
রোববার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জমিতে রোপণ করা কলাগাছগুলো কাটা অবস্থায় পড়ে আছে।
অভিযোগকারী নবীকুল ইসলাম জানিয়েছেন, গত ২০ সেপ্টেম্বর রাত একটার দিকে উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের বারাইপাড়া মৌজায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগে নবীকুল ইসলাম বলেন, বারাইপাড়া মৌজার ১০ শতক জমি তাঁর নানি বীরফুল বিবির নামে এসএ খতিয়ানে রেকর্ডভুক্ত ছিল। নানির মৃত্যুর পর তাঁর মা আমিনা বেগম ওয়ারিশসূত্রে ওই জমি পান। মায়ের মৃত্যুর পর তিনি ওয়ারিশ হিসেবে জমিটির মালিকানা দাবি করে সেখানে কলাগাছ রোপণ করেন।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, জমিটি দখলের চেষ্টা নিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে নবীকুল ইসলামের বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ২০ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক একটার দিকে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দলবদ্ধ হয়ে জমিতে প্রবেশ করেন এবং সেখানে রোপণ করা প্রায় ১৫০টি কলাগাছ কেটে ফেলে রাখেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
নবীকুল ইসলাম অভিযোগে আরও বলেন, পরদিন সকালে জমিতে গিয়ে তিনি কলাগাছগুলো কাটা অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয় লোকজনের কাছে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা রাতে কলাগাছগুলো কেটে ফেলার কথা স্বীকার করেছেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে তিনি আবার কলাগাছ লাগালে সেগুলোও কেটে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন তিনি।
এ ঘটনায় তাঁর প্রায় এক লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ২০ সেপ্টেম্বর ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন নবীকুল ইসলাম। অভিযোগে মো. শরিফুল, মো. নাজিমুদ্দিন, মো. মাহাবুব ও মো. মোবার নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে নবীকুল ইসলামের অন্যান্য ওয়ারিশ গোলজার হোসেন, সাইফুল ইসলাম ও হাসেন আলীও একই অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত নাজিম উদ্দিন বলেন, উক্ত জমির মালিক গ্রামের মসজিদ কমিটি। মসজিদ কমিটির লোকজন তাদের জমি দখলে নিতে কলাগাছ কেটেছে। এর সঙ্গে তাঁদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। অথচ পূর্ববিরোধের জেরে তাঁদের নামে অভিযোগ করা হয়েছে।
ফুলবাড়ী থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, অভিযোগটি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




