ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

কিশোরী তাজমিন হ'ত্যা নিয়ে এখনও যেসব প্রশ্নের উত্তর মেলেনি

অনলাইন ডেস্ক

  ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২০:৪১ পিএম

কুমিল্লায় ১৫ বছর বয়সী জান্নাতুল তাজমীন হত্যাকাণ্ডে সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সুমন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহত কিশোরীর ব্যবহৃত আইফোনও উদ্ধার করা হয়েছে।

বুলেটিন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

তবে চালক গ্রেপ্তার ও মোবাইল ফোন উদ্ধারের পরও হত্যাকাণ্ডের আগে তাজমীনের চলাফেরা, দীর্ঘ পথ ঘুরিয়ে নেওয়ার সময় তার পরিস্থিতি এবং অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বাড়ি থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে তাজমীনকে অটোরিকশায় তোলেন সুমন।

কিন্তু সরাসরি বাড়ির পথে না গিয়ে তাকে অন্তত ৩০ কিলোমিটার ঘুরিয়ে লালমাই উপজেলার একটি নির্জন ধানক্ষেতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কিশোরীকে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধে হত্যার কথা জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে ধর্ষণের অভিযোগ এবং হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত ঘটনা ফরেনসিক প্রতিবেদনসহ অন্যান্য তথ্যের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।

কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) পঙ্কজ বড়ুয়া। তিনি বলেন, গ্রেপ্তার সুমনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত ছিলেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আট কিলোমিটারের পথ, ঘুরেছেন ৩০ কিলোমিটার

পুলিশের তদন্ত অনুযায়ী, গত বুধবার দিবাগত রাতে কক্সবাজার থেকে কুমিল্লায় ফেরে তাজমীন। রাত পৌনে ১২টার দিকে পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকার নূরজাহান হোটেলের সামনে বাস থেকে নামে সে। পরে একটি দোকানে মোবাইল ফোন চার্জ দেয়। রাত সোয়া ১২টার দিকে পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় বাড়ি ফেরার জন্য অটোরিকশা খুঁজছিল তাজমীন।

রাত সাড়ে ১২টার দিকে সুমনের অটোরিকশায় ওঠে সে। দর-কষাকষির পর ৩০০ টাকায় বাড়ি পৌঁছে দিতে রাজি হন চালক। কিন্তু গন্তব্যের দিকে না গিয়ে তিনি অন্য সড়ক ধরে নির্জন এলাকার দিকে যান বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পদুয়ার বাজার থেকে কুমিল্লা নগরের রেসকোর্স এলাকার দূরত্ব প্রায় আট কিলোমিটার। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সুমন প্রথমে কুমিল্লা-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক ধরে বিজরা বাজারের দিকে যান। পরে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়ক হয়ে লালমাইয়ের ভোরাজগৎপুরের একটি ফসলের মাঠের কাছে পৌঁছান। এ পথে মোট দূরত্ব অন্তত ৩০ কিলোমিটার।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পঙ্কজ বড়ুয়া বলেন, পদুয়ার বাজার থেকে তাজমীনের বাসায় যেতে সর্বোচ্চ আধা ঘণ্টা লাগার কথা। অথচ তাঁকে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা ঘুরিয়ে ঘটনাস্থলে নেওয়া হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদে সুমন দাবি করেছেন, অটোরিকশা চলার সময় তাজমীন কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। তবে দীর্ঘ পথ ঘুরিয়ে নেওয়ার সময় কী ঘটেছিল, কিশোরী কোনো পর্যায়ে বিপদ বুঝতে পেরেছিল কি না কিংবা সাহায্য চাওয়ার সুযোগ হয়েছিল কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

রাত ২টা ৫৮ মিনিটে বাবাকে লাইভ লোকেশন

তদন্তে উঠে এসেছে, রাত ২টা ৫৮ মিনিটে তাজমীন তার বাবাকে একটি লাইভ লোকেশন পাঠিয়েছিল। তবে ঘুমিয়ে থাকায় তখন সেটি দেখতে পাননি তার বাবা। ভোরের দিকে লোকেশনটি দেখে মেয়েকে খুঁজতে বের হন তিনি। এর মধ্যে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করছিল। পরে সেখানে গিয়ে মেয়ের মরদেহ শনাক্ত করেন বাবা।

তাজমীন ঠিক কী পরিস্থিতিতে লাইভ লোকেশন পাঠিয়েছিল, সে সময় সে বিপদের আশঙ্কা করছিল কি না কিংবা লোকেশন পাঠানোর পর কী ঘটেছিল-সংবাদ সম্মেলনে এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি। তবে ওই সময় পর্যন্ত তার কাছে মোবাইল ফোনটি ছিল বলে পুলিশের দেওয়া সময়রেখা থেকে ধারণা পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পঙ্কজ বড়ুয়া বলেন, তাজমীন যদি ঘটনাস্থলে বা এর আগে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করত, তাহলে হয়তো এমন মৃত্যু দেখতে হতো না।

যেভাবে ঘটেছে বলে দাবি পুলিশের

পুলিশের দাবি, নির্জন জায়গায় পৌঁছানোর পর তাজমীন পালানোর চেষ্টা করলে সুমন তাকে আটকাতে ধস্তাধস্তি করেন। পরে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ধর্ষণ করেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন তিনি। এরপর ধানখেতে নিয়ে কিশোরীকে উপুড় করে মাথায় পা দিয়ে চেপে ধরে শ্বাসরোধে হত্যা করেন বলে পুলিশের ভাষ্য।

গত বৃহস্পতিবার সকালে লালমাই উপজেলার ভোরাজগৎপুর উত্তরপাড়ার একটি ধানক্ষেত থেকে তাজমীনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার গলায় গামছা ছিল। কাছাকাছি একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা, গাড়ির ভেতরে কাপড়চোপড় এবং পাশে একটি হাতব্যাগ পাওয়া যায়।

ধর্ষণের অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে ফরেনসিক প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে। ধর্ষণ হত্যার আগে, নাকি পরে ঘটেছে, সে বিষয়েও পুলিশ এখনো নিশ্চিত করে কিছু জানায়নি।

সিসিটিভি ফুটেজে অটোরিকশায় তাজমীন

ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজে তাজমীনকে অটোরিকশায় বসে থাকতে দেখা গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ফুটেজে তাকে পেছনের বাঁ পাশে বসে থাকতে দেখা যায়। অটোরিকশায় অন্য কেউ ছিলেন কি না, তা নিয়ে সাংবাদিকেরা প্রশ্ন তুললে পুলিশ জানায়, এখন পর্যন্ত সুমন ছাড়া অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি।

তবে দীর্ঘ পথ ঘুরিয়ে নেওয়ার সময় অটোরিকশায় অন্য কেউ উঠেছিলেন কি না, কোনো পর্যায়ে চালককে কেউ সহায়তা করেছিলেন কি না এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কারও যোগসূত্র রয়েছে কি না—এসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হতে হবে।

নীলফামারীতে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল
‘মাদককে না বলি, সুন্দর জীবন গড়ি’—এই প্রতিপাদ্য নিয়ে নীলফামারী সদর উপজেলার কুন্দপুকুর ইউনিয়নের পুলহাট শাপলা যুব সংঘ ক্লাবের উদ্যোগে ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নীলফামারীতে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল
নীলফামারীতে স্বেচ্ছাসেবকদলের প্রচার পত্র বিতরণ
বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের শাসনামলে ভুল সিদ্ধান্ত ও দূর্বল পরিকল্পনার কারনে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের সংকট দিনদিন তীব্র হচ্ছে। এজন্য বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষদের মাঝে বিএনপি সরকারকে নিয়ে জন্ম নেয়া বিভ্রান্ত এবং বিএনপি সরকারের উদ্যোগ গ্রহনের পরিকল্পনা সম্বলিত উদ্বদ্ধকরণ ও প্রচার পত্র বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবকদল নীলফামারী জেলা শাখা। রবিবার দিনব্যাপী শহরের ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্বেচ্ছাসেবকদলের জেলা, পৌরসভা, সদর ও ইউনিয়ন ইউনিটের সকল সদস্যরা বিএনপি সরকারের উদ্যোগ গ্রহনের পরিকল্পনা সম্বলিত উদ্বদ্ধকরণ ও প্রচার পত্র বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন।  বিতরণ শেষে শহরের পৌর মার্কেটস্থ বিএনপি কার্যালয়ের সামনে বক্তব্য রাখেন, স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক মোরশেদ আযম, সদস্য সচিব শিহাবুজ্জামান চৌধুরী শিহাব, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক রাজু পারভেজ ও খালেদ বিন তুষারসহ আরো অনেকে। বক্তারা বলেন, আওয়ামীলীগ সরকার গত দেড় দশকে একের পর এক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করেছে। তবে জ্বালানি তেল কোথা থেকে আসবে এবং এর অর্থের যোগান কিভাবে হবে, সেই বাস্তবতা বিবেচনা করে পরিকল্পনা নেওয়া হয়নি। ফলে প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা তৈরি হয়েছে। কিন্তু সক্ষমতা থাকলেও জ্বালানি ও অর্থের অভাবে পর্যাপ্ত উৎপাদন বাড়েনি। শুধু বিদ্যুৎ খাতে নয় জ্বালানি তেল থেকে শুরু করে বিভিন্ন খাতে দুর্নীতি, লুটপাট, বিদেশে অর্থ পাচার করে দেশকে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ থেকে পালিয়েছে। সবকিছুর দায়ভার নিতে হচ্ছে এই বিএনপি সরকারকে। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর অল্প সময়ের মধ্যে সকল বাধা-বিপত্তি কেটে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে দৃশ্যমান মূলক উন্নয়ন কর্মকান্ড অব্যাহত রেখেছে।
নীলফামারীতে স্বেচ্ছাসেবকদলের প্রচার পত্র বিতরণ
কিশোরগঞ্জে ইজিবাইক ছিনতাই চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ইজিবাইক ছিনতাই চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর গফুর জানান, শুক্রবার রাতে উপজেলার মাগুড়া এলাকা থাকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-সিঙ্গেরগাড়ী পাঠানপাড়া এলাকার মৃত পেলকা মামুদের ছেলে বাদল মিয়া (১৪) ও একই এলাকার আশোয়ার খানের ছেলে শাকিল খান (১৭)।   পুলিশ সূত্রে জানা গেল, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র ইজিবাইকে যাত্রীবেশে উঠে চালককে চেতনানাশক খাইয়ে ইজিবাইক ছিনতাই করতেন। কিছুদিন আগে একটি ইজিবাইক ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় তদন্ত করতে গিয়ে তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাওয়ায় শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের মাগুড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।  কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর গফুর এ বিষয়ে বলেন, তারা যাত্রীবেশে ইজিবাইকে উঠে চেতনানাশক ব্যবহার করে ইজিবাইক ছিনিয়ে নিতেন। এসময় তিনি জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামি দ্জুনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
কিশোরগঞ্জে ইজিবাইক ছিনতাই চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার
সৈয়দপুর রেল কারখানায় ভারত থেকে আমদানিকৃত ১৮টি রেলকোচ পৌঁছেছে 
ভারত থেকে আমদানি করা ১৮টি রেলকোচ পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য দেশের বৃহত্তম নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় এসে পৌঁছেছে।  শনিবার (১৭ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে এই রেলওয়ে কারখানায় আসা এ রেলকোচগুলো শুক্রবার ভারত থেকে বাংলাদেশে আসে। রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে নতুন কোচ যুক্ত করার অংশ হিসেবে ভারতের রাইটস লিমিটেডের মাধ্যমে এসব কোচ সংগ্রহ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত ২০০টি ব্রডগেজ রেলকোচ সরবরাহ চুক্তির আওতায় প্রথম চালানে এসেছে চার ধরনের ১৮টি কোচ।  এরমধ্যে রয়েছে ১১টি নন এসি শোভন চেয়ার কোচ, তিনটি এসি চেয়ার কোচ, দু’টি এসি স্লিপার কোচ ও দু’টি এসি পাওয়ার কার। পাওয়ার কারগুলোতে গার্ডদের জন্য পৃথক কামরা এবং যাত্রীদের মালামাল বহনের ব্যবস্থা রয়েছে। কোচগুলো ভারতের পাঞ্জাবের কাপুরথালায় অবস্থিত রেলকোচ ফ্যাক্টরিতে তৈরি করা হয়েছে।  রেলওয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কোচগুলো খোলার পর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা, কমিশনিং ও ট্রায়াল রান সম্পন্ন করা হবে। এজন্য লোকোমোটিভ, প্রয়োজনীয় ক্রু, টুলভ্যান ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।  সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) শাহ সুফি নূর মোহাম্মদ জানান, রেলওয়ে কারখানায় আনা এসব কোচ এখনো খোলা হয়নি। তবে খুব শিগগিরই খুলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হবে, আমাদের দেশের উপযোগী কি না ? এ কাজে রেল কারখানার শ্রমিক-কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ভারতের বিশেষজ্ঞরা কাজ করবেন। কোচগুলো সৈয়দপুর রেল কারখানায় যান্ত্রিক পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে ট্রায়াল দেওয়ার পর ট্র্যাফিক বিভাগে হস্তান্তর করা হবে। 
সৈয়দপুর রেল কারখানায় ভারত থেকে আমদানিকৃত ১৮টি রেলকোচ পৌঁছেছে 
পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও নীলফামারীর পূজামণ্ডপে বাড়তি নজরদারি, ২৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও নীলফামারী জেলায় ২৩ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপগুলোতে বিশেষ নজরদারি, নিয়মিত টহল এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় র‍্যাপিড রেসপন্স টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রস্তুত রেখেছে বাহিনীটি। রোববার (১৮ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে গৃহীত নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান বিজিবির ঠাকুরগাঁও সেক্টর সদর দপ্তরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ সুরুজ মিয়া, বিজিবিএম, পিএসসি। ব্রিফিংয়ে সেক্টর কমান্ডার জানান, ঠাকুরগাঁও সেক্টরের আওতাধীন ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও নীলফামারী জেলার সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপ এবং জেলা সদরের গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তিন জেলার সীমান্তে থাকা ৬২টি বর্ডার অবজারভেশন পোস্টের (বিওপি) মাধ্যমে সীমান্তবর্তী এলাকার পূজামণ্ডপগুলোতে নজরদারি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যাটালিয়ন সদর ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বলেন, সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপগুলোতে বাড়তি সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি যেকোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ও অনাকাঙ্ক্ষিত অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে র‍্যাপিড রেসপন্স টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নিয়মিত টহলের মাধ্যমেও পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, আনসার ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে বিজিবি। গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল পূজামণ্ডপগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি পূজামণ্ডপগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা, সন্দেহজনক তৎপরতা কিংবা গুজবের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বিজিবি সদর দপ্তর ও আঞ্চলিক ব্যাটালিয়নগুলোতে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম চালু রাখা হয়েছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে সেক্টর কমান্ডার বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই যেন শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজবে কান না দিয়ে যেকোনো সন্দেহজনক ঘটনা বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির বিষয়ে নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কিংবা বিজিবির টহল দলকে অবহিত করতে হবে। সাংবাদিকদের গঠনমূলক সহযোগিতা ও সাধারণ মানুষের সচেতন অংশগ্রহণে শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ও শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবি সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানান সেক্টর কমান্ডার।
পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও নীলফামারীর পূজামণ্ডপে বাড়তি নজরদারি, ২৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
আরও পড়ুন
সখীপুরে ১৩ বছরের কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
ঝাড়ফুঁকের আড়ালে অসুস্থ কিশোরীকে ধ'র্ষণ মাদ্রাসার অধ্যক্ষের
কামরাঙ্গীরচরে একাধিক ধ'র্ষণে কিশোরী অ'ন্তঃসত্ত্বা, অতঃপর...
‘ওই নারী আমার সৎ মা, আমার আপন মা মারা গেছেন’
X