ঢাকা, বাংলাদেশ || সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

চতুর্থ হয়ে ফ্রান্সের আয় ৩৩২ কোটি, তৃতীয় হয়ে ইংল্যান্ড পেল কত

Desk

প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২৬, ১১:১৫ এএম

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে হতাশার হারেও বড় অঙ্কের আর্থিক পুরস্কার পাচ্ছে ফ্রান্স। পূর্ব নির্ধারিত প্রাইজমানি অনুযায়ী চতুর্থ দল হিসেবে আসর শেষ করে তারা পাবে ২৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৩২ কোটি টাকার বেশি। স্বাভাবিকভাবেই তাদের তুলনায় বেশি পাবে ইংল্যান্ড।

বুলেটিন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

রোববার (১৯ জুলাই) মায়ামিতে রোমাঞ্চকর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জয়ের পাশাপাশি ২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পুরস্কার নিশ্চিত করেছে থ্রি লায়ন্সরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ৩৫৭ কোটি টাকার বেশি। অর্থাৎ এ ম্যাচ জিতলেও দুদলের আয়ে খুব বেশি পার্থক্য নেই।

২০২৬ বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর। প্রথমবারের মতো ৪৮ দল নিয়ে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে ফিফা মোট ৬৫৫ মিলিয়ন ডলার প্রাইজমানি বরাদ্দ করেছে, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। প্রতিটি দলের টুর্নামেন্টে কতদূর অগ্রগতি হয়েছে, তার ওপর ভিত্তি করে ৯ মিলিয়ন থেকে সর্বোচ্চ ৫০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পুরস্কার নির্ধারণ করা হয়েছে।

এখন বাকি শুধু ফাইনাল। রোববার নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেন। এই ম্যাচের বিজয়ী দল পাবে ৫০ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৬১৫ কোটি টাকা), আর রানার্সআপ দল ঘরে তুলবে ৩৩ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৪০৬ কোটি টাকা)।

এক নজরে ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রাইজমানি

  • চ্যাম্পিয়ন: ৫০ মিলিয়ন ডলার
  • রানার্সআপ: ৩৩ মিলিয়ন ডলার
  • তৃতীয় স্থান: ২৯ মিলিয়ন ডলার (ইংল্যান্ড)
  • চতুর্থ স্থান: ২৭ মিলিয়ন ডলার (ফ্রান্স)
  • কোয়ার্টার ফাইনাল (৫ম-৮ম): ১৯ মিলিয়ন ডলার
  • শেষ ১৬ (৯ম-১৬তম): ১৫ মিলিয়ন ডলার
  • শেষ ৩২ (১৭তম-৩২তম): ১১ মিলিয়ন ডলার
  • গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় (৩৩তম-৪৮তম): ৯ মিলিয়ন ডলার


এছাড়া টুর্নামেন্ট শুরুর আগে প্রস্তুতি ব্যয় হিসেবে অংশ নেয়া ৪৮টি দলই অতিরিক্ত ১.৫ মিলিয়ন ডলার করে পেয়েছে। বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা পেয়েছিল ৪২ মিলিয়ন ডলার, আর ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে শিরোপাজয়ী ফ্রান্সের প্রাপ্তি ছিল ৩৮ মিলিয়ন ডলার। এবার সেই অঙ্ক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ মিলিয়ন ডলারে, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

ফলে শিরোপার গৌরবের পাশাপাশি ২০২৬ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আর্থিক পুরস্কার নিয়েও ঘরে ফিরবে।

বিশ্বকাপের সেরা একাদশ ঘোষণা ফিফার, আছেন কারা?
সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপের বর্ষসেরা একাদশ ঘোষণা করেছে ফিফা। প্রত্যাশিতভাবেই আক্রমণভাগে আছেন লিওনেল মেসি। তার সঙ্গে আছেন আরও দুই ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপে ও আর্লিং হলান্ড। সমর্থকদের ভোটে নির্বাচিত এই একাদশে সবচেয়ে বেশি তিনজন করে জায়গা পেয়েছেন স্পেন ও ফ্রান্সের। রানার্সআপ আর্জেন্টিনা থেকে আছেন দুজন। এ ছাড়া ইংল্যান্ড, নরওয়ে ও কেপ ভার্দের একজন করে ফুটবলার জায়গা পেয়েছেন। ব্রাজিলের কেউ বা স্পেনের লামিনে ইয়ামাল এই একাদশে নেই। ৪-৩-৩ ছকে সাজানো এই দলে গোলরক্ষকের দায়িত্ব পেয়েছেন কেপ ভার্দের ভোজিনিয়া। প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে আসা আফ্রিকান দলটির হয়ে দুর্দান্ত সব সেভ করে টুর্নামেন্টের অন্যতম চমক হয়ে ওঠেন তিনি। একাদশে জায়গা পাওয়া খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩৯.৬% শতাংশ ভোটও পেয়েছেন ভোজিনিয়াই। রক্ষণভাগে জায়গা পেয়েছেন স্পেনের মার্ক কুকুরেয়া ও পেদ্রো পোরো, আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ এবং ফ্রান্সের দায়ো উপামেকানো। পুরো টুর্নামেন্টে এক মিনিটও মিস না করা কুকুরেয়া দুটি অ্যাসিস্ট করেছেন। স্পেনও বিশ্বকাপ জেতার পর পথে পুরো আসরে মাত্র এক গোল হজম করে সাতটি ক্লিন শিট রেখেছে। মাঝমাঠে জায়গা পেয়েছেন স্পেনের রদ্রি, ফ্রান্সের মাইকেল ওলিসে এবং ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহ্যাম। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেনের মাঝমাঠের প্রাণভোমরা ছিলেন রদ্রি। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গোল্ডেন বলও জিতেছেন তিনি। সেমিফাইনালে খেলা ফ্রান্সের হয়ে ৭টি অ্যাসিস্ট করেছেন ওলিসে। অন্যদিকে বেলিংহাম ইংল্যান্ডের হয়ে করেছেন সাত গোল। আক্রমণভাগে জায়গা পেয়েছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি, ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং নরওয়ের আর্লিং হলান্ড। ১০ গোল করে গোল্ডেন বুট জেতা এমবাপ্পে টুর্নামেন্টে চারটি অ্যাসিস্ট করেছেন। টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জেতার পথে বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতাও এখন এমবাপ্পেই। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯.৬% ভোট পেয়েছেন এই ফরাসি তারকা। অন্যদিকে ৩৯ বছর বয়সেও আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলতে বড় ভূমিকা রাখেন মেসি। পুরো টুর্নামেন্টে করেন ৮ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট। আর নরওয়ের বিশ্বকাপযাত্রা শেষ আটে থেমে গেলেও এর মধ্যেই সাত গোল করেন হলান্ড। ফিফার বিশ্বকাপ সেরা একাদশ গোলরক্ষক: ভোজিনিয়া (কেপ ভার্দে) রক্ষণভাগ: পেদ্রো পোরো (স্পেন), দায়ো উপামেকানো (ফ্রান্স), লিসান্দ্রো মার্তিনেজ (আর্জেন্টিনা), মার্ক কুকুরেয়া (স্পেন) মাঝমাঠ: রদ্রি (স্পেন), মাইকেল ওলিসে (ফ্রান্স), জুড বেলিংহাম (ইংল্যান্ড) আক্রমণভাগ: লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা), আর্লিং হলান্ড (নরওয়ে), কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স)
বিশ্বকাপের সেরা একাদশ ঘোষণা ফিফার, আছেন কারা?
ফাইনাল শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে ইয়মালের বার্তায় আলোচনার ঝড়
বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে ফুটবলারদের অনেকেই নিজের মতো করে মানসিক প্রস্তুতি নেন। কেউ পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান, কেউ আবার স্মরণ করেন শুরুর দিনগুলো। স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামালও বেছে নিয়েছেন সেই পথই। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালের কয়েক ঘণ্টা আগে ইনস্টাগ্রামে শৈশবের একটি ছবি প্রকাশ করেছেন ১৯ বছর বয়সী এই উইঙ্গার।  ছবির সঙ্গে ইংরেজিতে লিখেছেন, ‘For you and for the streets’। অর্থাৎ, (তোমাদের জন্য এবং আমার শিকড়ের জন্য)। এই বার্তার মাধ্যমে নিজের বেড়ে ওঠার এলাকা রোকাফোন্দার প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ইয়ামাল। ছবিতে ছোট্ট ইয়ামালকে দেখা যায় তার শৈশবের ক্লাব লা তোরেতার জার্সিতে।  পোস্টে তিনি যুক্ত করেছেন স্প্যানিশ র‌্যাপার মোরাদের একটি গানও। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নিজের জন্মস্থান রোকাফোন্দার পরিচয় গর্বের সঙ্গে তুলে ধরেন ইয়ামাল। এমনকি ম্যাচে যে হেডব্যান্ড ব্যবহার করেন, সেখানেও লেখা থাকে রোকাফোন্দার নাম। ফাইনালের আগে দেওয়া এই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অনেক সমর্থকের কাছে এটি শুধু একটি ছবি নয়, বরং জীবনের সবচেয়ে বড় ম্যাচের আগে নিজের শিকড়কে স্মরণ করার প্রতীকী বার্তা। অবশ্য এবারের বিশ্বকাপের শুরুটা ইয়ামালের জন্য সহজ ছিল না। ইনজুরির কারণে প্রথম দিকে প্রত্যাশামতো খেলতে পারেননি। তবে ধীরে ধীরে ছন্দ ফিরে পেয়ে নকআউট পর্বে আবারও স্পেনের প্রথম একাদশে জায়গা করে নেন। চলতি আসরে এখন পর্যন্ত সৌদি আরবের বিপক্ষে একটি গোল করেছেন ইয়ামাল। পাশাপাশি দুটি ম্যাচে হয়েছেন ম্যাচসেরা।
লামিনে ইয়ামাল
বিশ্বকাপে ফাইনাল ম্যাচসহ টিভিতে আজ যত খেলা
বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে হাইভোল্টেজ ম্যাচ রয়েছে আজ রোববার (১৯ জুলাই)। ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালের লড়াইয়ে রাতে মাঠে নামবেন আর্জেন্টিনা ও স্পেন। অন্যদিকে রয়েছে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে শেষ টি-টুয়েন্টি ম্যাচ। বিশ্বকাপ ফুটবল: ফাইনাল আর্জেন্টিনা-স্পেন রাত ১টা, বিটিভি, টি স্পোর্টস ও সময় ৩য় টি-টুয়েন্টি বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে বিকেল ৪-৩০ মি., টি স্পোর্টস ও নাগরিক ৩য় ওয়ানডে ইংল্যান্ড-ভারত বিকেল ৪টা, সনি স্পোর্টস ১ ও ৫ ৪র্থ ওয়ানডে ওয়েস্ট ইন্ডিজ-নিউজিল্যান্ড রাত ৮টা, ফ্যানকোড
বিশ্বকাপে ফাইনাল ম্যাচসহ টিভিতে আজ যত খেলা
স্পেনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ
২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা। শিরোপা ধরে রাখার এ ম্যাচে রোববার (২০ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মাঠে নামবে দুই দল। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে অপরাজিত থাকা লিওনেল স্কালোনির দল ফাইনালেও পরিচিত ছকেই মাঠে নামতে পারে। স্কালোনি ৪-৪-২ ফরমেশনেই আস্থা রাখবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। গোলপোস্টে থাকবেন নির্ভরযোগ্য এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। রক্ষণভাগে নাহুয়েল মলিনা, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ও নিকোলাস তালিয়াফিকোকে দেখা যেতে পারে। মাঝমাঠে লিয়ান্দ্রো পারেদেসের সঙ্গে থাকবেন রদ্রিগো দে পল, এনজো ফার্নান্দেজ ও আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। এই চারজনের ওপরই থাকবে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার দায়িত্ব। আক্রমণভাগে অধিনায়ক লিওনেল মেসির সঙ্গে জুটি বাঁধবেন হুলিয়ান আলভারেজ। চলতি বিশ্বকাপে মেসি ইতোমধ্যে ৮ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট করেছেন। অন্যদিকে আলভারেজও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে গোল করে দলকে ফাইনালে তুলতে বড় ভূমিকা রেখেছেন। আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ: গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। ডিফেন্ডার: নাহুয়েল মলিনা, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, নিকোলাস তালিয়াফিকো। মিডফিল্ডার: রদ্রিগো দে পল, এনজো ফার্নান্দেজ, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। ফরোয়ার্ড: লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেজ।
স্পেনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ
১০ গোলের রোমাঞ্চে ফ্রান্সকে হারিয়ে তৃতীয় ইংল্যান্ড
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে গোলবন্যার এক অবিশ্বাস্য লড়াইয়ে ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়ে তৃতীয় স্থান দখল করেছে ইংল্যান্ড। মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে রোববার (১৯ জুলাই) অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমার্ধে ৪-০ গোলে এগিয়ে থেকেও দ্বিতীয়ার্ধে তীব্র চাপে পড়েছিল থ্রি লায়ন্সরা। তবে বুকায়ো সাকার হ্যাটট্রিক ও জুড বেলিংহ্যামের যোগ করা সময়ের গোলে শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করে টমাস টুখেলের দল। ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই ডেকলান রাইস গোল করে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন। ১৯ মিনিটে এজরি কনসা ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। এরপর ৩৭ ও ৪৫+১ মিনিটে জোড়া গোল করে প্রথমার্ধেই দলকে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন সাকা। বিরতির পরই ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে ফ্রান্স। ৪৮ মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পে গোল করে ব্যবধান কমান। ৫৪ মিনিটে ব্র্যাডলি বারকোলা স্কোরলাইন ৪-২ করেন। ৬৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে এমবাপ্পে ম্যাচে ফেরার আশা জাগান ফ্রান্সের। তবে ৮৫ মিনিটে জেড স্পেন্সকে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড। স্পটকিক থেকে গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন সাকা এবং ব্যবধান ৫-৩ করেন। যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে উসমান দেম্বেলে আবারও ফ্রান্সকে ম্যাচে ফেরালেও, দুই মিনিট পর দুর্দান্ত একক প্রচেষ্টায় গোল করে ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করেন বদলি হিসেবে নামা জুড বেলিংহ্যাম। এই ম্যাচে জোড়া গোল করে বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা ১০-এ নিয়ে যান এমবাপ্পে। তাতে লিওনেল মেসিকে (৮ গোল) পেছনে ফেলে আবারও গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এগিয়ে যান তিনি। একইসঙ্গে নিজের বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারে মোট ২২ গোল করে বনে যান টুর্নামেন্টটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা। ২১ গোল করে তার পেছনে মেসি। অন্যদিকে মাইকেল অলিসে দুটি অ্যাসিস্ট করে বিশ্বকাপে নিজের মোট অ্যাসিস্ট সংখ্যা ৬-এ উন্নীত করেন। প্রথমার্ধে ছন্নছাড়া ফুটবল খেলা ফ্রান্স দ্বিতীয়ার্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ালেও শেষ পর্যন্ত তা জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়নি। অন্যদিকে সমালোচনার মুখে থাকা টমাস টুখেল একাধিক পরিবর্তন এনে তরুণদের সুযোগ দিয়ে দারুণ সাড়া পান। ১০ গোলের রুদ্ধশ্বাস এই লড়াই শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ম্যাচ হিসেবেই স্মরণীয় হয়ে থাকল।  
১০ গোলের রোমাঞ্চে ফ্রান্সকে হারিয়ে তৃতীয় ইংল্যান্ড