
ময়মনসিংহের ফুলপুরে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছেন। তিনি নবজাতকের পিতৃত্বের স্বীকৃতির জোর দাবি জানিয়েছেন।
ওই শিক্ষার্থী উপজেলার ঠাকুরবাখাই উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী এবং ঠাকুরবাখাই গ্রামের শফিকুল ইসলামের মেয়ে। গত ১ অক্টোবর নিজ বাড়িতে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন তিনি।
শিক্ষার্থীর অভিযোগ, প্রতিবেশী হাফেজ রনি তালুকদারের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। একপর্যায়ে রনি জরুরি কথা আছে বলে তাকে বাড়ির পাশের একটি জঙ্গলে নিয়ে যান এবং সেখানে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন। এ ঘটনার সময় একটি ভিডিও ধারণ করা হয়।
পরে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তার সঙ্গে অনেকবার শারীরিক সম্পর্ক করা হয়। একপর্যায়ে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হন। গত ১ অক্টোবর তিনি একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। তার দাবি, নবজাতকের বাবা হাফেজ রনি তালুকদার।
কিশোরীর বাবা শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমার মেয়েটা এখনো শিশু। এই বয়সে তার হাতে থাকার কথা ছিল বই-খাতা। অথচ আজ তাকে নিজের সন্তানকে কোলে নিতে হচ্ছে। একজন বাবা হিসেবে এর চেয়ে কষ্টের আর কী হতে পারে।’
রনি তালুকদারের চাচা হাকিম তালুকদার বলেন, ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শিশুটির পিতৃত্ব নিশ্চিত করা হলে এবং সন্তান রনির ঔরসজাত প্রমাণ হলে তারা বিষয়টি মেনে নেবেন। তিনি ডিএনএ পরীক্ষার দাবি জানান।




