ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

‘গডজিলা’ এল নিনো, বাংলাদেশে ৬০০ মৃত্যুর আশঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক

  ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:৩৭ পিএম
আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২:১৯ পিএম
সংগৃহীত ছবি

শক্তিশালী ‘সুপার এল নিনো’ বা ‘গডজিলা এল নিনো’র প্রভাবে আগামী ছয় মাসে বিশ্বজুড়ে তীব্র গরম বাড়তে পারে। এর ফলে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অতিরিক্ত তাপজনিত কারণে বিশ্বে সাড়ে ৪ লাখের বেশি মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। বাংলাদেশেও একই সময়ে ৬০০-এর বেশি অতিরিক্ত তাপজনিত মৃত্যুর পূর্বাভাস দিয়েছে একটি জলবায়ু গবেষণা মডেল।

বুলেটিন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

Climate Impact Lab-এর আঞ্চলিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এল নিনো-সম্পর্কিত অতিরিক্ত তাপের কারণে বাংলাদেশে ওই ছয় মাসে প্রায় ৬০০ জনের বেশি মানুষের অতিরিক্ত মৃত্যু হতে পারে। এর মধ্যে খুলনা অঞ্চলে একাই প্রায় ৩১০ জনের মৃত্যুর মডেলভিত্তিক পূর্বাভাস রয়েছে। বরিশাল ও চট্টগ্রামও তাপজনিত অতিরিক্ত মৃত্যুর ঝুঁকিতে থাকা অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে।

তবে এই সংখ্যা কোনো পর্যবেক্ষিত মৃত্যুর হিসাব নয়। এটি একটি মডেলভিত্তিক পূর্বাভাস, যেখানে স্বাভাবিক পরিস্থিতির তুলনায় এল নিনোর সময় প্রত্যাশিত অতিরিক্ত তাপমাত্রার সঙ্গে সম্পর্কিত মৃত্যুঝুঁকি হিসাব করা হয়েছে।

বিশ্বজুড়ে সাড়ে ৪ লাখের বেশি মৃত্যুর আশঙ্কা
Climate Impact Lab-এর হিসাব অনুযায়ী, চলমান শক্তিশালী এল নিনোর সময় বিশ্বজুড়ে অতিরিক্ত তাপের কারণে প্রায় ৪ লাখ ৫১ হাজার মানুষের মৃত্যু হতে পারে।

আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলে তাপজনিত মৃত্যুর ঝুঁকি বিশেষভাবে বেশি বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই অঞ্চলে অতিরিক্ত প্রায় ৬৬ হাজার ৮০০ মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর মধ্যে নাইজেরিয়ায় প্রায় ৩১ হাজার ৪০০, সুদানে ১৭ হাজার ৫০০, নাইজারে ১০ হাজার এবং চাদে প্রায় ৮ হাজার অতিরিক্ত মৃত্যুর পূর্বাভাস রয়েছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ায় মিলিয়ে প্রায় ১৯ হাজার ৪০০ অতিরিক্ত মৃত্যুর আশঙ্কা করা হয়েছে। ইন্দোনেশিয়ায় প্রায় ১৯ হাজার ৩০০, ভারতে ১৫ হাজার ৮০০ এবং ব্রাজিলে প্রায় ১৩ হাজার ৩০০ অতিরিক্ত মৃত্যুর পূর্বাভাস রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রেও এ সময় তাপজনিত অতিরিক্ত মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৩ হাজার হতে পারে।

এল নিনো কেন উদ্বেগের কারণ
এল নিনো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ুগত ঘটনা। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে গেলে এর প্রভাব বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের ওপর পড়ে।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (WMO) পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এল নিনোর প্রভাব বজায় থাকার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি। ২০২৬ সালের শেষ দিকে এটি আরও শক্তিশালী পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস রয়েছে।

এল নিনোর প্রভাবে কোথাও তীব্র গরম ও খরা বাড়তে পারে, আবার অন্য কোথাও অতিবৃষ্টি ও বন্যার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এর ফলে কৃষি, পানি সরবরাহ ও খাদ্য নিরাপত্তার ওপরও চাপ তৈরি হতে পারে।

ঝুঁকিতে কারা
চরম তাপমাত্রার সময় বাইরে কাজ করা শ্রমিক, বয়স্ক মানুষ এবং যাদের শীতল পরিবেশ বা পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবার সুযোগ সীমিত—তারা তুলনামূলক বেশি ঝুঁকিতে থাকতে পারেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আগাম তাপমাত্রার পূর্বাভাস, পর্যাপ্ত শীতলীকরণ ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা সক্ষমতা বাড়ানো এবং বাইরে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করলে অতিরিক্ত তাপের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো সম্ভব।

তবে তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য শুধু এল নিনোকেই দায়ী করা যায় না। মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই আগের তুলনায় অনেক বেশি। ফলে প্রাকৃতিক এল নিনো এমন একটি উষ্ণ পৃথিবীতে ঘটছে, যেখানে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকি আগেই বেড়েছে।

গবেষকদের মতে, ভবিষ্যতে পৃথিবীর উষ্ণতা আরও বাড়তে থাকলে এ ধরনের তীব্র তাপমাত্রার ঘটনা আরও ঘন ঘন দেখা যেতে পারে।

ঢাকায় বৃষ্টি ঝরবে কিনা, জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর
রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ আজ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। একইসঙ্গে আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে এসময়ে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হবে কি না, তা নিয়ে কোনো পূর্বাভাস দেওয়া হয়নি। রোববার (১৮ অক্টোবর) সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ আজ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। একই সঙ্গে আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। এছাড়া উত্তর-উত্তর পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যেতে পারে। এদিকে, আজ সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৭৫ শতাংশ। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৫টা ৩০ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটে।
ঢাকায় বৃষ্টি ঝরবে কিনা, জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর
এবার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে রাশিয়ায়
রাশিয়ার কামচাতকা উপদ্বীপে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল রাশিয়ার সুদূর পূর্বাঞ্চলের ভিলিউচিনস্ক শহর থেকে প্রায় ১২৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং এর গভীরতা ছিল ১৪০ কিলোমিটার। স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা ৩৫ মিনিটের দিকে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ভূমিকম্পের পর কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সুনামি ওয়ার্নিং সেন্টার জানিয়েছে, এই কম্পনের ফলে কোনো ঝুঁকি নেই। ভূমিকম্পের প্রভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। বিএনও নিউজের তথ্য অনুযায়ী, জাপানের আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) ভুলবশত ৯.৯ মাত্রার ভূমিকম্পের একটি আগাম সতর্কতা জারি করেছিল। এতে জাপানের বড় একটি অংশে তীব্র কম্পনের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, অথচ তাদের নিজস্ব পরিমাপে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৬.৯। যদি এই সতর্কতা সঠিক হতো, তবে এটি হতো এ পর্যন্ত রেকর্ড করা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প। কামচাতকা উপদ্বীপটি ‘রিং অব ফায়ার’ নামক একটি টেকটোনিক বলয়ের ওপর অবস্থিত, যা প্রশান্ত মহাসাগরের অধিকাংশ এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এবং এটি ভূমিকম্পপ্রবণ একটি অঞ্চল। গত বছরের জুলাই মাসে এই অঞ্চলের উপকূলে ৮.৮ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার ফলে সৃষ্ট সুনামিতে একটি উপকূলীয় গ্রামের কিছু অংশ সমুদ্রে তলিয়ে যায়। সূত্র: এনডিটিভি
এবার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে রাশিয়ায়
জানা গেল ঢাকাসহ সারাদেশে কবে থেকে নামবে শীত
নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ নাগাদ রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের আমেজ শুরু হতে পারে। ডিসেম্বরের শেষভাগ থেকে শীতের তীব্রতা বাড়তে পারে, যা জানুয়ারি মাসজুড়ে অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এমনকি ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত শীতের অনুভূতি থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের (বিএমডি) কর্মকর্তা এ কে এম নাজমুল হক জানান, গত চার-পাঁচ বছরের আবহাওয়ার ধরন বিশ্লেষণ করে ধারণা করা হচ্ছে, এবার ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত শীতের প্রভাব থাকতে পারে। এ সময় রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রা ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে। তিনি বলেন, নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে দেশের অধিকাংশ এলাকায় শীতের আমেজ অনুভূত হতে পারে। তবে দেশের উত্তর-পূর্ব ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই শীতের আগমন ঘটতে পারে। ডিসেম্বর থেকে শীতের প্রকোপ বাড়বে এবং জানুয়ারি মাসে শীতের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি থাকতে পারে।    আবহাওয়াবিদদের মতে, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ের পর থেকে দিনের তাপমাত্রা আবারও বাড়তে শুরু করতে পারে। তবে এর আগে পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঠান্ডা আবহাওয়া বিরাজ করার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁওসহ কয়েকটি জেলায় ইতিমধ্যে শীতের হালকা আমেজ অনুভূত হচ্ছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে, মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় উত্তর দিক থেকে বাতাস বইতে শুরু করলেও ঘনবসতি ও নগরায়ণের কারণে শীতের অনুভূতি স্পষ্ট হতে নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
মশিউর অর্ণব
দেশে শীত নামবে কবে, যা জানাল আবহাওয়া অফিস
বাংলা পঞ্জিকায় এখন চলছে আশ্বীন মাস। সাধারণত পৌষ আর মাঘ মাস জুড়ে শীতের তীব্রতা দেখা দিলেও এরইমধ্যে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁওসহ উত্তরের কয়েকটি জেলায় শীতের আগমনী হাওয়া বইছে। সেইসঙ্গে ঢাকায়ও উত্তর দিক থেকে বাতাস বইতে শুরু করেছে, যা আবহাওয়া শীতল হওয়ার পূর্বাভাস দিচ্ছে। তবে শীতের পুরেপুরি আমেজ শুরু হতে এখনো এক মাসেরও বেশি সময় বাকি। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের (বিএমডি) আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানিয়েছেন, নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে ঢাকাসহ দেশের বেশিরভাগ এলাকায় শীতের আমেজ শুরু হয়ে যেতে পারে।    গত চার-পাঁচ বছরের আবহাওয়ার ধরন বিশ্লেষণ করে তিনি জানান, এবার ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত শীতের প্রভাব থাকতে পারে। এ সময় রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রা ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এই আবহাওয়াবিদ বলেন, দেশের উত্তর-পূর্ব ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই শীতের আগমন ঘটতে পারে। তবে ওই মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে দেশের অধিকাংশ এলাকায় শীতের আমেজ অনুভূত হতে পারে।  ডিসেম্বর থেকে শীতের প্রকোপ বাড়বে এবং জানুয়ারি মাসে শীতের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি থাকতে পারে।    আর ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ের পর থেকে দিনের তাপমাত্রা আবারও বাড়ার কথা জানান নাজমুল হক। গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে, মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় উত্তর দিক থেকে বাতাস বইতে শুরু করলেও ঘনবসতি ও নগরায়ণের কারণে শীতের অনুভূতি স্পষ্ট হতে নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
দেশে শীত নামবে কবে, যা জানাল আবহাওয়া অফিস
ঢাকার বাতাস আজ ‘অস্বাস্থ্যকর’, দূষণের শীর্ষে লাহোর
বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় আজ ঢাকা অবস্থান ৯ নম্বরে। বায়ুমান সূচকে ঢাকার স্কোর ১৫৮, যা ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান নির্ধারণ সংস্থা আইকিউএয়ারের সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে। বায়ুদূষণে এদিন বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় শীর্ষ স্থানে আছে পাকিস্তানের লাহোর, স্কোর ২০১। যা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত। ১৯৪ স্কোর নিয়ে যথাক্রমে তালিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুরের সিঙ্গাপুর সিটি ও ভারতের রাজধানী শহর দিল্লি। একটি শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, তার লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক জানিয়ে থাকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ার। প্রতিষ্ঠানটির মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়। আর বায়ুর মান ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয়। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে বায়ু ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়।
ঢাকার বাতাস আজ ‘অস্বাস্থ্যকর’, দূষণের শীর্ষে লাহোর
X