
ঝালকাঠির রাজাপুরে সরকারি রেকর্ডভুক্ত খাল মাটি দিয়ে ভরাট করে দখলের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নকশা ও সার্ভেয়ার নিয়ে সরেজমিনে তদন্ত করে খালের সীমানা নির্ধারণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরি। এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শামীম রেজা সজিব উপস্থিত ছিলেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সাতুরিয়া ইউনিয়নের জেএল নম্বর-১ সাতুরিয়া মৌজার বিএস রেকর্ডভুক্ত ৩৮১৩ ও ৩৮৩২ নম্বর দাগের সরকারি খালের পশ্চিমাংশ মাটি দিয়ে ভরাট করে দখল করা হয়েছে। সেখানে পাকা দালান, বসতবাড়ি ও বাগান গড়ে তোলার অভিযোগ রয়েছে। খালটি দখলমুক্ত ও পুনঃখননের দাবিতে গত ২৫ এপ্রিল জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন সাতুরিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ আনোয়ার হোসেন খন্দকার।
স্থানীয় মোঃ সমশের আলী বলেন, ২০০৮ সালে জানে আলম নামে এক ব্যক্তি ওই এলাকায় পুকুর খনন করেন। সেই পুকুরের মাটি দিয়ে সাবেক সেনা সদস্য মোঃ লুৎফুর রহমান খালটি ভরাট করেন। তখন খালটি মরা অবস্থায় ছিল।
ইউএনও রিফাত আরা মৌরি বলেন, সরেজমিন তদন্তে খাল ভরাটের সত্যতা পাওয়া গেছে। পরিমাপ করে খালের সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা চাওয়া হবে এবং নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




