ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

নোয়াখালীর মানবতার যাত্রা এখন জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে

অনলাইন ডেস্ক

  ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১:৪৫ পিএম

মানবিক কর্মকাণ্ডের ১৪ বছরের পথচলায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে ড. মোস্তফা হাজেরা ফাউন্ডেশন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উচ্চপর্যায়ের সপ্তাহে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত ১১টি আন্তর্জাতিক আয়োজনে অংশ নিয়েছেন ফাউন্ডেশনটির প্রতিষ্ঠাতা ক্যাপ্টেন এ কে এম গোলাম কিবরিয়া (সিআইপি)।

বুলেটিন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন


২১ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিউইয়র্কে বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। এসব আয়োজনে রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী, কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ, মানবিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ক্যাপ্টেন কিবরিয়া।


এর মধ্যে ছিল দারিদ্র্য দূরীকরণ, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার, শিশুদের অধিকার, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, বৈশ্বিক শান্তি ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিয়ে আলোচনা। ‘Beyond 2030: Renewing the Global Commitment to End Poverty in All its Dimensions’ শীর্ষক আয়োজনে অংশ নেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, তিমুর-লেস্তের প্রেসিডেন্ট ও নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী হোসে রামোস-হোর্তা, কলম্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ও নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী হুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস এবং UN ESCAP-এর নির্বাহী সচিব আরমিডা সালসিয়াহ আলিসজাহবানা।


এ ছাড়া নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী লেইমাহ গোবোয়ে ও থেলমা একিওরের সঙ্গে আয়োজিত আলোচনা, বহুমাত্রিক দারিদ্র্য, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার, শিশুদের ভবিষ্যৎ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বৈশ্বিক শান্তি নিয়ে বিভিন্ন আয়োজনে অংশ নেন তিনি। গেটস ফাউন্ডেশন, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিসেফ ও UN ESCAP-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন ক্যাপ্টেন কিবরিয়া।


নিউইয়র্ক সফরে রোহিঙ্গা সংকটও গুরুত্ব পায়। ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার যৌথ আয়োজনে রোহিঙ্গাদের দীর্ঘস্থায়ী বাস্তুচ্যুতি, ন্যায়বিচার, জবাবদিহি এবং সংকটের টেকসই সমাধান নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা হয়।


ড. মোস্তফা হাজেরা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য এর আগে চিকিৎসা ও মানবিক সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের মতো দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রম নিয়েও কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।


নিউইয়র্ক সফরের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা ছিল জাতিসংঘের একটি পর্দায় ড. মোস্তফা হাজেরা ফাউন্ডেশনের লোগো প্রদর্শিত হওয়া। ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ক্যাপ্টেন কিবরিয়ার কাছে ঘটনাটি দীর্ঘদিনের মানবিক কর্মকাণ্ডকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

ক্যাপ্টেন কিবরিয়া বলেন, “বিশ্বের শুধু প্রযুক্তির প্রয়োজন নেই। প্রযুক্তিকে পরিচালনার জন্য প্রজ্ঞা, সহযোগিতা ও মানবিকতার প্রয়োজন।”


মানুষের নির্ভরশীলতার পরিবর্তে মর্যাদা, সুযোগ ও সক্ষমতাকে গুরুত্ব দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ক্যাপ্টেন কিবরিয়া ‘Human Equity Civilization’ ধারণার কথা তুলে ধরেছেন। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে ‘Five Zero Global Campaign’। এর পাঁচটি লক্ষ্য হলো শূন্য ভিক্ষাবৃত্তি, শূন্য নিরক্ষরতা, শূন্য গৃহহীনতা, চিকিৎসার অভাবে কোনো মৃত্যু না হওয়া এবং দক্ষতাহীনতা দূর করা।


ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের এই মানবিক কার্যক্রমের পরিধি বর্তমানে ১৫টি দেশে বিস্তৃত হয়েছে।


নিউইয়র্ক সফরে জাতিসংঘের ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়েও বিভিন্ন আলোচনায় অংশ নেন ক্যাপ্টেন কিবরিয়া। ১৯৪৫ সালের বাস্তবতায় প্রতিষ্ঠিত জাতিসংঘ বর্তমান বিশ্বের পরিবর্তিত রাজনৈতিক, মানবিক ও প্রযুক্তিগত বাস্তবতার সঙ্গে কীভাবে আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে, সে বিষয়েও আলোচনা হয়।


এ ছাড়া পরবর্তী জাতিসংঘ মহাসচিব নির্বাচন এবং নতুন মহাসচিব দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম ১০০ দিনের অগ্রাধিকার নিয়েও নীতিগত আলোচনায় অংশ নেন তিনি।


১৪ বছরের মানবিক কর্মকাণ্ডের পর জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বিভিন্ন আয়োজনে অংশ নেওয়া এবং জাতিসংঘের পর্দায় ড. মোস্তফা হাজেরা ফাউন্ডেশনের লোগো প্রদর্শিত হওয়ার ঘটনাকে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে মানবিক কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২০২৯ সালের মধ্যে সেখানে সচিবালয়ের কার্যক্রম চালুর লক্ষ্য নিয়ে শিগগির নির্মাণকাজ শুরু করা হবে। রোববার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে পিআইডির সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, নতুন সচিবালয় কমপ্লেক্সে প্রায় ৩১ লাখ বর্গফুট আয়তনের ভবন নির্মাণ করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, পুরোনো বাণিজ্য মেলার এলাকায় তিনটি বেজমেন্টসহ ১৪টি ১২ তলা ভবন নির্মাণ করা হবে। সেখানে প্রায় ৩ হাজার ৮০০ গাড়ি রাখার ব্যবস্থা, একটি মসজিদ ও ক্যাফেটেরিয়া থাকবে। পাশাপাশি আশপাশের সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আন্ডারপাস ও ভূগর্ভস্থ সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, রাজধানীর জন্য প্রণীত আগের মহাপরিকল্পনায় যে এলাকায় সচিবালয়ের জন্য জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছিল, নতুন কমপ্লেক্সটি সেই এলাকাতেই গড়ে তোলা হবে। এ জন্য প্রায় ৩১ একর জমি ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, নতুন সচিবালয়ের নকশায় নান্দনিকতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। স্থানটির আগের পরিকল্পনার সঙ্গে নতুন উদ্যোগের কিছু মিল থাকলেও পুরো পরিকল্পনা এক নয়। তবে উভয়ের মধ্যে একটি যোগসূত্র রয়েছে।
শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত
পিএসসি থেকে সরে দাঁড়ালেন দুই সদস্য
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) দুই সদস্য ড. মো. মহিউদ্দিন ও অধ্যাপক এম সোহেল রহমান পদত্যাগ করেছেন। রাষ্ট্রপতির কাছে তাঁদের পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর আজ রোববার তা আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়েছে বলে জানা গেছে। পদত্যাগপত্রে দুই সদস্যই ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করেছেন। রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, রোববার (১৮ অক্টোবর) রাষ্ট্রপতি তাঁদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন। জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ড. মো. মহিউদ্দিন রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন এবং শনিবার (১৭ অক্টোবর) পদত্যাগপত্র জমা দেন আরেক সদস্য ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহেল রহমান। দুই সদস্যের বিদায়ের পর ২০ সদস্যের পিএসসিতে বর্তমান সদস্যসংখ্যা কমে ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এর আগে গত আগস্ট মাসে সংস্থাটির তৎকালীন চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেমও ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে দায়িত্ব ছেড়েছিলেন। নতুন করে দুই সদস্য সরে দাঁড়ানোর পর আরও কয়েকজন সদস্য পদত্যাগ করতে পারেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।
পিএসসি থেকে সরে দাঁড়ালেন দুই সদস্য
অমর একুশে বইমেলা শুরু ৭ জানুয়ারি
২০২৭ সালের অমর একুশে বইমেলা শুরু হবে আগামী ৭ জানুয়ারি। এটি চলবে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। রবিবার (১৮ অক্টোবর) বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৩ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলা একাডেমির শহিদ মুনীর চৌধুরী সভাকক্ষে অমর একুশে বইমেলা ২০২৭ আয়োজন বিষয়ে প্রকাশক-প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মত-বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান ও মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম। এতে আরও বলা হয়, সভায় প্রকাশক-প্রতিনিধিদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে আগামী ৭ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অমর একুশে বইমেলার সময় নির্ধারিত হয়।
অমর একুশে বইমেলা শুরু ৭ জানুয়ারি
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি ১১৯৬
দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯২ জনে। একই সময়ে নিশ্চিত হামে মারা গেছেন আরও ১০৪ জন। সব মিলিয়ে চলতি বছরে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৯৬ জনে। রোববার (১৮ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর পাশাপাশি নিশ্চিত হামে মৃত্যুর ঘটনাও জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগ তৈরি করছে। চলতি বছরে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ১ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় সতর্কতা ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বুলেটিনে বলা হয়, শনিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে ৩ জন, সিলেট বিভাগে ২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১ জন এবং খুলনা বিভাগে ১ জন মারা গেছেন। এ সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ৩১৯ জন রোগী এসেছে। বিভাগভিত্তিক হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে ৫৩৮ জন, রাজশাহীতে ৩৭, সিলেটে ১২৩ , চট্টগ্রামে ২২১ জন, বরিশালে ২০৫, ময়মনসিংহে ৭৩, খুলনায় ৭৫, এবং রংপুরে ৪৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৮৯ হাজার ৪৮৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৮১ হাজার ৭৫৬ জন চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে সন্দেহজনক হামের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ২৪৪ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩ হাজার ১২২ জন।
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি ১১৯৬
ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ৮৮
দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ উদ্বেগজনকভাবে অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত ২ হাজার ৮৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪৮ জনে। এর মধ্যে শুধু অক্টোবরের প্রথম ১৭ দিনেই ১০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর চলতি বছরের মাসভিত্তিক হিসাবে সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ ১৪৮ জনের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া আগস্টে ৪৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন এবং মে মাসে একজন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বছরের শুরুতে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি—প্রতি মাসে দুজন করে ডেঙ্গুতে মারা যান। বুলেটিনে বলা হয়, শনিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২ হাজার ৮৮ জন ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৪০০ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ হাজার ৮২৭ জন। এ পর্যন্ত মোট ৯৮ হাজার ৮৯৯ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে ১ হাজার ৫৮ জন। এছাড়া চট্টগ্রামে ১৬১ জন, খুলনায় ২৯০ জন, বরিশালে ১৯৯ জন, রাজশাহীতে ২০০ জন, ময়মনসিংহে ৯৩ জন এবং রংপুরে ৭২ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরের প্রথম ১৭ দিনেই ডেঙ্গুতে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে গত ২৪ ঘণ্টায় দুই হাজারের বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ৮৮
আরও পড়ুন
ডেঙ্গু প্রতিরোধে চাটখিলে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় ২৫ কোটি গাছ লাগাবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
X