
ময়মনসিংহে রাজীব পরিবহনের বাসচাপায় নিহত সাতজনের বাড়িই জামালপুরে। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের চারজন।
জানাজা শেষে তাদের দাফন করা হলেও স্বজনদের বাড়িতে এখনো চলছে কান্না আর আহাজারি।
শুক্রবার দুপুরে ময়মনসিংহের আকুয়া বাইপাস এলাকায় রাজীব পরিবহনের বাসের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান সাতজন।
নিহতদের মধ্যে জামালপুর সদরের দড়িহামিদপুর গ্রামের মোফাজ্জল হোসেন লেবু, তাঁর মা রাশিদা বেগম, অন্তস্বত্ত্বা মেয়ে মর্জিনা ও পাঁচ বছরের নাতি মিনাল রয়েছেন।
গাজীপুর যাওয়ার পথে একসঙ্গে প্রাণ হারান একই পরিবারের চারজন। একটি দুর্ঘটনাই মুহূর্তে শূন্য করে দিয়েছে পুরো পরিবারকে।
শনিবার সকালে পৃথক পৃথক স্থানে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয় তাদের। জানাজায় শরিক হন জামালপুর-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট শাহ্ মোঃ ওয়ারেছ আলী মামুন।
জানাজার পর থেকেই স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকায়। স্বজনদের চোখে-মুখে একটাই প্রশ্ন—এভাবে আর কত প্রাণ ঝরবে সড়কে?
এদিকে মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার রাতে জামালপুর শহরে গায়েবানা জানাজা ও কফিন মিছিল করেছে যুবশক্তি ও ছাত্রশক্তি।
তাদের দাবি, রাজীব পরিবহনের রুট পারমিট বাতিল, বাস চলাচল বন্ধ এবং পরিবহন মালিক-শ্রমিক সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে হবে।
এ ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন জামালপুর-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট শাহ মোঃ ওয়ারেছ আলী মামুন। দুর্ঘটনা প্রতিরোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।




