
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) আয়োজিত মিছিলে হামলার অভিযোগ উঠেছিল তৎকালীন জবি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। ওই ঘটনায় আহত হওয়ার দাবি করা সাবেক ছাত্রদল নেতা মিজানুর রহমান শরিফ ও আবদুর রশিদ এখনো শরীরে হামলার চিহ্ন বয়ে বেড়াচ্ছেন বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৯ সালের অক্টোবরে আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মিছিল বের করলে এতে হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় তৎকালীন জবি ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান শরিফ, আবদুর রশিদসহ ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন বলে দাবি করা হয়।
সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, ওই হামলায় শরিফ ও রশিদসহ কয়েকজন নেতাকর্মী গুরুতরভাবে আহত হন। হামলার কয়েক বছর পেরিয়ে গেলেও শরিফ ও রশিদের শরীরে সেই সময়ের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে দাবি তাদের। মিজানুর রহমান শরিফ পরবর্তীতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান শরিফ বলেন, "ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদে আবরার ফাহাদকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আর আমাদেরকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে পলাতক ফ্যাসিস্টরা। আধিপত্যবাদী ও জুলুমকারীদের বিরুদ্ধে আমরা সদা জাগ্রত থাকবো, ইনশাআল্লাহ।"
এদিকে, ওই সময়ের হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিচার দাবি করেছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি, আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে আয়োজিত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।




