট পড়তে গিয়ে ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী!
সুবর্ণচরে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী (১৩) প্রাইভেট পড়তে গিয়ে শিক্ষিকার বাবার হাতে ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে চরজব্বর থানায়।
মনপুরায় দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্রসহ স্বপন বাহিনীর প্রধান আটক
ভোলার মনপুরা উপজেলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে কুখ্যাত জলদস্যু স্বপন বাহিনীর প্রধান স্বপনকে আটক করা হয়েছে। আটক স্বপন উপজোলার হাজির হাট এলাকার বাসিন্দা। সে দীর্ঘদিন ধরে কুখ্যাত ডাকাত 'স্বপন বাহিনীর' প্রধান হিসেবে বিভিন্ন সন্ত্রাসী ও ডাকাতি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল।
বুধবার (২২জুলাই) দিবাগত রাত ৯টার দিকে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১১টা থেকে বুধবার দুপুর ৩টা পর্যন্ত ভোলার মনপুরা উপজেলার কাজিরচর সংলগ্ন মাছের ঘাট বাজারে কোস্ট গার্ড বেইস ভোলা ও আউটপোস্ট মনপুরা কর্তৃক একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে ওই এলাকা থেকে কুখ্যাত ডাকাত স্বপন বাহিনীর প্রধান স্বপনকে আটক করা হয়। এসময় তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকার একটি মাছের আড়তে তল্লাশি চালিয়ে একটি দেশীয় একনলা বন্দুক ও আটটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
সে দীর্ঘদিন ধরে কুখ্যাত ডাকাত 'স্বপন বাহিনীর' প্রধান হিসেবে বিভিন্ন সন্ত্রাসী ও ডাকাতি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক ফৌজদারি মামলা রয়েছে। জব্দকৃত আলামত ও আটককৃত ডাকাত স্বপনকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।