
বগুড়ার সোনাতলায় বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই অন্যত্র নেওয়ার সময় সরকারি বরাদ্দের ৩৮ বস্তা সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় সার বহনকারী অটোভ্যানের চালক আমজাদ (৪৫)কে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে সোনাতলা পৌরসভার ঘোড়াপীর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জব্দ করা সারের মধ্যে ২০ বস্তা ইউরিয়া ও ১৮ বস্তা ডিএপি সার রয়েছে। প্রতিটি বস্তায় ৫০ কেজি করে মোট ১ হাজার ৯০০ কেজি সার ছিল।
স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সারবোঝাই অটোভ্যানটি মোকামতলা থেকে জুমারবাড়ীর দিকে যাচ্ছিল। পথে সোনাতলা পৌরসভার ঘোড়াপীর এলাকায় পৌঁছালে স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ হয়। তাঁরা ভ্যানচালকের কাছে সার কোথা থেকে আনা হয়েছে এবং কোথায় নেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে জানতে চান। তবে চালক সন্তোষজনক উত্তর দিতে না পারায় স্থানীয়রা অটোভ্যানটি আটকে উপজেলা প্রশাসনকে খবর দেন।
খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে সার পরিবহনের বৈধতা ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র সম্পর্কে চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় তিনি সারের উৎস ও গন্তব্য সম্পর্কে সন্তোষজনক তথ্য এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে না পারায় ৩৮ বস্তা সার জব্দ করা হয়।
পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল মিয়া ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত সার পরিবহনের ঘটনায় অটোভ্যানচালক আমজাদকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
অভিযানের সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সোহরাব হোসেন এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নয়ন চন্দ্র শীল উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জব্দ করা ৩৮ বস্তা সার পরে নির্ধারিত সরকারি মূল্যে স্থানীয় প্রায় ১৯ জন কৃষকের কাছে বিক্রি করা হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সোহরাব হোসেন জানান, কৃষকদের কাছে নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি করে পাওয়া অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।




