
গাজীপুরের টঙ্গীতে নেশার টাকা না পেয়ে ববিতা খাতুন (৩৫) নামে এক নারীকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। এসময় মাদকাসক্ত খোকনকে (৪২) আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী।
আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টঙ্গী পাগাড় আল-মদিনা মসজিদ রোডে এ ঘটনা ঘটে। আহত ববিতা পাগাড় এলাকার সিরাজুল ইসলামের ভাড়া বাসায় বসবাস করে এ্যাচিমন নামক একটি পোশাক কারখানায় অপারেটর হিসেবে কাজ করেন এবং তার স্বামী খোকন একজন রিকশা চালক।
স্থানীয়রা জানায়, খোকন-ববিতা দম্পতি কয়েক মাস যাবৎ পাগাড় এলাকার সিরাজুল ইসলামের ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিলেন। কিছুদিন যাবৎ রিকশা চালক খোকন নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ে। এনিয়ে প্রায়ই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য ও ঝগড়া লেগে থাকতো। সোমবার সকালেও ববিতার কাছে নেশা করার জন্য টাকা চেয়ে না পেয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে দুপুরে খাবার খেয়ে বাসা থেকে কর্মস্থলে যাওয়ার সময় খোকন ববিতাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথা, কাঁধ এবং হাতে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে গুরত্বর জখম করে। এতে তার বাঁ হাতের তিনটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এসময় ববিতার ডাকচিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এসে খোকনকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
পরে ববিতাকে আশংকাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
এ ব্যাপারে টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাকছুদুল আলম বলেন, ববিতার স্বামী খোকনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।




