
ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার হওয়া সপ্তম শ্রেণির স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলেছে। একটি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে মৃত্যুর আগে তাজমিনের চলাচলের দৃশ্য পাওয়া গেছে।
ফুটেজে দেখা যায়, বুধবার রাত পৌনে ১২টার দিকে কুমিল্লার পদুয়ার বাজারের নূরজাহান হোটেলের সামনে আইকনিক পরিবহনের একটি বাস থেকে নামে তাজমিন। এরপর হোটেলের পশ্চিম পাশে কয়েকটি স্টেশনারি দোকানের দিকে যায় সে। একটি দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে দোকানির সঙ্গে কথা বলে। এ সময় দোকানিকে তাকে কিছু একটা দেখাতে বা কোনো দিক নির্দেশ করতে দেখা যায়।
সিসিটিভি ফুটেজে আরও দেখা যায়, রাত ১২টার দিকে দোকানের সামনে কিছু একটা দেখানোর পর তাজমিন সেখান থেকে সরে অন্য পাশে যায়। পরে রাত সোয়া ১২টার দিকে তাকে নূরজাহান হোটেল এলাকা ছেড়ে যেতে দেখা যায়। তবে এলাকা ছাড়ার পর তাজমীন কোন পথে গিয়েছিল, সে বিষয়ে এখনও কোনো সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া যায়নি। তার চলাচলের পথ এবং সম্ভাব্য যাতায়াতের মাধ্যম নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ।
এর আগে, গতকাল বৃহস্পতিবার কুমিল্লার লালমাই উপজেলার জগতপুর এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে স্কুলছাত্রী তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত জান্নাতুল তাজমিন যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলা গ্রামের আবদুল আলীমের মেয়ে। বাবার চাকরির সুবাদে কুমিল্লায় বেড়ে ওঠা তাজমিন কুমিল্লার ফরিদা বিদ্যায়তনে সপ্তম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, চার দিন আগে তাজমিন এক বান্ধবীর বাড়িতে বেড়াতে যায়। পরে ওই বান্ধবীর সঙ্গে কক্সবাজারে যায়। সেখান থেকে বুধবার রাতে কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা হয়েছিল তাজমিন।




