ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

ঘরে বসেই যেভাবে পাবেন পুলিশের বিভিন্ন সেবা

অনলাইন ডেস্ক

  ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:২৩ পিএম

থানায় গিয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পাশাপাশি এখন অনলাইনেও জিডি করার সুযোগ রয়েছে। ফলে ঘরে বা অফিসে বসেই নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে পারছেন নাগরিকরা। বাংলাদেশ পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অনলাইন জিডির মাধ্যমে হারানো ও প্রাপ্তিসংক্রান্ত বিষয়েও জিডি করা যায়।

বুলেটিন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন


অনলাইন জিডি ব্যবস্থায় নাগরিকরা অনলাইনে অভিযোগ দাখিলের পাশাপাশি জিডির বিষয়ে পুলিশের নেওয়া কার্যক্রমের আপডেটও জানতে পারেন। এতে থানায় সরাসরি যাওয়ার প্রয়োজন কমে এবং সময় ও যাতায়াতের খরচ সাশ্রয় হয়।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন ইউনিটে অনলাইন জিডি সেবা চালু করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ পুলিশ জানায়, পরদিন থেকে রেলওয়ে পুলিশের সব থানায় অনলাইন জিডি চালু হবে। এর আগে বিভিন্ন জেলা ও মহানগর পুলিশের থানাগুলোতেও এ সেবা সম্প্রসারিত করা হয়।

অনলাইন জিডির মাধ্যমে সাধারণত হারানো বা পাওয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় জানানো যায়। বাংলাদেশ পুলিশের নথিতে বলা হয়েছে, অ্যাপ ও ওয়েব সংস্করণ ব্যবহার করে ঘরে বসেই হারানো ও প্রাপ্তিসংক্রান্ত জিডি করা এবং পরবর্তী কার্যক্রমের আপডেট জানা সম্ভব।


রাজধানীর মুগদা এলাকার বাসিন্দা মাহিরা নূর জানান, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সনদ হারিয়ে যাওয়ার পর তিনি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ঘরে বসেই জিডি করেন। এতে থানায় গিয়ে জিডি করার প্রয়োজন হয়নি এবং অতিরিক্ত যাতায়াতের খরচও হয়নি।

একটি বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা হারুন অর রশিদও অনলাইন জিডির সুবিধা পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, মানিব্যাগ হারিয়ে যাওয়ার পর ক্রেডিট কার্ড ও জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাজে জিডি দরকার হলে তিনি অফিসে বসেই অনলাইনে জিডি করেন। পরে অনলাইনে এর অগ্রগতিও পর্যবেক্ষণ করেন।

পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, অনলাইন জিডি চালুর অন্যতম উদ্দেশ্য হলো নাগরিকদের সহজে পুলিশি সেবা দেওয়া এবং থানায় গিয়ে জিডি করার ক্ষেত্রে সময় ও ভোগান্তি কমানো। বাংলাদেশ পুলিশের সিটিজেন চার্টারেও জিডিকে সরাসরি ও অনলাইনে গ্রহণযোগ্য সেবা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।


অনলাইন জিডি ব্যবস্থার মাধ্যমে নাগরিকরা ঘরে বসে নির্দিষ্ট বিষয়ে জিডি করতে পারেন। জিডি করার পর সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের অগ্রগতির তথ্য অনলাইনে জানার সুযোগ রয়েছে। ফলে কর্মব্যস্ত মানুষকে জিডি করার জন্য আলাদাভাবে থানায় যাওয়ার প্রয়োজন কমে যায়।

তবে সব ধরনের অভিযোগ বা ঘটনার ক্ষেত্রে অনলাইন জিডি প্রযোজ্য নয়। অভিযোগের ধরন অনুযায়ী পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে এবং কোনো বিষয়ে সরাসরি থানায় যোগাযোগের প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সে অনুযায়ী নির্দেশনা দিতে পারে।

মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  রবিবার (১৮ অক্টোবর) মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে তাকে ডেকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের এক সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  গত শনিবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ইশরাক হোসেনের ফেসবুক পেজে এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়ি থেকে নেমে এক হাতে হ্যান্ড মাইক্রোফোন ও অন্য হাতে পিস্তল নিয়ে একদল লোককে তাড়া করছেন তিনি। একপর্যায়ে পিস্তলের স্লাইড টেনে গুলি করার প্রস্তুতি নিয়ে লোকগুলোর দিকে অস্ত্র তাক করে ‘অ্যাই দাঁড়া, দাঁড়া’ বলে চিৎকার করতে দেখা যায় তাঁকে। ভিডিওতে সাদা পোশাকে থাকা আরও একজনকে অস্ত্র হাতে লোকজনকে তাড়া করতে দেখা যায়। ঘটনাটি রাজধানীর গেণ্ডারিয়া রেললাইন-সংলগ্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে ঘটেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। বিষয়টিকে বাড়াবাড়ি হিসেবে দেখছেন তারা। দিনভর নানা সমালোচনার মুখে বিকেলে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী তাকে ডেকে পাঠান এবং পদত্যাগের নির্দেশ দেন। এদিকে ইশরাক হোসেন এটাকে গুজব বলে এতে কান না দেওয়ার অনুরোধ করেছেন। অন্যদিকে আজ ১৮ অক্টোবর ২০২৬ (রবিবার) বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের "পদত্যাগ" বা "তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে" মর্মে যে সংবাদটি প্রচারিত হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন মাহফুজ কবির মুক্তা, প্রেস কর্মকর্তা, ইশরাক হোসেন এমপি ও প্রতিমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। তিনি বলেন, প্রকৃত সত্য এই যে, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী তার সরকারি ও রাজনৈতিক দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সাথে পালন করে যাচ্ছেন। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে তাঁকে পদত্যাগের কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি এবং তাঁর পদত্যাগের কোনো প্রশ্নই ওঠে না। একটি মহল রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল এবং জনসাধারণের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টির লক্ষ্যে এই ধরনের কাল্পনিক ও মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।
মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
স্ত্রীকে দোতলা থেকে ফেলে দিয়ে নিজেও লাফ, বেঁচে ফেরা মাসুদের বর্ণনা
কক্সবাজারের উখিয়ায় পাটুয়ার টেক সৈকতে কাঠের ‘টুপটুপ রিসোর্টে’ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের হৃদয়বিদারক ঘটনায় একই পরিবারের ছয় সদস্যের প্রাণহানি ঘটেছে। এই মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি থেকে কোনোমতে অলৌকিকভাবে বেঁচে ফিরেছেন পরিবারের তিনজন সদস্য- ইসমাইল রুহুল মাসুদ (৩৫), তার স্ত্রী মেহেরুন্নেসা মিনা (৩০) এবং তাদের ভাগ্নি জামাই আশিক। আহতদের মধ্যে মেহেরুন্নেসা মিনা বর্তমানে রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, আর তার স্বামী ইসমাইল রুহুল মাসুদ প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ আছেন। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ইনানীর পাটুয়ার টেক সৈকত এলাকার রিসোর্টটিতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আহত ইসমাইল রুহুল মাসুদ সীনহা গ্রুপের একজন মার্চেন্ডাইজার এবং তার স্ত্রী মেহেরুন্নেসা মিনা প্রিমিয়ার ব্যাংকে কর্মরত। তারা রাজধানীর উত্তরা এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। ঢামেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়ার পর মাসুদ জানান, গত বুধবার তাদের পরিবারের ১০ জন সদস্য একসঙ্গে কক্সবাজার ঘুরতে গিয়েছিলেন। ঘটনার আগের দিন একজন সদস্য ঢাকায় ফিরে আসেন। শনিবার তাদের কক্সবাজার থেকে ঢাকায় ফেরার কথা ছিল। ঘটনার মুহূর্ত বর্ণনা করে মাসুদ বলেন, সকাল ৭টায় পরিবারের সকলের হোটেল থেকে বেড় হওয়ার কথা ছিল, তাই ফোনে অ্যালার্ম দেওয়া ছিল। অ্যালার্মের শব্দে আমাদের ঘুম ভেঙে যায়। অ্যালার্ম বন্ধ করে আবার শুতেই দুই-তিন মিনিটের মধ্যে পটমট শব্দ শুনতে পাই এবং চারিদিক ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। আমরা দ্রুত বিছানা থেকে উঠে দাঁড়াতেই রুমের দরজার দিকে চোখ যায়। তিনি আরও জানান, তার স্ত্রী মেহেরুন্নেসা ধোঁয়ার গন্ধ পেয়ে দরজার লক খুলতেই করিডোরে দাউদাউ করে জ্বলতে থাকা আগুনের প্রকাণ্ড গোলা ঘরের ভিতর ঢুকে পড়ে। করিডোর পুরোটাই তখন আগুনে প্লাবিত, ফলে অন্য রুমে থাকা পরিবারের বাকি সদস্যদের সতর্ক বা উদ্ধার করার কোনো সুযোগই তাদের ছিল না। আগুন রুমে ঢুকে পড়ার পর ঘরটি ধোঁয়ায় অন্ধ হয়ে যায়। রুমের বাইরে যাওয়ার একমাত্র উপায় ছিল সামনের একপাশের একটি মোটা ট্রান্সপারেন্ট (স্বচ্ছ) গ্লাস। বাঁচার আকুতিতে মাসুদ, তার স্ত্রী মিনা এবং তাদের ভাগ্নি জামাই আশিক ঘরের গ্লাসে সজোরে লাথি মারতে থাকেন। কিন্তু মোটা কাঁচের সেই গ্লাস ভাঙছিল না। একপর্যায়ে ঘরের কোণায় থাকা একটি কাঠের চেয়ার দিয়ে সজোরে গ্লাসে পরপর আঘাত করেন মাসুদ। চেয়ারটির পা ভেঙে গেলে, সেই ভাঙা পা দিয়ে তৃতীয়বারে সজোরে আঘাত করে অবশেষে গ্লাসটি ভাঙতে সক্ষম হন তারা। দ্বিতীয় তলা থেকে লাফ ও অলৌকিক আত্মরক্ষা রুমের ভেতর তখন আগুন ধরে গেছে এবং বিছানায় আগুন জ্বলছে। বিকল্প কোনো পথ না থাকায় মাসুদ তার স্ত্রীকে দ্বিতীয় তলার ভাঙা গ্লাস দিয়ে নিচে লাফ দেয়ার নির্দেশ দেন। ভয় পেয়ে স্ত্রী গ্লাস ধরে ঝুলে থাকলে মাসুদ তার হাত ছাড়িয়ে নিচে ফেলে দেন। এর পরপরই তিনি নিজে এবং তার পেছনে থাকা ভাগ্নি জামাই আশিক লাফিয়ে পড়েন। নিচে পড়ার সময় একটি কুল/বড়ই গাছের বাধার কারণে সরাসরি মাটিতে আঘাত পান মাসুদ। এতে তার কোমরে তীব্র চোট লাগে এবং তিনি আর সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছিলেন না। অন্যদিকে তার স্ত্রীর পায়ের কিছু পরিমাণ অংশ গভীরভাবে কেটে গিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে থাকে। অগ্নিকাণ্ডের অসহ্য উত্তাপ থেকে বাঁচতে তারা কোনোমতে হামাগুড়ি দিয়ে পাশের একটি ধানখেতে গিয়ে আশ্রয় নেন। পরবর্তীতে সেখান থেকে তারা হোটেলের সামনে আসলে দেখতে পান ভেতর আটকে পড়া মানুষজন বাঁচাও-বাঁচাও বলে আকুতি করছেন। তাদের স্বজনরা তখন চিৎকার করে বলছিলেন, আমার ছেলে-মেয়েদের বাঁচান, একটু পানি দেন! এই ট্যুরের পেছনের এক বিষাদময় করুণ গল্প তুলে ধরে মাসুদ জানান, তাদের বড় বোনের মেয়ে ফারিয়া কবির ছিলেন একজন মায়োপ্যাথিক (প্যারালাইজড) রোগী। তিনি কখনও সমুদ্র দেখেননি। ফারিয়ার ইচ্ছা পূরণ করতেই পুরো পরিবার মিলে এই ট্যুরের আয়োজন করেছিল। মাসুদ আক্ষেপ করে বলেন, ফারিয়া বলেছিল সে তো একা কোথাও যেতে পারে না, সবাই মিলে একসঙ্গে গেলে সে সমুদ্র দেখতে পারবে। আমরা দুইবার ওকে কোলে করে এবং চেয়ারে বসিয়ে সমুদ্রের পাড়ে নিয়ে গেছি। ও পানির সাথে খেলা করেছে, ভীষণ আনন্দ পেয়েছে। আসার পথে চাঁদের গাড়িতে বসে সে বলেছিল, ‘আমি যদি এই সমুদ্রের পাড়ে সবসময় থাকতে পারতাম, খুব শান্তি লাগত।’ আজ সত্যিই সে চিরতরে সমুদ্রের পাড়েই রয়ে গেল। দুর্ঘটনার পর প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য শনিবার রাতে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। ঢামেকে আসার পর ইসমাইল রুহুল মাসুদ প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ আছেন এবং তার স্ত্রী মেহেরুন্নেসা মিনাকে বার্ন ইউনিটে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে।
স্ত্রীকে দোতলা থেকে ফেলে দিয়ে নিজেও লাফ, বেঁচে ফেরা মাসুদের বর্ণনা
শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২০২৯ সালের মধ্যে সেখানে সচিবালয়ের কার্যক্রম চালুর লক্ষ্য নিয়ে শিগগির নির্মাণকাজ শুরু করা হবে। রোববার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে পিআইডির সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, নতুন সচিবালয় কমপ্লেক্সে প্রায় ৩১ লাখ বর্গফুট আয়তনের ভবন নির্মাণ করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, পুরোনো বাণিজ্য মেলার এলাকায় তিনটি বেজমেন্টসহ ১৪টি ১২ তলা ভবন নির্মাণ করা হবে। সেখানে প্রায় ৩ হাজার ৮০০ গাড়ি রাখার ব্যবস্থা, একটি মসজিদ ও ক্যাফেটেরিয়া থাকবে। পাশাপাশি আশপাশের সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আন্ডারপাস ও ভূগর্ভস্থ সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, রাজধানীর জন্য প্রণীত আগের মহাপরিকল্পনায় যে এলাকায় সচিবালয়ের জন্য জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছিল, নতুন কমপ্লেক্সটি সেই এলাকাতেই গড়ে তোলা হবে। এ জন্য প্রায় ৩১ একর জমি ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, নতুন সচিবালয়ের নকশায় নান্দনিকতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। স্থানটির আগের পরিকল্পনার সঙ্গে নতুন উদ্যোগের কিছু মিল থাকলেও পুরো পরিকল্পনা এক নয়। তবে উভয়ের মধ্যে একটি যোগসূত্র রয়েছে।
শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত
পিএসসি থেকে সরে দাঁড়ালেন দুই সদস্য
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) দুই সদস্য ড. মো. মহিউদ্দিন ও অধ্যাপক এম সোহেল রহমান পদত্যাগ করেছেন। রাষ্ট্রপতির কাছে তাঁদের পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর আজ রোববার তা আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়েছে বলে জানা গেছে। পদত্যাগপত্রে দুই সদস্যই ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করেছেন। রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, রোববার (১৮ অক্টোবর) রাষ্ট্রপতি তাঁদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন। জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ড. মো. মহিউদ্দিন রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন এবং শনিবার (১৭ অক্টোবর) পদত্যাগপত্র জমা দেন আরেক সদস্য ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহেল রহমান। দুই সদস্যের বিদায়ের পর ২০ সদস্যের পিএসসিতে বর্তমান সদস্যসংখ্যা কমে ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এর আগে গত আগস্ট মাসে সংস্থাটির তৎকালীন চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেমও ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে দায়িত্ব ছেড়েছিলেন। নতুন করে দুই সদস্য সরে দাঁড়ানোর পর আরও কয়েকজন সদস্য পদত্যাগ করতে পারেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।
পিএসসি থেকে সরে দাঁড়ালেন দুই সদস্য
অমর একুশে বইমেলা শুরু ৭ জানুয়ারি
২০২৭ সালের অমর একুশে বইমেলা শুরু হবে আগামী ৭ জানুয়ারি। এটি চলবে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। রবিবার (১৮ অক্টোবর) বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৩ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলা একাডেমির শহিদ মুনীর চৌধুরী সভাকক্ষে অমর একুশে বইমেলা ২০২৭ আয়োজন বিষয়ে প্রকাশক-প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মত-বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান ও মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম। এতে আরও বলা হয়, সভায় প্রকাশক-প্রতিনিধিদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে আগামী ৭ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অমর একুশে বইমেলার সময় নির্ধারিত হয়।
অমর একুশে বইমেলা শুরু ৭ জানুয়ারি
আরও পড়ুন
ঢা‌বির ‘ইন্টারন্যাশনাল হল’ প্রশাসন‌কে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, থানায় জিডি 
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, তদন্তে যা জানা গেল
X