ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

এসএসসির খাতা ভুল মূল্যায়ন, যে শাস্তির আওতায় ১৬৮৪ পরীক্ষক

যশোর প্রতিনিধি

  ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:৫৪ পিএম

চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণে ফল পরিবর্তনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১ হাজার ৬৮৪ জন প্রধান পরীক্ষক ও পরীক্ষক শাস্তির আওতায় আসছেন। এসব পরীক্ষককে প্রশ্নপত্র তৈরির কাজ থেকে বিরত রাখা, পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করতে না দেওয়াসহ নানা শাস্তির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।

বুলেটিন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

পরীক্ষকের ভুল মূল্যায়নে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২ হাজার ৪৩৬ জন শিক্ষার্থীর ফলাফলে পরিবর্তন এসেছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম হোসেন আলী।

যশোর শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় ২৮ হাজার ৮৬২ জন শিক্ষার্থী ২৫টি বিষয়ে ৭৪ হাজার ৭১৭টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করে।

পুনর্নিরীক্ষণের পর ২ হাজার ৪৩৬ জন শিক্ষার্থীর ফলাফলে পরিবর্তন আসে। এর মধ্যে আগে অকৃতকার্য ৩৮০ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়। গ্রেড পরিবর্তন হয় ১ হাজার ৩০৪ জনের।
নতুন করে জিপিএ-৫ পাওয়ার ঘটনাও ঘটে।


ফল পরিবর্তনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উত্তরপত্র পর্যালোচনা করে ১ হাজার ৬৮৪ জন প্রধান পরীক্ষক ও পরীক্ষককে শনাক্ত করে বোর্ড।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বলেন, ভুল করা পরীক্ষকদের আগামী দুই বছর এসএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের দায়িত্ব না দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। শৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকের পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

অন্যান্য শাস্তি যেমন প্রশ্নপত্র তৈরির কাজ থেকে বিরত রাখা ইত্যাদি বিষয়েও আলোচনা চলছে জানিয়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বলেন, শৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকে সেসব বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলোতেও উত্তরপত্র মূল্যায়ন ও ফল প্রক্রিয়াকরণে ভুলের ঘটনায় পরীক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।


২০২০ সালের এসএসসি ও জেএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের পর ২৯০ জন পরীক্ষককে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়। ওএমআর শিট পূরণ, নম্বর গণনা ও মূল্যায়নসংক্রান্ত ভুলের কারণে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।

ওই বছর জেএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য ১০ হাজার ৭৪৬ জন শিক্ষার্থী আবেদন করে। যাচাইয়ের পর ১৫৯ জনের ফল পরিবর্তন হয়। তাদের মধ্যে ৫৪ জন অকৃতকার্য থেকে উত্তীর্ণ হয় এবং ৮৩ জন নতুন করে জিপিএ-৫ পায়।

২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের পর ৬০ জন শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়। করোনা সংক্রমণের কারণে ওই বছর মাত্র তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল।

ফল পরিবর্তনের ঘটনায় ১৯ জন পরীক্ষককে শনাক্ত করে পরবর্তী দুই বছর উত্তরপত্র মূল্যায়নের দায়িত্ব থেকে বিরত রাখার ব্যবস্থা নেয় বোর্ড।

২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের সময়ও উত্তরপত্রে ভুল ধরা পড়ে। অনেক উত্তরপত্রে ভেতরের পৃষ্ঠায় দেওয়া নম্বর মূল পাতায় সঠিকভাবে যোগ না করার ঘটনা শনাক্ত হয়।

এ ঘটনায় ৭২ জন পরীক্ষককে কালো তালিকাভুক্ত করে অন্তত এক বছরের জন্য উত্তরপত্র মূল্যায়ন থেকে বিরত রাখা হয়।

নীলফামারীতে স্বেচ্ছাসেবকদলের প্রচার পত্র বিতরণ
বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের শাসনামলে ভুল সিদ্ধান্ত ও দূর্বল পরিকল্পনার কারনে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের সংকট দিনদিন তীব্র হচ্ছে। এজন্য বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষদের মাঝে বিএনপি সরকারকে নিয়ে জন্ম নেয়া বিভ্রান্ত এবং বিএনপি সরকারের উদ্যোগ গ্রহনের পরিকল্পনা সম্বলিত উদ্বদ্ধকরণ ও প্রচার পত্র বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবকদল নীলফামারী জেলা শাখা। রবিবার দিনব্যাপী শহরের ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্বেচ্ছাসেবকদলের জেলা, পৌরসভা, সদর ও ইউনিয়ন ইউনিটের সকল সদস্যরা বিএনপি সরকারের উদ্যোগ গ্রহনের পরিকল্পনা সম্বলিত উদ্বদ্ধকরণ ও প্রচার পত্র বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন।  বিতরণ শেষে শহরের পৌর মার্কেটস্থ বিএনপি কার্যালয়ের সামনে বক্তব্য রাখেন, স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক মোরশেদ আযম, সদস্য সচিব শিহাবুজ্জামান চৌধুরী শিহাব, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক রাজু পারভেজ ও খালেদ বিন তুষারসহ আরো অনেকে। বক্তারা বলেন, আওয়ামীলীগ সরকার গত দেড় দশকে একের পর এক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করেছে। তবে জ্বালানি তেল কোথা থেকে আসবে এবং এর অর্থের যোগান কিভাবে হবে, সেই বাস্তবতা বিবেচনা করে পরিকল্পনা নেওয়া হয়নি। ফলে প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা তৈরি হয়েছে। কিন্তু সক্ষমতা থাকলেও জ্বালানি ও অর্থের অভাবে পর্যাপ্ত উৎপাদন বাড়েনি। শুধু বিদ্যুৎ খাতে নয় জ্বালানি তেল থেকে শুরু করে বিভিন্ন খাতে দুর্নীতি, লুটপাট, বিদেশে অর্থ পাচার করে দেশকে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ থেকে পালিয়েছে। সবকিছুর দায়ভার নিতে হচ্ছে এই বিএনপি সরকারকে। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর অল্প সময়ের মধ্যে সকল বাধা-বিপত্তি কেটে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে দৃশ্যমান মূলক উন্নয়ন কর্মকান্ড অব্যাহত রেখেছে।
নীলফামারীতে স্বেচ্ছাসেবকদলের প্রচার পত্র বিতরণ
কিশোরগঞ্জে ইজিবাইক ছিনতাই চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ইজিবাইক ছিনতাই চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর গফুর জানান, শুক্রবার রাতে উপজেলার মাগুড়া এলাকা থাকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-সিঙ্গেরগাড়ী পাঠানপাড়া এলাকার মৃত পেলকা মামুদের ছেলে বাদল মিয়া (১৪) ও একই এলাকার আশোয়ার খানের ছেলে শাকিল খান (১৭)।   পুলিশ সূত্রে জানা গেল, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র ইজিবাইকে যাত্রীবেশে উঠে চালককে চেতনানাশক খাইয়ে ইজিবাইক ছিনতাই করতেন। কিছুদিন আগে একটি ইজিবাইক ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় তদন্ত করতে গিয়ে তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাওয়ায় শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের মাগুড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।  কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর গফুর এ বিষয়ে বলেন, তারা যাত্রীবেশে ইজিবাইকে উঠে চেতনানাশক ব্যবহার করে ইজিবাইক ছিনিয়ে নিতেন। এসময় তিনি জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামি দ্জুনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
কিশোরগঞ্জে ইজিবাইক ছিনতাই চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার
সৈয়দপুর রেল কারখানায় ভারত থেকে আমদানিকৃত ১৮টি রেলকোচ পৌঁছেছে 
ভারত থেকে আমদানি করা ১৮টি রেলকোচ পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য দেশের বৃহত্তম নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় এসে পৌঁছেছে।  শনিবার (১৭ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে এই রেলওয়ে কারখানায় আসা এ রেলকোচগুলো শুক্রবার ভারত থেকে বাংলাদেশে আসে। রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে নতুন কোচ যুক্ত করার অংশ হিসেবে ভারতের রাইটস লিমিটেডের মাধ্যমে এসব কোচ সংগ্রহ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত ২০০টি ব্রডগেজ রেলকোচ সরবরাহ চুক্তির আওতায় প্রথম চালানে এসেছে চার ধরনের ১৮টি কোচ।  এরমধ্যে রয়েছে ১১টি নন এসি শোভন চেয়ার কোচ, তিনটি এসি চেয়ার কোচ, দু’টি এসি স্লিপার কোচ ও দু’টি এসি পাওয়ার কার। পাওয়ার কারগুলোতে গার্ডদের জন্য পৃথক কামরা এবং যাত্রীদের মালামাল বহনের ব্যবস্থা রয়েছে। কোচগুলো ভারতের পাঞ্জাবের কাপুরথালায় অবস্থিত রেলকোচ ফ্যাক্টরিতে তৈরি করা হয়েছে।  রেলওয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কোচগুলো খোলার পর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা, কমিশনিং ও ট্রায়াল রান সম্পন্ন করা হবে। এজন্য লোকোমোটিভ, প্রয়োজনীয় ক্রু, টুলভ্যান ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।  সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) শাহ সুফি নূর মোহাম্মদ জানান, রেলওয়ে কারখানায় আনা এসব কোচ এখনো খোলা হয়নি। তবে খুব শিগগিরই খুলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হবে, আমাদের দেশের উপযোগী কি না ? এ কাজে রেল কারখানার শ্রমিক-কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ভারতের বিশেষজ্ঞরা কাজ করবেন। কোচগুলো সৈয়দপুর রেল কারখানায় যান্ত্রিক পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে ট্রায়াল দেওয়ার পর ট্র্যাফিক বিভাগে হস্তান্তর করা হবে। 
সৈয়দপুর রেল কারখানায় ভারত থেকে আমদানিকৃত ১৮টি রেলকোচ পৌঁছেছে 
পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও নীলফামারীর পূজামণ্ডপে বাড়তি নজরদারি, ২৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও নীলফামারী জেলায় ২৩ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপগুলোতে বিশেষ নজরদারি, নিয়মিত টহল এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় র‍্যাপিড রেসপন্স টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রস্তুত রেখেছে বাহিনীটি। রোববার (১৮ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে গৃহীত নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান বিজিবির ঠাকুরগাঁও সেক্টর সদর দপ্তরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ সুরুজ মিয়া, বিজিবিএম, পিএসসি। ব্রিফিংয়ে সেক্টর কমান্ডার জানান, ঠাকুরগাঁও সেক্টরের আওতাধীন ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও নীলফামারী জেলার সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপ এবং জেলা সদরের গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তিন জেলার সীমান্তে থাকা ৬২টি বর্ডার অবজারভেশন পোস্টের (বিওপি) মাধ্যমে সীমান্তবর্তী এলাকার পূজামণ্ডপগুলোতে নজরদারি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যাটালিয়ন সদর ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বলেন, সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপগুলোতে বাড়তি সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি যেকোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ও অনাকাঙ্ক্ষিত অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে র‍্যাপিড রেসপন্স টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নিয়মিত টহলের মাধ্যমেও পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, আনসার ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে বিজিবি। গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল পূজামণ্ডপগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি পূজামণ্ডপগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা, সন্দেহজনক তৎপরতা কিংবা গুজবের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বিজিবি সদর দপ্তর ও আঞ্চলিক ব্যাটালিয়নগুলোতে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম চালু রাখা হয়েছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে সেক্টর কমান্ডার বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই যেন শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজবে কান না দিয়ে যেকোনো সন্দেহজনক ঘটনা বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির বিষয়ে নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কিংবা বিজিবির টহল দলকে অবহিত করতে হবে। সাংবাদিকদের গঠনমূলক সহযোগিতা ও সাধারণ মানুষের সচেতন অংশগ্রহণে শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ও শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবি সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানান সেক্টর কমান্ডার।
পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও নীলফামারীর পূজামণ্ডপে বাড়তি নজরদারি, ২৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত আনোয়ার মারা গেছেন
সৌদি আরবের হাইল শহরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত আনোয়ার হোসেন (৪৮) মারা গেছেন। শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে হাইলের কিং খালিদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। আজ রবিবার (১৮ অক্টোবর) আনোয়ারের মৃত্যুর খবর জানাজানি হয়।  নিহত আনোয়ার হোসেন ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার পূর্ব ইন্দ্রা পাশা গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মনসুর হোসেন। তিনি সৌদি আরবের হাইল শহরে কর্মরত ছিলেন। নিহতের স্ত্রী জেসমিন বেগম জানান, তার স্বামী আনোয়ার হোসেন পেশায় একজন মাইক্রোবাস চালক। গত ১০ অক্টোবর হাইল শহরে মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে গুরুতর আহত হন আনোয়ার হোসেন। পরে তাকে পুলিশ গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে কিং খালিদ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে ছয় দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার সকালে তার মৃত্যু হয়। জেসমিন বেগম বলেন, আমার স্বামীর মরদেহ যেন সন্তানরা দেখতে পারে। তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে বাংলাদেশ ও সৌদি সরকারের দৃষ্টি কামনা করছি। রাজাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফিরোজ কামাল বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের কাছে কিছু জানানো হয়নি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছি। তারপরেও আমরা এ ব্যাপারে খোঁজখবর নিচ্ছি।
সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত আনোয়ার মারা গেছেন
X