ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ কারাগারে মাদকবিরোধী সভা, ৫০ বন্দির কর্মমুখী প্রশিক্ষণ শুরু 

জাহাঙ্গীর আলম

  ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:৪৩ পিএম

নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত এ সভায় বন্দিদের মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করার পাশাপাশি কারামুক্তির পর আত্মনির্ভরশীল জীবন গড়তে কর্মমুখী প্রশিক্ষণ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বুলেটিন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান কবিরের প্রধান অতিথিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, নারায়ণগঞ্জের উপপরিচালক মোহাম্মদ মামুন। নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার আব্দুল কুদ্দুছের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সার্বিকভাবে তত্ত্বাবধান করেন কারাগারের জেলার শেখ মো. রাসেল।

আলোচনা সভায় বক্তারা মাদক মামলায় কারাগারে আসা বন্দিদের মাদকের ভয়াবহতা ও ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরে মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে স্বাভাবিক ও সুন্দর জীবনযাপনের জন্য ইতিবাচক মানসিকতা তৈরি এবং আত্মশুদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির মাদকের শারীরিক, মানসিক, পারিবারিক, অর্থনৈতিক ও আইনগত ক্ষতিকর দিক নিয়ে বন্দিদের সচেতন করেন। তিনি বলেন, মাদক সেবনের ফলে লিভার, কিডনি ও ফুসফুস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। হেপাটাইটিসের মতো জটিল রোগের আশঙ্কাও থাকে। পাশাপাশি মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ও স্মৃতিশক্তি নষ্ট হয় এবং বিষণ্নতা, ক্রোধ ও মানসিক ভারসাম্যহীনতার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তিনি আরও বলেন, মাদকের কারণে পরিবারে অশান্তি তৈরি হচ্ছে এবং সামাজিক অপরাধও বাড়ছে। চুরি, ছিনতাই, সহিংসতা ও হত্যার মতো অপরাধের পাশাপাশি কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তারেও মাদকের ভূমিকা রয়েছে। মাদকের কারণে ব্যক্তি ও পরিবার অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে দুর্দশায় পতিত হয় এবং মাদক ব্যবসা ও ব্যবহারের সঙ্গে জড়িয়ে আইনগত জটিলতায় পড়লে সামাজিক মর্যাদাও ক্ষুণ্ন হয়।

পরে জেলা প্রশাসক বন্দিদের মাদক পরিহারের শপথ পাঠ করান। সভা শেষে নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দিদের জন্য পরিচালিত ৬০ ঘণ্টার গার্মেন্টস প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান কবির। প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া ৫০ জন বন্দিকে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

এ সময় গার্মেন্টসে উৎপাদিত পণ্যের লভ্যাংশের ৫০ শতাংশ উৎপাদন কাজে নিয়োজিত বন্দিদের দেওয়ার জন্য কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক।

বক্তারা বলেন, কারাগারে বন্দিদের শুধু সংশোধনের সুযোগ দেওয়াই নয়, দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য প্রস্তুত করাও গুরুত্বপূর্ণ। কর্মমুখী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বন্দিরা কারামুক্তির পর সমাজে পুনর্বাসিত হয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পাবেন।

এ ছাড়া কারাগারে বন্দিদের নিয়ে বই পর্যালোচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। বন্দিরা কারা লাইব্রেরি থেকে বই সংগ্রহ করে পড়ে লিখিত পুস্তক সমালোচনা কারা কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেন। প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান কবির।

শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২০২৯ সালের মধ্যে সেখানে সচিবালয়ের কার্যক্রম চালুর লক্ষ্য নিয়ে শিগগির নির্মাণকাজ শুরু করা হবে। রোববার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে পিআইডির সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, নতুন সচিবালয় কমপ্লেক্সে প্রায় ৩১ লাখ বর্গফুট আয়তনের ভবন নির্মাণ করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, পুরোনো বাণিজ্য মেলার এলাকায় তিনটি বেজমেন্টসহ ১৪টি ১২ তলা ভবন নির্মাণ করা হবে। সেখানে প্রায় ৩ হাজার ৮০০ গাড়ি রাখার ব্যবস্থা, একটি মসজিদ ও ক্যাফেটেরিয়া থাকবে। পাশাপাশি আশপাশের সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আন্ডারপাস ও ভূগর্ভস্থ সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, রাজধানীর জন্য প্রণীত আগের মহাপরিকল্পনায় যে এলাকায় সচিবালয়ের জন্য জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছিল, নতুন কমপ্লেক্সটি সেই এলাকাতেই গড়ে তোলা হবে। এ জন্য প্রায় ৩১ একর জমি ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, নতুন সচিবালয়ের নকশায় নান্দনিকতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। স্থানটির আগের পরিকল্পনার সঙ্গে নতুন উদ্যোগের কিছু মিল থাকলেও পুরো পরিকল্পনা এক নয়। তবে উভয়ের মধ্যে একটি যোগসূত্র রয়েছে।
শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত
পিএসসি থেকে সরে দাঁড়ালেন দুই সদস্য
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) দুই সদস্য ড. মো. মহিউদ্দিন ও অধ্যাপক এম সোহেল রহমান পদত্যাগ করেছেন। রাষ্ট্রপতির কাছে তাঁদের পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর আজ রোববার তা আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়েছে বলে জানা গেছে। পদত্যাগপত্রে দুই সদস্যই ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করেছেন। রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, রোববার (১৮ অক্টোবর) রাষ্ট্রপতি তাঁদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন। জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ড. মো. মহিউদ্দিন রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন এবং শনিবার (১৭ অক্টোবর) পদত্যাগপত্র জমা দেন আরেক সদস্য ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহেল রহমান। দুই সদস্যের বিদায়ের পর ২০ সদস্যের পিএসসিতে বর্তমান সদস্যসংখ্যা কমে ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এর আগে গত আগস্ট মাসে সংস্থাটির তৎকালীন চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেমও ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে দায়িত্ব ছেড়েছিলেন। নতুন করে দুই সদস্য সরে দাঁড়ানোর পর আরও কয়েকজন সদস্য পদত্যাগ করতে পারেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।
পিএসসি থেকে সরে দাঁড়ালেন দুই সদস্য
অমর একুশে বইমেলা শুরু ৭ জানুয়ারি
২০২৭ সালের অমর একুশে বইমেলা শুরু হবে আগামী ৭ জানুয়ারি। এটি চলবে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। রবিবার (১৮ অক্টোবর) বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৩ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলা একাডেমির শহিদ মুনীর চৌধুরী সভাকক্ষে অমর একুশে বইমেলা ২০২৭ আয়োজন বিষয়ে প্রকাশক-প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মত-বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান ও মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম। এতে আরও বলা হয়, সভায় প্রকাশক-প্রতিনিধিদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে আগামী ৭ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অমর একুশে বইমেলার সময় নির্ধারিত হয়।
অমর একুশে বইমেলা শুরু ৭ জানুয়ারি
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি ১১৯৬
দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯২ জনে। একই সময়ে নিশ্চিত হামে মারা গেছেন আরও ১০৪ জন। সব মিলিয়ে চলতি বছরে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৯৬ জনে। রোববার (১৮ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর পাশাপাশি নিশ্চিত হামে মৃত্যুর ঘটনাও জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগ তৈরি করছে। চলতি বছরে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ১ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় সতর্কতা ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বুলেটিনে বলা হয়, শনিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে ৩ জন, সিলেট বিভাগে ২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১ জন এবং খুলনা বিভাগে ১ জন মারা গেছেন। এ সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ৩১৯ জন রোগী এসেছে। বিভাগভিত্তিক হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে ৫৩৮ জন, রাজশাহীতে ৩৭, সিলেটে ১২৩ , চট্টগ্রামে ২২১ জন, বরিশালে ২০৫, ময়মনসিংহে ৭৩, খুলনায় ৭৫, এবং রংপুরে ৪৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৮৯ হাজার ৪৮৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৮১ হাজার ৭৫৬ জন চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে সন্দেহজনক হামের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ২৪৪ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩ হাজার ১২২ জন।
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি ১১৯৬
ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ৮৮
দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ উদ্বেগজনকভাবে অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত ২ হাজার ৮৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪৮ জনে। এর মধ্যে শুধু অক্টোবরের প্রথম ১৭ দিনেই ১০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর চলতি বছরের মাসভিত্তিক হিসাবে সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ ১৪৮ জনের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া আগস্টে ৪৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন এবং মে মাসে একজন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বছরের শুরুতে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি—প্রতি মাসে দুজন করে ডেঙ্গুতে মারা যান। বুলেটিনে বলা হয়, শনিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২ হাজার ৮৮ জন ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৪০০ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ হাজার ৮২৭ জন। এ পর্যন্ত মোট ৯৮ হাজার ৮৯৯ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে ১ হাজার ৫৮ জন। এছাড়া চট্টগ্রামে ১৬১ জন, খুলনায় ২৯০ জন, বরিশালে ১৯৯ জন, রাজশাহীতে ২০০ জন, ময়মনসিংহে ৯৩ জন এবং রংপুরে ৭২ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরের প্রথম ১৭ দিনেই ডেঙ্গুতে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে গত ২৪ ঘণ্টায় দুই হাজারের বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ৮৮
আরও পড়ুন
আইভীর ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের ঘটনায় আইনজীবীসহ তিনজন কারাগারে
চীনের কুনমিংয়ে বাংলাদেশের ১৫ সরকারি কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু
হ্যালো ডিসি’তে অভিযোগ: ঢাকার চার উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযান
মৃত্যুদণ্ডের চেষ্টা থেকে বেঁচে ফেরা ক্রিস্টা পাইক ফিরলেন কারাগারে
X