
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে এক নারীর রাজনৈতিক পরিচয় জোরপূর্বক পরিবর্তন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ওপর দায় চাপানোর অপচেষ্টার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ভোলাহাট উপজেলা জামায়াতে ইসলামী। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সন্ধায় উপজেলা জামায়াতের দলীয় অফিসে ভোলাহাট উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মো. শামসুজ্জামান ও সেক্রেটারি মো. তৌহিদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবাদ জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৬ আগস্ট উপজেলার পঞ্চনন্দুপুর গ্রামে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে অর্থ টাকা নেওয়ার সময় এক নারীকে স্থানীয় জনগণ আটক করে। আটককৃত নারী নিজেকে বিএনপি কর্মী বলে পরিচয় দেন।
পরবর্তীতে ভোলাহাট উপজেলা বিএনপি নেতা ও দলদলী ইউনিয়ন পরিষদের ওয়ার্ড সদস্য আবদুর রহমান জুয়েল ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহবাহয় মহসিন আরাফাত সানিসহ কয়েকজন ওই নারীর রাজনৈতিক পরিচয় জানার পর তাকে জোরপূর্বক জামায়াতে ইসলামীর 'রুকন' হিসেবে পরিচয় দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
উপজেলা জামায়াতে ইসলামী এ ঘটনাকে ন্যাক্কারজনক, অনৈতিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে আখ্যায়িত করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপি নেতা আবদুর রহমান জুয়েলের এই ধরণের আচরণের বিষয়ে বিএনপি সংগঠনের কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি এবং প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
একই সাথে ভোলাহাট উপজেলা প্রশাসনের প্রতি ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উন্মোচন এবং কোনো নিরীহ ব্যক্তি যেন রাজনৈতিক হয়রানির শিকার না করা হয় সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান জামায়াত নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে ভোলাহাট উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নেত্রবিন্দুর উপস্থিত ছিলেন।




