
ফ্যাসিস্ট রেজিমের দেড় দশকের সঙ্গে নির্বাচিত সরকারের জনপ্রতিনিধিদের কখনোই মেলাবেন না বা তুলনা করবেন না। এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) নেত্রকোনার দুর্গাপুরে কৃষক কার্ড উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে এক বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আজকে কৃষক কার্ডের উদ্বোধন হলো সে কৃষক কার্ডের ভাগীদার হলো দুর্গাপুর। আমি আশা করছি বা এখন পর্যন্ত যতটুকু ইনফরমেশন পেয়েছি কোন ধরনের ত্রুটি হয়নি আমরা এই ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষক কার্ডের বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছি দল মত পথের নির্বিশেষে জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে এবং দুর্নীতিমুক্ত ভাবে কৃষক কার্ড এবং ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ হবে সেটা হচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাশা ও নির্দেশনা। আমরা যারা স্থানীয় সংসদ সদস্য আছি আমরা প্রত্যেকেই বিষয়ে অকাভেল আছি সেই সাথে স্থানীয় প্রশাসনেরও দায়িত্ব হবে বিগত দেড় দশকের প্রশাসন আর এই প্রশাসন এক যেন না হয়। ফ্যাসিস্ট রেজিমের দেড় দশকের সঙ্গে নির্বাচিত সরকারের মাননীয় সংসদ সদস্যদের কখনোই মেলাবেন না বা তুলনা করবেন না।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, আমরা অনেককিছু জানি না। একটু আগে মাননীয় সংসদ সদস্য সদরের একজন একটা চিঠি বের করে দিলেন সমাজসেবা একটা অনুদান এসেছে স্থানীয় সংসদ সদস্য হিসেবে আমি এখনো জানিনা তো এই আমলাতান্ত্রিক যে বিষয়গুলো আছে আমি আজকে প্রত্যেকের কাছে বিনয়ের সাথে আজকে অনুরোধ জানাবো ফ্যাসিস্ট রেজিমের দেড় দশকের সাথে নির্বাচিত সরকারের মাননীয় সদস্যদেরকে আপনারা কখনোই মিলাবেন না বা তুলনা করবেন না।
তিনি আরও বলেন, আমরা নির্বাচিত প্রতিনিধি জনগণের জন্য যে অনুদানগুলো আসে আপনাদের প্রাথমিক দায়িত্ব স্থানীয় সংসদ সদস্যদেরকে বলা। যারা এর ব্যত্যয় ঘটাবেন তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক অর্থাৎ বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দিব এবং প্রয়োজনে জনগণ ক্রিমিনাল অফেন্সে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করবে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর কৃষক কার্ড উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ডেপুটি স্পিকার। দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরি ইউনিয়নে ১১৭০ জন কৃষক এই কার্ডের আওতায় এসেছে বলে জানা যায়।




