ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

দেশের সয়াবিন তেলে সিসা-নিকেল-কপার-আর্সেনিক

অনলাইন ডেস্ক

  ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২১:৫৬ পিএম

রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে পাওয়া সয়াবিন তেলে ক্ষতিকর মৌলের উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে এক গবেষণায়। ঢাকার চারটি পাইকারি বাজার থেকে সংগ্রহ করা ২১টি নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গেছে, ২০টি নমুনায় সিসার মাত্রা এবং সব নমুনায় আর্সেনিক ও তামার মাত্রা অনেক বেশি। এ ছাড়া ১৪টি নমুনায় নিকেলের মাত্রাও নির্ধারিত মানের বেশি পাওয়া গেছে।

বুলেটিন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

গত ৮ অক্টোবর জার্নাল অব ফুড কম্পোজিশন অ্যান্ড অ্যানালাইসিস সাময়িকীতে গবেষণাটি প্রকাশিত হয়। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এবং বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের গবেষকেরা যুক্ত ছিলেন।

গবেষণায় ঢাকার মোহাম্মদপুর, মিরপুর, নিউমার্কেট ও কারওয়ান বাজার থেকে সংগ্রহ করা ২১টি সয়াবিন তেলের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ছয়টি ছিল ব্র্যান্ডের প্যাকেটজাত তেল এবং ১৫টি ছিল খোলা তেল।

গবেষকেরা সিসা, ক্যাডমিয়াম, ক্রোমিয়াম, আর্সেনিক, পারদ, ম্যাঙ্গানিজ, নিকেল ও তামা এই আটটি মৌলের উপস্থিতি ও মাত্রা বিশ্লেষণ করেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, সয়াবিন তেলের একটি নমুনায় সিসার মাত্রা ভোজ্য তেলের জন্য সহনীয় মাত্রার চেয়ে ১৯ গুণ ও নিকেলের মাত্রা প্রায় ২৪ গুণ পর্যন্ত বেশি ছিল। পরীক্ষিত নমুনাগুলোতে সিসার পরিমাণ প্রতি কেজিতে ০.০৪৮ থেকে ১.৫২৯ মিলিগ্রাম পাওয়া যায়।

আর্সেনিকের মাত্রা প্রতি কেজিতে ০.১৫৫ থেকে ০.২৭৬ মিলিগ্রাম পাওয়া গেছে, যা গবেষণায় তুলনার জন্য ব্যবহৃত এফএও-ডব্লিউএইচওর সহনীয় মাত্রার চেয়ে ১.৫৫ থেকে ২.৭৬ গুণ বেশি। পরীক্ষিত ২১টি নমুনার সবগুলোতেই আর্সেনিকের মাত্রা ওই মান ছাড়িয়েছে।

নিকেলের মাত্রা প্রতি কেজিতে সর্বোচ্চ ২.৩৬৮ মিলিগ্রাম পাওয়া গেছে। যা সহনীয় মাত্রার ০.১ মিলিগ্রামের তুলনায় প্রায় ২৩.৬৮ গুণ বেশি। ২১টি নমুনার মধ্যে ১৪টিতে নিকেলের পরিমাণ ওই সীমা অতিক্রম করেছে।

এ ছাড়া, তামার মাত্রা প্রতি কেজিতে ০.১০৭ থেকে ০.৮০৬ মিলিগ্রাম পাওয়া গেছে, যা সহনীয় মাত্রা ০.১ মিলিগ্রামের চেয়ে ১.০৭ থেকে ৮.০৬ গুণ বেশি। অর্থাৎ, সব নমুনাতেই তামার মাত্রা সহনীয় মানের চেয়ে বেশি ছিল।

তবে ক্যাডমিয়ামের পরিমাণ প্রতি কেজিতে ০.০০৪ থেকে ০.০২৬ মিলিগ্রাম পাওয়া গেছে, যা সহনীয় মাত্রা ০.০৫ মিলিগ্রামের নিচে।

গবেষণায় আটটি মৌলের মধ্যে ক্রোমিয়ামের গড় ঘনত্ব ছিল সর্বোচ্চ প্রতি কেজিতে ২.৩৫৮ মিলিগ্রাম। নমুনাভেদে এর মাত্রা ছিল ১.১১০ থেকে ৫.৬৪৩ মিলিগ্রাম। তবে ভোজ্য তেলে ক্রোমিয়ামের জন্য নির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রক সীমা না থাকায় এই মাত্রাকে কোনো নির্ধারিত সীমা অতিক্রম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি।

সয়াবিন তেলে এসব মৌল কীভাবে এসেছে, তা এই গবেষণায় নিশ্চিত করা যায়নি। গবেষকদের মতে, সয়াবিনের উৎপাদন, মাটি ও সেচের পানি, তেল পরিশোধন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ, যন্ত্রপাতির সংস্পর্শ, সংরক্ষণ এবং প্যাকেজিংয়ের বিভিন্ন পর্যায়ে দূষণ ঘটতে পারে। তবে এসব সম্ভাব্য উৎস আলাদাভাবে পরীক্ষা না করায় নির্দিষ্ট কোনো উৎসকে দায়ী করা সম্ভব হয়নি।

গবেষকেরা উল্লেখ করেছেন, গবেষণায় নমুনা ছিল মাত্র ২১টি ও এগুলো ঢাকার চারটি পাইকারি বাজার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল। নমুনাগুলো সারা দেশের বাজারের প্রতিনিধিত্ব করে না। তাই এই ফলাফলের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সব সয়াবিন তেলের মান সম্পর্কে সিদ্ধান্ত দেওয়া যাবে না।

গবেষণায় প্যাকেটজাত ও খোলা তেলের মধ্যে দূষণের উৎস বা ঝুঁকির বিষয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো তথ্যও পাওয়া যায়নি। বিশেষ করে উৎপাদনকারী, উৎপাদনের চালান, কাঁচামালের উৎস ও পরিশোধনপ্রক্রিয়ার বিস্তারিত তথ্য সব নমুনার ক্ষেত্রে পাওয়া যায়নি।

গবেষকেরা প্যাকেটজাত ও খোলা উভয় ধরনের সয়াবিন তেলের নিয়মিত পরীক্ষা, খাদ্যনিরাপত্তা বিধির কার্যকর প্রয়োগ এবং উৎপাদন থেকে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত মান নিয়ন্ত্রণ জোরদারের সুপারিশ করেছেন। পাশাপাশি ক্রোমিয়ামের বিভিন্ন ধরন আলাদাভাবে পরীক্ষা করে এর সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও নির্ভুলভাবে নিরূপণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২০২৯ সালের মধ্যে সেখানে সচিবালয়ের কার্যক্রম চালুর লক্ষ্য নিয়ে শিগগির নির্মাণকাজ শুরু করা হবে। রোববার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে পিআইডির সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, নতুন সচিবালয় কমপ্লেক্সে প্রায় ৩১ লাখ বর্গফুট আয়তনের ভবন নির্মাণ করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, পুরোনো বাণিজ্য মেলার এলাকায় তিনটি বেজমেন্টসহ ১৪টি ১২ তলা ভবন নির্মাণ করা হবে। সেখানে প্রায় ৩ হাজার ৮০০ গাড়ি রাখার ব্যবস্থা, একটি মসজিদ ও ক্যাফেটেরিয়া থাকবে। পাশাপাশি আশপাশের সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আন্ডারপাস ও ভূগর্ভস্থ সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, রাজধানীর জন্য প্রণীত আগের মহাপরিকল্পনায় যে এলাকায় সচিবালয়ের জন্য জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছিল, নতুন কমপ্লেক্সটি সেই এলাকাতেই গড়ে তোলা হবে। এ জন্য প্রায় ৩১ একর জমি ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, নতুন সচিবালয়ের নকশায় নান্দনিকতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। স্থানটির আগের পরিকল্পনার সঙ্গে নতুন উদ্যোগের কিছু মিল থাকলেও পুরো পরিকল্পনা এক নয়। তবে উভয়ের মধ্যে একটি যোগসূত্র রয়েছে।
শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত
পিএসসি থেকে সরে দাঁড়ালেন দুই সদস্য
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) দুই সদস্য ড. মো. মহিউদ্দিন ও অধ্যাপক এম সোহেল রহমান পদত্যাগ করেছেন। রাষ্ট্রপতির কাছে তাঁদের পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর আজ রোববার তা আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়েছে বলে জানা গেছে। পদত্যাগপত্রে দুই সদস্যই ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করেছেন। রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, রোববার (১৮ অক্টোবর) রাষ্ট্রপতি তাঁদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন। জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ড. মো. মহিউদ্দিন রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন এবং শনিবার (১৭ অক্টোবর) পদত্যাগপত্র জমা দেন আরেক সদস্য ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহেল রহমান। দুই সদস্যের বিদায়ের পর ২০ সদস্যের পিএসসিতে বর্তমান সদস্যসংখ্যা কমে ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এর আগে গত আগস্ট মাসে সংস্থাটির তৎকালীন চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেমও ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে দায়িত্ব ছেড়েছিলেন। নতুন করে দুই সদস্য সরে দাঁড়ানোর পর আরও কয়েকজন সদস্য পদত্যাগ করতে পারেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।
পিএসসি থেকে সরে দাঁড়ালেন দুই সদস্য
অমর একুশে বইমেলা শুরু ৭ জানুয়ারি
২০২৭ সালের অমর একুশে বইমেলা শুরু হবে আগামী ৭ জানুয়ারি। এটি চলবে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। রবিবার (১৮ অক্টোবর) বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৩ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলা একাডেমির শহিদ মুনীর চৌধুরী সভাকক্ষে অমর একুশে বইমেলা ২০২৭ আয়োজন বিষয়ে প্রকাশক-প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মত-বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান ও মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম। এতে আরও বলা হয়, সভায় প্রকাশক-প্রতিনিধিদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে আগামী ৭ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অমর একুশে বইমেলার সময় নির্ধারিত হয়।
অমর একুশে বইমেলা শুরু ৭ জানুয়ারি
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি ১১৯৬
দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯২ জনে। একই সময়ে নিশ্চিত হামে মারা গেছেন আরও ১০৪ জন। সব মিলিয়ে চলতি বছরে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৯৬ জনে। রোববার (১৮ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর পাশাপাশি নিশ্চিত হামে মৃত্যুর ঘটনাও জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগ তৈরি করছে। চলতি বছরে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ১ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় সতর্কতা ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বুলেটিনে বলা হয়, শনিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে ৩ জন, সিলেট বিভাগে ২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১ জন এবং খুলনা বিভাগে ১ জন মারা গেছেন। এ সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ৩১৯ জন রোগী এসেছে। বিভাগভিত্তিক হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে ৫৩৮ জন, রাজশাহীতে ৩৭, সিলেটে ১২৩ , চট্টগ্রামে ২২১ জন, বরিশালে ২০৫, ময়মনসিংহে ৭৩, খুলনায় ৭৫, এবং রংপুরে ৪৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৮৯ হাজার ৪৮৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৮১ হাজার ৭৫৬ জন চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে সন্দেহজনক হামের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ২৪৪ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩ হাজার ১২২ জন।
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি ১১৯৬
ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ৮৮
দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ উদ্বেগজনকভাবে অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত ২ হাজার ৮৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪৮ জনে। এর মধ্যে শুধু অক্টোবরের প্রথম ১৭ দিনেই ১০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর চলতি বছরের মাসভিত্তিক হিসাবে সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ ১৪৮ জনের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া আগস্টে ৪৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন এবং মে মাসে একজন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বছরের শুরুতে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি—প্রতি মাসে দুজন করে ডেঙ্গুতে মারা যান। বুলেটিনে বলা হয়, শনিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২ হাজার ৮৮ জন ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৪০০ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ হাজার ৮২৭ জন। এ পর্যন্ত মোট ৯৮ হাজার ৮৯৯ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে ১ হাজার ৫৮ জন। এছাড়া চট্টগ্রামে ১৬১ জন, খুলনায় ২৯০ জন, বরিশালে ১৯৯ জন, রাজশাহীতে ২০০ জন, ময়মনসিংহে ৯৩ জন এবং রংপুরে ৭২ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরের প্রথম ১৭ দিনেই ডেঙ্গুতে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে গত ২৪ ঘণ্টায় দুই হাজারের বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ৮৮
X