ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

ধীতপুর ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী বিএনপির ৪, জামায়াতের ১

মো. আক্কাছ আলী, ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

  ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৪ এএম

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিভিন্ন ধাপের তারিখ ঘোষণার পর ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ধীতপুর ইউনিয়নে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনি হাওয়া। চায়ের দোকান, হাটবাজার থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লা—সবখানেই এখন আলোচনার কেন্দ্রে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। কেউ সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে নিজের অবস্থান জানান দিচ্ছেন, আবার কেউ ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন।

বুলেটিন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

আসন্ন ধীতপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির চারজন এবং জামায়াতে ইসলামীর একজন সম্ভাব্য প্রার্থীকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন—ভালুকা উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক রকিবুল হাসান খান রাসেল, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য ও ধীতপুর ইউনিয়ন পরিষদের দুইবারের সাবেক সদস্য সারোয়ার আলম, ধীতপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের নির্বাচিত সাবেক সভাপতি মো. আরমান মীর এবং ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন দলটির ধীতপুর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি খন্দকার খুররম।

সম্ভাব্য প্রার্থীরা যা বলছেন
রকিবুল হাসান খান রাসেল: ধীতপুর ইউনিয়নের উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়ে রকিবুল হাসান খান রাসেল বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থেকে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। ধীতপুর ইউনিয়নের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে চাই। দল আমাকে মনোনয়ন দিলে এবং জনগণ ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে সড়ক যোগাযোগের উন্নয়ন, নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধি, তরুণদের কর্মসংস্থান ও খেলাধুলার সুযোগ তৈরিতে গুরুত্ব দেব। আমি চাই, ইউনিয়ন পরিষদ হবে সাধারণ মানুষের আস্থার জায়গা, যেখানে সবাই সহজে তাঁদের সমস্যার কথা বলতে পারবেন।”

সারোয়ার আলম: ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে সারোয়ার আলম বলেন, “জনগণের সেবা করার লক্ষ্য নিয়েই আমি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আছি। ধীতপুর ইউনিয়নের যেসব সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে মানুষের ভোগান্তির কারণ হয়ে আছে, সেগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নিতে চাই। দলীয় মনোনয়ন পেলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। জনগণের সমর্থন পেলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে ইউনিয়নের উন্নয়ন এবং অসহায় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করব।”

মো. আরমান মীর: তরুণদের অংশগ্রহণ ও কর্মসংস্থানের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মো. আরমান মীর বলেন, “ধীতপুর ইউনিয়নের তরুণদের নিয়ে আমার অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। পাশাপাশি মাদক থেকে তরুণদের দূরে রাখতে সামাজিক উদ্যোগ জোরদার করতে হবে। দল আমাকে মনোনয়ন দিলে নির্বাচনে অংশ নিতে চাই। জনগণের সমর্থন পেলে তরুণদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে ইউনিয়নের উন্নয়নে কাজ করব।”

মো. জাহাঙ্গীর আলম: সাধারণ মানুষের পাশে থাকা ও নাগরিক সেবা সহজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “আমি মানুষের সঙ্গে থেকে তাঁদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হতে চাই। ইউনিয়ন পরিষদের সেবা যেন সাধারণ মানুষ সহজে পান, সে বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে গ্রামীণ সড়কের উন্নয়ন, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করা এবং এলাকার সামাজিক সমস্যাগুলো সমাধানে কাজ করতে চাই। দলীয় মনোনয়ন ও জনগণের সমর্থন পেলে মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”

খন্দকার খুররম: জামায়াতে ইসলামীর সম্ভাব্য প্রার্থী খন্দকার খুররম বলেন, “ধীতপুর ইউনিয়নকে একটি উন্নত, পরিচ্ছন্ন ও জনবান্ধব ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলা প্রয়োজন। জনগণের সেবা এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নকে গুরুত্ব দিতে চাই। নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পেলে সবার মতামত নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করব। ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা, দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং নাগরিক সেবা সহজ করাকে অগ্রাধিকার দেব।”

ভোটারদের প্রত্যাশা উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা

ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চেয়ারম্যান নির্বাচনের ক্ষেত্রে দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি প্রার্থীর যোগ্যতা, সততা ও মানুষের পাশে থাকার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে চান তাঁরা। বিশেষ করে সড়কের বেহাল দশা, বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ এবং নাগরিক সেবার মান নিয়ে তাঁদের প্রত্যাশা রয়েছে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, নির্বাচনের সময় অনেক প্রার্থী উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু নির্বাচনের পর তাঁদের অনেককে আর কাছে পাওয়া যায় না। তাঁরা এমন একজন চেয়ারম্যান চান, যিনি নিয়মিত মানুষের খোঁজখবর নেবেন এবং এলাকার সমস্যাগুলো সমাধানে আন্তরিক থাকবেন।

স্থানীয় তরুণদের প্রত্যাশা, ইউনিয়নে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি তরুণদের কর্মসংস্থানের বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে। তাঁদের মতে, নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পাশাপাশি সারা বছর মানুষের পাশে থাকাটাই একজন জনপ্রতিনিধির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

মনোনয়ন ঘিরে রাজনৈতিক আলোচনা

স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিএনপির একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী থাকায় দলীয় মনোনয়ন নিয়ে আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর সম্ভাব্য একজন প্রার্থীকে ঘিরেও চলছে আলোচনা। তবে শেষ পর্যন্ত কারা নির্বাচনে অংশ নেবেন, কোন দল কাকে মনোনয়ন দেবে এবং ভোটারদের সমর্থন কোন দিকে যাবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

সব মিলিয়ে ধীতপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ঘিরে নির্বাচনি আলোচনা শুরু হয়েছে। আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা ও দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার পর নির্বাচনি মাঠের পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত আনোয়ার মারা গেছেন
সৌদি আরবের হাইল শহরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত আনোয়ার হোসেন (৪৮) মারা গেছেন। শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে হাইলের কিং খালিদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। আজ রবিবার (১৮ অক্টোবর) আনোয়ারের মৃত্যুর খবর জানাজানি হয়।  নিহত আনোয়ার হোসেন ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার পূর্ব ইন্দ্রা পাশা গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মনসুর হোসেন। তিনি সৌদি আরবের হাইল শহরে কর্মরত ছিলেন। নিহতের স্ত্রী জেসমিন বেগম জানান, তার স্বামী আনোয়ার হোসেন পেশায় একজন মাইক্রোবাস চালক। গত ১০ অক্টোবর হাইল শহরে মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে গুরুতর আহত হন আনোয়ার হোসেন। পরে তাকে পুলিশ গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে কিং খালিদ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে ছয় দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার সকালে তার মৃত্যু হয়। জেসমিন বেগম বলেন, আমার স্বামীর মরদেহ যেন সন্তানরা দেখতে পারে। তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে বাংলাদেশ ও সৌদি সরকারের দৃষ্টি কামনা করছি। রাজাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফিরোজ কামাল বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের কাছে কিছু জানানো হয়নি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছি। তারপরেও আমরা এ ব্যাপারে খোঁজখবর নিচ্ছি।
সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত আনোয়ার মারা গেছেন
জয়দেবপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা: এসআরবি’র অভিযানে আরও ৪ জন গ্রেপ্তার
জয়দেবপুর রেলওয়ে জংশনে আটক দুই মাদক কারবারিকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরও ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১)। রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন এসআরবি-১-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক শাহ আলম। ​গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—আকাশ হোসেন (২৩), মো. রাজিব (২৩), মো. নাজমুল হোসেন নাদিম এবং শিউলি আক্তার সুমি (৩৫)। ​এসআরবি সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ অক্টোবর জয়দেবপুর রেলওয়ে জংশনের প্ল্যাটফর্ম থেকে ইয়াবাসহ আনিছ (১৯) ও শিমলা আক্তার ওরফে বৃষ্টিকে (২২) আটক করে রেলওয়ে পুলিশ। আটককৃতদের ছিনিয়ে নিতে একদল দুষ্কৃতকারী দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জয়দেবপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে ফাঁড়ির দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। ​উক্ত ঘটনায় ১৬ অক্টোবর রেলওয়ে পুলিশের এটিএসআই মো. নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে ঢাকা রেলওয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ​ঘটনার পর জড়িতদের গ্রেপ্তারে এসআরবি-১-এর পোড়াবাড়ী ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল ছায়াতদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদ ও সোর্সের তথ্যের ভিত্তিতে গাজীপুর মহানগরের সদর থানাধীন পূর্ব চান্দনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় আসামি আকাশ ও রাজিবসহ তদন্তে প্রাপ্ত সন্দিগ্ধ আসামি নাজমুল ও শিউলিকে গ্রেপ্তার করা হয়। ​গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য গাজীপুর মহানগরের সদর থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। ​উল্লেখ্য, হামলার ঘটনার পরপরই গত বৃহস্পতিবার রাতে জিএমপি সদর থানা পুলিশ মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রাথমিক ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল। এসআরবি’র নতুন অভিযানে এ মামলায় মোট গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়াল ৭ জনে।   
জয়দেবপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা: এসআরবি’র অভিযানে আরও ৪ জন গ্রেপ্তার
বেলকুচিতে জমি সংক্রান্ত জেরে ভাতিজার কোদালের কোপে চাচার মৃত্যু 
সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাতিজা (চাচাতো ভাইয়ের ছেলের) কোদালের কোপে চাচা আবুল কালাম (৬৫) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ভাবি হাফিজা খাতুন ও ভাতিজা কামরুল হাসান গুরুতর আহত হয়ে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ​ শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে বেলকুচি উপজেলার ভাঙাবাড়ী ইউনিয়নের উত্তর চন্দনগাঁতি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।  রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। নিহত আবুল কালাম উত্তর চন্দনগাঁতি গ্রামের মৃত গনি শেখের ছেলে। ​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে আবুল কালামের সঙ্গে তাঁর চাচাতো ভাই মান্নান শেখের বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্যের উপস্থিতিতে সামাজিকভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হলেও কোনো নিষ্পত্তি হয়নি। ​এরই জেরে শনিবার সকালে আবুল কালামের মালিকানাধীন শালবাগানের গাছ কাটতে যায় চাচাতো ভাই মান্নান শেখ, তাঁর ছেলে আরিফসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা। খবর পেয়ে আবুল কালাম ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছ কাটতে বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ভাতিজা আরিফ তাঁর হাতে থাকা কোদাল দিয়ে আবুল কালামের মাথায় আঘাত করে। এ সময় আবুল কালামকে রক্ষায় তাঁর ভাবি হাফিজা খাতুন ও ভাতিজা কামরুল হাসান এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাঁদেও ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি আঘাত করে গুরুতর আহত করে। আহতদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ​পরে স্থানীয়রা মুমূর্ষু অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁদের অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবুল কালামের মৃত্যু হয়। ​এ বিষয়ে বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান জানান, এ ঘটনায় নিহতের ভাই বদিউজ্জামান বাদী হয়ে একটি হত্যাকান্ড জনিত মামলা দায়ের করেন। আমরা ইতিমধ্যে নিহতরের চাচাতো ভাই মান্নান শেখ ও তার বেয়াইনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করেছি। বাকী আসামিদের আটকের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।
বেলকুচিতে জমি সংক্রান্ত জেরে ভাতিজার কোদালের কোপে চাচার মৃত্যু 
দুর্গাপূজায় আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে ভাঙ্গুড়ায় প্রশাসনের তৎপরতা
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় শারদীয় দুর্গাপূজার তৃতীয় দিন রোববার (১৮অক্টোবর) দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তারা। পূজার সার্বিক প্রস্তুতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণে মাঠপর্যায়ে তৎপর রয়েছেন তাঁরা। পরিদর্শনকারী কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুরাইয়া মমতাজ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত জাহান, ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাকিউল আযম এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফেরদৌস আলম। পরিদর্শনকালে কর্মকর্তারা পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি, পূজার প্রস্তুতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তারা পূজাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক থাকার ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে নির্বিঘ্নে পূজা উদ্‌যাপনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়। স্থানীয় পর্যায়ে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের মাধ্যমে নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ ও সার্বিক প্রস্তুতি তদারকিতে প্রশাসনের এই উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
দুর্গাপূজায় আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে ভাঙ্গুড়ায় প্রশাসনের তৎপরতা
নেত্রকোনায় জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা 
নেত্রকোনায় জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রবিবার সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নেত্রকোনা ২ সদর ও বারহাট্টা আসনের সংসদ সদস্য জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডাক্তার মোঃ আনোয়ারুল হক এমপি। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব এ কে এম আব্দুল্লাহ বিন রশিদ,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক ওয়াহিদুজ্জামান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউএনও মনিজা খাতুন, জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ম কিবরিয়া চৌধুরী হেলিম প্রমুখ।  এসময় জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভায় কমিটির সকল সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।  উন্নয়ন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডাক্তার মোঃ আনোয়ারুল হক এমপি বলেন জেলার উন্নয়নে স্বচ্ছতার সাথে সকলকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রত্যেকটি উন্নয়ন কাজ যথাসময়ে বাস্তবায়ন করতে হবে। 
নেত্রকোনায় জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা 
আরও পড়ুন
ভালুকায় পুজা মণ্ডবে মণ্ডবে সরকারি অনুদান বিতরণ
ভালুকায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপে সরকারি অনুদান বিতরণ
ভালুকায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শাড়ি-লুঙ্গি বিতরণ
ভালুকায় সাপের দংশনে গৃহবধূর মৃত্যু
X