ঢাকা, বাংলাদেশ || সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

ডলি সায়ন্তনীকে বিয়ে করা জীবনের চরম ভুল ছিল: রবি চৌধুরী

বিনোদন প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১:০২ এএম

দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরী ব্যক্তিজীবনের এক সংবেদনশীল অধ্যায় নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল তার প্রথম বিয়ে। তবে সেই অতীত নিয়ে আর কোনো আলোচনা করতে চান না বলেও স্পষ্ট করেছেন এই শিল্পী।

বুলেটিন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

ক্যারিয়ারের শুরুতেই ‘প্রেম দাও’ অ্যালবামের মাধ্যমে শ্রোতাদের নজর কাড়েন রবি চৌধুরী। প্রথম অ্যালবামের সাফল্যের পর একের পর এক জনপ্রিয় গান উপহার দিয়ে তিনি দেশীয় সংগীতাঙ্গনে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন। অডিও অ্যালবাম, প্লেব্যাক এবং দেশ-বিদেশে অসংখ্য মঞ্চ পরিবেশনার মাধ্যমে তিনি হয়ে ওঠেন পরিচিত এক কণ্ঠ।

সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের সেলিব্রিটি আড্ডাভিত্তিক অনুষ্ঠানে জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল সম্পর্কে জানতে চাইলে রবি চৌধুরী বলেন, 'আমার প্রথম বিয়েটাই জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল। সুযোগ থাকলে সেই অতীত পুরোপুরি মুছে ফেলতে চাইতাম। কিন্তু সেটা তো আর সম্ভব নয়। তাই সেই অতীত নিয়ে এখন আর কথা বলতে চাই না।'

নব্বই দশকের শেষদিকে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ডলি সায়ন্তনীর সঙ্গে রবির প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০০০ সালের দিকে তারা একসঙ্গে বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় দ্বৈত গান উপহার দেন। কাজ করতে গিয়েই দুজনের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে এবং ২০০১ সালে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে মতবিরোধ ও দাম্পত্য কলহের কারণে অল্প সময়ের মধ্যেই বিচ্ছেদের পথে হাটেন এই জুটি।

সাক্ষাৎকারে রবির বহুল আলোচিত গান ‘কাল নাগিনী’ নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। ‘ঘুরাও দু নয়ন’ অ্যালবামের এই গানটি সাবেক স্ত্রী ডলি সায়ন্তনীকে উদ্দেশ্য করে লেখা হয়েছিল কি না? এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি তিনি।

হালকা রসিকতার সুরে রবি চৌধুরী বলেন, 'সবসময় তো আর বন্দুক দিয়ে মারতে হয় না, মাঝে মাঝে কলম দিয়েও মারা যায়। গানটি আমার নিজের লেখা। তবে কাকে নিয়ে লিখেছিলাম, সেটা এখন আর বলতে চাই না।' অতীতের স্মৃতি নিয়ে প্রকাশ্যে আর কোনো মন্তব্য করতে চান না বলেই জানান এই শিল্পী।

রাজধানীতে দুই মেগা কনসার্ট, পারফর্ম করবে যেসব ব্যান্ড
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে ৫ আগস্ট রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হবে দুটি উন্মুক্ত মেগা কনসার্ট। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বাংলাদেশ মিউজিক্যাল ব্যান্ডস অ্যাসোসিয়েশন (বামবা) এবং মুনসুন কালচারাল অ্যালায়েন্সের পৃথক আয়োজনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে বসবে এই দুই সংগীত আসর। ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হবে ‘কনসার্ট ফর ডেমোক্রেসি’। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির তত্ত্বাবধানে এবং বামবার সহযোগিতায় আয়োজিত এ কনসার্ট শুরু হবে বেলা ৩টায় এবং চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত। দর্শকদের জন্য প্রবেশদ্বার খুলে দেওয়া হবে বেলা ১টায়। আয়োজনটি সবার জন্য উন্মুক্ত, কোনো টিকিট লাগবে না। এ কনসার্টে পারফর্ম করবে দেশের জনপ্রিয় সাতটি ব্যান্ড—মাইলস, ওয়ারফেজ, ডিফারেন্ট টাচ, লালন, হাইওয়ে, এসেইস এবং রে রে। মূল পর্বে পরিবেশনা করবে ছয়টি ব্যান্ড। উদ্বোধনী অংশে মঞ্চে উঠবে ব্যান্ড রে রে। অনুষ্ঠানে পুরস্কার বিতরণেরও আয়োজন থাকবে।Geographic  বামবার সভাপতি হামিন আহমেদ বলেন, জুলাই আন্দোলনে সংগীত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। সেই স্মৃতিকে ধারণ করেই সংগীতের মাধ্যমে দিনটি উদ্‌যাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সবার অংশগ্রহণে আয়োজনটি সফল হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দিন স্টালিন বলেন, জুলাই গণ-আন্দোলনের স্মৃতি জাগ্রত রাখতেই এই কনসার্টের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হবে বলেও জানান তিনি। আয়োজকদের ভাষ্য, ‘কনসার্ট ফর ডেমোক্রেসি’ কেবল একটি সংগীতানুষ্ঠান নয়; এটি সংস্কৃতি, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে উদ্‌যাপনেরও একটি প্রয়াস। একই দিনে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে ‘বর্ষা বিপ্লবের গান’ শীর্ষক আরেকটি ওপেন-এয়ার কনসার্ট। মুনসুন কালচারাল অ্যালায়েন্সের আয়োজনে বিকেল ৪টা থেকে শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠানে পারফর্ম করবে আর্টসেল, শিরোনামহীন, আর্ক, অ্যাভয়েড রাফা, কুঁড়েঘর, আসিফ আকবর, সেজান, নাহিদ উইথ ম্যাজিশিয়ানস, ব্যান্ড নীল, জে কে তাহমিদ, পারশা মাহজাবীনসহ আরও অনেকে। এ আয়োজনও সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
রাজধানীতে দুই মেগা কনসার্ট, পারফর্ম করবে যেসব ব্যান্ড
বিয়ে করলেন ‘মিস্টার বিস্ট’, পাত্রীকে?
কোটি কোটি ভক্তের কাছে তিনি ‘মিস্টার বিস্ট’ নামেই পরিচিত। ইউটিউবের সবচেয়ে জনপ্রিয় কনটেন্ট নির্মাতাদের একজন জিমি ডোনাল্ডসন জীবনের নানা মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করলেও একটি বিষয়ে তিনি বরাবরই অনড় ছিলেন—নিজের বিয়েকে কখনোই কনটেন্ট বানাবেন না। সেই প্রতিশ্রুতিই রাখলেন তিনি। দীর্ঘদিনের প্রেমিকা থিয়া বুয়সেনকে বিয়ে করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সুখবরটি জানান ২৮ বছর বয়সী এই ইউটিউব তারকা। বিয়ের ছবি প্রকাশ করে তিনি লেখেন, ‘আমি আমার মিসেস বিস্টকে পেয়ে গেছি। আর এটাই আমার জীবনের সেরা দিন।’ বিশ্বজুড়ে বিপুল জনপ্রিয়তা থাকা সত্ত্বেও তাদের বিয়ের আয়োজন ছিল একেবারেই ব্যক্তিগত। ইউটিউবে ৫০ কোটির বেশি এবং ইনস্টাগ্রামে প্রায় ৯ কোটি অনুসারী থাকা মিস্টার বিস্টের বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ৭০ জন অতিথি। পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের নিয়েই সম্পন্ন হয় এই অন্তরঙ্গ অনুষ্ঠান। বিয়ের পর থিয়া নিজের নাম পরিবর্তন করে ‘থিয়া ডোনাল্ডসন’ রেখেছেন। জিমি ও থিয়ার ডেস্টিনেশন ওয়েডিং অনুষ্ঠিত হয় ক্যারিবীয় সাগরের নেকার আইল্যান্ডে, যা ব্রিটিশ উদ্যোক্তা রিচার্ড ব্র্যানসনের মালিকানাধীন। এক সপ্তাহব্যাপী উদযাপনে ছিল স্নরকেলিং, কাইটসার্ফিংসহ নানা বিনোদনের আয়োজন। অতিথিদের জন্য পুরো অনুষ্ঠানটিই ছিল ব্যক্তিগত এবং সংবাদমাধ্যমের নজরের বাইরে। জিমি ডোনাল্ডসন ও থিয়া বুয়সেনের পরিচয় ২০২২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় এক নৈশভোজে। এক কমন বন্ধুর মাধ্যমে হওয়া সেই পরিচয়ই পরে প্রেমে রূপ নেয়। দুজনের ভাষ্য অনুযায়ী, সেটি ছিল ‘লাভ অ্যাট ফার্স্ট সাইট’। এরপর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একসঙ্গে ভ্রমণ করেন এই জুটি। ধীরে ধীরে সম্পর্ক আরও গভীর হয়। তবে কে এই থিয়া বুয়সেন? দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিক থিয়া বুয়সেন একজন লেখক, গেমার, ই-স্পোর্টস ধারাভাষ্যকার এবং কনটেন্ট নির্মাতা। তিনি আইন, মনোবিজ্ঞান ও নিউরোসাইকোলজি বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন। সাহিত্যচর্চা এবং ডিজিটাল কনটেন্টের জন্যও তাঁর আলাদা পরিচিতি রয়েছে।
বিয়ে করলেন ‘মিস্টার বিস্ট’, পাত্রীকে?
সংগীত তারকা জেনিফার ফিঞ্চ মারা গেছেন
জনপ্রিয় মার্কিন অল-ফিমেল রক ব্যান্ড ‘এলসেভেন’-এর বেস গিটারিস্ট জেনিফার ফিঞ্চ ব্রেন ক্যানসারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই শেষে মারা গেছেন। শনিবার (১৮ জুলাই) ৫৭ বছর বয়সেই থেমে গেল এই মার্কিন সংগীত তারকার জীবনযুদ্ধ। তার এই প্রয়াণে স্তম্ভিত ও শোকাচ্ছন্ন পুরো বিশ্ব সংগীতপাড়া।   শনাক্ত হওয়ার পর প্রিয় তারকার চিকিৎসার খরচ জোগাতে তহবিল গঠনে নেমেছিলেন তার বিশ্বজুড়ে থাকা ভক্ত-অনুরাগীরা। কিন্তু সবাইকে সেই সুযোগ না দিয়েই, চলতি সপ্তাহের শেষে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন তিনি। জেনিফারের মৃত্যুর পর ‘এলসেভেন’ ব্যান্ডের অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল থেকে একটি আবেগঘন বিবৃতি প্রকাশ করে ভক্তদের এই হৃদয়বিদারক খবরটি নিশ্চিত করা হয়। ব্যান্ডটি তাদের অফিশিয়াল বিবৃতিতে গভীর শোক প্রকাশ করে জানায়, আমরা আমাদের প্রিয় ব্যান্ডমেট, বোন এবং বন্ধু জেনিফার ফিঞ্চকে হারিয়ে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছি। তার তীব্র মানসিক শক্তি এবং সীমাহীন সৃজনশীলতা এলসেভেন ব্যান্ডকে গড়ে তুলতে সাহায্য করেছিল, যা আমাদের সবার জীবনকে চিরতরে বদলে দিয়েছে। বিবৃতিতে তার অনন্য ব্যক্তিত্বের কথা স্মরণ করে আরও বলা হয়, জেনিফার ছিলেন একজন সত্যিকারের অনন্য মানুষ, যিনি সম্পূর্ণ নিজের শর্তে জীবনযাপন করেছেন। সংগীত, শিল্প এবং তার সান্নিধ্য পাওয়ার সৌভাগ্য যাদের হয়েছে, তাদের সবার ওপর তার যে প্রভাব ছিল তা পরিমাপ করা অসম্ভব। আমরা তাকে ভালোবাসতাম এবং তিনি সবসময় আমাদের হৃদয়ে থাকবেন। শান্তিতে ঘুমাও আমাদের প্রিয় বন্ধু। রক মিউজিকের ইতিহাসে জেনিফার ফিঞ্চ একটি অতি পরিচিত নাম। ১৯৮৭ সালে তিনি ‘এলসেভেন’ ব্যান্ডে যুক্ত হন। এরপর ব্যান্ডের প্রতিটি উত্থান-পতনের গল্পে তিনি ছিলেন অন্যতম কাণ্ডারি। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে যখন বিশ্বজুড়ে গ্রঞ্জ ও ‘রায়ট গার্ল’ আন্দোলনের জোয়ার বইছিল, তখন এলসেভেন তাদের নিজস্ব স্বতন্ত্র ঘরানা ধরে রেখে তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে। বিশেষ করে, ১৯৯২ সালের ঐতিহাসিক ‘রিডিং ফেস্টিভ্যাল’-এ বিখ্যাত ব্যান্ড নির্ভানার সঙ্গে একই মঞ্চে এলসেভেনের সেই পারফরম্যান্স আজও রক ইতিহাসের পাতায় সোনালি অক্ষরে লেখা রয়েছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে শারীরিক অসুস্থতা আকস্মিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় ব্যান্ডের বহুল আলোচিত ‘লাস্ট হুররাহ ট্যুর’-এর ইউএস লেগ থেকে বাধ্য হয়ে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন জেনিফার। মূলত এই মরণব্যাধি ক্যানসারই এই রক তারকার মঞ্চ ও তার প্রিয় গিটারের মাঝে একমাত্র দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
সংগীত তারকা জেনিফার ফিঞ্চ মারা গেছেন
বিয়েটা আর করতে হলো না: পরীমণি
ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা পরীমণি বিশ্বকাপের শুরু থেকেই আর্জেন্টিনার সমর্থনে সরব ছিলেন। প্রিয় দল শিরোপা জিতলে আবার বিয়ে করবেন এমন ঘোষণাও দিয়েছিলেন তিনি। তবে ফাইনালে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের পর সেই ঘোষণা আর বাস্তবায়ন হলো না।  ফাইনাল ম্যাচ শেষে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক সংক্ষিপ্ত পোস্টে পরীমণি লেখেন, বিয়েটা আর করতে হলো না, এই আর কি। ভালোবাসার আর্জেন্টিনা, আবার দেখা হবে। এর আগে, আর্জেন্টিনা ফাইনালে ওঠার পরও বিষয়টি নিয়ে মজার ছলে পোস্ট করেছিলেন এই অভিনেত্রী। ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইনকে উদ্দেশ করে তিনি লিখেছিলেন, হ্যারি কেইন, পারলে না তুমি আমার বিয়েটা ঠেকাতে! সেই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ফাইনালে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের মধ্য দিয়ে পরীমণির ঘোষিত বিয়ের পরিকল্পনাও আর বাস্তবায়িত হলো না। ম্যাচ শেষে আবারও প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে তিনি জানান, ভালোবাসার আর্জেন্টিনা। আবার দেখা হবে। পরীমণির এই পোস্টও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের মধ্যে বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছে। কেউ বিষয়টিকে মজার ছলে নিয়েছেন, আবার কেউ আর্জেন্টিনার হারে তার হতাশার সঙ্গে সহমত প্রকাশ করেছেন।  
পরীমণি