ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

বিভিন্ন সংকট-সমস্যায় শিক্ষার্থীদের পাশে জবি ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার

জবি প্রতিনিধি

  ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮:৩৮ পিএম
বিভিন্ন সংকট-সমস্যায় শিক্ষার্থীদের পাশে জবি ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সংকট, আর্থিক অসচ্ছলতা ও ক্যাম্পাসের নানা সমস্যা নিয়ে কাজ করার কারণে আলোচনায় এসেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহরিয়ার হোসেন। ভর্তি ব্যয়ে সহযোগিতা থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত প্রয়োজনে সহায়তা এবং ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা উন্নয়নে নানা উদ্যোগে যুক্ত থাকার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বুলেটিন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় ১৫তম মেধাস্থান অর্জন করেন আজহারুল ইসলাম। মেধাতালিকায় স্থান পেলেও আর্থিক সংকটের কারণে তার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে তার ভর্তির ব্যয় বহনের দায়িত্ব নেন শাহরিয়ার হোসেন।

আজহারুলের মতো আরও কয়েকজন শিক্ষার্থীর ভর্তি-সংক্রান্ত ব্যয়েও সহযোগিতা করেছেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সিয়াম শেখের ভর্তি ব্যয় এবং ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. রাব্বির ভর্তি ফরম পূরণে আর্থিক সহযোগিতার কথা উল্লেখ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত সংকটেও পাশে থাকার উদ্যোগের কথা জানা গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ইমদাদুল হক ব্যবসায়িক প্রতারণার শিকার হয়ে মূলধন হারানোর পরিস্থিতিতে পড়লে তার ব্যবসায় পুনরায় মূলধন জোগাতে সহযোগিতা করেন শাহরিয়ার।

শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত সহায়তার পাশাপাশি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা নিয়েও কাজ করেছেন বলে দাবি তার অনুসারীদের। তার উদ্যোগে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা কয়েকটি ডাস্টবিন সংস্কার ও মেরামত, ভাষাশহীদ রফিক ভবনে বিশুদ্ধ পানির ফিল্টার স্থাপন এবং বিবিএ ভবনের লিফটের নষ্ট ফ্যান পরিবর্তন করে নতুন ফ্যান সংযোগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এ ছাড়া ক্যাম্পাস বন্ধ থাকাকালে অভুক্ত কুকুরের খাবারের ব্যবস্থা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেটের পাশে পানের দোকান পরিচালনাকারী পিতৃহীন শিশু সাদ্দামের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর কথাও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শাহরিয়ারের এসব উদ্যোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছোটন খান বলেন, “ভর্তি জটিলতা থেকে শুরু করে ক্যাম্পাসের পানির সংকট—বিভিন্ন বিষয়ে প্রশাসনের কাছে বলেও অনেক সময় দ্রুত সমাধান পাওয়া যায় না। শাহরিয়ার ভাই শিক্ষার্থীদের এসব সমস্যায় ব্যক্তিগতভাবে পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন।”

শিক্ষার্থী আজহারুল ইসলাম বলেন, “শাহরিয়ার ভাই আমার পাশে না দাঁড়ালে হয়তো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন পূরণ হতো না। এজন্য আমি শাহরিয়ার ভাইয়ের কাছে কৃতজ্ঞ। ভাইয়ের ভবিষ্যৎ সফলতা কামনা করি।”

ছাত্ররাজনীতিতে শাহরিয়ারের পথচলা শুরু হয় ২০০৭ সালে আরশীনগর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। পরে তিনি ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনাকালে প্রত্যক্ষ ভোটে ১৮৭ ভোটের মধ্যে ১৫৯ ভোট পেয়ে ক্লাস রিপ্রেজেন্টেটিভ (সিআর) নির্বাচিত হন বলে তার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে বিভিন্ন সময়ে হামলা ও নির্যাতনের শিকার হওয়ার কথাও জানিয়েছেন শাহরিয়ার। সংগঠনে সক্রিয় ভূমিকার ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ২০২৪ সালে ৩ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পান তিনি।

তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বর্ণনায় জানা যায়, ২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বিশ্বজিৎ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভে অংশ নেন তিনি। ২০১৩ সালের ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’ কর্মসূচিতেও অংশ নেন। ২০১৯ সালে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে থেকে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকার কথাও জানান তিনি। এ ছাড়া ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দেওয়ার কর্মসূচিতে হামলা এবং ২০২২ সালের ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশে পুলিশের হামলায় আহত হওয়ার দাবি করেন শাহরিয়ার।

২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনেও অংশ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। ৮ ও ১০ জুলাইয়ের ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি, ১১ জুলাই শাহবাগমুখী মিছিল, ১৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি প্রদান এবং ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশে মিছিলে অংশ নেন বলে জানান শাহরিয়ার। পরবর্তী সময়ে ১৬, ১৯ ও ২০ জুলাইয়ের বিভিন্ন কর্মসূচিতেও অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

৩ আগস্ট শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি এবং ৫ আগস্ট গণভবনের সামনে উপস্থিত থাকার কথাও জানান শাহরিয়ার।

৫ আগস্টের পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয়তাবাদী ছাত্ররাজনীতির কার্যক্রমের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার কথা জানান তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের দাবিতে শিক্ষার্থীদের ‘লং মার্চ টু যমুনা’ কর্মসূচিতেও অংশ নেন। কর্মসূচিতে যমুনার সামনে অবস্থান নেওয়ার সময় পুলিশের হামলায় আহত হওয়ার দাবি করেন তিনি।

চলতি বছরের ৩ আগস্ট ক্যাম্পাসে ছাত্রশিবিরের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচিতেও সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় থাকার কথা জানান শাহরিয়ার।

রাজনীতির পাশাপাশি পড়াশোনা ও গবেষণায়ও যুক্ত রয়েছেন শাহরিয়ার হোসেন। ২০০৮ সালে চরকুমারীয়া উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০১০ সালে ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন তিনি। পরে ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন। ভর্তি পরীক্ষায় সমাজবিজ্ঞান অনুষদে ২৬২তম স্থান অর্জন করেন বলে জানান তিনি। ২০১৮ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন।

২০২০ সালে সুইডেনের স্টকহোম ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনার সুযোগ পেলেও ছাত্ররাজনীতির কারণে তা গ্রহণ করেননি বলে জানান শাহরিয়ার। বর্তমানে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে এমফিল করছেন তিনি। ‘Women’s Access to Information in Bangladesh: A Study on Union Digital Center’ শিরোনামের গবেষণায় যুক্ত রয়েছেন শাহরিয়ার। সম্প্রতি এ গবেষণার জন্য গবেষণা অনুদান ও বৃত্তি পাওয়ার কথাও জানান তিনি।

ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহরিয়ার হোসেন বলেন, “দুঃসময়ে দলের জন্য নিঃস্বার্থে নিজের অবদান রেখেছি এবং ভবিষ্যতে এই ধারা দলের প্রতিটি ক্ষেত্রে অব্যাহত থাকবে। আমি মনে করি, শিক্ষার্থীদের সমস্যা হলে তাঁদের পাশে দাঁড়ানো একজন ছাত্রনেতার দায়িত্ব। রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে শিক্ষার্থীদের অধিকার ও প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে চাই।”

আলীয়া মাদরাসার শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে : শিবির সভাপতি
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেছেন, আলীয়া মাদরাসার শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। মাদরাসার ছাত্রদের নৈতিকতার জায়গায় দুর্বল করা ও ঈমান-আকিদা নষ্ট করার জন্য কৌশলে ডারউইনের মতবাদ এবং বাংলায় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, বঙ্কিমচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো ইসলামবিদ্বেষী কবি-সাহিত্যিকদের লেখা পাঠ্যবইয়ে কৌশলে ঢুকিয়ে দিয়ে একটা ব্রাউনম্যান প্রজন্ম গড়ে তোলার ষড়যন্ত্র চলছে।  রোববার সকালে টঙ্গী তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসায় শহীদ আব্দুল মালেক মিলনায়তনে আলিম প্রথম বর্ষের নবীনবরণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, আজ থেকে চার-পাঁচ বছর আগেও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের (এ+) প্লাসের পরিমাণ অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের চেয়ে বেশি ছিল। পাসের হারও বেশি ছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার এবং বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার আলীয়া মাদরাসা থেকে শিক্ষার্থীদের মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করেছে। সেই ষড়যন্ত্রের অংশ ছিল আলীয়া মাদরাসা শিক্ষাকাঠামোকে স্কুল-কলেজের শিক্ষাকাঠামোর মতো করে ফেলা। এখন স্কুল-কলেজে যে বই পড়ানো হয়, আলীয়া মাদরাসায়ও হূবুহূ সেই বই পড়ানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির বলেন, ‘বিগত ২০১০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি ও অর্থনীতি বিভাগে তা’মীরুল মিল্লাতসহ মাদরাসার ছাত্রদের ভর্তি হতে দেওয়া হতো না। মাদরাসার ছাত্ররা ভর্তি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করার পরেও অর্থনীতি বা ইংরেজি সাহিত্যে পড়তে দেওয়া হতো না। কারণ হলো, মাদরাসা বোর্ড আলীমে বাংলায় ১০০ নম্বর এবং ইংরেজিতে ১০০ নম্বর পড়ানো হয় তাই। এ ঘটনায় আমরা মামলা করেছিলাম।’ তিনি আরও বলেন, ‘মাদরাসার বর্তমান শিক্ষার মানকে যদি আরেকটু উন্নত ও আধুনিকায়ন করা যায়, বাংলাদেশের মাদরাসার ছাত্ররা বিশ্ব বিজয় করার জন্য যথেষ্ট হবে, ইনশাআল্লাহ। এটা ফেলনা ভাবার সুযোগ নাই।’ তিনি মাদরাসা ছাত্রদের উদ্দেশে বলেন, ‘আগামীতে যে রাজনীতি দেশে আসতেছে, আমার ধারণা, দলীয় এবং পারিবারিক রাজনীতি দেশ থেকে চলে যাবে। ২০ বছর পরে তোমাদের মধ্য থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবে, ইনশাআল্লাহ। সুতরাং সবাই মিলে এখন প্রস্ততি নেওয়ার সময়। মাথা ঠান্ডা রাখার সময়, কাজ বেশি করার সময়।’  ছাত্রশিবির টঙ্গী মডেল শাখার সভাপতি মঈনুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং শাখা সম্পাদক মুর্তজা হাসান ফুয়াদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য (ভিসি) ড. আবদুর রব, তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ড. হেফজুর রহমান, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক আমিরুল ইসলাম এবং বিশিষ্ট গীতিকার ও সুরকার শিল্পী মশিউর রহমান। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিল্পী মশিউর রহমান এবং ‘তুরাগ শিল্পী গোষ্ঠী’র ইসলামী সংগীত পরিবেশনা হাজারো শিক্ষার্থী উপভোগ করেন।
আলীয়া মাদরাসার শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে : শিবির সভাপতি
২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের তারিখ ঘোষণা ও ফি নির্ধারণ
২০২৭ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার অনলাইনে ফরম পূরণ ও ফি জমা দেয়ার পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি ও নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, কোনো ধরনের বিলম্ব ফি ছাড়া আগামী ১৬ নভেম্বর থেকে ফরম পূরণ কার্যক্রম শুরু হবে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানুর সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের তথ্যসংবলিত সম্ভাব্য তালিকা আগামী ১৫ নভেম্বর বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। এরপর বিলম্ব ফি ছাড়া ১৬ নভেম্বর থেকে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে ফরম পূরণ করা যাবে। বিলম্ব ফি ছাড়া ব্যাংকে ফি জমা দেয়ার শেষ সময় ২৪ নভেম্বর। আর ১০০ টাকা বিলম্ব ফিসহ অনলাইনে ফরম পূরণ করা যাবে ২৪ নভেম্বর থেকে ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত। এ ক্ষেত্রে বিলম্ব ফিসহ ফি জমা দেয়ার শেষ দিন ৩০ নভেম্বর। পরীক্ষার ফি: বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বিজ্ঞান বিভাগে মোট ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৪৩৫ টাকা। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মোট ফি দিতে হবে ২ হাজার ৩১৫ টাকা। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের বেতন ও সেশনচার্জ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত পরিশোধ করতে হবে, যা কোনোভাবেই ২৪ মাসের বেশি নেয়া যাবে না। বিজ্ঞান বিভাগের বোর্ড ফি ১,৯২০ টাকা ও কেন্দ্র ফি (ব্যবহারিকসহ) ৫১৫ টাকা। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের জন্য বোর্ড ফি ১,৮৩০ টাকা ও কেন্দ্র ফি ৪৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যান্য দিকনির্দেশনা: বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত ফি-র বাইরে অতিরিক্ত কোনো অর্থ কোনোভাবেই আদায় করা যাবে না। অতিরিক্ত ফি আদায়ের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্বাচনি (টেস্ট) পরীক্ষা গ্রহণ শেষে আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে ফল প্রকাশের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের পাশাপাশি জিপিএ উন্নয়ন, মানোন্নয়ন ও অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের নির্দিষ্ট নীতিমালাও এই বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরা হয়।
২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের তারিখ ঘোষণা ও ফি নির্ধারণ
মনোহরদীতে এসএসসি ও জুনিয়র বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদেরকে সংবর্ধনা 
নরসিংদীর মনোহরদীতে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ (GPA-5) প্রাপ্ত ৫৪ জন এবং জুনিয়র বৃত্তিপ্রাপ্ত ১৩৩ জনসহ মোট ১৮৭ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে মনোহরদী উপজেলা পরিষদের হলরুমে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহামুদুল হাসান। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাব) আসনের সংসদ সদস্য ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী কৃতী শিক্ষার্থীদের সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি শিক্ষার্থীদের অর্জিত মেধা ও যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে পিতা-মাতার প্রতি দায়িত্বশীল হওয়া এবং তাঁদের অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। এ সময় শিক্ষার্থীদের সাফল্যের পেছনে শিক্ষক ও অভিভাবকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও ভালো ফলাফল অর্জনে শিক্ষক-অভিভাবকদের আন্তরিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনুষ্ঠান শেষে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী ৫৪ জন এবং ২০২৫ সালের জুনিয়র বৃত্তিপ্রাপ্ত ১৩৩ জন শিক্ষার্থীর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে মনোহরদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সজিব মিয়া, মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ, উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আমিনুর রহমান সরকার দোলন, পৌর বিএনপির সভাপতি আ. হান্নান শেখ,গোলাম মোস্তফা  উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মাসুদুর রহমান সোহাগসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, গণমাধ্যমকর্মী, কৃতী শিক্ষার্থীদের অভিভাবক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অনুষ্ঠানে অংশ  নেন।
মনোহরদীতে এসএসসি ও জুনিয়র বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদেরকে সংবর্ধনা 
মাননীয় উপাচার্য মহোদয়, আপনি বড্ড একা: জবি ছাত্রদল নেতা জাফর
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনকে উদ্দেশ করে ‘আপনি বড্ড একা’ বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জাফর আহমেদ। উপাচার্যের আশপাশের কিছু মানুষের ভূমিকা নিয়ে সতর্ক করে তিনি বলেছেন, বাইরের প্রতিপক্ষের চেয়ে কাছের মানুষের ভূমিকাই তাকে ব্যর্থ করার জন্য যথেষ্ট হতে পারে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) গভীর রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন জাফর আহমেদ। ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, চারপাশে অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী দেখা গেলেও প্রকৃত শুভাকাঙ্ক্ষী কতজন, তা সময়ই বলে দেবে। ব্যক্তিস্বার্থে মিষ্টি কথা বলা মানুষেরাই সুযোগ বুঝে সবচেয়ে বড় ক্ষতির কারণ হতে পারেন। তাই যাঁদের ওপর সবচেয়ে বেশি নির্ভর করছেন, তাঁদের ভূমিকা ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। জাফর আহমেদ আরও লেখেন, প্রশংসাকারী মানেই শুভাকাঙ্ক্ষী নন, আর কাছের মানুষ মানেই বিশ্বস্ত নন। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কে প্রকৃতপক্ষে ভালো চান আর কে ব্যবহার করে বিতর্কিত করতে চান, তা ভেবে দেখা উচিত। অন্ধবিশ্বাসের পরিবর্তে প্রমাণ ও বিবেচনাকে প্রাধান্য দেওয়ার পরামর্শও দেন তিনি। উপাচার্যকে উদ্দেশ করে ছাত্রদলের এই নেতা বলেন, তাকে ব্যর্থ করার জন্য বাইরের প্রতিপক্ষের চেয়ে আশপাশের কিছু মানুষের ভূমিকাই যথেষ্ট হতে পারে। যাঁদের সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস করছেন, তাঁদের ভূমিকাও নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা উচিত। গত এক সপ্তাহের ঘটনাপ্রবাহ থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, গোলটেবিল বৈঠক, সভা কিংবা আলোচনায় সুন্দর সুন্দর কথা বলা ও উপদেশ দেওয়া ব্যক্তিদের কেউ কেউ রাতের আঁধারে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন। বিশ্বাসের আড়ালে লুকিয়ে থাকা স্বার্থ কখনো কখনো বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায় উল্লেখ করে কথা বলা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি। পোস্টের শেষাংশে জাফর আহমেদ লেখেন, আপনি আমার থেকে অনেক জ্ঞানী স্যার। তারপরেও আপনার একজন শুভাকাঙ্ক্ষী হিসাবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক ঘটনা দেখে যা মনে হলো তা প্রকাশ করলাম। আপনার সুস্বাস্থ্য ও সফলতা কামনা করি। আমার জন্যও দোয়া করবেন স্যার। উল্লেখ্য, সম্প্রতি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরুর মাংস রান্নাকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ক্যাম্পাসে পশু জবাইয়ের নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পরেই ঘোষণা দিয়ে ক্যাম্পাসে পর পর দুইদিন গরু ভুজের আয়োজন করে শিক্ষার্থীরা।
মাননীয় উপাচার্য মহোদয়, আপনি বড্ড একা: জবি ছাত্রদল নেতা জাফর
৪০ হাজার শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে ল্যাপটপ দিচ্ছে সরকার, যারা পাবেন
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ অর্জনকারী ৪০ হাজার শিক্ষার্থীকে ল্যাপটপ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বৈঠকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের জন্য ৫৭ হাজার ৩০১ কোটি ৬৮ লাখ টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ধরা হয়েছে, যা বিগত সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ৪২.৭ শতাংশ বেশি। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড স্পর্শের অংশ হিসেবে মেধা বিকাশ ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়াতে ২০২৬ সালে গোল্ডেন জিপিএ অর্জনকারী প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থীর প্রত্যেককে একটি করে ল্যাপটপ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র  জানিয়েছে, গত ১০ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ১ম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভার কার্যবিবরণীতে দেশের শিক্ষা খাতের জন্য নতুন এসব প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে। কমিটির কার্যবিবরণীর তথ্য অনুযায়ী, বিএনপি নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার মেধা বিকাশ ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়াতে ২০২৬ সালে গোল্ডেন জিপিএ অর্জনকারী প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থীর প্রত্যেককে ল্যাপটপ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি ইএফটি ও আইবাস++ পদ্ধতিতে প্রায় ৭০ হাজার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীর বকেয়া পাওনা সরাসরি ব্যাংকে পাঠানোর ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে ধন্যবাদ জানানো হয়। এর আগে, খুলনার একটি অনুষ্ঠানে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত সব শিক্ষার্থীদের ট্যাব দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। পরবর্তীতে গত ১ সেপ্টেম্বর শিক্ষামন্ত্রীর মিডিয়া সেলে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে গোল্ডেন জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের ল্যাপটপ প্রদানের উদ্যোগের কথা জানানো হয়। স্ট্যাটাসে বলা হয়, ‘ এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের ল্যাপটপ প্রদান করা হবে।  এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে শিক্ষা খাতের বরাদ্দকৃত অর্থের স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, শিক্ষার বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের কৌশল গ্রহণ, অনিয়ম ও দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাঙ্গণ গড়া, মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ বাড়ানো, মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং কারিগরি শিক্ষার প্রসারে ‘একগুচ্ছ’ প্রস্তাব ও সুপারিশ করা হয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. সেলিম ভূঁইয়া বলেন, শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে কমিটির প্রথম সভায় একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারণ আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে আমাদের শিক্ষার্থীদের মেলাতে হলে বছরভিত্তিক মূল্যায়ন ও আধুনিক শিক্ষাক্রমের বিকল্প নেই। তাই আমরা চাই শুধু বছরব্যাপী নয়, তিন মাস অথবা ছয় মাস অন্তর শিক্ষা ব্যবস্থায় শিখনফল মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু হওয়া প্রয়োজন। কমিটির আগামীর সভায় শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতে আরও দফাওয়ারী সুপারিশ করবে। পাশাপাশি শিক্ষার রোডম্যাপ নিয়ে একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হবে। সেখানে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে। 
মশিউর অর্ণব
আরও পড়ুন
মাননীয় উপাচার্য মহোদয়, আপনি বড্ড একা: জবি ছাত্রদল নেতা জাফর
আমির হামজার মাহফিলে ‘রাজনৈতিক বক্তব্য’ বন্ধে স্মারকলিপি
জবির আইন অনুষদের ২০ শিক্ষার্থী পেলেন তপন বিহারী নাগ ট্রাস্টের বৃত্তি
গরুভোজের জন্য ‘গরু’ কিনলেন জগন্নাথের শিক্ষার্থীরা
X