
কথিত কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দিয়ে তা আবার সিলগালা করে দিলেন। ঘটনাটি ঘটেছে, গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী এম এ খালেক কলেজে।
স্থানীয় এবং কলেজ সূত্রে জানাগেছে, কাশিয়ানী উপজেলা সদরে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী এম এ খালেক বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ কে এম মাহমুদের শেষ কর্ম দিবস গত ৩ সেপ্টেম্বর শেষ হয়। তিনি যথা নিয়মে প্রতিষ্ঠিানের সিনিয়র সহকারি অধ্যাপক মোঃ সেলিম সরদার কে লিখিত ভাবে একটি চিঠি করে ক্ষমতা অর্পণ করেন। প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মচারিরা যথা নিয়মে অধ্যক্ষর রুমসহ সকল রুমে তালা দিয়ে চলে যান।
এ সময়ে প্রতিষ্ঠিানের সাবেক সভাপতি সরদার নূরুজ্জামান এবং সাবেক বিদোৎশাহী সদস্য সোহানুর রহমান সোহান স্থানীয় কিছু লোক নিয়ে অধ্যক্ষের রুমে তালা দিয়ে তা আবার সিলগালা করে দেয়।
এ ব্যাপারে সাবেক সভাপতি সরদার নূরুজ্জামান তালা দেবার কথা স্বীকার করে বলেন, অধ্যক্ষের শেষ কর্ম দিবসে তিনি কাউকে কোন দ্বায়িত্ব বুঝিয়ে না দিয়ে চলে গেছেন। কলেজ অরক্ষিত মনে করে নিজ দ্বায়িত্বে তালা সিলগালা করে দিয়েছি।
সাবেক সভাপিতির বক্তব্য অসত্য দাবী করে অধ্যক্ষ চলতি দ্বায়িত্ব মোঃ সেলিম সরদার এ প্রতিবেদককে বলেন,সাবেক অধ্যক্ষ বিধি মোতাবেক চিঠি করে দ্বায়িত্ব দিয়েছেন। আমরা কলেজে এসে অধ্যক্ষের রুম সিলগালা করা অবস্থায় পেয়েছি।
তালা দেবার চার দিনপর বেলা সাড়ে ১২ টায় সাবেক সভাপতি সরদার নূরুজ্জামানের আপন ছোট ভাই (অফিস সহায়ক মাস্টার রোল) মোঃ নূর ইসলাম তালা খুলে দেয়। এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন, প্রভাষক মোঃ নূরুজ্জামান তালুকদার, ল্যাব সহকারি মোঃ রকিব ফকির,অফিস সহায়ক মোসাঃ সেলিনা বেগম।
অধ্যক্ষ চলতি দ্বায়িত্ব মোঃ সেলিম সরদার বলেন,তিনি এখন সভাপতি নেই। আদালতে মামলা চলছে। অধ্যক্ষ সাবেক সভাপতি ও তার অফিস সহায়ক ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন এবং বলেন অফিসের কিছু গুরুত্বপূর্ণ খাতাপত্র তারা নিয়ে যায়। তবে তিনদিন পরে ফেরত দেয়। একাদিশ শ্রেণীতে শিক্ষার্থীদের ভর্তির ঠিক অগে এ ধরনের ঘটনায় কলেজটি পড়েছে চরম বিপাকে।




