ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

স্বাস্থ্যবীমার আওতায় শিক্ষক-কর্মচারী, অরক্ষিত শিক্ষার্থীরা

কুবি প্রতিনিধি

  ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৯ এএম
স্বাস্থ্যবীমার আওতায় শিক্ষক-কর্মচারী, অরক্ষিত শিক্ষার্থীরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ বৈকল্য বিভাগের স্নাতকোত্তরে অধ্যয়নরত মো. ইয়াসিন উল্লাহ। দ্বিতীয় বর্ষে থাকাকালীন হাতে টিউমারজনিত সমস্যায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করিয়েছেন। চিকিৎসা বাবদ তিনি প্রায় ৮০-৯০ হাজার টাকা খরচ করেছেন। স্বাস্থ্যবীমার আওতায় থাকায় তিনি একটা আর্থিক সহযোগিতা পেয়েছেন। ফলে তাঁর অর্থনৈতিক ভোগান্তি কিছুটা লাঘব হয়েছে বলে জানান।

বুলেটিন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

তিনি বলেন, 'স্বাস্থ্যবীমার বিষয়টি আমি জানতাম। ফলে নির্বিঘ্নে চিকিৎসা করেছি। এরপর খরচাপাতির সমস্ত কাগজপত্র দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করলে আমাকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দেওয়া হয়।'

ঠিক এর বিপরীত চিত্র দেখা গিয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি)। 'লিউকেমিয়া', এক ধরনের রক্তনালীর ক্যানসার সমস্যায় ভুগছেন কুবির সাজ্জাদ হোসাইন শরিফ। তিনি গত এক বছর ধরে এ সমস্যায় ভুগছেন। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে জায়গাজমি বিক্রি করেছেন। দুই মাস আগে 'বোনমেরু ট্রান্সপ্লান্ট' করেছেন। ব্যয় হয়েছে প্রায় ২০-২৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে কিছু টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বিভাগ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। পুরোপুরি সুস্থ না হওয়ায় এখনও কেমোথেরাপি ও চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হচ্ছে। প্রতি মাসে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৮০-৯০ হাজার টাকা। চিকিৎসার বিষয়ে এখন তাঁকে ভাবতে হচ্ছে। আত্মীয়স্বজনের থেকে ধারদেনা করে তাঁর বাবা কোনোভাবে চিকিৎসা করাচ্ছেন।

শুধু সাজ্জাদ নন, এরকম আরও অনেক শিক্ষার্থী আছেন যাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে টাকা তুলে চিকিৎসার ব্যয় বহন করছেন। চিকিৎসার খরচ চালাতে গিয়ে জায়গাজমি বিক্রি করছেন। আত্মীয়স্বজনের কাছে দারস্থ হচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যবীমার সুবিধা থাকলে আরও উন্নত মানের চিকিৎসা নিশ্চিত করা যেত।

সাজ্জাদ বলেন, 'কিছু জায়গাজমি বেচে এবং আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে সহযোগিতা নিয়ে দশ মাস চিকিৎসা করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠীরা তাদের উদ্যোগে কিছু টাকা ম্যানেজ করে দিয়েছে। বোনমেরু ট্রান্সপ্লান্টের পর ভেবেছিলাম ভালো হয়ে যাব। প্রতি মাসে এখনও লাখ টাকা খরচ হচ্ছে। এই রোগ যাদের হয় তাদের অবস্থা অনেক খারাপ হয়ে যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাস্থ্যবীমা সুবিধা থাকলে কিছুটা চাপ কম হতো।'

আরেক শিক্ষার্থী তাসনিম হক অনন্যা। তিনি সম্প্রতি ক্যানসারজনিত সমস্যা থেকে আরোগ্য লাভ করেছেন। এখনো প্রতি মাসে ওষুধ বাবদ তিনি ৬০ হাজার টাকা ব্যয় করছেন। চিকিৎসার খরচ জোগাতে তাঁর বাবা নতুন বাড়ি তৈরির জায়গা বিক্রি করেছেন। তাঁর সহপাঠীরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘুরে ঘুরে চাঁদা তুলে চিকিৎসার ব্যয়ভার নির্বাহ করেছেন।

তিনি জানান, 'আমার ক্যানসারের ধরন অনেক এগ্রেসিভ ছিল। দ্রুত সময়ের মধ্যেই চিকিৎসা শুরু করতে হয়েছিল। প্রথম দিকে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা প্রয়োজন ছিল। একসময়ে টাকা এত বেশি লাগছিল যে বাবা বাড়ি তৈরির জায়গা বিক্রি করেছেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে গিয়ে টাকা ম্যানেজ করেছে।'

তিনি আরও জানান, 'বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাস্থ্যবীমা থাকলে আমাকে এত অর্থনৈতিক চাপে পড়তে হতো না। আমাদের যেসব বন্ধুবান্ধব বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘুরে ঘুরে টাকা তুলেছে, তাদের ক্লাস-পরীক্ষাও মিস হতো না। আমি চাই স্বাস্থ্যবীমার ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় উদ্যোগ গ্রহণ করুক।'

দুই যুগ পেরিয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। দীর্ঘ ২০ বছরে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবীমার ব্যাপারে উল্লেখযোগ্য কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কোনো শিক্ষার্থী গুরুতর অসুস্থ হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফ থেকে আর্থিক সহযোগিতাও তেমন পাওয়া যায় না।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, শিক্ষক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ২০২২ সালের ১০ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও প্রগতি লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেড সাময়িক জীবন বীমার চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

এ ছাড়া গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলীর উপস্থিতিতে উপাচার্যের কার্যালয়ে শিক্ষক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও জেনিথ ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেড জীবন ও স্বাস্থ্যবীমার চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। সেখানে শিক্ষার্থীদের জন্য দ্রুত সময়ের মধ্যে সেমিস্টারপ্রতি ১০০ টাকা বিনিময়ে স্বাস্থ্যবীমা চালুর আশ্বাস দেয় প্রশাসন।

তবে আশ্বাসের নয় মাস অতিবাহিত হলেও শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যবীমা চালুর দৃশ্যমান কার্যক্রম দেখা যায়নি।

লোকপ্রশাসন বিভাগের মানসুরা আফরিন বলেন, 'শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যবীমা থাকা এখন সময়ের দাবি। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশির ভাগ শিক্ষার্থী মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবার থেকে আসে। হঠাৎ বড় ধরনের চিকিৎসার খরচ তাদের পরিবারের জন্য কঠিন হয়ে উঠতে পারে। তাই বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যবীমা চালু করা হলে শিক্ষার্থীরা আর্থিক ঝুঁকি থেকে কিছুটা সুরক্ষা পেতে পারে।'

নিজের অসুবিধার কথা উল্লেখ করে মানসুরা বলেন, 'এক সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে আমার ডান হাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অতঃপর অপারেশন, সার্জারি ও যাবতীয় চিকিৎসার খরচসহ বিপুল পরিমাণের আর্থিক সহায়তা আমার পরিবারকে করতে হয়েছে। এখন পর্যন্ত আমি চিকিৎসাধীন। হঠাৎ করে এমন খরচ পরিবারের জন্য অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে।'

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যবীমা রয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতি বছর ভর্তির সময় এককালীন ২৭০ টাকা প্রিমিয়াম দিয়ে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন হাসপাতালে স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবা নেওয়ার ক্ষেত্রে বছরে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা বীমা সুবিধা পান শিক্ষার্থীরা। তবে কোনো শিক্ষার্থী চিকিৎসাধীন মারা গেলে এককালীন এক লাখ টাকা পাবে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজ নিজ বিভাগে ভর্তিকালীন সময়ে বাৎসরিক ২৫০ টাকা পরিশোধের মাধ্যমে এই বীমার অন্তর্ভুক্ত হতে হয় শিক্ষার্থীদের। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য এ বীমা বাধ্যতামূলক। অধ্যয়নরত অবস্থায় কোনো শিক্ষার্থীর মৃত্যু হলে অথবা ছাত্রত্ব শেষ হলে এ বীমা শেষ হবে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবীমায় অন্তর্ভুক্ত হতে হলে প্রতি বছর প্রিমিয়াম হিসেবে ৩৯০ টাকা জমা দিতে হয়। বীমার আওতায় কোনো শিক্ষার্থী মারা গেলে এককালীন ২ লাখ টাকা পাবে। জীবিত অবস্থায় তালিকাভুক্ত হাসপাতালে চিকিৎসা নিলে বছরে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা পাবে এবং হাসপাতালে ভর্তি না হয়ে চিকিৎসা নিলে বছরে ১০ হাজার টাকা পাবে।

ঢাবি, রাবি ও জাবির পর চতুর্থ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাস্থ্যবীমা চালু করা হয়—এই দাবি শিক্ষার্থীদের।

মন্দিরা দাস বলেন, 'ঢাবি, রাবি ও জাবির মতো কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়েও স্বাস্থ্যবীমা থাকা দরকার। বিশেষ করে শিক্ষকদের এই ক্ষেত্রে ভাবা উচিত যে—তাদের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে, শহরে এবং বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে চাঁদা তুলে চিকিৎসার খরচ চালায়। এই ক্ষেত্রে শিক্ষক এবং প্রশাসনের আরও আন্তরিক হয়ে চিন্তা করা উচিত।'

ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিন বলেন, 'আমরা এই ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে তথ্য বিশ্লেষণ করে যদি উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হয় তাহলে নিব।'

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, 'শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবীমার ব্যাপারে একবার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সে ক্ষেত্রে ইনস্যুরেন্স কোম্পানিগুলো কিছু জটিলতা দেখিয়েছে। আমরা আবার কথা বলব। কোনো কোম্পানি আগ্রহ দেখালে আমরা তাদের সাথে কাজ করব।'

আলীয়া মাদরাসার শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে : শিবির সভাপতি
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেছেন, আলীয়া মাদরাসার শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। মাদরাসার ছাত্রদের নৈতিকতার জায়গায় দুর্বল করা ও ঈমান-আকিদা নষ্ট করার জন্য কৌশলে ডারউইনের মতবাদ এবং বাংলায় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, বঙ্কিমচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো ইসলামবিদ্বেষী কবি-সাহিত্যিকদের লেখা পাঠ্যবইয়ে কৌশলে ঢুকিয়ে দিয়ে একটা ব্রাউনম্যান প্রজন্ম গড়ে তোলার ষড়যন্ত্র চলছে।  রোববার সকালে টঙ্গী তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসায় শহীদ আব্দুল মালেক মিলনায়তনে আলিম প্রথম বর্ষের নবীনবরণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, আজ থেকে চার-পাঁচ বছর আগেও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের (এ+) প্লাসের পরিমাণ অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের চেয়ে বেশি ছিল। পাসের হারও বেশি ছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার এবং বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার আলীয়া মাদরাসা থেকে শিক্ষার্থীদের মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করেছে। সেই ষড়যন্ত্রের অংশ ছিল আলীয়া মাদরাসা শিক্ষাকাঠামোকে স্কুল-কলেজের শিক্ষাকাঠামোর মতো করে ফেলা। এখন স্কুল-কলেজে যে বই পড়ানো হয়, আলীয়া মাদরাসায়ও হূবুহূ সেই বই পড়ানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির বলেন, ‘বিগত ২০১০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি ও অর্থনীতি বিভাগে তা’মীরুল মিল্লাতসহ মাদরাসার ছাত্রদের ভর্তি হতে দেওয়া হতো না। মাদরাসার ছাত্ররা ভর্তি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করার পরেও অর্থনীতি বা ইংরেজি সাহিত্যে পড়তে দেওয়া হতো না। কারণ হলো, মাদরাসা বোর্ড আলীমে বাংলায় ১০০ নম্বর এবং ইংরেজিতে ১০০ নম্বর পড়ানো হয় তাই। এ ঘটনায় আমরা মামলা করেছিলাম।’ তিনি আরও বলেন, ‘মাদরাসার বর্তমান শিক্ষার মানকে যদি আরেকটু উন্নত ও আধুনিকায়ন করা যায়, বাংলাদেশের মাদরাসার ছাত্ররা বিশ্ব বিজয় করার জন্য যথেষ্ট হবে, ইনশাআল্লাহ। এটা ফেলনা ভাবার সুযোগ নাই।’ তিনি মাদরাসা ছাত্রদের উদ্দেশে বলেন, ‘আগামীতে যে রাজনীতি দেশে আসতেছে, আমার ধারণা, দলীয় এবং পারিবারিক রাজনীতি দেশ থেকে চলে যাবে। ২০ বছর পরে তোমাদের মধ্য থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবে, ইনশাআল্লাহ। সুতরাং সবাই মিলে এখন প্রস্ততি নেওয়ার সময়। মাথা ঠান্ডা রাখার সময়, কাজ বেশি করার সময়।’  ছাত্রশিবির টঙ্গী মডেল শাখার সভাপতি মঈনুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং শাখা সম্পাদক মুর্তজা হাসান ফুয়াদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য (ভিসি) ড. আবদুর রব, তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ড. হেফজুর রহমান, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক আমিরুল ইসলাম এবং বিশিষ্ট গীতিকার ও সুরকার শিল্পী মশিউর রহমান। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিল্পী মশিউর রহমান এবং ‘তুরাগ শিল্পী গোষ্ঠী’র ইসলামী সংগীত পরিবেশনা হাজারো শিক্ষার্থী উপভোগ করেন।
আলীয়া মাদরাসার শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে : শিবির সভাপতি
২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের তারিখ ঘোষণা ও ফি নির্ধারণ
২০২৭ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার অনলাইনে ফরম পূরণ ও ফি জমা দেয়ার পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি ও নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, কোনো ধরনের বিলম্ব ফি ছাড়া আগামী ১৬ নভেম্বর থেকে ফরম পূরণ কার্যক্রম শুরু হবে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানুর সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের তথ্যসংবলিত সম্ভাব্য তালিকা আগামী ১৫ নভেম্বর বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। এরপর বিলম্ব ফি ছাড়া ১৬ নভেম্বর থেকে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে ফরম পূরণ করা যাবে। বিলম্ব ফি ছাড়া ব্যাংকে ফি জমা দেয়ার শেষ সময় ২৪ নভেম্বর। আর ১০০ টাকা বিলম্ব ফিসহ অনলাইনে ফরম পূরণ করা যাবে ২৪ নভেম্বর থেকে ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত। এ ক্ষেত্রে বিলম্ব ফিসহ ফি জমা দেয়ার শেষ দিন ৩০ নভেম্বর। পরীক্ষার ফি: বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বিজ্ঞান বিভাগে মোট ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৪৩৫ টাকা। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মোট ফি দিতে হবে ২ হাজার ৩১৫ টাকা। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের বেতন ও সেশনচার্জ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত পরিশোধ করতে হবে, যা কোনোভাবেই ২৪ মাসের বেশি নেয়া যাবে না। বিজ্ঞান বিভাগের বোর্ড ফি ১,৯২০ টাকা ও কেন্দ্র ফি (ব্যবহারিকসহ) ৫১৫ টাকা। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের জন্য বোর্ড ফি ১,৮৩০ টাকা ও কেন্দ্র ফি ৪৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যান্য দিকনির্দেশনা: বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত ফি-র বাইরে অতিরিক্ত কোনো অর্থ কোনোভাবেই আদায় করা যাবে না। অতিরিক্ত ফি আদায়ের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্বাচনি (টেস্ট) পরীক্ষা গ্রহণ শেষে আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে ফল প্রকাশের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের পাশাপাশি জিপিএ উন্নয়ন, মানোন্নয়ন ও অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের নির্দিষ্ট নীতিমালাও এই বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরা হয়।
২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের তারিখ ঘোষণা ও ফি নির্ধারণ
মনোহরদীতে এসএসসি ও জুনিয়র বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদেরকে সংবর্ধনা 
নরসিংদীর মনোহরদীতে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ (GPA-5) প্রাপ্ত ৫৪ জন এবং জুনিয়র বৃত্তিপ্রাপ্ত ১৩৩ জনসহ মোট ১৮৭ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে মনোহরদী উপজেলা পরিষদের হলরুমে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহামুদুল হাসান। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাব) আসনের সংসদ সদস্য ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী কৃতী শিক্ষার্থীদের সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি শিক্ষার্থীদের অর্জিত মেধা ও যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে পিতা-মাতার প্রতি দায়িত্বশীল হওয়া এবং তাঁদের অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। এ সময় শিক্ষার্থীদের সাফল্যের পেছনে শিক্ষক ও অভিভাবকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও ভালো ফলাফল অর্জনে শিক্ষক-অভিভাবকদের আন্তরিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনুষ্ঠান শেষে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী ৫৪ জন এবং ২০২৫ সালের জুনিয়র বৃত্তিপ্রাপ্ত ১৩৩ জন শিক্ষার্থীর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে মনোহরদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সজিব মিয়া, মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ, উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আমিনুর রহমান সরকার দোলন, পৌর বিএনপির সভাপতি আ. হান্নান শেখ,গোলাম মোস্তফা  উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মাসুদুর রহমান সোহাগসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, গণমাধ্যমকর্মী, কৃতী শিক্ষার্থীদের অভিভাবক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অনুষ্ঠানে অংশ  নেন।
মনোহরদীতে এসএসসি ও জুনিয়র বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদেরকে সংবর্ধনা 
মাননীয় উপাচার্য মহোদয়, আপনি বড্ড একা: জবি ছাত্রদল নেতা জাফর
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনকে উদ্দেশ করে ‘আপনি বড্ড একা’ বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জাফর আহমেদ। উপাচার্যের আশপাশের কিছু মানুষের ভূমিকা নিয়ে সতর্ক করে তিনি বলেছেন, বাইরের প্রতিপক্ষের চেয়ে কাছের মানুষের ভূমিকাই তাকে ব্যর্থ করার জন্য যথেষ্ট হতে পারে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) গভীর রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন জাফর আহমেদ। ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, চারপাশে অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী দেখা গেলেও প্রকৃত শুভাকাঙ্ক্ষী কতজন, তা সময়ই বলে দেবে। ব্যক্তিস্বার্থে মিষ্টি কথা বলা মানুষেরাই সুযোগ বুঝে সবচেয়ে বড় ক্ষতির কারণ হতে পারেন। তাই যাঁদের ওপর সবচেয়ে বেশি নির্ভর করছেন, তাঁদের ভূমিকা ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। জাফর আহমেদ আরও লেখেন, প্রশংসাকারী মানেই শুভাকাঙ্ক্ষী নন, আর কাছের মানুষ মানেই বিশ্বস্ত নন। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কে প্রকৃতপক্ষে ভালো চান আর কে ব্যবহার করে বিতর্কিত করতে চান, তা ভেবে দেখা উচিত। অন্ধবিশ্বাসের পরিবর্তে প্রমাণ ও বিবেচনাকে প্রাধান্য দেওয়ার পরামর্শও দেন তিনি। উপাচার্যকে উদ্দেশ করে ছাত্রদলের এই নেতা বলেন, তাকে ব্যর্থ করার জন্য বাইরের প্রতিপক্ষের চেয়ে আশপাশের কিছু মানুষের ভূমিকাই যথেষ্ট হতে পারে। যাঁদের সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস করছেন, তাঁদের ভূমিকাও নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা উচিত। গত এক সপ্তাহের ঘটনাপ্রবাহ থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, গোলটেবিল বৈঠক, সভা কিংবা আলোচনায় সুন্দর সুন্দর কথা বলা ও উপদেশ দেওয়া ব্যক্তিদের কেউ কেউ রাতের আঁধারে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন। বিশ্বাসের আড়ালে লুকিয়ে থাকা স্বার্থ কখনো কখনো বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায় উল্লেখ করে কথা বলা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি। পোস্টের শেষাংশে জাফর আহমেদ লেখেন, আপনি আমার থেকে অনেক জ্ঞানী স্যার। তারপরেও আপনার একজন শুভাকাঙ্ক্ষী হিসাবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক ঘটনা দেখে যা মনে হলো তা প্রকাশ করলাম। আপনার সুস্বাস্থ্য ও সফলতা কামনা করি। আমার জন্যও দোয়া করবেন স্যার। উল্লেখ্য, সম্প্রতি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরুর মাংস রান্নাকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ক্যাম্পাসে পশু জবাইয়ের নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পরেই ঘোষণা দিয়ে ক্যাম্পাসে পর পর দুইদিন গরু ভুজের আয়োজন করে শিক্ষার্থীরা।
মাননীয় উপাচার্য মহোদয়, আপনি বড্ড একা: জবি ছাত্রদল নেতা জাফর
৪০ হাজার শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে ল্যাপটপ দিচ্ছে সরকার, যারা পাবেন
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ অর্জনকারী ৪০ হাজার শিক্ষার্থীকে ল্যাপটপ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বৈঠকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের জন্য ৫৭ হাজার ৩০১ কোটি ৬৮ লাখ টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ধরা হয়েছে, যা বিগত সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ৪২.৭ শতাংশ বেশি। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড স্পর্শের অংশ হিসেবে মেধা বিকাশ ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়াতে ২০২৬ সালে গোল্ডেন জিপিএ অর্জনকারী প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থীর প্রত্যেককে একটি করে ল্যাপটপ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র  জানিয়েছে, গত ১০ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ১ম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভার কার্যবিবরণীতে দেশের শিক্ষা খাতের জন্য নতুন এসব প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে। কমিটির কার্যবিবরণীর তথ্য অনুযায়ী, বিএনপি নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার মেধা বিকাশ ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়াতে ২০২৬ সালে গোল্ডেন জিপিএ অর্জনকারী প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থীর প্রত্যেককে ল্যাপটপ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি ইএফটি ও আইবাস++ পদ্ধতিতে প্রায় ৭০ হাজার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীর বকেয়া পাওনা সরাসরি ব্যাংকে পাঠানোর ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে ধন্যবাদ জানানো হয়। এর আগে, খুলনার একটি অনুষ্ঠানে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত সব শিক্ষার্থীদের ট্যাব দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। পরবর্তীতে গত ১ সেপ্টেম্বর শিক্ষামন্ত্রীর মিডিয়া সেলে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে গোল্ডেন জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের ল্যাপটপ প্রদানের উদ্যোগের কথা জানানো হয়। স্ট্যাটাসে বলা হয়, ‘ এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের ল্যাপটপ প্রদান করা হবে।  এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে শিক্ষা খাতের বরাদ্দকৃত অর্থের স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, শিক্ষার বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের কৌশল গ্রহণ, অনিয়ম ও দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাঙ্গণ গড়া, মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ বাড়ানো, মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং কারিগরি শিক্ষার প্রসারে ‘একগুচ্ছ’ প্রস্তাব ও সুপারিশ করা হয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. সেলিম ভূঁইয়া বলেন, শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে কমিটির প্রথম সভায় একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারণ আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে আমাদের শিক্ষার্থীদের মেলাতে হলে বছরভিত্তিক মূল্যায়ন ও আধুনিক শিক্ষাক্রমের বিকল্প নেই। তাই আমরা চাই শুধু বছরব্যাপী নয়, তিন মাস অথবা ছয় মাস অন্তর শিক্ষা ব্যবস্থায় শিখনফল মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু হওয়া প্রয়োজন। কমিটির আগামীর সভায় শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতে আরও দফাওয়ারী সুপারিশ করবে। পাশাপাশি শিক্ষার রোডম্যাপ নিয়ে একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হবে। সেখানে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে। 
মশিউর অর্ণব
আরও পড়ুন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পপুলার লাইফের ৩ কোটি ১৮ লাখ টাকার বীমা দাবির চেক বিতরণ
আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে কুবিতে মতবিনিময় সভা
চট্টগ্রামের বীমা গ্রাহকদের ৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকার দাবি পরিশোধ পপুলার লাইফের
রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ২৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
X