
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের পল্লীতে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগে রকি হোসেন (২৫) নামের এক যুবককে গণপিটুনী দিয়ে অস্ত্রসহ ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের সিরাজনগর বেলতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
রকি হোসেন ওই এলাকার মৃত বজলুর রহমানের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, সিরাজনগর এলাকায় মাদকসেবী ও কারবারিদের উৎপাত বাড়ায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী রাতে মাদকবিরোধী একটি বিক্ষোভ মিছিল করে। সেসময় সিরাজনগর এলাকায় একটি বাঁশবাগানে মাদক সেবন ও বেচা বিক্রি চলছে এমন খবরে স্থানীয় কয়েকজন সেখানে যায়।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, তাঁদের উপস্থিতি বুঝতে পেরে রকি হোসেনসহ তাঁর আরও ৮-১০ জন সহযোগী আতঙ্ক সৃষ্টি করতে ফাঁকা গুলি ছোড়ে এবং একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। পরে ক্ষিপ্ত হয়ে স্থানীয়রা তাঁদের ধাওয়া দিলে তারা পালিয়ে যাবার সময় রকিকে অস্ত্রসহ স্থানীয়রা ধরে ফেলে। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাকে এলাপাতাড়ি মারপিট করলে সে আহত হয়।
খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এবং আহত রকিকে উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। পুলিশ তাঁর কাছ থেকে ম্যাগজিন সহ একটি বিদেশি পিস্তল, একটি রামদা ও একটি ককটেল জব্দ করেছে।
ফিলিপনগর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান একরামুল হক জানায়, এলাকায় মাদকবিরোধী মিছিল চলছিল। এর মধ্যে রাতে ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দে ঐ এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, অস্ত্র ও বিস্ফোরকসহ এক যুবককে স্থানীয় জনতা ধরে পুলিশে দিয়েছে। গণপিটুনিতে আহত হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা মামলা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে আরও কারা জড়িত তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।




