
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে শীত মৌসুম শুরুর আগেই বাজারে উঠতে শুরু করেছে আগাম ফুলকপি। ভালো দাম পাওয়ায় লাভের আশায় হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে।
উপজেলার বাহাগিলী ইউনিয়নের উত্তর দুরাকুটি খামালটারি গ্রামের কৃষক বেলাল হোসেন এবার তিন বিঘা জমিতে অতি আগাম ফুলকপির চাষ করেছেন। আষাঢ় মাসে রংপুরের শলেয়াশাহ এলাকার একটি নার্সারি থেকে ১৮ হাজার রাজবল জাতের চারা কিনে জমিতে রোপণ করেন তিনি। বন্যা, খরা ও অনাবৃষ্টির কারণে নির্ধারিত সময়ের কিছুটা পরে ৭০ দিনের মাথায় ফুলকপি বাজারজাত শুরু করেন।
ইতোমধ্যে ক্ষেত থেকে ফুলকপি তুলে স্থানীয় বাজারসহ জলঢাকা, টেংগনমারী, ডোমার ও ডিমলার বিভিন্ন হাট-বাজারে সরবরাহ করছেন তিনি। বর্তমানে প্রতি কেজি ফুলকপি ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৮০ হাজার টাকার ফুলকপি বিক্রি করেছেন বেলাল। তিন বিঘা জমিতে তার মোট খরচ হয়েছে প্রায় দুই লাখ টাকা। বাজারদর ভালো থাকলে খরচ বাদে প্রতি বিঘায় এক লাখ থেকে সোয়া লাখ টাকা লাভের আশা করছেন তিনি।
কৃষক বেলাল হোসেন বলেন, আগাম ফুলকপি চাষে ঝুঁকি থাকলেও মৌসুমের আগে বাজারে সরবরাহ কম থাকায় দাম বেশি পাওয়া যায়। তাই কয়েক বছর ধরে তিনি আগাম ফুলকপি চাষ করে আসছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লোকমান আলম জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৩০ হেক্টর জমিতে সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আগাম ফুলকপি চাষ করে কৃষক বেলাল হোসেন ইতোমধ্যে ভালো সাড়া পেয়েছেন। বাজারদর ঠিক থাকলে তিনি আশানুরূপ লাভবান হবেন।




