
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার সীমান্তবর্তী মোল্লাহাটের কচুৃরিয়া গ্রাম থেকে মুসলিমা নামের ৭ বছরের এক শিশুর বস্তাবন্দি গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৬ সেপ্টেন্বর) রাত ৯টার দিকে মোল্লাহট উপজেলার কোদালিয়া ইউনিয়নের চিতলমারী- মোল্লাহাট সীমান্তবর্তী কচুড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকার একটি পানের বরজের পাশে পলিথিনে মোড়ানো বস্তাবন্দি অবস্থায় মুসলিমার মরাদেহ উদ্ধার করা হয়।
মোলাল্লাহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহাদাত হোসেন মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চত করে বলেন, শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে । নিহত মুসলিমা মোল্লাহাট উপজেলার কচুড়িয়া গ্রামের ইসলাম শেখের মেয়ে। শিশুটির লাশ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকার বিক্ষুব্ধ জনতা পানের বরজের মালিক জাহাঙ্গীর নামের এক ব্যাক্তির বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেল পাঁচটার পর থেকে মুসলিমাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে শিশুটির পরিবার ও স্বজনরা আশেপাশে তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। রাত আটার দিকে কচুড়িয়া মধ্যপাড়া মো. জাহাঙ্গির শেখের পানের বরজের পাশে পলিথিন মোড়ানো কলাকাটা বস্তবন্দি অবস্থায় শিশুটির মরদেহ দেখতে পায় তারা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা শিশুটিকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।
বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় সন্দেহভাজন তিন জনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে। এ হত্যাকাÐের কারণ ও জড়িত ব্যাক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।




