
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে হতাশার হারেও বড় অঙ্কের আর্থিক পুরস্কার পাচ্ছে ফ্রান্স। পূর্ব নির্ধারিত প্রাইজমানি অনুযায়ী চতুর্থ দল হিসেবে আসর শেষ করে তারা পাবে ২৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৩২ কোটি টাকার বেশি। স্বাভাবিকভাবেই তাদের তুলনায় বেশি পাবে ইংল্যান্ড।
রোববার (১৯ জুলাই) মায়ামিতে রোমাঞ্চকর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জয়ের পাশাপাশি ২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পুরস্কার নিশ্চিত করেছে থ্রি লায়ন্সরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ৩৫৭ কোটি টাকার বেশি। অর্থাৎ এ ম্যাচ জিতলেও দুদলের আয়ে খুব বেশি পার্থক্য নেই।
২০২৬ বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর। প্রথমবারের মতো ৪৮ দল নিয়ে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে ফিফা মোট ৬৫৫ মিলিয়ন ডলার প্রাইজমানি বরাদ্দ করেছে, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। প্রতিটি দলের টুর্নামেন্টে কতদূর অগ্রগতি হয়েছে, তার ওপর ভিত্তি করে ৯ মিলিয়ন থেকে সর্বোচ্চ ৫০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পুরস্কার নির্ধারণ করা হয়েছে।
এখন বাকি শুধু ফাইনাল। রোববার নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেন। এই ম্যাচের বিজয়ী দল পাবে ৫০ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৬১৫ কোটি টাকা), আর রানার্সআপ দল ঘরে তুলবে ৩৩ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৪০৬ কোটি টাকা)।
এছাড়া টুর্নামেন্ট শুরুর আগে প্রস্তুতি ব্যয় হিসেবে অংশ নেয়া ৪৮টি দলই অতিরিক্ত ১.৫ মিলিয়ন ডলার করে পেয়েছে। বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা পেয়েছিল ৪২ মিলিয়ন ডলার, আর ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে শিরোপাজয়ী ফ্রান্সের প্রাপ্তি ছিল ৩৮ মিলিয়ন ডলার। এবার সেই অঙ্ক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ মিলিয়ন ডলারে, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
ফলে শিরোপার গৌরবের পাশাপাশি ২০২৬ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আর্থিক পুরস্কার নিয়েও ঘরে ফিরবে।




