
কৃষি প্রধান বাগেরহাটের চিতলমারীতে শীতকালীন সবজি চাষের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে চাষিদের। ফলে ভিড় বাড়ছে চারা’র হাটে । এলাকায় আগাম সবজির চাষ বৃদ্ধি পাওয়ায় চাষিদের তৎপরতা বাড়ছে।
স্থানীয় কৃষি অফিসের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার অধিকাংশ ফসলি জমিতে ঘের তৈরির মাধ্যমে চিংড়ি চাষ করা হচ্ছে। এসকল ঘেরের পাড়ে বছরের ১২ মাস বিভিন্ন ধরণের সবজি চাষ করা হয় । তবে শীত মৌসুমে আগাম টমেটো চাষ লাভজনক হওয়ায় এটার প্রতি আগ্রহ বাড়ছে চাষিদের। এছাড়া ফুলকপি, পাতাকপি, বেগুন, মরিচ, লাউ, কুমড়া, করোলাসহ অন্যান্য সবজির চাষও বাড়েছে দিন দিন। চিত্রা, বলেশ্বর ও মধুমতি বেষ্টিত এ উপজেলার মানুষ কৃষি নির্ভর হওয়ায় এখানকার অনাবাদি কোন জমি পড়ে নেই বলেও জানান অনেকে।
এখানকার উৎপাদিত সবজি এলাকার চাহিদা মিটিয়ে রাজধানীসহ সারা দেশে চালান হয়। চাষিদের সবজি চারার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় চারা হাটে ভিড় বাড়ছে প্রতিনিয়ত। চিতলমারী সদর বাজারে চারার হাটে ঘুরে দেখা গেছে রাস্তার দু’পাশে বসেছে হাট। বিভিন্ন ধরণের চারা বিক্রি হচ্ছে হাটে। ক্রেতাদেরও বেশ ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। আগাম সবজির চারার দাম চড়া থাকায় ক্রেতারা অনেকে কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন বলেও জালেন অনেকে।
চিতলমারী হাটে চারা বিক্রি করতে আসা নাজিম উদ্দিন, অনুপ ঘরামি, শ্যামল মণ্ডলসহ অনেকে জানান, অনেক দামে তাদের বীজ কিনতে হয় ফলে চারা কম দামে বিক্রির সুযোগ নেই। বর্তমানে এক পোন (৮০টি) টমেটোর চারা ২শ’ ৫০ টাকা থেকে ৩শ’ টাকা দরে বিক্রি করছেন। এছাড়া ফুলকপি ৩শ’ টাকা, পাতাকপি ২শ’ ৫০ টাকা, বেগুন ৮০ টাকা, মরিচ ১শ’ টাকা পোন বিক্রি করছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. সিফাত-আল-মারুফ জানান, এ বছর শীত মৌসুমে ১শ’ ৫০ হেক্টর জমিতে সবজির চাষ করা হচ্ছে। এখানকার চাষিরা আগাম সবজি চাষে সবসময় তৎপর থাকেন ফলে হাটে চারা কিনতে ভিড় বাড়ছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে চাষিরা সবজিতে ভালো দাম পাবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।




