ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

জেনোয়া যেন একখণ্ড শরীয়তপুর, কলম্বাসের জন্মশহরে নড়িয়ার মানুষের বিস্তার

জেনোয়া থেকে হাসান মোল্লা

  ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০:২৭ পিএম
কলম্বাসের জন্মশহর জেনোয়ায় শরীয়তপুরের নড়িয়ার মানুষের ব্যস্ততা

ইতালির ঐতিহাসিক বন্দরনগরী জেনোয়া। প্রচলিত ঐতিহাসিক মত অনুযায়ী, এই শহরেই জন্মেছিলেন বিশ্ব ইতিহাসের আলোচিত নাবিক ক্রিস্টোফার কলম্বাস। সমুদ্রপথে নতুন ভূখণ্ডের সন্ধানে যাত্রা করা সেই শহর আজও ইউরোপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী। তবে জেনোয়ার আরেকটি পরিচয় তৈরি হয়েছে গত কয়েক দশকে— এখানে গড়ে উঠেছে বাংলাদেশিদের একটি দৃশ্যমান জনপদ।

বুলেটিন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

শহরের কিছু এলাকায় হাঁটলে মনে হতে পারে, ইতালির কোনো শহরে নয়—বাংলাদেশের শরীয়তপুরের কোনো জনপদে হাঁটছেন। দোকান, রেস্টুরেন্ট, কর্মক্ষেত্র কিংবা পরিচিত মুখ— সবখানেই পাওয়া যায় বাংলাদেশিদের উপস্থিতি। আর এই উপস্থিতির বড় একটি অংশ এসেছে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলা ও আশপাশের এলাকা থেকে।

জেনোয়ায় বাংলাদেশিদের অভিবাসনের এই বিস্তারের পেছনে রয়েছে একেকটি পরিবারের দীর্ঘ সংগ্রাম, পরস্পরকে সহযোগিতা এবং প্রবাসে নিজেদের জন্য তৈরি করা নেটওয়ার্ক। এর একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ নড়িয়ার ঘড়িসার ইউনিয়নের পূর্ব নন্দন শাহ গ্রামের ঢালী পরিবার।

শুরুটা ১৯৮২ সালে

১৯৮২ সালে ইতালিতে পাড়ি জমান লুৎফর রহমান ঢালী। রোম দিয়ে শুরু হয় তার ইতালি-জীবন। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, ইতালিতে নিজের অবস্থান তৈরি করার পর তিনি আত্মীয়স্বজন ও গ্রামের মানুষের জন্যও পথ তৈরি করতে শুরু করেন।

কেউ কীভাবে ইতালিতে আসবেন, কোথায় থাকবেন, কীভাবে কাজ খুঁজবেন—এসব ক্ষেত্রে তিনি পরিচিতদের সহযোগিতা করতেন। ধীরে ধীরে একটি ব্যক্তিগত যোগাযোগব্যবস্থা তৈরি হয়। ২০১০ সালে লুৎফর রহমান মারা গেলেও তার তৈরি করা সেই নেটওয়ার্ক থেমে যায়নি। বরং পরবর্তী সময়ে সেটি আরও বিস্তৃত হয়েছে।

তার ভাই ফজলুর রহমান ঢালীও প্রায় ২৯ বছর ইতালিতে ছিলেন। পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিনি নিজের পরিবারের বাইরে নড়িয়ার গ্রামের প্রায় অর্ধশত মানুষকে ইতালিতে আসতে সহযোগিতা করেন। তাদের অনেকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করেন তিনি।

একজনের অভিবাসন থেকে শুরু হওয়া যাত্রা এভাবেই ধীরে ধীরে রূপ নেয় একটি সামাজিক নেটওয়ার্কে।

চার ভাইয়ের ১৯ রেস্টুরেন্ট

লুৎফর রহমান ও ফজলুর রহমানের পর ঢালী পরিবারের পরবর্তী প্রজন্ম এখন জেনোয়ায় ব্যবসায় নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছে।

ফজলুর রহমান ঢালীর চার ছেলে—সুজন, সবুজ, সজিব ও রাজিব ঢালী। পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, চার ভাই বর্তমানে জেনোয়ায় ১৯টি রেস্টুরেন্ট পরিচালনা করছেন। এর পাশাপাশি রয়েছে হোটেল ব্যবসাও।

এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় ২০০ বাংলাদেশির কর্মসংস্থান হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

সুজন ঢালী বলেন, “চাচা একটা পথ তৈরি করে দিয়েছিলেন। পরে সেই পথ ধরে অনেক মানুষ এসেছে। এখন আমাদের প্রজন্ম ব্যবসা-বাণিজ্যে এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি অন্য বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করছে।”

ব্যবসার পরিধি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের সুযোগও বেড়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। রেস্টুরেন্টগুলোতে রান্না, পরিবেশন, ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য কাজে বাংলাদেশিরা যুক্ত রয়েছেন।

জেনোয়ায় প্রায় ১০০ ঢালী

পরিবারের সদস্যদের দাবি, বর্তমানে জেনোয়ায় ঢালী পরিবারের প্রায় ১০০ সদস্য বসবাস করছেন। তাদের কেউ ব্যবসা করছেন, কেউ চাকরি করছেন, আবার কেউ রেস্টুরেন্ট, হোটেল ও বিভিন্ন সেবা খাতে যুক্ত।

একটি পরিবারের এত বড়সংখ্যক সদস্যের একই শহরে বসবাসের পেছনে রয়েছে কয়েক দশকের অভিবাসনপ্রবাহ।

প্রথম প্রজন্ম ইতালিতে এসে যে পথ তৈরি করেছে, পরবর্তী প্রজন্ম সেই পথ ধরে এসেছে। এরপর আত্মীয়তা, পরিচিতি ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে আরও মানুষ যুক্ত হয়েছে।

অভিবাসন গবেষকদের কাছে এটি ‘চেইন মাইগ্রেশন’-এর একটি স্থানীয় উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে—একজন বা কয়েকজনের মাধ্যমে বিদেশে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হলে পরবর্তী সময়ে আত্মীয় ও পরিচিতদের একটি অংশ একই পথে পাড়ি জমায়।

নড়িয়া থেকে ইতালির বিভিন্ন শহরে

ঢালী পরিবারের গল্প অবশ্য জেনোয়ায় শরীয়তপুরের মানুষের বৃহত্তর উপস্থিতির একটি অংশমাত্র।

সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নড়িয়া ও আশপাশের এলাকার বহু মানুষ এখন জেনোয়া ছাড়াও রোম, মিলানসহ ইতালির বিভিন্ন শহরে বসবাস করছেন।

সুজন ঢালীর দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, বৃহত্তর নড়িয়া ও আশপাশের এলাকার প্রায় সহস্রাধিক মানুষ ইতালির বিভিন্ন শহরে বসবাস করছেন।

তবে এই সংখ্যার কোনো পূর্ণাঙ্গ সরকারি পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি। ফলে সংখ্যাটি সংশ্লিষ্টদের দেওয়া আনুমানিক হিসাব হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

প্রবাসের আয় বদলেছে গ্রামের চিত্র

ইতালিতে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের অনেকেই শুধু নিজেদের জীবনযাত্রার পরিবর্তন করেননি; দেশে থাকা পরিবারের আর্থিক অবস্থাতেও পরিবর্তন এনেছেন।

জেনোয়ায় বসবাসরত নড়িয়ার কয়েকজন বাংলাদেশি জানান, প্রবাসী আয়ের অর্থে দেশে বাড়ি নির্মাণ, জমি কেনা, সন্তানদের লেখাপড়া, ব্যবসা ও অন্যান্য খাতে বিনিয়োগ করেছেন অনেকে।

ফলে একজনের বিদেশযাত্রার সুফল অনেক সময় একটি পরিবারের গণ্ডি পেরিয়ে স্থানীয় অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলেছে।

ঢালী পরিবারের সংশ্লিষ্টদের দাবি, ইতালিতে তাদের বিভিন্ন ব্যবসা ও আয়ের উৎস মিলিয়ে বছরে আনুমানিক ১২ লাখ ইউরোর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড রয়েছে। তবে এর কতটা বাংলাদেশে পাঠানো হয় কিংবা দেশে কী পরিমাণ বিনিয়োগ করা হয়, তার নির্ভরযোগ্য ও স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো হিসাব পাওয়া যায়নি।

কলম্বাসের শহরে বাংলাদেশের গল্প

জেনোয়া শুধু ইতালির একটি শহর নয়; ইউরোপের সামুদ্রিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়ও এই শহরের সঙ্গে যুক্ত। প্রচলিত ঐতিহাসিক মত অনুযায়ী, ক্রিস্টোফার কলম্বাসের জন্ম এই শহরে। সমুদ্রপথে অজানার সন্ধানে যাত্রা করা কলম্বাসের শহরেই কয়েক শতাব্দী পর বাংলাদেশের মানুষও জীবনের নতুন সম্ভাবনার সন্ধানে এসে নিজেদের জায়গা তৈরি করেছেন।

তাদের যাত্রার উদ্দেশ্য অবশ্য ছিল ভিন্ন— কেউ এসেছেন জীবিকার সন্ধানে, কেউ পরিবারের ভবিষ্যৎ বদলাতে, কেউবা ব্যবসার সুযোগ তৈরি করতে।

কিন্তু কয়েক দশকের ব্যবধানে সেই ব্যক্তিগত অভিবাসন এখন অনেকের জন্য সামাজিক ও অর্থনৈতিক নেটওয়ার্কে পরিণত হয়েছে।

১৯৮২ সালে লুৎফর রহমান ঢালীর ইতালিযাত্রা ছিল এক ব্যক্তির গল্প। এরপর ভাই ফজলুর রহমান, তারপর তাদের সন্তান ও আত্মীয়স্বজন—এভাবে চার দশকে তা একটি বড় পারিবারিক পরিসরে বিস্তৃত হয়েছে।

একজনের হাত ধরে শুরু হওয়া পথ এখন অন্যদের কর্মসংস্থানের পথও তৈরি করছে।

একজন থেকে শতজন, পরিবার থেকে অঞ্চল— কলম্বাসের ঐতিহাসিক জেনোয়ায় শরীয়তপুরের নড়িয়ার মানুষের এই বিস্তার যেন প্রবাসে বাংলাদেশের আরেকটি ছোট্ট ঠিকানা।

ঢাকায় বৃষ্টি ঝরবে কিনা, জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর
রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ আজ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। একইসঙ্গে আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে এসময়ে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হবে কি না, তা নিয়ে কোনো পূর্বাভাস দেওয়া হয়নি। রোববার (১৮ অক্টোবর) সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ আজ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। একই সঙ্গে আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। এছাড়া উত্তর-উত্তর পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যেতে পারে। এদিকে, আজ সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৭৫ শতাংশ। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৫টা ৩০ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটে।
ঢাকায় বৃষ্টি ঝরবে কিনা, জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর
স্বজন, সুহৃদ ও বন্ধুদের মিলনমেলা গ্রামের বাড়ি এবং সি শেল পার্ক অ্যান্ড রিসোর্টে
শেকড়ের টানে গ্রামে ফেরা, প্রিয়জনদের সঙ্গে স্মৃতিময় সময় কাটানো আর প্রকৃতির সান্নিধ্যে এক আনন্দঘন দিন স্বজনের টান, সুহৃদের ভালোবাসা আর বন্ধুদের আন্তরিকতা যখন এক সুতোয় গাঁথা হয়, তখন সাধারণ একটি দিনও হয়ে ওঠে অসাধারণ। ব্যস্ত জীবনের নানা ব্যস্ততা, কাজের চাপ আর নাগরিক কোলাহল পেছনে ফেলে একসঙ্গে কিছু সময় কাটানোর আনন্দই আলাদা। সেই আনন্দকে সঙ্গী করে স্বজন, সুহৃদ ও বন্ধুদের নিয়ে ১৬ অক্টোবর আয়োজন করা হয়েছিল এক আনন্দময় পারিবারিক ভ্রমণ। রূপগঞ্জের ‘গ্রামের বাড়ি পার্কে’ গ্রামীণ পরিবেশে কিছুটা সময় কাটানো, পার্কে ঘুরে বেড়ানো, সি শেল পার্ক অ্যান্ড রিসোর্টে আনন্দঘন মুহূর্ত উপভোগ করা এবং সবশেষে পূর্বচলের নীল মার্কেটে হাঁসের মাংস দিয়ে ভূড়িভোজের মধ্য দিয়ে দিনটি হয়ে ওঠে স্মরণীয়। শেকড়ের টানে গ্রামের বাড়ি পার্ক ভ্রমণের শুরুতেই ছিল ‘গ্রামের বাড়ি পার্কে’ যাওয়ার আনন্দ। শহরের ব্যস্ততা থেকে দূরে গ্রামের পথে পা রাখতেই যেন বদলে যায় চারপাশের চেনা দৃশ্যপট। গ্রামের নির্মল পরিবেশ, সবুজ প্রকৃতি, পরিচিত পথঘাট আর শৈশবের স্মৃতিমাখা আবহ মনকে নিয়ে যায় অন্য এক জগতে। গ্রামের বাড়ি পার্ক মানেই শুধু একটি ঠিকানা নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে শেকড়ের টান, পারিবারিক ঐতিহ্য, প্রিয়জনদের স্মৃতি এবং হৃদয়ের গভীরে জমে থাকা অসংখ্য অনুভূতি। স্বজন, সুহৃদ ও বন্ধুদের একসঙ্গে গ্রামের বাড়িতে যাওয়া যেন সেই আবেগকে আরও গভীর করে তোলে। একদিকে পারিবারিক বন্ধনের উষ্ণতা, অন্যদিকে পুরোনো স্মৃতির হাতছানি। গল্প, হাসি আর খুনসুটিতে সময় কাটতে থাকে আপন ছন্দে। কেউ স্মৃতির ঝাঁপি খুলে বসেন, কেউ পুরোনো দিনের কথা মনে করিয়ে দেন, আবার কেউ বন্ধুদের সঙ্গে ভাগ করে নেন জীবনের নানা অভিজ্ঞতা। গ্রামের বাড়ি পার্কে এমন একসঙ্গে সময় কাটানোর সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হলো আপনজনদের আরও কাছ থেকে অনুভব করা। সম্পর্কের ব্যস্ততা ও দূরত্বের মাঝে যে আন্তরিকতার জায়গাটি কখনো কখনো আড়ালে পড়ে যায়, এমন আয়োজন তাকে আবারও উজ্জ্বল করে তোলে। পার্কে ঘোরাঘুরি, আনন্দ আর আড্ডা গ্রামের বাড়ি পার্কে ভ্রমণের আনন্দ আরও বাড়িয়ে দেয় পার্কে ঘুরে বেড়ানো, পরিচিত গণ্ডির বাইরে খোলা পরিবেশে সবার সঙ্গে সময় কাটানো, একসঙ্গে হাঁটাহাঁটি করা, ছবি তোলা আর হাসি-আড্ডায় মেতে ওঠার মধ্য দিয়ে তৈরি হয় আনন্দের নতুন উপলক্ষ। এ ধরনের ভ্রমণে গন্তব্য যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে সঙ্গীদের উপস্থিতি। একই দৃশ্য কারও কাছে প্রকৃতির সৌন্দর্য, কারও কাছে ছবি তোলার উপলক্ষ, আবার কারও কাছে বন্ধুদের সঙ্গে কিছু নির্ভার সময় কাটানোর সুযোগ। সবার ভাবনা ও অনুভূতি মিলেমিশে ভ্রমণকে করে তোলে প্রাণবন্ত। কর্মব্যস্ত জীবনে মানুষ অনেক সময় কাছের মানুষদের সঙ্গে মন খুলে কথা বলার সুযোগ পায় না। পার্কের মতো উন্মুক্ত পরিবেশে সেই সুযোগ তৈরি হয় সহজেই। দৈনন্দিন জীবনের হিসাব-নিকাশ ভুলে সবাই যখন একসঙ্গে আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন বয়সের ব্যবধান কিছুক্ষণের জন্য হারিয়ে যায়। সি শেল পার্ক অ্যান্ড রিসোর্টে আনন্দময় সময় ভ্রমণের অন্যতম আকর্ষণ ছিল সি শেল পার্ক অ্যান্ড রিসোর্টে যাওয়া। দুটি স্থানে ঘুরে দিনের আনন্দকে আরও বিস্তৃত করতে এই গন্তব্য যোগ করে নতুন মাত্রা। স্বজন, সুহৃদ ও বন্ধুদের সঙ্গে এমন একটি অবকাশযাপনের স্থানে সময় কাটানোর মধ্যে রয়েছে আলাদা রোমাঞ্চ। পরিচিত মানুষদের সঙ্গে নতুন পরিবেশে ঘোরাঘুরি, গল্প করা এবং একসঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলোকে স্মৃতিতে ধরে রাখার সুযোগ তৈরি হয়। রিসোর্টে পৌঁছানোর পর ভ্রমণসঙ্গীদের মধ্যে আনন্দের আমেজ আরও ছড়িয়ে পড়ে। কেউ চারপাশের পরিবেশ উপভোগ করেন, কেউ সঙ্গীদের সঙ্গে গল্পে মেতে ওঠে, আবার কেউ স্মরণীয় মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দি করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। একসঙ্গে ছবি তোলা, হাসিমুখে স্মৃতি ধরে রাখা এবং পরস্পরের সঙ্গে সময় ভাগ করে নেওয়ার মধ্য দিয়ে ভ্রমণটি হয়ে ওঠে আরও প্রাণবন্ত। এখানে আসার মূল আনন্দ কেবল একটি বিনোদনকেন্দ্র ঘুরে দেখা নয়; বরং প্রিয় মানুষদের সঙ্গে একই সময়ে, একই জায়গায় উপস্থিত থাকার আনন্দ। দিনের নানা মুহূর্তে তৈরি হওয়া হাসি, গল্প আর আনন্দের স্মৃতিই পরে হয়ে ওঠে একসঙ্গে কাটানো সময়ের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। সম্পর্কের বন্ধন আরও দৃঢ় করার আয়োজন স্বজন, সুহৃদ ও বন্ধুদের এই ভ্রমণ কেবল বেড়ানোর আয়োজন ছিল না; এর মধ্যে ছিল সম্পর্ককে নতুন করে অনুভব করার সুযোগ। আত্মীয়তার বন্ধন মানুষকে শেকড়ের সঙ্গে যুক্ত রাখে, সুহৃদদের আন্তরিকতা কঠিন সময়ে সাহস জোগায়, আর বন্ধুত্ব জীবনের একঘেয়েমির মধ্যে এনে দেয় আনন্দ ও প্রাণচাঞ্চল্য। একটি সফল পারিবারিক মিলনমেলার সৌন্দর্য এখানেই যে, সেখানে সবাই নিজের মতো করে আনন্দ খুঁজে নিতে পারেন। কেউ গল্পে, কেউ আড্ডায়, কেউ প্রকৃতির সান্নিধ্যে, আবার কেউ প্রিয়জনদের সঙ্গে ছবি তোলার মধ্যে খুঁজে পান সুখের মুহূর্ত। কিন্তু সবার আনন্দের কেন্দ্রবিন্দু একটাই একসঙ্গে থাকা। এই ভ্রমণ আরও একবার মনে করিয়ে দিয়েছে, সম্পর্ককে বাঁচিয়ে রাখতে বড় আয়োজনের প্রয়োজন নেই; প্রয়োজন আন্তরিকতা, সময় দেওয়া এবং একে অন্যের পাশে থাকার মানসিকতা।  স্মৃতির পাতায় থেকে যাবে আনন্দময় দিনটি গ্রামের বাড়ি পার্কের  মায়া, পার্কে ঘোরাঘুরি আর সি শেল পার্ক অ্যান্ড রিসোর্টে কাটানো সময়— সব মিলিয়ে স্বজন, সুহৃদ ও বন্ধুদের এই ভ্রমণ হয়ে উঠেছে আনন্দ ও স্মৃতির এক সুন্দর সময়। এরপর চলে নীলা মার্কেটে হাঁসের মাংস আর রুটি খাওয়ার পালা। ছোট ছোট বাচ্চাদের দেয়া হয় উপহার সামগ্রী এবং র‌্যাফেল ড্রতে উপহার পান হাবিব, লিয়ন ও মাসুদ। দিনের শেষে সবাই ফিরে গেছে নিজ নিজ কর্মব্যস্ত জীবনে, কিন্তু সঙ্গে নিয়ে গেছে একসঙ্গে কাটানো সময়ের অমূল্য স্মৃতি। ছবি হয়তো মুহূর্তগুলোকে ধরে রাখবে, কিন্তু সেই মুহূর্তের হাসি, আন্তরিকতা আর ভালোবাসার অনুভূতি থেকে যাবে হৃদয়ের গভীর থেকে গভীরে। ভবিষ্যতে যখন আবারও ব্যস্ততা বাড়বে, তখন এই ভ্রমণের স্মৃতিই হয়তো মনে করিয়ে দেবে—জীবনের প্রকৃত আনন্দ শুধু সাফল্য কিংবা প্রাপ্তিতে নয় বরং প্রিয় মানুষদের সঙ্গে সময় ভাগ করে নেওয়ার মধ্যেই নিহিত। স্বজন, সুহৃদ ও বন্ধুদের এই মিলনমেলা তাই একটি দিনের ভ্রমণেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি সম্পর্কের প্রতি ভালোবাসা, শেকড়ের প্রতি টান এবং একসঙ্গে পথচলার অঙ্গীকারের প্রতীক। এমন আয়োজন বারবার ফিরে আসুক, নতুন আনন্দের উপলক্ষ তৈরি করুক এবং সবার হৃদয়ে ভালোবাসার বন্ধন আরও গভীর করুক। তিনবারে ভোজনে প্রিয় খাবারের মেনুতে ছিল খিচুড়ি, চা, ফ্রাইড রাইস, কোমল পানীয়, হাঁসের মাংস ও রুটি, পানি ইত্যাদি। সুইমিং পুলে সাঁতার কাটা সে এক অন্যরকম আনন্দ। এ মিলনমেলায় অংশগ্রহণ করে জ্যোতিষ সমাদ্দার বাবু, শামীম হোসেন, কবির আহাম্মদ, ওয়াহিদ মুরাদ অপু, লিয়াকত হোসেন সুমন, হাবিবুর রহমান, মাসুদ আলম, জসিম মজুমদার, ইমরান হোসেন টিপু, রিদওয়ান আক্রাম, রাজিব , মোহাম্মদ মামুনুর রশীদ লিয়ন, অলিদুল রহমান ওলি, আবদুল মোতালেব পলাশ, আমিনুল ইসলাম, বারি দেওয়ান হৃদয়, আব্দুল্লাহ আল মামুন, রেজাউল কবির রাজিব. সায়কা বানু, রেজওয়ানা হোসেন বর্ণা, টিপু সুলতান দিপু, মনসুর আহমেদ এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা। সকাল ৭টায় ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু হয় এবং এর সফল সমাপ্তি ঘটে রাত ৯টায় সবার নিজ নিজ ঘরে ফেরার মধ্য দিয়ে।
স্বজন, সুহৃদ ও বন্ধুদের মিলনমেলা গ্রামের বাড়ি এবং সি শেল পার্ক অ্যান্ড রিসোর্টে
সব অভিমান ভুলে প্রাক্তনকে ক্ষমা করার দিন আজ
ভালোবাসার সম্পর্ক ভেঙে গেলে পড়ে থাকে কিছু মধুর স্মৃতি, অপূর্ণতা, অভিমান আর না বলা অভিযোগ। কেউ সহজেই অতীত ভুলে নতুন করে জীবন শুরু করতে পারেন, আবার কারও মনে বিচ্ছেদের ক্ষত দীর্ঘদিন দাগ কেটে থাকে। সেই পুরোনো কষ্ট ও তিক্ততা পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা নিয়ে আজ ১৭ অক্টোবর পালিত হচ্ছে ‘ফরগিভ অ্যান এক্স ডে’ বা প্রাক্তনকে ক্ষমা করার দিন। আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) প্রাক্তনকে ক্ষমা করার দিন। প্রতি বছর ১৭ অক্টোবর পালিত হয় এই দিবস। আজকের এই দিনে সারা বিশ্বে পালিত হয় এ বিচিত্র দিবসটি। এর মূল ভাবনা হলো, অতীতের সম্পর্ক ঘিরে জমে থাকা রাগ, ক্ষোভ ও অভিমান থেকে নিজেকে মুক্ত করার চেষ্টা করা। তবে প্রাক্তনকে ক্ষমা করার অর্থ তার কাছে ফিরে যাওয়া নয়; বরং নিজের মানসিক শান্তির জন্য অতীতকে মেনে নেওয়া এবং নতুনভাবে পথচলার সাহস খুঁজে নেওয়া। ২০১৮ সালে ‘ইন্টারন্যাশনাল ফরগিভ অ্যান এক্স ডে’ পালনের প্রচলন শুরু হয়। তবে ঠিক কে এই দিবসের সূচনা করেছিলেন, কোথায় প্রথম উদযাপন হয়েছিল কিংবা কেন ১৭ অক্টোবর তারিখটি বেছে নেওয়া হয়েছিল, সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায় না। যদিও এ দিবসের আনুষ্ঠানিক কোনো স্বীকৃতি নেই। এটি জাতিসংঘের স্বীকৃত কোনো আন্তর্জাতিক দিবস নয়। বরং ইন্টারনেটভিত্তিক বিশেষ দিবসগুলোর মধ্যে একটি, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন ক্যালেন্ডারের মাধ্যমে পরিচিতি পেয়েছে। ফলে দিবসটির নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠাতা বা সূচনাসংক্রান্ত তথ্য নিশ্চিতভাবে উল্লেখ করা কঠিন। কেন প্রাক্তনকে ক্ষমা করার কথা বলা হয়? একটি সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পেছনে থাকতে পারে বিশ্বাসভঙ্গ, ভুল বোঝাবুঝি, মতের অমিল কিংবা জীবনের লক্ষ্য আলাদা হয়ে যাওয়া। বিচ্ছেদের পর অনেকেই পুরোনো ঘটনা বারবার মনে করেন। কখনো মনে জমে থাকে না বলা কথা, কখনো বা উত্তর না পাওয়া প্রশ্ন। এসব স্মৃতি ও ক্ষোভ দীর্ঘদিন বয়ে বেড়ালে তা ব্যক্তির মানসিক স্বস্তি এবং নতুন সম্পর্কের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। প্রাক্তনকে ক্ষমা করার দিনটি সেই অনুভূতিগুলো নিয়ে নতুন করে ভাবার সুযোগ তৈরি করে। অতীতের অভিজ্ঞতাকে অস্বীকার না করে তা মেনে নেওয়া এবং ধীরে ধীরে কষ্ট থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করাই এর অন্যতম উদ্দেশ্য। ক্ষমা করার অর্থ অন্যায়কে সমর্থন করা নয়; বরং সেই অন্যায়ের স্মৃতি যেন বর্তমান জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, সেই চেষ্টা। তবে ক্ষমা করার সিদ্ধান্ত একান্তই ব্যক্তিগত। কেউ দ্রুত অতীতকে মেনে নিতে পারেন, আবার কারও প্রয়োজন হয় দীর্ঘ সময়। কাউকে জোর করে ক্ষমা করতে বলা কিংবা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব কষ্ট ভুলে যাওয়ার প্রত্যাশা করা এই দিবসের মূল ভাবনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সাধারণত দু‘জনের মধ্যে যখন সম্পর্ক গড়ে ওঠে শুরুতে সেই সম্পর্ক আবেগে ভরপুর থাকে। হয়তো কিছুদিন বা দীর্ঘদিন পর সেই সম্পর্কে ফাটল ধরে। এটা অনেক স্বাভাবিকভাবে নিতে পারেন না। পুরোনো স্মৃতিগুলো বার বার তাকে আঘাত করে। এই ভাঙনের ব্যথা অনেকেরে ক্ষেত্রে খুবই দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। তাই প্রাক্তনকে ক্ষমা করা অন্তত তাদের জন্য সহজ কাজ নয়। কিন্তু, ক্ষমা একটি মহৎ গুণ। তাই সবকিছু ভুলে গিয়ে তাকে ক্ষমা করে দেওয়ার মতো মহান কাজ আর দ্বিতীয়টি হতে পারে না। 
মশিউর অর্ণব
এবার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে রাশিয়ায়
রাশিয়ার কামচাতকা উপদ্বীপে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল রাশিয়ার সুদূর পূর্বাঞ্চলের ভিলিউচিনস্ক শহর থেকে প্রায় ১২৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং এর গভীরতা ছিল ১৪০ কিলোমিটার। স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা ৩৫ মিনিটের দিকে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ভূমিকম্পের পর কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সুনামি ওয়ার্নিং সেন্টার জানিয়েছে, এই কম্পনের ফলে কোনো ঝুঁকি নেই। ভূমিকম্পের প্রভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। বিএনও নিউজের তথ্য অনুযায়ী, জাপানের আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) ভুলবশত ৯.৯ মাত্রার ভূমিকম্পের একটি আগাম সতর্কতা জারি করেছিল। এতে জাপানের বড় একটি অংশে তীব্র কম্পনের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, অথচ তাদের নিজস্ব পরিমাপে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৬.৯। যদি এই সতর্কতা সঠিক হতো, তবে এটি হতো এ পর্যন্ত রেকর্ড করা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প। কামচাতকা উপদ্বীপটি ‘রিং অব ফায়ার’ নামক একটি টেকটোনিক বলয়ের ওপর অবস্থিত, যা প্রশান্ত মহাসাগরের অধিকাংশ এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এবং এটি ভূমিকম্পপ্রবণ একটি অঞ্চল। গত বছরের জুলাই মাসে এই অঞ্চলের উপকূলে ৮.৮ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার ফলে সৃষ্ট সুনামিতে একটি উপকূলীয় গ্রামের কিছু অংশ সমুদ্রে তলিয়ে যায়। সূত্র: এনডিটিভি
এবার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে রাশিয়ায়
জানা গেল ঢাকাসহ সারাদেশে কবে থেকে নামবে শীত
নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ নাগাদ রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের আমেজ শুরু হতে পারে। ডিসেম্বরের শেষভাগ থেকে শীতের তীব্রতা বাড়তে পারে, যা জানুয়ারি মাসজুড়ে অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এমনকি ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত শীতের অনুভূতি থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের (বিএমডি) কর্মকর্তা এ কে এম নাজমুল হক জানান, গত চার-পাঁচ বছরের আবহাওয়ার ধরন বিশ্লেষণ করে ধারণা করা হচ্ছে, এবার ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত শীতের প্রভাব থাকতে পারে। এ সময় রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রা ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে। তিনি বলেন, নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে দেশের অধিকাংশ এলাকায় শীতের আমেজ অনুভূত হতে পারে। তবে দেশের উত্তর-পূর্ব ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই শীতের আগমন ঘটতে পারে। ডিসেম্বর থেকে শীতের প্রকোপ বাড়বে এবং জানুয়ারি মাসে শীতের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি থাকতে পারে।    আবহাওয়াবিদদের মতে, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ের পর থেকে দিনের তাপমাত্রা আবারও বাড়তে শুরু করতে পারে। তবে এর আগে পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঠান্ডা আবহাওয়া বিরাজ করার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁওসহ কয়েকটি জেলায় ইতিমধ্যে শীতের হালকা আমেজ অনুভূত হচ্ছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে, মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় উত্তর দিক থেকে বাতাস বইতে শুরু করলেও ঘনবসতি ও নগরায়ণের কারণে শীতের অনুভূতি স্পষ্ট হতে নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
মশিউর অর্ণব
আরও পড়ুন
ঝাড়ফুঁকের আড়ালে অসুস্থ কিশোরীকে ধ'র্ষণ মাদ্রাসার অধ্যক্ষের
পাহাড়-পর্বতে ট্যুরিস্টের ভালোলাগার গল্প
ইতালির স্কুলে বোরকা নিষিদ্ধ, বিদেশি শিক্ষার্থীদের নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত
পদ্মায় নৌভ্রমণে গিয়ে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের পিলারে ধাক্কা, নিখোঁজ ছাত্রদল নেতা রকি
X