
ফের বিনোদন অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক এস.কে. মুরালিধরন আর নেই। ভারতের ওড়িশার রাজধানী ভুবনেশ্বরের ভরতপুর এলাকার একটি হোটেল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মুরালিধরনের মৃত্যুতে তাঁর পরিবার, সহকর্মী ও চলচ্চিত্র অঙ্গনের সংশ্লিষ্টরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, একটি নতুন সিনেমার সংগীত পরিচালনা ও চিত্রগ্রহণের কাজে মুরালিধরন ও তাঁর টিম চার দিন ধরে ভুবনেশ্বরের ওই হোটেলে অবস্থান করছিলেন। মৃত্যুর আগের দিন পর্যন্ত তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ ছিলেন। সহকর্মীদের সঙ্গেও স্বাভাবিকভাবে কথাবার্তা বলেছেন তিনি।
পুলিশ জানায়, গত সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে নির্মাতার সহকর্মী আর. বাপি সাহু তাঁর সঙ্গে দেখা করতে হোটেলে যান। সে সময়ও মুরালিধরনের শারীরিক অবস্থায় কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা যায়নি।
এর কিছুক্ষণ পর হঠাৎ তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরিস্থিতি গুরুতর হওয়ায় দ্রুত ভরতপুর থানায় খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় এবং তাদের সহযোগিতায় মুরালিধরনকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও সহকর্মীদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের আবহ। চলচ্চিত্র অঙ্গনেও তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সহকর্মী আর. বাপি সাহু ধারণা করছেন, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর আকস্মিক মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর কারণ জানতে পুলিশ মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। এ ছাড়াও ভরতপুর থানা পুলিশ একটি বিশেষ দল গঠন করে হোটেলের ঘর ও আশপাশে তল্লাশি শুরু করেছে। হোটেলে যাঁর সঙ্গে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের থেকেও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই মৃত্যুর আসল কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব হবে। তাঁর প্রয়াণে ওড়িয়া চলচ্চিত্র জগতের বড় ক্ষতি হলো।




