
আঞ্চলিক স্বাস্থ্যশিল্পের উন্নয়ন ও সহযোগিতা জোরদারে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ভিত্তিক যৌথ বিনিয়োগ, ওষুধ উন্নয়ন এবং চিকিৎসা গবেষণা প্রকল্প গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন।
চীনের হাইনান প্রদেশের হাইকোতে অনুষ্ঠিত বোয়াও এশিয়া ফোরাম (BFA) গ্লোবাল হেলথকেয়ার ফোরাম ২০২৬ হাইকো সম্মেলনের ‘অভিন্ন আঞ্চলিক উন্নয়নে স্বাস্থ্যশিল্পে সহযোগিতা জোরদার’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় তিনি এ আহ্বান জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামে বাংলাদেশের আমদানিনির্ভরতা, সীমিত স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা, চিকিৎসা গবেষণার অবকাঠামোগত ঘাটতি এবং দক্ষ জনবলের সংকট মোকাবিলায় পিপিপি মডেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ জন্য সরকার, দেশীয় ওষুধ কোম্পানি এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমন্বয়ে বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
তিনি দেশে ওষুধ উৎপাদন ও চিকিৎসা গবেষণার পরিধি সম্প্রসারণের পাশাপাশি আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।
এশিয়ার অভিন্ন স্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘সিল্ক রোড অব হেলথ’ উদ্যোগের আওতায় শিল্প সক্ষমতা বৃদ্ধি, জ্ঞান বিনিময় ও মানবসম্পদ উন্নয়নে চীনের আরও বেশি অবদানকে বাংলাদেশ স্বাগত জানায়।
তিনি বলেন, আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ বাংলাদেশের স্বাস্থ্যশিল্পের ভিত্তি শক্তিশালী করার পাশাপাশি দেশকে একটি প্রতিযোগিতামূলক আঞ্চলিক জেনেরিক ওষুধ উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।
প্যানেল আলোচনায় ICGEB-এর এলেনা বেনেদেত্তি, WFP China-এর ঝাও বিং এবং China National Biotec Group-এর লি শিউলিং অংশ নেন। তারা বলেন, কার্যকর পিপিপি কাঠামো ও আঞ্চলিক সহযোগিতা উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্বাস্থ্যশিল্পে বিনিয়োগ ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
আলোচনায় বিশেষজ্ঞরা সমন্বিত শিল্প পরিকল্পনা এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনের অংশগ্রহণের মাধ্যমে বায়োমেডিসিন ও ডিজিটাল স্বাস্থ্য খাতের অগ্রগতি আরও ত্বরান্বিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।




