
পঞ্চবটি থেকে মুক্তারপুর সেতু পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ ও দোতলা রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পের উড়াল সড়কে স্থাপন করা হয়েছে সৌরবিদ্যুৎচালিত ৫৮৬টি সড়কবাতি। এতে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পাশাপাশি বছরে প্রায় ৪৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয়ের আশা করা হচ্ছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ‘পঞ্চবটি হতে মুক্তারপুর সেতু পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ ও দোতলা রাস্তা নির্মাণ প্রকল্প’ সরেজমিন পরিদর্শন করেন সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ।
পরিদর্শনকালে প্রকল্পের অগ্রগতি এবং সড়কবাতিতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। এ সময় সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) অতিরিক্ত সচিব আলতাফ হোসেন শেখ, প্রকল্প পরিচালক মো. ওহিদুজ্জামান, নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রিনাত ফৌজিয়া, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রকল্পে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর অংশ হিসেবে সড়কের সব বাতি সৌরশক্তির মাধ্যমে জ্বালানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, ৯ দশমিক ০৬ কিলোমিটার উড়াল সড়কের দুই পাশে আধুনিক প্রযুক্তির ৫৮৬টি সড়কবাতি স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিটি বাতি সৌরশক্তিতে উৎপাদিত বিদ্যুতের মাধ্যমে জ্বলবে। দৈনিক ১০ ঘণ্টা বাতি জ্বালানো হলে বছরে জাতীয় গ্রিডের প্রায় ৪ লাখ ২১ হাজার ৯২০ ইউনিট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে।
এ ব্যবস্থায় মাসে প্রায় ৪ লাখ ২ হাজার ৯৩৩ টাকা এবং বছরে প্রায় ৪৮ লাখ ৩৫ হাজার ২০৩ টাকা বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয় হতে পারে বলে জানিয়েছে সেতু কর্তৃপক্ষ।
পরিদর্শন শেষে প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে সংশ্লিষ্টদের পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার নির্দেশনা দেন সেতু বিভাগের সচিব। একই সঙ্গে নির্মাণকাজে গুণগত মান বজায় রেখে প্রকল্পটি ২০২৬ সালের মধ্যে জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রকল্প পরিচালককে নির্দেশ দেন তিনি।




