ঢাকা, বাংলাদেশ || সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে টানা হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, পাল্টা জবাব ইরানের

BB Desk

প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩০ এএম
হরমুজ প্রণালিতে টানা হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, পাল্টা জবাব ইরানের। ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে। ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে টানা হামলা চালানোর দাবি করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। একই সময়ে ইরানও হরমুজ প্রণালিতে কয়েকটি জাহাজে হামলা এবং একটি মার্কিন নির্মিত ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে।

বুলেটিন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মার্কিন সামরিক বাহিনীর আঞ্চলিক কমান্ড সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, সোমবার স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে সর্বশেষ হামলা শুরু হয়। তাদের দাবি, হরমুজ প্রণালিতে বেসামরিক মানুষ ও বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর সম্ভাব্য হামলার সক্ষমতা কমিয়ে আনতেই এসব অভিযান চালানো হয়েছে।

অন্যদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ও আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, সোমবার রাতজুড়ে দেশটির দক্ষিণ উপকূলজুড়ে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। বন্দরনগরী বন্দর আব্বাস, কিশ ও কেশম দ্বীপ এবং বুশেহর প্রদেশের জাম শহরে হামলার খবর পাওয়া গেছে।

ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাতে জানানো হয়, বন্দর আব্বাসের পশ্চিমাঞ্চলে একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলেও এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সি দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক নিয়ম লঙ্ঘনকারী কয়েকটি জাহাজে হামলা চালিয়েছে দেশটির বাহিনী। একই সঙ্গে বন্দর আব্বাসের কাছে একটি মার্কিন নির্মিত ড্রোনও ভূপাতিত করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) জানিয়েছে, ওমান উপসাগরের হরমুজ প্রণালিতে তাদের দুটি তেলবাহী ট্যাংকার ইরানের ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইরানের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোর বিরুদ্ধে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, হামলায় মার্কিন প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, জ্বালানি সংরক্ষণ ট্যাংক, নজরদারি টাওয়ার, গোলাবারুদ গুদাম এবং যোগাযোগ ব্যবস্থাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

দারফুরে আদালতে সেনা-ড্রোন হামলায় নিহত ৩৫
আফ্রিকার দেশ সুদানের উত্তর দারফুর অঞ্চলের ‘গারা আল-জাওয়াইয়া’ গ্রামে ঐতিহ্যবাহী একটি গ্রামীণ আদালতের চত্বরে সেনাবাহিনীর ড্রোন হামলায় অন্তত ৩৫ জন নিহত হয়েছেন। এতে আরো বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক গুরুতর আহত হয়েছেন। রবিবার (২ আগস্ট) স্থানীয় সময় দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টা) উত্তর দারফুর রাজ্যের ‘গারা আল-জাওয়াইয়া’ গ্রামের একটি প্রথাগত আদালতে এ হামলা চালানো হয়। রক্তক্ষয়ী এই সুদান গৃহযুদ্ধে উভয় পক্ষের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ওপর নজর রাখা আইনি পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ‘ইমার্জেন্সি লয়ার্স’ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি জানায়, ঘটনার সময় স্থানীয় বিরোধ ও বিভিন্ন মামলা নিষ্পত্তির জন্য একটি গাছের নিচে গড়ে তোলা ঐতিহ্যবাহী আদালত চত্বরে অসংখ্য সাধারণ মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। ঠিক তখনই হঠাৎ আকাশ থেকে বিমান ও ড্রোন হামলা চালানো হয়, যেন আদালত ভবনসংলগ্ন এলাকাটি তছনছ হয়ে যায়। নিরাপত্তাজনিত কারণে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, নিহতদের মধ্যে স্থানীয় চারজন প্রভাবশালী আদিবাসী নেতা ও আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) দুজন কমান্ডারও রয়েছেন। বর্তমানে আক্রান্ত গ্রামটি আরএসএফ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। গারা আল-জাওয়ায়া গ্রামটি কাবকাবিয়া শহরের কাছে এবং দারফুর অঞ্চলের সাবেক সেনাগাঁটি আল-ফাশের থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী অভিযানের পর গত বছরের অক্টোবরে আরএসএফ এই এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয়। জাতিসংঘের মানবাধিকার তদন্তকারীদের মতে, আল-ফাশের দখলের সময় আরএসএফের চালানো হামলায় ‘গণহত্যার স্পষ্ট আলামত’ পরিলক্ষিত হয়েছিল। ২০২৩ সালের এপ্রিলে সেনাপ্রধান জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান ও তার সাবেক মিত্র আরএসএফ প্রধান মোহাম্মদ হামদান দাগালোর মধ্যে রাজনৈতিক ক্ষমতার দ্বন্দ্ব থেকে এই পূর্ণাঙ্গ গৃহযুদ্ধের সূত্রপাত হয়। দীর্ঘ তিন বছরের বেশি সময় ধরে চলা এই সহিংসতায় এরই মধ্যে লক্ষাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। দারফুর অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের কবজায় নেওয়ার পর থেকে উভয় পক্ষই ব্যাপকভাবে ‘ড্রোন যুদ্ধের’ ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসেই উভয় পক্ষের ড্রোন হামলায় ১ হাজারের বেশি নিরীহ বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। এই সংঘাত কোটি কোটি মানুষকে বাস্তুচ্যুত করে আধুনিক বিশ্বের অন্যতম কঠিন মানবিক সংকটে রূপ নিয়েছে।
দারফুরে আদালতে সেনা-ড্রোন হামলায় নিহত ৩৫
এবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইসরাইল
সোমবার ভোরে মিশরে একটা ভূমিকম্প হয়েছে। এর ফলে দক্ষিণ ইসরাইল আর ডেড সি এলাকাতেও নাকি কম্পন টের পাওয়া গেছে। বিষয়টি জানিয়েছে জেরুজালেম পোস্ট। মিশরের ন্যাশনাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড জিওফিজিক্স বলেছে, ভূমিকম্পটার মাত্রা ছিল ৫.৬। এটা হয়েছে সুয়েজ শহর থেকে ৩৮ কিলোমিটার উত্তরে। ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত কোনো মানুষ হতাহত হওয়ার বা সম্পত্তির ক্ষতি হওয়ার খবর তারা পায়নি। মিশরের রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, যেসব প্রদেশে কম্পন টের পাওয়া গেছে, সেখানে তারা তাদের জরুরি সাড়াদান পরিকল্পনা চালু করেছে। তারা মানুষকে বলেছে, যেসব বাড়িতে কাঠামোগত ক্ষতির চিহ্ন দেখা যাচ্ছে, সেগুলো থেকে দূরে থাকতে। সেইসঙ্গে সরকারি হালনাগাদ তথ্যের দিকে নজর রাখতেও বলা হয়েছে। জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস বা জিএফজেড ভূমিকম্পটার মাত্রা মেপেছে ৫.৪। তাদের হিসাবে, এটা মাটির ১০ কিলোমিটার গভীরে হয়েছে। ইসরাইলের অ্যান্ড্রয়েড ফোনে একটা সতর্কবার্তা এসেছিল। সেখানে বলা হয়েছিল, মিশরে রিখটার স্কেলে ৫.৯ মাত্রার একটা ভূমিকম্প হয়েছে। ইসরাইলের হোম ফ্রন্ট কমান্ড সেন্টার বলেছে, ইসরাইলে আরও ভূমিকম্প হতে পারে বলে তারা কোনো সতর্কবার্তা দেয়নি। তারা আরও জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পটা হয়েছে সিনাই উপদ্বীপে।  
এবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইসরাইল
ইন্টারসেপ্টর ফুরিয়ে যাওয়ার ভয়ে ইরানে হামলা স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানে টানা দুই সপ্তাহ ধরে হামলা চালানোর পর গত দুই দিন ধরে সব ধরনের হামলা বন্ধ রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। মূলত ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করার কাজে ব্যবহৃত ‘ইন্টারসেপ্টর ’ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ফুরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। রোববার (২৬ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার শীর্ষ সামরিক উপদেষ্টাদের মধ্যে মিসাইল ইন্টারসেপ্টরের মজুত দ্রুত কমে যাওয়া নিয়ে আলোচনা হয়। ওই আলোচনার পরই সপ্তাহের শেষ দিকে নির্ধারিত বড় ধরনের বিমান হামলার পরিকল্পনা থেকে পিছিয়ে আসে ওয়াশিংটন। এর আগে গত শুক্রবার(২৪ জুলাই) ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছিলেন, ইরানের ওপর বিমান হামলা আরও জোরদার করা হবে। তবে শীর্ষ সামরিক পরামর্শকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকের পর তিনি তার সেই অবস্থান পরিবর্তন করেন।  সংবাদমাধ্যমটিকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দুটি পৃথক সূত্র জানিয়েছে, মার্কিন সামরিক বাহিনীর জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ডেন কেইন ব্যক্তিগতভাবে ট্রাম্পকে পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে ইরানে বড় ধরনের আক্রমণ চালাতে পারে, তবে এর জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও সেনাদের সুরক্ষায় নিয়োজিত ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের মজুত সংকটজনক হারে কমে যেতে পারে। এ ছাড়া ট্রাম্প প্রশাসনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, লাগাতার তীব্র হামলা চালিয়ে ইরানকে আলোচনার টেবিলে বাধ্য করা যাবে কি না, তা নিয়েও হোয়াইট হাউসের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও সন্দেহ তৈরি হয়েছে সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার ফলে ইরানিদের মধ্যে উল্টো জাতীয়তাবাদী ঐক্য জোরদার হয়েছে এবং তারা বিদেশি হুমকি মোকাবিলায় একাট্টা হয়েছেন। উল্লেখ্য, এমন কৌশলগত সংশয়ের মাঝেই গত শুক্রবার ও শনিবার(২৫ জুলাই) রাতে ইরানি ভূখণ্ডে নতুন করে কোনো হামলা চালায়নি মার্কিন বাহিনী।
ইন্টারসেপ্টর ফুরিয়ে যাওয়ার ভয়ে ইরানে হামলা স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রের
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ সাময়িক স্থগিত
ইরানে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা হামলা বন্ধ রেখে শুক্রবার মার্কিন সামরিক বাহিনীকে নতুন কোনো আক্রমণ না চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিষয়টির সাথে পরিচিত দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে অ্যাক্সিওস শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে। গত ১৩ দিন ধরে বিমান হামলার অনুমোদন দেওয়ার পর, ট্রাম্প শুক্রবারের নতুন হামলার পরিকল্পনায় সম্মতি দেননি। তবে এই স্থগিতাদেশ কি সাময়িক, নাকি এটি কোনো বড় নীতির পরিবর্তনের ইঙ্গিত—তা এখনো স্পষ্ট নয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত নির্দেশ করে যে তিনি কূটনৈতিক আলোচনার জন্য আরও পথ খোলা রাখতে চান। পাশাপাশি তিনি মনে করছেন, নতুন করে কোনো বড় ধরনের যুদ্ধে না জড়িয়ে বর্তমান সামরিক হামলার পরিধি ইতোমধ্যে তার সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে গেছে। এদিকে মার্কিন সামরিক বাহিনী সম্ভাব্য সংঘাত বৃদ্ধির প্রস্তুতি অব্যাহত রাখলেও ট্রাম্প এখনো তেমন কোনো পদক্ষেপের নির্দেশ দেননি বলে খবরে উল্লেখ করা হয়েছে। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ট্রাম্প জানান, তিনি এই হামলা অব্যাহত রাখতে বা জোরদার করতে পারেন, যার মধ্যে ইরানের যা কিছু আছে তা পুরোপুরি ধূলিসাৎ করে দেওয়ার ক্ষমতাও রয়েছে। তবে তিনি বলেন, বর্তমানের সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কৌশল হলো ইরানের সাথে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো। ট্রাম্প বলেন, আমরা এখন তাদের (ইরানিদের) সাথে কথা বলছি। আমার মনে হয় দিন যত যাচ্ছে, তারা বিষয়টি নিয়ে তত বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। আমরা শতভাগ প্রস্তুত ('লকড অ্যান্ড লোডেড') এবং যেকোনো পদক্ষেপে রাজি আছি, তবে বর্তমানে আমরা তাদের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। পরবর্তীতে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নৈশভোজে ট্রাম্প মন্তব্য করেন যে, ইরান কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে এখনো প্রস্তুত বলে তিনি মনে করেন না, "তবে আমি তাদের কথা শুনতে রাজি আছি। সূত্র: দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ সাময়িক স্থগিত
মধ্যপ্রাচ্য ভ্রমণ এড়াতে নাগরিকদের সতর্কবার্তা যুক্তরাষ্ট্রের
মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার কারণে মার্কিন নাগরিকদের ওই অঞ্চলে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর।  এক বৈশ্বিক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল। যে কোনো সময় অপ্রত্যাশিতভাবে উত্তেজনা আরও বেড়ে যেতে পারে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন। যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ইরানের ওপর নতুন করে হামলা চালানো এবং ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের লোহিত সাগরে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও বেড়েছে।  এ অবস্থায় নাগরিকদের মধ্যপ্রাচ্য ভ্রমণ এড়াতে এমন সতর্কবার্তা দিল যুক্তরাষ্ট্র।  পাররাষ্ট্র দপ্তরের জারি করা ওই সতর্কবার্তায় বর্তমানে যারা মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করছেন, তাদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকারও আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য ফ্লাইট বাতিল, সময়ে সময়ে আকাশপথ বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং ভ্রমণে বিঘ্ন ঘটার জন্য প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, এ অঞ্চলের কয়েকটি বিমান সংস্থা আগে স্থগিত করা ফ্লাইট পুনরায় চালুর পরিকল্পনা পিছিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি কিছু সংস্থা নির্দিষ্ট কয়েকটি রুটের ফ্লাইটও বাতিল করেছে।
মধ্যপ্রাচ্য ভ্রমণ এড়াতে নাগরিকদের সতর্কবার্তা যুক্তরাষ্ট্রের