
কবি ও শিশু সাহিত্যিক আখতার হুসেনকে শেষবারের মত বিদায় জানাতে সমবেত হয়েছিলেন শত শত মানুষ। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আনা হয় আখতার হুসেনের মরদেহ।
ফুল দিয়ে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানায় বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, কেন্দ্রীয় খেলাঘর, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠী, জাতীয় শিক্ষা-সংস্কৃতি আন্দোলন।ইতিহাসের বই পড়ুন
গত বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বরেণ্য এই সাহিত্যিক। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। প্রথম জানাজা বাদ মাগরিব তেজগাঁও রেলওয়ে জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়।
স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে আখতার হুসেনের ছোট ছেলে প্রমিত হুসেন বাবার মানবিকতার স্মৃতি রোমন্থন করে বলেন, “একদিন রাতে বাবা খালি গায়ে বাসায় ফেরেন। কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান, রাস্তায় এক ছেলেকে কয়েকজন মেরে শার্ট ছিঁড়ে ফেলেছে, তাই তিনি নিজের শার্টটি তাকে দিয়ে দিয়েছেন। তিনি সবসময় মানুষের ভালো চাইতেন।”
প্রমিত আরও জানান, অসুস্থতার শেষ দিনগুলোতে সহকর্মী শিল্পীদের চরম দৈন্যদশা দেখে তাঁর বাবা খুব বেদনাতুর হয়েছিলেন। চিকিৎসাসংকটে থাকা শিল্পীদের পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে তিনি শেষ ইচ্ছা প্রকাশ করে গেছেন।
শ্রদ্ধানুষ্ঠানের শেষ পর্বে জাতীয় সংগীত ও ছাত্র ইউনিয়নের গান পরিবেশনের পর বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এরপর বেলা সাড়ে ১১টায় সিরাজগঞ্জে পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করার উদ্দেশ্যে তাঁর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়।




