
রাজারহাট উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ধান, আলু, ভুট্টা, সবজিসহ বিভিন্ন ফসলে পোকামাকড় ও রোগ দেখা দিলেই অনেক কৃষক নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি পরিমাণে সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক বেশি প্রয়োগ করেন। কেউ কেউ দ্রুত ফল পাওয়ার আশায় একই জমিতে একাধিক ধরনের বালাইনাশকও ব্যবহার করছেন।
এতে একদিকে বাড়ছে কৃষকের উৎপাদন খরচ, অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদে মাটির স্বাস্থ্য ও উর্বরতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মাটির উপকারী অণুজীব ও পোকামাকড় কমে যাওয়ায় জমির স্বাভাবিক ভারসাম্যও নষ্ট হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা।
স্থানীয় কৃষক গণী মিয়া জানান, দোকানদারের কাছে ঔষধ কিনতে গেলে তারা আমাদের যেটা ব্যবহার করতে বলে আমরা সেটাই করি।কোনটা জমির ক্ষতি আর কোনটা ক্ষতি নয় সে ব্যপারে আমাদের ধারণা নেই।
কীটনাশক বিক্রেতা হাসান মিয়া বলেন,কৃষক এসে এমন ঔষধ চান যাতে পোকার বংশ ধ্বংস হয়। কৃষকের চাহিদার বাইরে গেলে বলে ঔষধ কাজ করেনা দুই নম্বর ঔষধ। ফলে বাধ্য হয়ে সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের ঔষধ দিতে হয়।
এ বিষয়ে রাজারহাট উপজেলার অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা হৈমন্তী রানী বলেন, সরকার ইতোমধ্যে কীটনাশক এর ব্যবহার সীমিত করতে ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন। এছাড়াও কৃষকদের কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে জৈব সার ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছি আমরা।




