ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

ঠিকাদারি বিল নিয়ে মৌলভীবাজার জেলা পরিষদে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, বাড়ছে উত্তাপ

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

  ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮:২৪ পিএম
ঠিকাদারি বিল নিয়ে মৌলভীবাজার জেলা পরিষদে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, বাড়ছে উত্তাপ

৪৮ ঘন্টার মধ্যে শাস্তিমূলক বদলির দাবি জানিয়ে একদল ঠিকাদার কর্তৃক মানববন্ধন শেষে ডিসির কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ঊর্ধতণ কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ প্রেরণের বিপরীতে মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা খন্দকারের পাল্টা অভিযোগে ৪৮ ঘন্টা পেরিয়ে যাওয়ায় মৌলভীবাজার জেলায় আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

বুলেটিন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

গত বৃহষ্পতিবার মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের সম্মুখে অনুষ্টিত মানববন্ধনে একদল ঠিকাদার অভিযোগ করেছিলেন “দুর্নীতিবাজ ও ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা খন্দকার কর্তৃক জেলা পরিষদের উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারদের হয়রানি করেন ও বিল আটকে রাখেন। অভিযোগকারীরা সিইও শামীমা খন্দকারের বিরুদ্ধে কমিশন দাবি করে কাজের ফাইল আটকে রাখা এবং প্রকল্পের বিভিন্ন বিষয়ে হস্তক্ষেপের অভিযোগ করেছিলেন”।

বিপরীতে মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা খন্দকার জানান “ঠিকাদার তোফায়েল আহমদ কর্তৃক মৌলভীবাজার রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ভবন নির্মাণ প্রকল্পটিতে আর্থিক অনুমোদন নেই এমন কিছু কাজের বিল নেয়ার জন্য চেষ্টা করেছিলেন! আমি (প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা খন্দকার) আর্থিক অনুমোদন না থাকা কিছু কাজের বিল প্রদান না করায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ঠিকাদার তোফায়েল আহমদের নেতৃত্বে মানববন্ধন করা হয়েছে। তোফায়েল আহমদ ফ্যাসিবাদী আমলের নেতাদের সঙ্গে জয়েন্ট ভেঞ্চারে কাধেঁ কাধঁ মিলিয়ে জুড়ী ও শ্রীমঙ্গল এবং কমলগঞ্জ উপজেলায় জেলা পরিষদ কর্তৃক বাস্তবায়িত ৪-তলা বিশিষ্ট ৩টি আধুনিক ডাকবাংলোর কাজ করেছিলেন। জুড়ী উপজেলায় বাস্তবায়িত ৪-তলা বিশিষ্ট আধুনিক ডাকবাংলোটির কাজ অত্যন্ত নিম্নমানের করেছিলেন। অত্যন্ত নিম্নমানের এসি সরবরাহ করেছিলেন এবং বৈদ্যুতিক লাইনসহ অন্যান্য কাজ ছিল অতি নিম্নমানের। সিইও শামীমা খন্দকার আরও বলেন “কমলগঞ্জ উপজেলার ডাকবাংলোর কাজটি পেয়েছিলেন ফ্যাসিবাদী আমলের মন্ত্রী শাহাবউদ্দিনের আপন ভাগ্নে ও বড়লেখা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সুয়েব আহমদ। মন্ত্রীর ভাগ্নে সুয়েবের সাথে পার্টনারশিপে তোফায়েল আহমদ কাজটি করেছিলেন। ফ্যাসিবাদী আমলে তোফায়েল আহমদের কারনে বড়-বড় আওয়ামিলীগের কর্মীরাই কোন ঠিকাদারি কাজ করতে পারতো না! মূলত তোফায়েল ফ্যাসিবাদের প্রকৃত দোসর”।

প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার অভিযোগের জবাবে ঠিকাদার তোফায়েল আহমদ বলেন “মানববন্ধন এটা সকলের সম্মিলিত বিষয়, আমার একার নয়। আমি পুরাতন ঠিকাদার, প্রায় ২৫ বছর ধরে ঠিকাদারি করছি। আমি (তোফায়েল) অন্যায়ভাবে কোন আবদার করার মানুষ নয় এবং কখনো অন্যায় আবদার করি না। অফিসিয়ালি সিস্টেম মোতাবেক যা করার তাই করেছি। বেচারি (সিইও শামীমা খন্দকার) আশ্বাস দিয়েও বিল দেন নি! বেচারি (সিইও শামীমা খন্দকার) আমার কাছে ৫% টাকা দাবি করেছিলেন। আমি (ঠিকাদার তোফায়েল) বলেছিলাম “লসের কাজে আমি কিভাবে ৫% টাকা দেব”? শেষে ৩% টাকা দেয়ার জন্য সাব্যস্থ হয়েছিল। নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়েছেন, আমি উনার নাম জানি না”।

ঠিকাদার তোফায়েল আরও বলেন “অনলাইন টেন্ডার প্রক্রিয়ায় ২ নাম্বারি করার কোন সুযোগ নেই। আমি পেশাদার ঠিকাদার হিসেবে ব্যবসায়ে আওয়ামিলীগ - বিএনপি বলে কিছু নেই। আমি ১-জন ঠিকাদার হিসেবে কাজে অংশ নিয়েছিলাম। ব্যবসা - বাণিজ্যে অন্য হিসাব। আমি (তোফায়েল) বিএনপির ১-জন কর্মী”।

তোফায়েলের অভিযোগের বিষয়ে জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ আশরাফ হোসেন জানান “রেডক্রিসেন্টের ফাইলের বিষয়ে তোফায়েল সাহেবের সাথে কোন কথা হয়নি। সে আমার কক্ষে আসেনি, আমিও তাঁর সাথে আলাদাভাবে কোনদিন কোন কথাও বলি নাই। আমি নতুন গেছি, এ বিষয়ে এতকিছু জানিনা। উনি (তোফায়েল) টাকা দেয়ার কথা যা বলছে সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি কখনো টাকা নেইনি-এসব জানিও না”।

জেলা পরিষদের সিইও শামীমা খন্দকার বলেন “ঠিকাদার তোফায়েলের অন্যায় আবদার মেনে না নেয়ায় এবং অনুমোদনহীন বিল না দেয়ায় আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। ১০০% মানসম্পন্ন কাজ না করলে কিভাবে বিল দেয়া হবে? আমি ৫% টাকা দাবি করলে উনি প্রমাণ দিচ্ছে না কেন”?

ময়মনসিংহে ১১ উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন এমপি ওয়াহাব
ময়মনসিংহ সদর উপজেলার গ্রামীন সড়ক ও প্রতিষ্ঠানের ১১টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য (এমপি) আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। এ সময় উন্নয়নভোগী এলাকাবাসী সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। রোববার (১৮ অক্টোবর) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত সদর উপজেলার চরসিরতা ও পরানগঞ্জ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে এসব প্রকল্প উদ্বোধন করেন তিনি। প্রকল্পগুলো হলো- কোনাপাড়া রফিকুলের বাড়ী হতে ঈওগাহ মাঠ পর্যন্ত সড়ক সংস্কার, চরখরিচা ইদগাহ মাঠ হাত পীরবাড়ী সড়ক ও কালভার্ট সংস্কার, খাজা মাঈন উদ্দিনের বাড়ী হইতে আজিজুল হক সাহেবের বাড়ী মেইন রাস্তা সংস্কার, সিরতা বাজারের দক্ষিন পাড়া রাস্তা সংস্কার, চরভাবানীপুর পশ্চিমপাড়া মসজিদ হতে মাহবুব আলমের বাড়ী পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার, সিরতা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ছাত্রীদের নামাজ খানা নির্মাণ, খালেরপার হতে কইট্রার মোড়ের রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণ, চরখরিচা আইন উদ্দীনের বাড়ীর পাকা রাস্তা হাফ সলিং, জামিয়া শাহমুদিয়া চরখরিচা মাদরাসার আসবাবপত্র সংস্কার, চরখরিচা মেইন রোড থেকে মামুনের বাড়ী রাস্তা সংস্কার এবং চরসিরতা হাজী সুলতান মহিলা মাদরাসা পাকা রাস্তা হইতে দক্ষিণ পাড়া জামে মসজিদ পর্যন্ত রাস্তা সলিং। এদিকে, উদ্বোধন কর্মসূচি শেষে বিকালে চরসিরতা বাজারে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন এমপি আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। এ সময় তিনি বলেন, একটি চক্র দেশে ও বিদেশে বসে যোগসাজসে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তাই আসন্ন দুর্গাপূজায় সবাইকে সজাগ থাকতে হবে, কেউ যেন কোনভাবে পূজামন্ডপে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। কারণ যে কোন ধর্মীয় আচার, অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। এজন্য প্রতিটি এলাকার র্পূজামন্ডপে বিএনপির নেতাকর্মীদের নজরদারি রাখতে হবে।’  এসব কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন কোতোয়ালি বিএনপির আহবায়ক হেলাল আহম্মেদ, সদস্য সচিব আতাহারুল ইসলাম বুলবুল, জেলা বিএনপির সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক সাব্বির আহম্মেদ শামীমসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
ময়মনসিংহে ১১ উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন এমপি ওয়াহাব
সিলেটে পূজামণ্ডপে উৎসবমুখর পরিবেশ
ঢাকের বাদ্য, কাঁসর ঘণ্টা, শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠেছে সিলেটের পূজামণ্ডপগুলো। ফুল, ধূপ ও আগরবাতির সুগন্ধে সৃষ্টি হয়েছে এক আনন্দঘন পরিবেশ। দেবী দুর্গার আগমনকে ঘিরে সিলেটজুড়ে শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। মণ্ডপগুলো সাজানো হয়েছে নানা রঙের আলোকসজ্জা ও দৃষ্টিনন্দন সাজে। পূজার আনন্দ ভাগ করে নিতে বিভিন্ন বয়সের ভক্তরা মণ্ডপে ভিড় করছেন। তাঁরা দেবীর কাছে প্রার্থনা করছেন এবং দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করছেন। সিলেট নগরের বিভিন্ন মন্দির ও সার্বজনীন পূজামণ্ডপে চলছে ধর্মীয় সংগীত, পূজা-অর্চনা ও নানা আয়োজন। পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন উপজেলাতেও উৎসবকে ঘিরে বিরাজ করছে আনন্দ-উদ্দীপনা। পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। দুর্গাপূজায় নিরাপত্তার চাদরে সিলেট :  এদকি, সিলেট জেলা পুলিশের আওতাধীন ১১ টি উপজেলায় শান্তিপূর্ণ ভাবে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে  নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।  প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সিলেট জেলা পুলিশের আওতাধীন ১১ টি উপজেলায় ৪৭১ টি পূজা মন্ডপ রয়েছে।  এ সকল পূজা মন্ডপে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে  মন্ডপের গুরুত্ব অনুযায়ী পুলিশ ফোর্স মোতায়ন করা হয়েছে।  মন্ডপ ও তার আশেপাশে এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত  করতে থানা এলেকায় নিয়মিত মোবাইল টিমের পাশাপাশি মন্ডপভিত্তিক ৯০ টি মোবাইল টিম গঠন করা হয়েছে, যারা নিয়মিত মন্ডপ পরিদর্শন করছে। থানা এলাকায় অনাকাঙ্খিত ঘটনা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিয়মিত চেকপোস্ট পরিচালিত হচ্ছে।  যে সকল মণ্ডপে জনসমাগম অধিক সেই সকল মন্ডপসমূহ চিহ্নিত করে ট্রাফিক পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে যেন মানুষ ও যান চলাচল নির্বিঘ্ন থাকে।  সাধারণ পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়ন রয়েছে যারা যেকোনো নাশকতা বা অপতৎপরতা রোধে গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। যেকোনো দুর্ঘটনা প্রতিরোধে দ্রুত সাড়া দান করতে প্রতিটি থানায় গঠন করা হয়েছে কুইক রেসপন্স টিম। তাছাড়া পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য পুলিশ লাইন্সসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্যান্ডবাই টিম হিসেবে রাখা হয়েছে যেন যেকোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়। সিলেট জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো: যাবের সাদেক শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে সকল পুলিশ সদস্যকে পশোদারত্বিরে সাথে দায়ত্বি পালন করতে নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি আইন-শৃঙ্খলা সমুন্নত রেখে শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ সুষ্ঠু ভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।  
সিলেটে পূজামণ্ডপে উৎসবমুখর পরিবেশ
কচা নদীতে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় কচা নদীর চরখালী মোহনায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ, নদীভাঙন রোধ এবং নদীতীরবর্তী বসতভিটা ও জনপদ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ কর্মসূচি একপর্যায়ে অবরোধে রূপ নিলে প্রায় দেড় ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে। পরে উপজেলা প্রশাসনের আশ্বাসে আন্দোলনকারীরা অবরোধ প্রত্যাহার করলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। রোববার (১৮ অক্টোবর) সকাল ১০টায় উপজেলার চরখালী ফেরিঘাট এলাকায় নদীতীরবর্তী ভাঙনকবলিত এলাকার বাসিন্দাদের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মো. আল-আমিন হোসেন, মো. মনির হোসেন ও মো. ওহাব মাঝিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। বক্তারা বলেন, চরখালী মোহনায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে নদীতীরবর্তী এলাকার ঘরবাড়ি, বসতভিটা ও জনপদ ঝুঁকির মুখে পড়ছে। এভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে নদীভাঙন আরও তীব্র হতে পারে। এতে বহু পরিবার নিজেদের বসতভিটা ও সহায়-সম্বল হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন। তাঁরা অবিলম্বে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং নদীতীরবর্তী জনপদ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেন। মানববন্ধন চলাকালে একপর্যায়ে কর্মসূচি অবরোধে রূপ নেয়। এতে সড়ক ও নৌপথে চলাচল ব্যাহত হয় এবং প্রায় দেড় ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে। পরে উপজেলা প্রশাসনের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীরা অবরোধ তুলে নেন। এরপর যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
কচা নদীতে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন
গাজীপুরে ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সেলিম ভূঁইয়াকে ফুলেল শুভেচ্ছা
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের ক্রীড়া শাখার আওতাধীন গাজীপুর সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাত (৭) সদস্যবিশিষ্ট অ্যাডহক কমিটির সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মো. সেলিম ভূঁইয়া।  তাঁর এ সদস্য পদ পাওয়ায় আনন্দ প্রকাশ করে ভাওয়াল টাইগার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে সদর উপজেলার নয়াপাড়া  ভাওয়াল টাইগার্স ক্লাবের মাঠে তাঁকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন, তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করা এবং স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়াচর্চার প্রসারে নবগঠিত অ্যাডহক কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের। ভাওয়াল টাইগার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে সেলিম ভূঁইয়ার সাফল্য কামনা করে দোয়ার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি গাজীপুর সদর উপজেলার ক্রীড়াঙ্গনকে আরও এগিয়ে নিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে ভাওয়াল টাইগার্স ক্লাবের সভাপতি লুৎফর রহমান খান এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিমের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন   বৃহত্তর মির্জাপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য সদর উদ্দিন শেখ খোকন, ভাওয়াল টাইগার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাবলুু আহমেদ, সদস্য আলমগীর হোসেন খান, কাজল আহমেদ রিয়াজ, নুরুদ্দিন খন্দকার, আহসানুল্লাহ সরকার ফাহিম প্রমুখ। এছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম খান, গাজীপুর সদর উপজেলা জেটেব এর সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার ইমরান হোসেন সরকার, গাজীপুর জেলার সাবেক ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজল আহমেদ রিয়াজ, ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের যুবদলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান উৎসব, ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ দপ্তর সম্পাদক রাজীব মোল্লা সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।  
গাজীপুরে ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সেলিম ভূঁইয়াকে ফুলেল শুভেচ্ছা
নীলফামারীতে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল
‘মাদককে না বলি, সুন্দর জীবন গড়ি’—এই প্রতিপাদ্য নিয়ে নীলফামারী সদর উপজেলার কুন্দপুকুর ইউনিয়নের পুলহাট শাপলা যুব সংঘ ক্লাবের উদ্যোগে ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নীলফামারীতে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল
আরও পড়ুন
সিলেটে পূজামণ্ডপে উৎসবমুখর পরিবেশ
রাজনগরের পাঁচগাঁওয়ে তিনশ বছরের ঐতিহ্য লাল বর্ণে পূজিত হন দেবী দুর্গা
ঢাকা–সিলেট মহাসড়কের ছয় লেন প্রকল্পে ধীরগতি
বগুড়া জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে মন্দির ও পুজা মন্ডপে শুভেচ্ছা উপহার বিতরণ 
X