ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

কারিগর ফুরোচ্ছে, ঘানির ঐতিহ্যও যাচ্ছে ফুরিয়ে

আল-রাফি, আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি

  ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৪:২০ পিএম
ছবি প্রতিনিধি

ভোরের আলো ফুটতেই একসময় জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের গ্রাম-গঞ্জে ঘুরত কাঠের ঘানি। গরু কিংবা কারিগরের শ্রমে সরিষা ভেঙে তৈরি হতো তেল। সেই তেল বিক্রির আয়েই চলত অনেক পরিবারের সংসার। বংশপরম্পরায় এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়েছিল ঘানি চালানোর পেশা। তবে সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে সেই চিত্র। বয়সের ভারে পুরোনো কারিগরেরা কাজ ছাড়ছেন। নতুন প্রজন্মও এ পেশায় আগ্রহ দেখাচ্ছে না। এর সঙ্গে সরিষা, শ্রমিক, বিদ্যুৎ ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেড়ে যাওয়ায় ঘানি চালিয়ে আগের মতো লাভও হচ্ছে না। ফলে আক্কেলপুরে ঐতিহ্যবাহী কাঠের ঘানি এখন টিকে আছে হাতে গোনা কয়েকজন মালিক ও কারিগরের চেষ্টায়।

বুলেটিন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন


স্থানীয় ঘানি মালিক ও কারিগরদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১৫ বছর আগে আক্কেলপুরে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৩০টি ঘানি চালু ছিল। ২০১৬ সালে তা কমে দাঁড়ায় ২১টিতে। ২০২১ সালে ছিল ১২টি। আর চলতি বছরে নিয়মিত চলছে মাত্র ৮টি। অর্থাৎ দেড় দশকে বন্ধ হয়ে গেছে ২২টি ঘানি। হিসাবে, এই সময়ে প্রায় ৭৩ শতাংশ ঘানি বন্ধ হয়েছে।


ঘানি মালিকেরা বলছেন, কাঠের ঘানিতে তৈরি সরিষার তেলের আলাদা চাহিদা রয়েছে। স্বাদ, গন্ধ ও ঐতিহ্যের কারণে অনেক ক্রেতাই এই তেল কিনতে আগ্রহী। কিন্তু বোতলজাত ও আধুনিক যন্ত্রে উৎপাদিত তেলের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে।

একটি ঘানিতে দিনে গড়ে ১০০ কেজি বা তার বেশি সরিষা ভাঙানো হয়। স্থানীয় বাজারদর অনুযায়ী, প্রতি কেজি সরিষা ৯৫ টাকা হিসাবে ১০০ কেজি সরিষা কিনতে খরচ হয় ৯ হাজার ৫০০ টাকা। এর সঙ্গে শ্রমিকের মজুরি ৬০০ টাকা, বিদ্যুৎ ও যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণে ৪০০ টাকা এবং পরিবহনসহ অন্যান্য খরচ ৩০০ টাকা। সব মিলিয়ে মোট খরচ হয় প্রায় ১০ হাজার ৮০০ টাকা।


এই ১০০ কেজি সরিষা থেকে গড়ে ৪২ কেজি তেল পাওয়া যায়। প্রতি কেজি ২০০ টাকা দরে তেল বিক্রি করে আয় হয় ৮ হাজার ৪০০ টাকা। পাশাপাশি প্রায় ৫০ কেজি খৈল ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে পাওয়া যায় ১ হাজার ৭৫০ টাকা। তেল ও খৈল মিলিয়ে মোট আয় দাঁড়ায় ১০ হাজার ১৫০ টাকা। অর্থাৎ হিসাব অনুযায়ী ১০০ কেজি সরিষা ভাঙিয়ে লাভ থাকে মাত্র ৬৫০ টাকা।


উপজেলার তুলসীগঙ্গা নদীঘেঁষা এলাকায় ঘানি চালান দোকান মালিক মো. আলমগীর হোসেন। তিনি বলেন, আমার দাদা এই ব্যবসা করতেন। বাবাকেও এই কাজ করতে দেখেছি। সেই সূত্রে আমিও ১৯৯৫ সাল থেকে ঘানি চালাচ্ছি। আগের তুলনায় সরিষার দাম, শ্রমিকের মজুরি ও অন্যান্য খরচ অনেক বেড়েছে। কিন্তু সেই অনুপাতে তেলের দাম বাড়ানো যায় না। অনেক সময় ঘানি চালিয়ে খরচ উঠিয়ে রাখাই কঠিন হয়ে পড়ে। শুধু ঘানি কমছে না, কমছে এ পেশার কারিগরও।


কারিগরের সংকটের চিত্রও স্পষ্ট। বর্তমানে চালু থাকা আটটি ঘানির ১১ জন কারিগরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, তাঁদের নয়জনের বয়স ৪৫ বছরের বেশি। পাঁচজনের বয়স ৫৫ বছরের ওপরে। ৩০ বছরের নিচে বয়সী কারিগর রয়েছেন মাত্র একজন। এতে ভবিষ্যতে ঘানি চালানোর জন্য দক্ষ কারিগর পাওয়া নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে।


কারিগর মজিবর রহমান বলেন, আগে বংশপরম্পরায় এই কাজ শেখার প্রচলন ছিল। দিনে আট থেকে দশ ঘণ্টা কাজ করেও আয় সব সময় নিশ্চিত নয়। অন্য কাজ করলে তুলনামূলক বেশি আয় করা যায়। তাই নতুন প্রজন্ম ঘানির কাজে আগ্রহী হচ্ছে না। শুধু কারিগর নয়, ঘানির কাঁচামাল সরিষা সংগ্রহেও সমস্যায় পড়ছেন মালিকেরা। স্থানীয়ভাবে ২০ জন সরিষাচাষির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাঁদের ১৪ জন সরিষা সরাসরি ঘানি মালিকদের কাছে বিক্রি করেন না। বেশির ভাগ সরিষাই মাঠ পর্যায় থেকে পাইকারেরা কিনে নেন।

সরিষাচাষি লুৎফর রহমান বলেন, সরিষা চাষ করে ভালো ফলন পেলেও আমাদের কাছে ন্যায্য দাম পাওয়াটাই গুরুত্বপূর্ণ। ঘানি মালিকেরা সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে সরিষা কিনলে আমরা যেমন ভালো দাম পেতে পারি, তেমনি তাঁদেরও পরিবহন ও মধ্যস্বত্বভোগীর খরচ কমতে পারে। কিন্তু বেশির ভাগ সময় পাইকারেরা মাঠ থেকেই সরিষা কিনে নেওয়ায় ঘানি মালিকদের কাছে সরাসরি বিক্রির সুযোগ হয় না।


উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, দুই বছর আগে আক্কেলপুরে প্রায় ১ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছিল। পরের বছর বৈরী আবহাওয়া ও বৃষ্টিপাতের কারণে তা কমে প্রায় ১ হাজার ৬০০ হেক্টরে নেমে আসে। অনুকূল আবহাওয়া না থাকায় অনেক কৃষক নির্ধারিত সময়ে সরিষা আবাদ করতে পারেননি। ফলে কমে যায় আবাদি জমির পরিমাণ। তবে চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সরিষার আবাদ ও উৎপাদন-দুটিই বাড়বে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ।


আক্কেলপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন কুমার সাহা বলেন, সরিষার উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সরিষার ন্যায্য বাজার নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। কৃষক স্থানীয় ঘানি বা তেল উৎপাদনকারীর কাছে সরাসরি পণ্য বিক্রির সুযোগ পেলে উভয় পক্ষই উপকৃত হবেন। ঘানি শিল্প টিকিয়ে রাখতে উৎপাদন, বাজারজাতকরণ ও স্বাস্থ্যসম্মত প্রক্রিয়াজাতকরণের বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।

এ বিষয়ে জেলা বিসিক শিল্পনগরীর উপব্যবস্থাপক লিটন চন্দ্র ঘোষ বলেন, ঘানি শিল্প টিকিয়ে রাখতে উৎপাদন বৃদ্ধি, বাজারজাতকরণ ও স্বাস্থ্যসম্মত প্রক্রিয়াজাতকরণের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ঘানি মালিকদের ব্যবসার পরিধি বাড়াতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের পাশাপাশি অনলাইন মেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া আর্থিক সহযোগিতা এবং বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে ঋণ গ্রহণে প্রয়োজনীয় সহায়তাও দেওয়া হবে।

ময়মনসিংহে ১১ উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন এমপি ওয়াহাব
ময়মনসিংহ সদর উপজেলার গ্রামীন সড়ক ও প্রতিষ্ঠানের ১১টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য (এমপি) আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। এ সময় উন্নয়নভোগী এলাকাবাসী সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। রোববার (১৮ অক্টোবর) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত সদর উপজেলার চরসিরতা ও পরানগঞ্জ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে এসব প্রকল্প উদ্বোধন করেন তিনি। প্রকল্পগুলো হলো- কোনাপাড়া রফিকুলের বাড়ী হতে ঈওগাহ মাঠ পর্যন্ত সড়ক সংস্কার, চরখরিচা ইদগাহ মাঠ হাত পীরবাড়ী সড়ক ও কালভার্ট সংস্কার, খাজা মাঈন উদ্দিনের বাড়ী হইতে আজিজুল হক সাহেবের বাড়ী মেইন রাস্তা সংস্কার, সিরতা বাজারের দক্ষিন পাড়া রাস্তা সংস্কার, চরভাবানীপুর পশ্চিমপাড়া মসজিদ হতে মাহবুব আলমের বাড়ী পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার, সিরতা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ছাত্রীদের নামাজ খানা নির্মাণ, খালেরপার হতে কইট্রার মোড়ের রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণ, চরখরিচা আইন উদ্দীনের বাড়ীর পাকা রাস্তা হাফ সলিং, জামিয়া শাহমুদিয়া চরখরিচা মাদরাসার আসবাবপত্র সংস্কার, চরখরিচা মেইন রোড থেকে মামুনের বাড়ী রাস্তা সংস্কার এবং চরসিরতা হাজী সুলতান মহিলা মাদরাসা পাকা রাস্তা হইতে দক্ষিণ পাড়া জামে মসজিদ পর্যন্ত রাস্তা সলিং। এদিকে, উদ্বোধন কর্মসূচি শেষে বিকালে চরসিরতা বাজারে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন এমপি আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। এ সময় তিনি বলেন, একটি চক্র দেশে ও বিদেশে বসে যোগসাজসে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তাই আসন্ন দুর্গাপূজায় সবাইকে সজাগ থাকতে হবে, কেউ যেন কোনভাবে পূজামন্ডপে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। কারণ যে কোন ধর্মীয় আচার, অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। এজন্য প্রতিটি এলাকার র্পূজামন্ডপে বিএনপির নেতাকর্মীদের নজরদারি রাখতে হবে।’  এসব কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন কোতোয়ালি বিএনপির আহবায়ক হেলাল আহম্মেদ, সদস্য সচিব আতাহারুল ইসলাম বুলবুল, জেলা বিএনপির সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক সাব্বির আহম্মেদ শামীমসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
ময়মনসিংহে ১১ উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন এমপি ওয়াহাব
সিলেটে পূজামণ্ডপে উৎসবমুখর পরিবেশ
ঢাকের বাদ্য, কাঁসর ঘণ্টা, শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠেছে সিলেটের পূজামণ্ডপগুলো। ফুল, ধূপ ও আগরবাতির সুগন্ধে সৃষ্টি হয়েছে এক আনন্দঘন পরিবেশ। দেবী দুর্গার আগমনকে ঘিরে সিলেটজুড়ে শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। মণ্ডপগুলো সাজানো হয়েছে নানা রঙের আলোকসজ্জা ও দৃষ্টিনন্দন সাজে। পূজার আনন্দ ভাগ করে নিতে বিভিন্ন বয়সের ভক্তরা মণ্ডপে ভিড় করছেন। তাঁরা দেবীর কাছে প্রার্থনা করছেন এবং দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করছেন। সিলেট নগরের বিভিন্ন মন্দির ও সার্বজনীন পূজামণ্ডপে চলছে ধর্মীয় সংগীত, পূজা-অর্চনা ও নানা আয়োজন। পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন উপজেলাতেও উৎসবকে ঘিরে বিরাজ করছে আনন্দ-উদ্দীপনা। পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। দুর্গাপূজায় নিরাপত্তার চাদরে সিলেট :  এদকি, সিলেট জেলা পুলিশের আওতাধীন ১১ টি উপজেলায় শান্তিপূর্ণ ভাবে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে  নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।  প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সিলেট জেলা পুলিশের আওতাধীন ১১ টি উপজেলায় ৪৭১ টি পূজা মন্ডপ রয়েছে।  এ সকল পূজা মন্ডপে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে  মন্ডপের গুরুত্ব অনুযায়ী পুলিশ ফোর্স মোতায়ন করা হয়েছে।  মন্ডপ ও তার আশেপাশে এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত  করতে থানা এলেকায় নিয়মিত মোবাইল টিমের পাশাপাশি মন্ডপভিত্তিক ৯০ টি মোবাইল টিম গঠন করা হয়েছে, যারা নিয়মিত মন্ডপ পরিদর্শন করছে। থানা এলাকায় অনাকাঙ্খিত ঘটনা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিয়মিত চেকপোস্ট পরিচালিত হচ্ছে।  যে সকল মণ্ডপে জনসমাগম অধিক সেই সকল মন্ডপসমূহ চিহ্নিত করে ট্রাফিক পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে যেন মানুষ ও যান চলাচল নির্বিঘ্ন থাকে।  সাধারণ পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়ন রয়েছে যারা যেকোনো নাশকতা বা অপতৎপরতা রোধে গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। যেকোনো দুর্ঘটনা প্রতিরোধে দ্রুত সাড়া দান করতে প্রতিটি থানায় গঠন করা হয়েছে কুইক রেসপন্স টিম। তাছাড়া পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য পুলিশ লাইন্সসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্যান্ডবাই টিম হিসেবে রাখা হয়েছে যেন যেকোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়। সিলেট জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো: যাবের সাদেক শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে সকল পুলিশ সদস্যকে পশোদারত্বিরে সাথে দায়ত্বি পালন করতে নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি আইন-শৃঙ্খলা সমুন্নত রেখে শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ সুষ্ঠু ভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।  
সিলেটে পূজামণ্ডপে উৎসবমুখর পরিবেশ
কচা নদীতে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় কচা নদীর চরখালী মোহনায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ, নদীভাঙন রোধ এবং নদীতীরবর্তী বসতভিটা ও জনপদ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ কর্মসূচি একপর্যায়ে অবরোধে রূপ নিলে প্রায় দেড় ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে। পরে উপজেলা প্রশাসনের আশ্বাসে আন্দোলনকারীরা অবরোধ প্রত্যাহার করলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। রোববার (১৮ অক্টোবর) সকাল ১০টায় উপজেলার চরখালী ফেরিঘাট এলাকায় নদীতীরবর্তী ভাঙনকবলিত এলাকার বাসিন্দাদের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মো. আল-আমিন হোসেন, মো. মনির হোসেন ও মো. ওহাব মাঝিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। বক্তারা বলেন, চরখালী মোহনায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে নদীতীরবর্তী এলাকার ঘরবাড়ি, বসতভিটা ও জনপদ ঝুঁকির মুখে পড়ছে। এভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে নদীভাঙন আরও তীব্র হতে পারে। এতে বহু পরিবার নিজেদের বসতভিটা ও সহায়-সম্বল হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন। তাঁরা অবিলম্বে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং নদীতীরবর্তী জনপদ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেন। মানববন্ধন চলাকালে একপর্যায়ে কর্মসূচি অবরোধে রূপ নেয়। এতে সড়ক ও নৌপথে চলাচল ব্যাহত হয় এবং প্রায় দেড় ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে। পরে উপজেলা প্রশাসনের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীরা অবরোধ তুলে নেন। এরপর যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
কচা নদীতে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন
গাজীপুরে ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সেলিম ভূঁইয়াকে ফুলেল শুভেচ্ছা
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের ক্রীড়া শাখার আওতাধীন গাজীপুর সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাত (৭) সদস্যবিশিষ্ট অ্যাডহক কমিটির সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মো. সেলিম ভূঁইয়া।  তাঁর এ সদস্য পদ পাওয়ায় আনন্দ প্রকাশ করে ভাওয়াল টাইগার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে সদর উপজেলার নয়াপাড়া  ভাওয়াল টাইগার্স ক্লাবের মাঠে তাঁকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন, তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করা এবং স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়াচর্চার প্রসারে নবগঠিত অ্যাডহক কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের। ভাওয়াল টাইগার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে সেলিম ভূঁইয়ার সাফল্য কামনা করে দোয়ার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি গাজীপুর সদর উপজেলার ক্রীড়াঙ্গনকে আরও এগিয়ে নিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে ভাওয়াল টাইগার্স ক্লাবের সভাপতি লুৎফর রহমান খান এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিমের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন   বৃহত্তর মির্জাপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য সদর উদ্দিন শেখ খোকন, ভাওয়াল টাইগার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাবলুু আহমেদ, সদস্য আলমগীর হোসেন খান, কাজল আহমেদ রিয়াজ, নুরুদ্দিন খন্দকার, আহসানুল্লাহ সরকার ফাহিম প্রমুখ। এছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম খান, গাজীপুর সদর উপজেলা জেটেব এর সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার ইমরান হোসেন সরকার, গাজীপুর জেলার সাবেক ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজল আহমেদ রিয়াজ, ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের যুবদলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান উৎসব, ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ দপ্তর সম্পাদক রাজীব মোল্লা সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।  
গাজীপুরে ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সেলিম ভূঁইয়াকে ফুলেল শুভেচ্ছা
নীলফামারীতে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল
‘মাদককে না বলি, সুন্দর জীবন গড়ি’—এই প্রতিপাদ্য নিয়ে নীলফামারী সদর উপজেলার কুন্দপুকুর ইউনিয়নের পুলহাট শাপলা যুব সংঘ ক্লাবের উদ্যোগে ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নীলফামারীতে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল
আরও পড়ুন
ব্যবসায়ীর ৫ লাখ টাকা উধাও, রেস্তোরাঁর চারজনকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ
প্রবীণদের মর্যাদা ও নিরাপদ জীবনের আহ্বান, আক্কেলপুরে র‌্যালি-আলোচনা
ডাক্তার তো ওষুধ লিকে দিলো, একন এই রাত্রে পামু কোটে
খালে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ, এক দিন পর মিলল বেলির মরদেহ ‎ ‎
X