
ঝালকাঠি জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সার্বিক সরকারি কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের লক্ষ্যে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর।
বিশেষ অতিথি ছিলেন ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল।
জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাৎ হোসেন, পুলিশ সুপার মেরিন সুলতানা, পৌর প্রশাসক জুলিয়া সুকায়না, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. কাওছার হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. মো. হুমায়ুন কবির, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক মো. মোস্তফা কামাল মন্টু, সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাসুম ইফতেখার, অধ্যক্ষ শামীম হোসেন, ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আককাস সিকদার, কাঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মকবুল হোসেনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিরা।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ইলিয়াস বেপারী, প্রফেসর জাহাঙ্গির হোসেন, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আমান উল্লাহ সরকার, রাজাপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মতিয়ার রহমান খান বাদল, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল-মামুন, জেলা শিক্ষা অফিসার আবু সাঈদ, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাকিনা আলম লিজা, জজ আদালতের জিপি অ্যাডভোকেট মাহাবুব আলম কবীর, জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি টিপু সুলতান এবং ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান পারভেজ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর বলেন, জেলার আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সমাজের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। শুধু সভা করে সময় নষ্ট করলে চলবে না; প্রতিটি সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে হবে।
তিনি বলেন, সন্ধ্যার পর স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের রাস্তায় অহেতুক আড্ডা দেওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এ বিষয়ে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের রাস্তায় নেমে শিক্ষার্থীদের বোঝাতে হবে, সন্ধ্যার পর তাদের পড়ার টেবিলে থাকা উচিত।
দুর্নীতি প্রতিরোধের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধেও সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। দলের পরিচয়ে কেউ চাঁদাবাজি বা মাদক ব্যবসা করতে পারবে না। চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসা প্রতিরোধে পুলিশকে নির্ভয়ে ও কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
সভায় জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি প্রতিরোধ, সরকারি সেবার মানোন্নয়ন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।




