
শিক্ষার আলো ছড়িয়ে একটি আলোকিত ও মানবিক সমাজ গঠনে শিক্ষকদের অবদান অনস্বীকার্য। তাঁদের সম্মান ও ভূমিকার কথা স্মরণ করে " শিক্ষকের পাশে দাঁড়ানো; পেশা সুরক্ষার ৬০ বছর,মর্যাদা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ রূপায়ণ" এ প্রতিপাদ্যে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে বিশ্ব শিক্ষক দিবস।
সোমবার (৫ অক্টোবর) উপজেলা অডিটরিয়াম কাম মাল্টিপারপাস হল রুমে দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও শিক্ষা পরিবারের আয়োজনে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেসমিন আক্তারের সভাপতিত্বে ও একাডেমিক সুপারভাইজার আমজাদ হোসেনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ১৯ রংপুর -১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাও. নায়েবুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সাইফুল ইসলাম।
আরোও বক্তব্য রাখেন, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবু সাঈদ মো. আরিফ মাহফুজ, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শায়লা জেসমিন সাঈদ, গঙ্গাচড়া সরকারি কলেজের প্রভাষক ড. মতিন, গঙ্গাচড়া বিএম কলেজের অধ্যক্ষ নুরুন নবী, সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক আব্দুল আখের মিঞা, কিশামত হাবু দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুর রকিব মিয়া, দোন্দরা সপ্রাবির প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণে শিক্ষকের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষকরা শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানই দেন না, তাঁরা শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, মূল্যবোধ, শৃঙ্খলা ও মানবিক গুণাবলি অর্জনে পথ দেখান। তাই শিক্ষকদের মর্যাদা ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাঁদের ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি।
পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষাব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে শিক্ষকদের আধুনিক জ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাদানে আরও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের প্রতি শিক্ষকদের দায়িত্বশীল ও আন্তরিক ভূমিকা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়।
বক্তারা আরোও বলেন, শিক্ষক দিবস শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়; শিক্ষকদের অবদান ও দায়িত্বের বিষয়টি নতুন করে স্মরণ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক, অভিভাবক, প্রশাসন ও সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।




