
নবম জাতীয় বেতন স্কেল ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর ধরা হলেও সেপ্টেম্বর মাসের বেতন-ভাতা আপাতত ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ীই পরিশোধ করা হবে। অর্থ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, নতুন পে-স্কেল কার্যকর হলেও সেপ্টেম্বরের বেতন সরাসরি নতুন কাঠামোয় দেওয়া হচ্ছে না।
নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণের জন্য অনলাইন পে ফিক্সেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। এই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর এই তিন মাসের বেতন নতুন ও পুরোনো স্কেলের পার্থক্য হিসাব করে বকেয়া বা অ্যারিয়ার হিসেবে সমন্বয় করা হবে।
যেভাবে হবে পে ফিক্সেশন
নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে সরকারি চাকরিজীবীদের আইবাস++ পোর্টালে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে। তথ্য জমা দেওয়ার আগে সিস্টেমে নির্ধারণযোগ্য নতুন মূল বেতন দেখানো হবে।
তথ্য জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ডিডিও (ড্রইং অ্যান্ড ডিসবার্সিং অফিসার) তা যাচাই করবেন। গেজেটেড কর্মকর্তাদের তথ্য সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিসে পাঠানো হবে। নন-গেজেটেড কর্মচারীদের ক্ষেত্রে সার্ভিস বইয়ের তথ্যের সঙ্গে বর্তমান বেতনের মিল যাচাই করা হবে।
এরপর সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিস অনলাইনে তথ্য পুনরায় যাচাই করে অনুমোদন দেবে। অনুমোদন পাওয়ার পর সিস্টেম থেকে একটি ইউনিক ভেরিফিকেশন নম্বর তৈরি হবে। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন দেওয়ার পথ খুলবে।
তিন মাসের বকেয়া কীভাবে মিলবে
নবম জাতীয় বেতন স্কেল ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হলেও সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুরোনো স্কেলেই বেতন দেওয়া হচ্ছে। ফলে নতুন স্কেল অনুযায়ী প্রাপ্য বেতন এবং পুরোনো স্কেলে পাওয়া বেতনের মধ্যে যে পার্থক্য হবে, তা বকেয়া হিসেবে হিসাব করা হবে।
পে ফিক্সেশন সম্পন্ন হওয়ার পর জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর- এই তিন মাসের বকেয়া অর্থ সমন্বয় করা হবে। অর্থাৎ নতুন স্কেলে বেতন নির্ধারণের পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ওই তিন মাসের প্রাপ্য পার্থক্যের অর্থ পাবেন।
এ ছাড়া ভুলবশত কোনো কর্মচারীকে নতুন কাঠামো অনুযায়ী কম বা বেশি বেতন দেওয়া হলে পরবর্তী সময়ে তা সমন্বয়ের সুযোগ রাখা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমানে নির্ভুলভাবে পে ফিক্সেশন সম্পন্ন করাই প্রধান লক্ষ্য। অনলাইন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর নতুন স্কেলের বেতন এবং বকেয়া অর্থ পরিশোধের ব্যবস্থা করা হবে।




