
অপরাধ দমন, মামলা তদন্ত, আসামি গ্রেপ্তার, সাজাপ্রাপ্ত আসামির ওয়ারেন্ট তামিল ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নওগাঁ জেলা পুলিশের পাঁচ কর্মকর্তাকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের পদ্মা কনফারেন্স হলে আগস্ট ২০২৬ মাসের মাসিক অপরাধ সভা ও রেঞ্জ কনফারেন্সে তাদের এ সম্মাননা দেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ। এতে নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামসহ রাজশাহী রেঞ্জের আট জেলার পুলিশ সুপার, ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট এবং অতিরিক্ত ডিআইজিরা উপস্থিত ছিলেন।
সম্মাননা পাওয়া কর্মকর্তারা হলেন,ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিন্টু রহমান, মান্দা থানার ওসি মো. খোরশেদ আলম,নওগাঁ জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) এসআই মো. মিজানুর রহমান, এসআই মশিউর রহমান এবং পোরশা থানার এএসআই মো. তৌহিদুল ইসলাম।
মো. মিন্টু রহমান হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, তিন আসামি গ্রেপ্তার এবং তিন আসামির ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা পান।
মান্দা থানার ওসি মো. খোরশেদ আলম পেশাগত দায়িত্ব ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সম্মাননা স্মারক পেয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি রাজশাহী রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে নির্বাচিত ও পুরস্কৃত হয়েছেন।
ডিবির এসআই মো. মিজানুর রহমান দস্যুতা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, দুই আসামি গ্রেপ্তার, তাদের ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ এবং দস্যুতার কাজে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস উদ্ধারের স্বীকৃতি পেয়েছেন।
এসআই মশিউর রহমান মাদকবিরোধী অভিযানে ৪২ দশমিক ৫ কেজি গাঁজা উদ্ধারের জন্য সম্মাননা পেয়েছেন।
অন্যদিকে পোরশা থানার এএসআই মো. তৌহিদুল ইসলাম যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক আসামির ওয়ারেন্টসহ মোট ১৬টি ওয়ারেন্ট তামিল করায় সম্মাননা স্মারক লাভ করেন।
নওগাঁ জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এবং সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ এ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। রেঞ্জ কনফারেন্সে ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি ও জেলা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সম্মাননা পাওয়া নওগাঁ জেলা পুলিশের কর্মকর্তাদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।




