ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

চুনারুঘাটে বাড়ছে শকুনের সংখ্যা

মো. জামাল হোসেন লিটন, চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি

  ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:৪৭ পিএম
ছবি প্রতিনিধি

দেশের আকাশ থেকে যখন হারিয়ে যেতে বসেছে একসময়ের অতিপরিচিত শকুন, তখন উল্টো চিত্র দেখা গেছে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার রেমা-কালেঙ্গা বনে। দীর্ঘদিনের সংরক্ষণ উদ্যোগে এই বনাঞ্চলে শুধু শকুনের সংখ্যা বাড়েনি, বেড়েছে তাদের প্রজনন সফলতাও।

বুলেটিন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

২০১৪ সালে যেখানে চুনারুঘাটের রেমা-কালেঙ্গায় শকুনের সংখ্যা ছিল ৭৮টি, সর্বশেষ শুমারিতে সেখানে অস্তিত্ব পাওয়া গেছে ১১০টি বাংলা শকুনের।

শকুন পরিবেশ-প্রকৃতির গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু। মৃত প্রাণীর দেহ খেয়ে রোগজীবাণুর বিস্তার ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এই পাখি। কিন্তু খাদ্যসংকট, আবাসস্থল ধ্বংস, গাছ কাটা এবং গবাদিপশুর চিকিৎসায় ব্যবহৃত ক্ষতিকর ব্যথানাশক ওষুধের কারণে দক্ষিণ এশিয়াজুড়েই ভয়াবহভাবে কমেছে শকুনের সংখ্যা। বাংলাদেশেও পড়েছে এর প্রভাব।

১৯৭০ সালের শকুনশুমারি অনুযায়ী, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে ছিল প্রায় ৫০ হাজার শকুন। ২০০৮-০৯ সালের শুমারিতে বাংলাদেশে সে সংখ্যা নেমে আসে ১ হাজার ৯৭২টিতে। ২০১১-১২ সালে তা আরও কমে দাঁড়ায় ৮১৬টিতে।

এমন পরিস্থিতিতে শকুন রক্ষায় ২০১৪ সাল থেকে যৌথভাবে কাজ শুরু করে বন বিভাগ ও ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার (আইইউসিএন)। ওই বছরের ২৩ ডিসেম্বর চুনারুঘাট উপজেলার রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যকে ঘোষণা করা হয় শকুনের জন্য ‘নিরাপদ এলাকা’। একই উদ্যোগে সুন্দরবনকেও নির্ধারণ করা হয় শকুনের নিরাপদ এলাকা হিসেবে।

রেমা-কালেঙ্গায় গড়ে তোলা হয় শকুন সংরক্ষণ কেন্দ্র। সেখানে শকুনের জন্য তৈরি করা হয় নিরাপদে বিশ্রাম ও প্রজননের সুযোগ। পরে প্রজনন মৌসুমে খাবারের জোগান নিশ্চিত করতে স্থাপন করা হয় ফিডিং সেন্টার বা শকুনের ‘রেস্তোরাঁ’। ২০১৫ সালে রেমা-কালেঙ্গা ও সুন্দরবনে চালু করা হয় দুটি ফিডিং সেন্টার।

এসব উদ্যোগের প্রভাব পড়েছে শকুনের প্রজননেও। ২০১৪ সালের শুমারি অনুযায়ী, রেমা-কালেঙ্গায় শকুনের প্রজনন হার ছিল ৪৪ শতাংশ। ২০২০ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৭ শতাংশে। এরপর থেকে বাড়তে থাকে প্রজনন সফলতার হার।

২০২১-২২ মৌসুমে রেমা-কালেঙ্গায় ১৪টি শকুনের বাসার মধ্যে সফল প্রজনন হয় ১০টিতে। এতে প্রজনন সফলতার হার দাঁড়ায় ৭১ দশমিক ৪ শতাংশ। পরের মৌসুমে, অর্থাৎ ২০২২-২৩ সালে ১৮টি বাসার মধ্যে ১৩টিতে সফলতা পাওয়া যায়। প্রজনন সফলতার হার বেড়ে হয় ৭২ দশমিক ২ শতাংশ, যা আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৮২ শতাংশ বেশি।

সবশেষ ২০২৩ সালের আইইউসিএনের শুমারিতে রেমা-কালেঙ্গায় অস্তিত্ব পাওয়া যায় ১১০টি বাংলা শকুনের। দেশে বর্তমানে প্রায় ২৪৮টি শকুন রয়েছে বলে উঠে এসেছে পরিসংখ্যানে। এসব শকুন মূলত রয়েছে সুন্দরবন ও সিলেট অঞ্চলে।

শকুন গবেষকেরা বলছেন, গবাদিপশুর চিকিৎসায় ব্যবহৃত ডাইক্লোফেনাক ও কিটোপ্রোফেনজাতীয় ব্যথানাশক ওষুধ শকুন বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ। এসব ওষুধ খাওয়া গবাদিপশুর মৃতদেহ শকুনের জন্য হয়ে ওঠে প্রাণঘাতী। শকুন রক্ষায় বাংলাদেশে গরুর চিকিৎসায় কিটোপ্রোফেনজাতীয় ক্ষতিকর ওষুধের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

বন বিভাগ ও আইইউসিএন পরিচালিত শকুন সংরক্ষণ প্রকল্পের মুখ্য বন্যপ্রাণী গবেষক সীমান্ত দীপু জানালেন, এক যুগের বেশি সময় ধরে শকুনের সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। এখন দেশে শকুনের সংখ্যা আর আগের মতো কমছে না, এটিকে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন তিনি। শকুন রক্ষায় তাঁদের সব কার্যক্রম চলমান আছে।

সরকার দেশে গরুর ক্ষেত্রে কিটোপ্রোফেনজাতীয় ক্ষতিকর ওষুধের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে উল্লেখ করে সীমান্ত দীপুর ভাষ্য, সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু হয় শকুন সংরক্ষণ কার্যক্রম। এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত খাবার দেওয়ার কার্যক্রম বন্ধ থাকে, যাতে শকুন মানুষের দেওয়া খাবারের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে না পড়ে। সেপ্টেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত প্রজনন মৌসুমে তাদের খাবার দেওয়া হয়।

রেমা-কালেঙ্গায় শকুনের জন্য তৈরি করা হয়েছে খাবারের ‘রেস্তোরাঁ’। সেখানে মাসে দুটি গরু জবাই করে শকুনকে খাবার দেওয়া হয়। নির্দিষ্ট সময়ে খাবার সরবরাহের পাশাপাশি তাদের চলাচল, খাবার গ্রহণ ও প্রজনন কার্যক্রমও পর্যবেক্ষণ করা হয়—যোগ করলেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘২০১১ সাল থেকে আমরা শকুনের সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করছি। এটা আমাদের বড় সফলতা। নেপাল ও ভারতও শকুন রক্ষায় আমাদের পদ্ধতি গ্রহণ করেছে। আমাদের দেখাদেখি তারাও এ ধরনের কার্যক্রম চালাচ্ছে।’

শকুন নিয়ে কাজ করেন জেনিফার নামের একজন। তিনি জানান, রেমা বনাঞ্চলে শকুনের বংশবিস্তার নিয়ে কাজ করছেন তাঁরা। যে হারে শকুনের সংখ্যা কমতে শুরু করেছিল, সেটি এখন থেমে গেছে।

গ্যাস-জ্বালানি সংকটের জন্য গত সরকারকে দায়ী করে স্বেচ্ছাসেবক দলের লিফলেট বিতরণ
গ্যাস ও জ্বালানি সংকটের জন্য বিগত সরকারের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক নীতিকে দায়ী করে পিরোজপুরে জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেছে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল। একই সঙ্গে সংকটকে পুঁজি করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের অপচেষ্টা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা। রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেল তিনটায় স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে পিরোজপুর বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়। পরে শহরের প্রধান প্রধান সড়কে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করেন নেতাকর্মীরা। পিরোজপুর সদর উপজেলা ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রিয়াজ মাতুব্বর। এতে উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মনি, সদস্যসচিব তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক নাদিম শেখ, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নাদিম মল্লিক, সদস্যসচিব আহসান দরানি, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক এমদাদুল ইসলাম তুহিন, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াজ রায়হান ও প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক সবুজ খানসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। কর্মসূচিতে নেতারা বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব এবং বিগত সরকারের ভুল অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক নীতির কারণে দেশে গ্যাস ও জ্বালানি সরবরাহে সংকট তৈরি হয়েছে বলে তারা মনে করেন। এ পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। এতে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। বক্তারা আরও বলেন, কৃষি উৎপাদন ও অর্থনীতি সচল রাখতে জ্বালানির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা জরুরি। মজুতদারি ও অতিরিক্ত মুনাফা ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। সংকট মোকাবিলায় সরকারের উদ্যোগ সফল করতে জনগণকে সচেতন ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তারা।
গ্যাস-জ্বালানি সংকটের জন্য গত সরকারকে দায়ী করে স্বেচ্ছাসেবক দলের লিফলেট বিতরণ
ময়মনসিংহে ১১ উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন এমপি ওয়াহাব
ময়মনসিংহ সদর উপজেলার গ্রামীন সড়ক ও প্রতিষ্ঠানের ১১টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য (এমপি) আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। এ সময় উন্নয়নভোগী এলাকাবাসী সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। রোববার (১৮ অক্টোবর) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত সদর উপজেলার চরসিরতা ও পরানগঞ্জ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে এসব প্রকল্প উদ্বোধন করেন তিনি। প্রকল্পগুলো হলো- কোনাপাড়া রফিকুলের বাড়ী হতে ঈওগাহ মাঠ পর্যন্ত সড়ক সংস্কার, চরখরিচা ইদগাহ মাঠ হাত পীরবাড়ী সড়ক ও কালভার্ট সংস্কার, খাজা মাঈন উদ্দিনের বাড়ী হইতে আজিজুল হক সাহেবের বাড়ী মেইন রাস্তা সংস্কার, সিরতা বাজারের দক্ষিন পাড়া রাস্তা সংস্কার, চরভাবানীপুর পশ্চিমপাড়া মসজিদ হতে মাহবুব আলমের বাড়ী পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার, সিরতা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ছাত্রীদের নামাজ খানা নির্মাণ, খালেরপার হতে কইট্রার মোড়ের রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণ, চরখরিচা আইন উদ্দীনের বাড়ীর পাকা রাস্তা হাফ সলিং, জামিয়া শাহমুদিয়া চরখরিচা মাদরাসার আসবাবপত্র সংস্কার, চরখরিচা মেইন রোড থেকে মামুনের বাড়ী রাস্তা সংস্কার এবং চরসিরতা হাজী সুলতান মহিলা মাদরাসা পাকা রাস্তা হইতে দক্ষিণ পাড়া জামে মসজিদ পর্যন্ত রাস্তা সলিং। এদিকে, উদ্বোধন কর্মসূচি শেষে বিকালে চরসিরতা বাজারে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন এমপি আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। এ সময় তিনি বলেন, একটি চক্র দেশে ও বিদেশে বসে যোগসাজসে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তাই আসন্ন দুর্গাপূজায় সবাইকে সজাগ থাকতে হবে, কেউ যেন কোনভাবে পূজামন্ডপে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। কারণ যে কোন ধর্মীয় আচার, অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। এজন্য প্রতিটি এলাকার র্পূজামন্ডপে বিএনপির নেতাকর্মীদের নজরদারি রাখতে হবে।’  এসব কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন কোতোয়ালি বিএনপির আহবায়ক হেলাল আহম্মেদ, সদস্য সচিব আতাহারুল ইসলাম বুলবুল, জেলা বিএনপির সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক সাব্বির আহম্মেদ শামীমসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
ময়মনসিংহে ১১ উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন এমপি ওয়াহাব
সিলেটে পূজামণ্ডপে উৎসবমুখর পরিবেশ
ঢাকের বাদ্য, কাঁসর ঘণ্টা, শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠেছে সিলেটের পূজামণ্ডপগুলো। ফুল, ধূপ ও আগরবাতির সুগন্ধে সৃষ্টি হয়েছে এক আনন্দঘন পরিবেশ। দেবী দুর্গার আগমনকে ঘিরে সিলেটজুড়ে শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। মণ্ডপগুলো সাজানো হয়েছে নানা রঙের আলোকসজ্জা ও দৃষ্টিনন্দন সাজে। পূজার আনন্দ ভাগ করে নিতে বিভিন্ন বয়সের ভক্তরা মণ্ডপে ভিড় করছেন। তাঁরা দেবীর কাছে প্রার্থনা করছেন এবং দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করছেন। সিলেট নগরের বিভিন্ন মন্দির ও সার্বজনীন পূজামণ্ডপে চলছে ধর্মীয় সংগীত, পূজা-অর্চনা ও নানা আয়োজন। পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন উপজেলাতেও উৎসবকে ঘিরে বিরাজ করছে আনন্দ-উদ্দীপনা। পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। দুর্গাপূজায় নিরাপত্তার চাদরে সিলেট :  এদকি, সিলেট জেলা পুলিশের আওতাধীন ১১ টি উপজেলায় শান্তিপূর্ণ ভাবে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে  নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।  প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সিলেট জেলা পুলিশের আওতাধীন ১১ টি উপজেলায় ৪৭১ টি পূজা মন্ডপ রয়েছে।  এ সকল পূজা মন্ডপে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে  মন্ডপের গুরুত্ব অনুযায়ী পুলিশ ফোর্স মোতায়ন করা হয়েছে।  মন্ডপ ও তার আশেপাশে এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত  করতে থানা এলেকায় নিয়মিত মোবাইল টিমের পাশাপাশি মন্ডপভিত্তিক ৯০ টি মোবাইল টিম গঠন করা হয়েছে, যারা নিয়মিত মন্ডপ পরিদর্শন করছে। থানা এলাকায় অনাকাঙ্খিত ঘটনা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিয়মিত চেকপোস্ট পরিচালিত হচ্ছে।  যে সকল মণ্ডপে জনসমাগম অধিক সেই সকল মন্ডপসমূহ চিহ্নিত করে ট্রাফিক পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে যেন মানুষ ও যান চলাচল নির্বিঘ্ন থাকে।  সাধারণ পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়ন রয়েছে যারা যেকোনো নাশকতা বা অপতৎপরতা রোধে গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। যেকোনো দুর্ঘটনা প্রতিরোধে দ্রুত সাড়া দান করতে প্রতিটি থানায় গঠন করা হয়েছে কুইক রেসপন্স টিম। তাছাড়া পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য পুলিশ লাইন্সসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্যান্ডবাই টিম হিসেবে রাখা হয়েছে যেন যেকোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়। সিলেট জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো: যাবের সাদেক শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে সকল পুলিশ সদস্যকে পশোদারত্বিরে সাথে দায়ত্বি পালন করতে নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি আইন-শৃঙ্খলা সমুন্নত রেখে শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ সুষ্ঠু ভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।  
সিলেটে পূজামণ্ডপে উৎসবমুখর পরিবেশ
কচা নদীতে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় কচা নদীর চরখালী মোহনায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ, নদীভাঙন রোধ এবং নদীতীরবর্তী বসতভিটা ও জনপদ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ কর্মসূচি একপর্যায়ে অবরোধে রূপ নিলে প্রায় দেড় ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে। পরে উপজেলা প্রশাসনের আশ্বাসে আন্দোলনকারীরা অবরোধ প্রত্যাহার করলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। রোববার (১৮ অক্টোবর) সকাল ১০টায় উপজেলার চরখালী ফেরিঘাট এলাকায় নদীতীরবর্তী ভাঙনকবলিত এলাকার বাসিন্দাদের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মো. আল-আমিন হোসেন, মো. মনির হোসেন ও মো. ওহাব মাঝিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। বক্তারা বলেন, চরখালী মোহনায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে নদীতীরবর্তী এলাকার ঘরবাড়ি, বসতভিটা ও জনপদ ঝুঁকির মুখে পড়ছে। এভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে নদীভাঙন আরও তীব্র হতে পারে। এতে বহু পরিবার নিজেদের বসতভিটা ও সহায়-সম্বল হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন। তাঁরা অবিলম্বে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং নদীতীরবর্তী জনপদ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেন। মানববন্ধন চলাকালে একপর্যায়ে কর্মসূচি অবরোধে রূপ নেয়। এতে সড়ক ও নৌপথে চলাচল ব্যাহত হয় এবং প্রায় দেড় ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে। পরে উপজেলা প্রশাসনের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীরা অবরোধ তুলে নেন। এরপর যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
কচা নদীতে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন
গাজীপুরে ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সেলিম ভূঁইয়াকে ফুলেল শুভেচ্ছা
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের ক্রীড়া শাখার আওতাধীন গাজীপুর সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাত (৭) সদস্যবিশিষ্ট অ্যাডহক কমিটির সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মো. সেলিম ভূঁইয়া।  তাঁর এ সদস্য পদ পাওয়ায় আনন্দ প্রকাশ করে ভাওয়াল টাইগার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে সদর উপজেলার নয়াপাড়া  ভাওয়াল টাইগার্স ক্লাবের মাঠে তাঁকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন, তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করা এবং স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়াচর্চার প্রসারে নবগঠিত অ্যাডহক কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের। ভাওয়াল টাইগার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে সেলিম ভূঁইয়ার সাফল্য কামনা করে দোয়ার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি গাজীপুর সদর উপজেলার ক্রীড়াঙ্গনকে আরও এগিয়ে নিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে ভাওয়াল টাইগার্স ক্লাবের সভাপতি লুৎফর রহমান খান এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিমের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন   বৃহত্তর মির্জাপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য সদর উদ্দিন শেখ খোকন, ভাওয়াল টাইগার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাবলুু আহমেদ, সদস্য আলমগীর হোসেন খান, কাজল আহমেদ রিয়াজ, নুরুদ্দিন খন্দকার, আহসানুল্লাহ সরকার ফাহিম প্রমুখ। এছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম খান, গাজীপুর সদর উপজেলা জেটেব এর সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার ইমরান হোসেন সরকার, গাজীপুর জেলার সাবেক ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজল আহমেদ রিয়াজ, ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের যুবদলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান উৎসব, ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ দপ্তর সম্পাদক রাজীব মোল্লা সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।  
গাজীপুরে ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সেলিম ভূঁইয়াকে ফুলেল শুভেচ্ছা
আরও পড়ুন
ধর্ষণের অভিযোগে যুবক আটক: চুনারুঘাটের ভাইরাল ভিডিও ঘিরে নানা আলোচনা
চা বাগানে পূজার আনন্দ, শ্রমিকদের পাশে এমপি ফয়সল
কুমিল্লা থেকে নিখোঁজ চার স্কুলছাত্রী হবিগঞ্জে উদ্ধার, যা জানাল পুলিশ
চুনারুঘাটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ৫০হাজার টাকা জরিমানা 
X