
২১ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করার পর আদালতে হাজির করা হয়। রাখা হয় আদালতের হাজতে। কিন্তু নিরাপত্তাবেষ্টিত সেই হাজত থেকেই কৌশলে পালিয়ে গেলেন মাদক মামলার আসামি কয়েছ মিয়া (২৮)।
কয়েক ঘণ্টার মধ্যে শিবপাশা থেকে তাকে আবার গ্রেপ্তার করা হলেও প্রশ্ন উঠেছে আদালতের হাজতের ভেতর থেকে একজন আসামি কীভাবে পালানোর সুযোগ পেলেন? হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুক্রবার এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজমিরীগঞ্জ থানার পুলিশ উপজেলার জলসুখা ইউনিয়নের নোয়াগড় গ্রামে অভিযান চালায়। এ সময় আকিবুর মিয়ার ছেলে কয়েছ মিয়াকে ২১ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।
পরদিন শুক্রবার বিকেল ৩ টার দিকে তাকে আজমিরীগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়। আদালতের হাজতে তাকে রেখে আসেন কোর্ট পুলিশের দায়িত্বে থাকা এএসআই সুমন পাল। এরপর কোনো একপর্যায়ে হাজত থেকে পালিয়ে যান কয়েছ।
আসামি পালিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়ার পর তাকে ধরতে তৎপরতা শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী একাধিক বাহিনী। বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানোর একপর্যায়ে রাতে শিবপাশা এলাকা থেকে কয়েছ মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ বিষয়ে কোর্ট পুলিশের দায়িত্বে থাকা পেরেস্কার এএসআই সুমন পালের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তিনি ফোন ধরেননি।
আজমিরীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) বিশ্বজিৎ পাল বলেন, ২১ পিস ইয়াবাসহ কয়েছ মিয়াকে আটক করে শুক্রবার বিকেল ৩টায় আদালতে পাঠানো হয়েছিল। সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর রাতে শিবপাশা থেকে তাকে আটক করা হয়েছে।
জেলা কোর্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর আফছর উদ্দিন আহমদ বলেন, কোর্ট হাজত থেকে আসামি পালিয়েছিল। পরে রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।




