
বাংলাদেশ-জার্মান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিজিসিসিআই) ও জার্মানিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ জুলকার নাইনের আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশে জার্মান বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং দুই দেশের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অংশীদারত্ব জোরদারে এ আলোচনা হয়।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় বিজিসিসিআই কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনায় চেম্বারের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, সাবেক সভাপতি এবং সদস্যভুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনাকারী শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি জার্মান কোম্পানিও ছিল।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বিজিসিসিআইর সভাপতি মো. রোকনুজ্জামান, এফসিএ স্বাগত বক্তব্য দেন। পরে জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ফারুক খান একটি উপস্থাপনায় বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যকার বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে চেম্বারের বিভিন্ন কার্যক্রম ও উদ্যোগ তুলে ধরেন।
রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ জুলকার নাইন তার উপস্থাপনায় জার্মানিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের বিনিয়োগ আকর্ষণসংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে জার্মান বিনিয়োগের সম্ভাবনাময় গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরার পাশাপাশি জার্মান ব্যবসার উপস্থিতি বাড়ানো এবং বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণে দূতাবাস কাজ করছে।
আলোচনায় রাষ্ট্রদূত জার্মানির কাছে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রার্থিতার প্রতি জার্মান সরকারের সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।
বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, যৌথ উদ্যোগ, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, ব্যবসায়িক সংযোগ বৃদ্ধি এবং জার্মানি ও বৃহত্তর ইউরোপীয় বাজারে প্রবেশের সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে পোশাক, জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল সেবার পাশাপাশি সেমিকন্ডাক্টর প্যাকেজিং, ইনভার্টার প্রযুক্তি এবং সোলার প্যানেল প্রযুক্তির মতো নতুন খাতে সহযোগিতার সম্ভাবনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
অংশগ্রহণকারীরা নিয়মিত ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদল বিনিময়, বিজনেস-টু-বিজনেস (বি২বি) ম্যাচমেকিং, বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণ, বিনিয়োগ-সহায়ক কার্যক্রম এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বিজিসিসিআই ও বার্লিনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ভবিষ্যতেও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি, ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব সহজতর করা এবং বাংলাদেশে জার্মান বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।




