
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আবারো চালু হয়েছে ডায়রিয়া ওয়ার্ড ও বেড়েছে ১টি টিকেট কাউন্টার।
গত ১৫ ই সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ বুলেটিনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে "পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকট ভোগান্তে রুগীরা" এই শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর চালু হয়েছে ডায়রিয়া ওয়ার্ড ও বৃদ্ধি পেয়েছে একটি টিকিট কাউন্টার।
মঙ্গলবার ( ২২ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, টিকিট কাউন্টার থেকে শুরু করে প্রতিটি বিভাগে রোগীদের উপচেপড়া ভিড়। বহির্বিভাগের দায়িত্বরত ডাক্তারদের সামনে লম্বা লাইন। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আবারো চালু হয়েছে ৪টি বেড বিশিষ্ট একমাত্র ডায়রিয়া ওয়ার্ড, হাসপাতালে ভর্তি আছে ৬ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগী। প্রতিদিন গড়ে অন্তত ৮০ থেকে ১০০ জন জরুরী বিভাগ থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন ও ৯০০ থেকে ১০০০ জন রোগী এ হাসপাতালের বহির্বিভাগে সেবা নিতে আসেন। এবং ৪৫-৬০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নেয়। তিনটি কাউন্টারে টিকেট দেওয়া হতো যা রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত না হওয়ায় আরো কাউন্টার বৃদ্ধি করে ৪ টিকেট কাউন্টার করা হয়েছে। পুরুষ ও মহিলাদের জন্য পৃথক লাইনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
চিকিৎসা নিতে আসা একাধিক ব্যক্তি জানান, আগের চেয়ে চিকিৎসার মান বৃদ্ধি পাওয়ায় আমরা এসেছি হাসপাতাল চিকিৎসা নিতে, আগে তিনটি কাউন্টার ছিলো টিকেট সংগ্রহ করতে অনেক সমস্যা হতো। এখন চারটি টিকেট কাউন্টার হাওয়া কিছুটা কষ্ট লাগব হয়েছে। ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর স্বজনরা জানান ডায়রিয়া ওয়ার্ডটি পূনরায় চালু হওয়াতে অনেক সুবিধা হয়েছে।
পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মুশফিকুর রহমান রাজিব বলেন, আমি গত ১০ সেপ্টেম্বর যোগদান করেছি, যোগদানের পর নতুন করে অতিরিক্ত টিকিট কাউন্টার বৃদ্ধি করা হয়েছে। পুরুষ মহিলাদের আলাদা লাইনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ডায়রিয়া ওয়ার্ড টি পুনরায় চালু করা হয়েছে। তাছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আশা করছি খুব দ্রুত সমস্যাগুলোর সমাধান হবে।




