
গত ২৪ ঘণ্টায় বরগুনা জেলায় রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের তিন নেতাকর্মীকে আটক ও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে আমতলী উপজেলায় ছাত্রলীগের দুই কর্মীকে গ্রেপ্তার এবং বামনা উপজেলায় আওয়ামী লীগের এক নেতাকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে বামনা উপজেলার চালিতাবুনিয়া এলাকা থেকে বামনা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দীন পিন্টুকে আটক করে বামনা থানা পুলিশ।
বামনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফারুক হোসেন খান বলেন, রাজনৈতিক কার্যক্রম চালানোর অভিযোগে জসীম উদ্দীন পিন্টুকে আটক করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে কোনো নিয়মিত মামলা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আগে শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোরে আমতলী উপজেলায় পৃথক অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের দুই কর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন আমতলী উপজেলা ছাত্রলীগের কর্মী মো. সাগর মাহমুদ নিশান (২৩) ও মো. রাকিবুল ইসলাম গাজী (২৮)।
সাগর মাহমুদ নিশান আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামের মো. মিজানুর রহমানের ছেলে। অন্যদিকে রাকিবুল ইসলাম গাজী চাওড়া ইউনিয়নের চাওড়া চলাভাঙ্গা (চাওড়া লোদা) এলাকার মৃত নুরুজ্জামান গাজীর ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে সাগর মাহমুদ নিশানকে তাঁর বসবাসের এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রাত ৩টা ১৫ মিনিটের দিকে রাকিবুল ইসলাম গাজীকে তাঁর নিজ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার দুইজন এর আগে আমতলীর বিভিন্ন এলাকায় একাধিক মিছিল ও সভায় অংশ নেওয়ার পাশাপাশি নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁরা আমতলী থানায় ২০২৫ সালের ৭ অক্টোবর দায়ের করা একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াকুব হোসাইন বলেন, ওই মামলায় গ্রেপ্তার দুইজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।




