ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

ধ'র্ষকের বিচার না চেয়ে ‘স্বামী হিসেবে’ পেতে চান ধ'র্ষিতা নারী!

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

  ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:৪২ পিএম

ধর্ষণ মামলার আসামির বিচার না চেয়ে তাঁকে স্বামী হিসেবে পেতে চান এক নারী (৩০)। এ জন্য ঝালকাঠির নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল ও বিষ পান করে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন তিনি।

বুলেটিন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ শরীফ মোহাম্মদ সানাউল হক বাদীর হট্টগোলের মধ্যে অনেক কষ্টে তাঁকে কিছুটা নিবৃত্ত করেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষে ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. আককাস সিকদার ও আসামিপক্ষের আইনজীবী মল্লিক মুহা. নাসির উদ্দিন কবীরের যুক্তিতর্ক নেন।


শুনানির সময় বারবার বাদী হট্টগোল শুরু করলে ট্রাইব্যুনালের বিচারক, আইনজীবী ও নারী পুলিশ সদস্যরা ডকে দাঁড়িয়ে থাকা বাদীকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। এ সময় বিচারক ওই নারীর উদ্দেশে বলেন, ‘আপনি একটু ধৈর্য ধারণ করেন। বিচারে দোষী প্রমাণিত হলে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসিও হতে পারে, আবার সাজাও হতে পারে।’

একপর্যায়ে বাদী ট্রাইব্যুনালের বিচারককে বলেন, ‘আসামির সাজা হলে আমাকেও ফাঁসি দিতে হবে। আমি তার শাস্তি চাই না, তাকে চাই। তার চাকরিও ফেরত চাই।’


তখন ট্রাইব্যুনালের বিচারক তাঁকে বলেন, ‘মা, আমরা তো আসামিকে বাধ্য করতে পারব না আপনাকে বিয়ে করার জন্য, তার অপরাধ প্রমাণ হলে তাকে শাস্তি দিতে পারব।’

এতে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে নারী বলেন, ‘আপনি কাজি ডেকে তার সঙ্গে আমার বিয়ের ব্যবস্থা করেন।’ এরপর চিৎকার করে হুমকি দিয়ে বলেন, ‘স্যার, আপনি যদি আসামি আল-আমিনের সঙ্গে আমার বিয়ের ব্যবস্থা না করেন, তাহলে আমি এ জীবন রাখব না, বিষ খেয়ে আপনার সামনে আত্মহত্যা করব।’

ঝালকাঠি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট মো. আককাস সিকদার জানান, আজ নারী ও শিশু মামলা নম্বর ১২৫/২৩-এর যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। এ মামলার বাদী রাজাপুর থানার জগন্নাথপুর গ্রামের এক নারী। আসামি রাজাপুর থানার সাবেক এএসআই এবং পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার উত্তর মুরাদিয়া গ্রামের মো. ইউনুচ মোল্লার ছেলে মো. আল-আমিন মোল্লা।

পিপি জানান, ২০২০ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে ২০২৩ সালের ২০ আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে বিয়ের প্রলোভন ও মিথ্যা বিয়ের নাটক সাজিয়ে নারীকে এএসআই আল-আমিন একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন—এই অভিযোগে ২০২৩ সালের ১০ সেপ্টেম্বর মামলা করেন ওই নারী। ২০২৪ সালের ২৮ নভেম্বর আল-আমিনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় অভিযোগ গঠন করে মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।

এ মামলায় বাদী, বাদীর নাবালক ছেলেসহ চারজনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। সাক্ষ্য গ্রহণের শেষ পর্যায়ে দুজন সাক্ষী দেশে নেই মর্মে বাদী নিজেই ট্রাইব্যুনালে জানান এবং সাক্ষ্য সমাপ্ত করার আবেদন করেন। সাক্ষীদের বিরুদ্ধে জারি করা পরোয়ানা তামিলকারী পুলিশও অন্য দুজন সাক্ষীর বিষয়ে একই প্রতিবেদন দাখিল করে। এরপর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামিকে পরীক্ষার সময় থেকেই বাদী তাঁর সঙ্গে বিয়ে ও কাবিননামার দাবি করতে শুরু করেন।

আজ যুক্তিতর্ক শুনানির দিন আসামিপক্ষের আইনজীবী যুক্তিতর্ক শুরু করলে মামলার বাদী তাঁর প্রতি আক্রমণাত্মক হয়ে উচ্চস্বরে কথা বলা ও হট্টগোল শুরু করেন।

মামলার আসামিপক্ষের আইনজীবী নাসির উদ্দিন কবীর বলেন, ‘আজ যুক্তিতর্ক শুনানির সময় মামলার বাদী একাধিকবার কর্কশ ভাষায় আমার ওপরও চড়াও হয়েছেন, শুনানিতে আমাকে বারবার বেগ পেতে হয়েছে। একপর্যায়ে সে বিচারককে হুমকি দিয়েছে এই বলে যে, আসামির সঙ্গে তাকে বিয়ের ব্যবস্থা করে দিতে হবে, না হলে সে রায়ের দিন ট্রাইব্যুনালে সবার সামনে নিজেকে শেষ করে দেবে।’

ট্রাইব্যুনালের পিপি আককাস সিকদার আরও বলেন, ট্রাইব্যুনালের বিচারককে শুধু মৌখিকভাবে নয়, বাদী একটি লিখিত দরখাস্তের মাধ্যমেও আসামির সঙ্গে তাঁর বিয়ে পড়িয়ে দেওয়ার ‘উদ্ভট’ দাবি করেছেন। সেখানেও তিনি আসামি আল-আমিনকে স্বামী হিসেবে পেতে ট্রাইব্যুনালের প্রতি চাপ সৃষ্টি করেছেন। আর এর অন্যথা হলে তিনি ও তাঁর আগের স্বামীর ঔরশজাত ছেলেসহ ট্রাইব্যুনালের সামনে আত্মহত্যা করার হুমকি দিয়েছেন।

পিপি আরও বলেন, ‘এমনকি বাদী আমার ব্যক্তিগত চেম্বারে গিয়ে আমাকেও হুমকি দিয়ে বলেছে—‘‘আমি যদি আসামি আল-আমিনকে স্বামী হিসেবে না পাই, তাহলে আপনাদের কাউকে ছাড়ব না। আমার নিজের জীবন দিয়ে আপনাদের সবাইকে ফাঁসিয়ে দেব।’’’

মামলার বাদী বলেন, ‘আমি ধর্ষণ মামলা করেছি আল-আমিনকে স্বামী হিসেবে ফেরত পেতে। তাকে সাজা দিয়ে আমার কী লাভ? আমি যেকোনোভাবে আল-আমিনকে চাই।’

নীলফামারীতে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল
‘মাদককে না বলি, সুন্দর জীবন গড়ি’—এই প্রতিপাদ্য নিয়ে নীলফামারী সদর উপজেলার কুন্দপুকুর ইউনিয়নের পুলহাট শাপলা যুব সংঘ ক্লাবের উদ্যোগে ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নীলফামারীতে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল
নীলফামারীতে স্বেচ্ছাসেবকদলের প্রচার পত্র বিতরণ
বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের শাসনামলে ভুল সিদ্ধান্ত ও দূর্বল পরিকল্পনার কারনে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের সংকট দিনদিন তীব্র হচ্ছে। এজন্য বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষদের মাঝে বিএনপি সরকারকে নিয়ে জন্ম নেয়া বিভ্রান্ত এবং বিএনপি সরকারের উদ্যোগ গ্রহনের পরিকল্পনা সম্বলিত উদ্বদ্ধকরণ ও প্রচার পত্র বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবকদল নীলফামারী জেলা শাখা। রবিবার দিনব্যাপী শহরের ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্বেচ্ছাসেবকদলের জেলা, পৌরসভা, সদর ও ইউনিয়ন ইউনিটের সকল সদস্যরা বিএনপি সরকারের উদ্যোগ গ্রহনের পরিকল্পনা সম্বলিত উদ্বদ্ধকরণ ও প্রচার পত্র বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন।  বিতরণ শেষে শহরের পৌর মার্কেটস্থ বিএনপি কার্যালয়ের সামনে বক্তব্য রাখেন, স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক মোরশেদ আযম, সদস্য সচিব শিহাবুজ্জামান চৌধুরী শিহাব, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক রাজু পারভেজ ও খালেদ বিন তুষারসহ আরো অনেকে। বক্তারা বলেন, আওয়ামীলীগ সরকার গত দেড় দশকে একের পর এক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করেছে। তবে জ্বালানি তেল কোথা থেকে আসবে এবং এর অর্থের যোগান কিভাবে হবে, সেই বাস্তবতা বিবেচনা করে পরিকল্পনা নেওয়া হয়নি। ফলে প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা তৈরি হয়েছে। কিন্তু সক্ষমতা থাকলেও জ্বালানি ও অর্থের অভাবে পর্যাপ্ত উৎপাদন বাড়েনি। শুধু বিদ্যুৎ খাতে নয় জ্বালানি তেল থেকে শুরু করে বিভিন্ন খাতে দুর্নীতি, লুটপাট, বিদেশে অর্থ পাচার করে দেশকে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ থেকে পালিয়েছে। সবকিছুর দায়ভার নিতে হচ্ছে এই বিএনপি সরকারকে। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর অল্প সময়ের মধ্যে সকল বাধা-বিপত্তি কেটে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে দৃশ্যমান মূলক উন্নয়ন কর্মকান্ড অব্যাহত রেখেছে।
নীলফামারীতে স্বেচ্ছাসেবকদলের প্রচার পত্র বিতরণ
কিশোরগঞ্জে ইজিবাইক ছিনতাই চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ইজিবাইক ছিনতাই চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর গফুর জানান, শুক্রবার রাতে উপজেলার মাগুড়া এলাকা থাকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-সিঙ্গেরগাড়ী পাঠানপাড়া এলাকার মৃত পেলকা মামুদের ছেলে বাদল মিয়া (১৪) ও একই এলাকার আশোয়ার খানের ছেলে শাকিল খান (১৭)।   পুলিশ সূত্রে জানা গেল, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র ইজিবাইকে যাত্রীবেশে উঠে চালককে চেতনানাশক খাইয়ে ইজিবাইক ছিনতাই করতেন। কিছুদিন আগে একটি ইজিবাইক ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় তদন্ত করতে গিয়ে তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাওয়ায় শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের মাগুড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।  কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর গফুর এ বিষয়ে বলেন, তারা যাত্রীবেশে ইজিবাইকে উঠে চেতনানাশক ব্যবহার করে ইজিবাইক ছিনিয়ে নিতেন। এসময় তিনি জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামি দ্জুনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
কিশোরগঞ্জে ইজিবাইক ছিনতাই চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার
সৈয়দপুর রেল কারখানায় ভারত থেকে আমদানিকৃত ১৮টি রেলকোচ পৌঁছেছে 
ভারত থেকে আমদানি করা ১৮টি রেলকোচ পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য দেশের বৃহত্তম নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় এসে পৌঁছেছে।  শনিবার (১৭ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে এই রেলওয়ে কারখানায় আসা এ রেলকোচগুলো শুক্রবার ভারত থেকে বাংলাদেশে আসে। রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে নতুন কোচ যুক্ত করার অংশ হিসেবে ভারতের রাইটস লিমিটেডের মাধ্যমে এসব কোচ সংগ্রহ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত ২০০টি ব্রডগেজ রেলকোচ সরবরাহ চুক্তির আওতায় প্রথম চালানে এসেছে চার ধরনের ১৮টি কোচ।  এরমধ্যে রয়েছে ১১টি নন এসি শোভন চেয়ার কোচ, তিনটি এসি চেয়ার কোচ, দু’টি এসি স্লিপার কোচ ও দু’টি এসি পাওয়ার কার। পাওয়ার কারগুলোতে গার্ডদের জন্য পৃথক কামরা এবং যাত্রীদের মালামাল বহনের ব্যবস্থা রয়েছে। কোচগুলো ভারতের পাঞ্জাবের কাপুরথালায় অবস্থিত রেলকোচ ফ্যাক্টরিতে তৈরি করা হয়েছে।  রেলওয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কোচগুলো খোলার পর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা, কমিশনিং ও ট্রায়াল রান সম্পন্ন করা হবে। এজন্য লোকোমোটিভ, প্রয়োজনীয় ক্রু, টুলভ্যান ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।  সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) শাহ সুফি নূর মোহাম্মদ জানান, রেলওয়ে কারখানায় আনা এসব কোচ এখনো খোলা হয়নি। তবে খুব শিগগিরই খুলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হবে, আমাদের দেশের উপযোগী কি না ? এ কাজে রেল কারখানার শ্রমিক-কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ভারতের বিশেষজ্ঞরা কাজ করবেন। কোচগুলো সৈয়দপুর রেল কারখানায় যান্ত্রিক পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে ট্রায়াল দেওয়ার পর ট্র্যাফিক বিভাগে হস্তান্তর করা হবে। 
সৈয়দপুর রেল কারখানায় ভারত থেকে আমদানিকৃত ১৮টি রেলকোচ পৌঁছেছে 
পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও নীলফামারীর পূজামণ্ডপে বাড়তি নজরদারি, ২৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও নীলফামারী জেলায় ২৩ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপগুলোতে বিশেষ নজরদারি, নিয়মিত টহল এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় র‍্যাপিড রেসপন্স টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রস্তুত রেখেছে বাহিনীটি। রোববার (১৮ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে গৃহীত নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান বিজিবির ঠাকুরগাঁও সেক্টর সদর দপ্তরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ সুরুজ মিয়া, বিজিবিএম, পিএসসি। ব্রিফিংয়ে সেক্টর কমান্ডার জানান, ঠাকুরগাঁও সেক্টরের আওতাধীন ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও নীলফামারী জেলার সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপ এবং জেলা সদরের গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তিন জেলার সীমান্তে থাকা ৬২টি বর্ডার অবজারভেশন পোস্টের (বিওপি) মাধ্যমে সীমান্তবর্তী এলাকার পূজামণ্ডপগুলোতে নজরদারি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যাটালিয়ন সদর ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বলেন, সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপগুলোতে বাড়তি সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি যেকোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ও অনাকাঙ্ক্ষিত অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে র‍্যাপিড রেসপন্স টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নিয়মিত টহলের মাধ্যমেও পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, আনসার ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে বিজিবি। গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল পূজামণ্ডপগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি পূজামণ্ডপগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা, সন্দেহজনক তৎপরতা কিংবা গুজবের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বিজিবি সদর দপ্তর ও আঞ্চলিক ব্যাটালিয়নগুলোতে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম চালু রাখা হয়েছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে সেক্টর কমান্ডার বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই যেন শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজবে কান না দিয়ে যেকোনো সন্দেহজনক ঘটনা বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির বিষয়ে নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কিংবা বিজিবির টহল দলকে অবহিত করতে হবে। সাংবাদিকদের গঠনমূলক সহযোগিতা ও সাধারণ মানুষের সচেতন অংশগ্রহণে শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ও শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবি সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানান সেক্টর কমান্ডার।
পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও নীলফামারীর পূজামণ্ডপে বাড়তি নজরদারি, ২৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
আরও পড়ুন
সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত আনোয়ার মারা গেছেন
ঝালকাঠিতে লালন সাঁইয়ের ১৩৩তম তিরোধান দিবস পালিত  
রাজাপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও মানহানিকর মন্তব্যের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
ঝালকাঠিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় মোতায়েন ১ হাজার ১ শত ৩৮ আনসার ও ভিডিপি সদস্য  
X