ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

ডিএসসিসির সকল ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের

নিজস্ব প্রতিবেদক

  ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১৭:৩৮ পিএম
ডিএসসিসির সকল ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের

প্রতি শনিবার 'ক্লিনিং ডে' উপলক্ষে আয়োজিত ডিএসসিসির ৭৫টি ওয়ার্ডে বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি নাগরিকদের সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

বুলেটিন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

তিনি বলেন, “সপ্তাহে অন্তত এক দিন নিজ নিজ বাড়ি, আঙিনা ও আশপাশ পরিষ্কার রাখলে এবং প্রতিটি ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হলে ঢাকা শহর অপরিচ্ছন্ন থাকবে না।”

আজ শনিবার সকালে রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে আয়োজিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে শিক্ষক ও অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন ডিএসসিসির সকল ওয়ার্ডে একযোগে 'ক্লিনিং ডে' পালন করা হয়।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, “সরকারের নির্দেশনায় নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি প্রতি শনিবার বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হচ্ছে। ঘোষিত তিন মাসের কর্মসূচি নিরলস ও সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে নগরের রাস্তাঘাট ও বাড়ির আঙিনা পরিচ্ছন্ন থাকবে এবং ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগবালাইয়ের ঝুঁকি কমে আসবে।”

তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের কর্মীরা নিয়মিত পরিচ্ছন্নতার কাজ করবেন, তবে এ কর্মসূচি সফল করতে জনগণকেও এগিয়ে আসতে হবে। এ জন্য স্কুল, কলেজ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্কাউট, রোভার স্কাউট, গার্লস গাইড ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, “প্রতিদিন বৃষ্টি হচ্ছে এবং বৃষ্টির পর বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকে। তিন দিনের বেশি কোথাও পানি জমতে দেওয়া যাবে না। কোথাও ব্যক্তিগতভাবে জমে থাকা পানি অপসারণ সম্ভব না হলে সিটি কর্পোরেশনকে জানাতে হবে; কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে তা অপসারণ করা হবে।”

পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেন, গণমাধ্যমে এ কর্মসূচি প্রচারিত হওয়ায় জনগণের মধ্যে ইতোমধ্যে সচেতনতা তৈরি হয়েছে। জনগণের পূর্ণাঙ্গ সচেতনতা অর্জিত হলে এ কর্মসূচি সম্পূর্ণ সফল হবে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মাহবুবুর রহমান তালুকদার, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহানে ফেরদৌস বিনতে রহমানসহ কর্পোরেশনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

স্বামীবাগে বস্র বিতরণ অনুষ্ঠান:
স্বামীবাগ শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রম্মচারী আশ্রম ও মন্দিরে বস্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএসসিসি'র প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেন, “ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনীতি বা ব্যবসা নয়, বরং মানুষ হিসেবে সবাইকে সমানভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার—এই নীতিতে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ কিংবা খ্রিস্টান—ধর্মীয় পরিচয় যা-ই হোক, এ দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও মর্যাদা সমান।”

তিনি বলেন, সব ধর্মেই মানবিকতা, নৈতিকতা ও ভালো কাজের শিক্ষা রয়েছে। শুধু ধর্মীয় বাণী উচ্চারণ করলেই হবে না, সেগুলো ব্যক্তিজীবনে চর্চা করতে হবে। সমাজ থেকে অনৈতিকতা, মাদক ও অসহিষ্ণুতা দূর করতে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার বিকল্প নেই। ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে।

হিন্দু সম্প্রদায়ের কল্যাণে সরকারের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি মন্দির ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং নাগরিকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এম এ মতিনের উদ্যোগে ওয়াসার কার্যক্রম / বাড্ডার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের গুদারাঘাটে নতুন পানির পাম্প স্থাপনের কাজ শুরু
রাজধানীর বাড্ডার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের গুদারাঘাট এলাকায় দীর্ঘদিনের পানি সংকট নিরসনে নতুন পানির পাম্প স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। বাড্ডা থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ মতিনের উদ্যোগে এবং ঢাকা ওয়াসার তত্ত্বাবধানে রোববার সকালে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।  পাম্প স্থাপনের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন এম এ মতিন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা ওয়াসার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সহকারী প্রকৌশলী মো. মোস্তফা এবং উপসহকারী প্রকৌশলী মো. আ. মতিন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাড্ডার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের গুদারাঘাটের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে তীব্র পানি সংকটে ভুগছিলেন বাসিন্দারা। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় এলাকার পুরোনো পাম্পটি অকেজো হয়ে পড়ে। এতে প্রয়োজনীয় পানি সংগ্রহ করতে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল স্থানীয় পরিবারগুলোকে। এ পরিস্থিতিতে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে নতুন পানির পাম্প স্থাপনের জন্য ঢাকা ওয়াসার কাছে আবেদন জানান এম এ মতিন। পরে ওয়াসা কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে পরিস্থিতি পরিদর্শন করে নতুন পাম্প স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। এর ধারাবাহিকতায় গতকাল পাম্প স্থাপনের কাজ শুরু হয়। নতুন পাম্পটির স্থাপনকাজ শেষ করে চালু করা হলে গুদারাঘাট ও আশপাশের কয়েক হাজার পরিবারের পানি সংকট নিরসনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। দীর্ঘদিনের পানি সংকট থেকে মুক্তি পেতে নতুন পাম্পটি দ্রুত চালুর অপেক্ষায় রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।  
বাড্ডার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের গুদারাঘাটে নতুন পানির পাম্প স্থাপনের কাজ শুরু
অভিবাসনবিষয়ক মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৪ সাংবাদিক
বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি (বিএনডব্লিউএলএ) কর্তৃক আয়োজিত অভিবাসন বিষয়ক "মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড- ২০২৬" প্রদান করা হয়েছে। সিমস-২ (SIMS-II) প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন গণমাধ্যমের ২৫ জন সাংবাদিকের প্রতিবেদন বিবেচনায় নিয়ে ৩ সদস্যের একটি জুরিবোর্ডের মূল্যায়নের ভিত্তিতে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। রোববার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেল  আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। বিএনডব্লিউএলএর সভাপতি সিমা জাহুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংগঠনের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর আশরাফুল হক, প্রতিবেদন বাছাই করা জুরি বোর্ডের সদস্য ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব কাজী আবুল কালাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাইফুল আলম চৌধুরী, বিএমইটি'র পরিচালক মোঃ নাজমুল ইসলাম সরকার, সিমস (SIMS) এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক রাফাতুর রহমান রুবা, প্রকল্প সমন্বয়ক সাজ্জিদ আহমেদ, বিএনডব্লিউএল'র সদস্য অ্যাডভোকেট ফেরদৌস নিগার, ডিবিএলএ প্রতিনিধি রিফাত আরা সুলতানা (সিনিয়র সিভিল জজ), চ্যানেল আইয়ের প্রধান বার্তা সম্পাদক মাসরুজ্জামান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এবারে এডওয়ার্ড পেলেন চ্যানেল আইয়ের নিজস্ব প্রতিবেদক রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ, সমকালের জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক মো. শাহেরীন আরাফাত, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের মাছুম কামাল, ঢাকা স্ট্রিমের নিজস্ব প্রতিবেদক তৌফিক হাসান। অভিবাসী কর্মীদের অধিকার সুরক্ষা, প্রতারণা প্রতিরোধ এবং ন্যায়বিচার পাওয়ার পথে বাধাগুলো তুলে ধরতে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার গুরুত্ব বিবেচনায় সিমস-২ (SIMS-II) প্রকল্পের আওতায় বিএনডব্লিউএলএ- এ পুরস্কারের আয়োজন করে ।
অভিবাসনবিষয়ক মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৪ সাংবাদিক
গাড়ি, কৃষি প্রযুক্তি ও মেরিটাইম প্রদর্শনীতে মুখর আইসিসিবি
রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) একই সময়ে চলছে তিনটি ভিন্ন খাতের প্রদর্শনী। নতুন ও ব্যবহৃত গাড়ি কেনাবেচা থেকে শুরু করে কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং জাহাজ নির্মাণ ও সামুদ্রিক শিল্পের আধুনিক প্রযুক্তি সব মিলিয়ে প্রদর্শনীগুলো ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যস্ত পরিবেশ। ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, ক্রেতা ও শিক্ষার্থীদের পদচারণে মুখর হয়ে উঠেছে প্রদর্শনীস্থল। এসব আয়োজনের মাধ্যমে পণ্য ও প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার পাশাপাশি ব্যবসায়িক যোগাযোগ, নতুন অংশীদারত্ব এবং বিনিয়োগের সম্ভাবনা খুঁজছেন সংশ্লিষ্টরা। আইসিসিবিতে প্রতি শুক্রবার আয়োজিত ‘সুপার সেল কার বাজার’ গতকাল ষষ্ঠ সপ্তাহে পা রেখেছে। নতুন গাড়ির পাশাপাশি রিকন্ডিশন্ড ও ব্যবহৃত গাড়ির সম্ভার দেখতে এবং পছন্দের গাড়ির দাম ও সুযোগ-সুবিধা যাচাই করতে ক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। উইজার্ড শোবিজ ও আইসিসিবির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই বাজার প্রতিদিন নয়, প্রতি শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলে। প্রবেশপথ পেরোতেই চোখে পড়ে সারিবদ্ধ নানা মডেলের গাড়ি। একদিকে নতুন গাড়ি, অন্যদিকে রিকন্ডিশন্ড গাড়ি; পাশাপাশি রয়েছে ব্যক্তিগত ব্যবহারের পুরোনো গাড়ি। বাজারে আসা ক্রেতাদের কেউ গাড়ির মডেল, দাম ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিক্রেতাদের কাছ থেকে তথ্য নিচ্ছেন, আবার কেউ একাধিক গাড়ির সুযোগ-সুবিধা মিলিয়ে দেখছেন। ক্রেতা টানতে বিভিন্ন অফারও দিচ্ছেন বিক্রেতারা। প্রদর্শিত গাড়ির মধ্যে জাপানি ও চীনা ব্র্যান্ডের বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি) ছিল উল্লেখযোগ্য। আইসিসিবির ব্র্যান্ড অ্যান্ড মার্কেটিং ম্যানেজার মেহেদী হাসান মোল্লা জানান, গত কয়েক সপ্তাহের আয়োজন থেকে তাঁরা ভালো সাড়া পেয়েছেন। গতকাল বাজারে প্রায় ৩৫০টি গাড়ি এসেছে। আগের সপ্তাহগুলোর তুলনায় এবার ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতি ও আগ্রহ বেশি ছিল বলেও জানান তিনি। কৃষি উৎপাদন থেকে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণ—পুরো ব্যবস্থার আধুনিক প্রযুক্তি তুলে ধরা হচ্ছে ‘ফার্ম টু ফুড বাংলাদেশ ২০২৬’ প্রদর্শনীতে। আইসিসিবির গুলনকশা ও নবরাত্রি হলে তিন দিনব্যাপী এ আয়োজনের গতকাল ছিল দ্বিতীয় দিন। দিনজুড়ে বিভিন্ন স্টলে দর্শনার্থীদের আনাগোনা দেখা গেছে। প্রদর্শনীতে কৃষি ও খাদ্যশিল্পের যন্ত্রপাতি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তি, প্যাকেজিং সরঞ্জাম, মাংস ও দুগ্ধজাত পণ্য প্রক্রিয়াকরণের যন্ত্র, পশুখাদ্য, সার, কৃষি উপকরণ এবং খাদ্য সংরক্ষণের আধুনিক ব্যবস্থা স্থান পেয়েছে। বিভিন্ন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদেরও স্টল ঘুরে প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি সম্পর্কে খোঁজ নিতে দেখা যায়। আয়োজকদের মতে, কৃষি ও খাদ্যশিল্পে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করা, প্রক্রিয়াকরণ ও প্যাকেজিং খাতের উন্নয়ন এবং কোল্ড চেইন ব্যবস্থার সম্প্রসারণ এই প্রদর্শনীর অন্যতম লক্ষ্য। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রযুক্তি বিনিময়, ব্যবসায়িক যোগাযোগ এবং নতুন অংশীদারত্ব গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছে আর্ন প্রিমিয়াম অ্যাডিটিভ, ট্র্যাড গ্লোবাল লিমিটেড, হুনান নগিউ মেশিনারি গ্রুপ লিমিটেড, ঝিয়াং শেংকুন কিচেনওয়্যার কোম্পানি লিমিটেড, জিয়াং জিউলিন টেকনোলজি কোম্পানি লিমিটেড, এসিআই অ্যানিমেল হেলথ, এসিআই ফার্টিলাইজার, এসিআই অ্যাগ্রো বিজনেস, মেওয়া টেক সলিউশন, ফুডটেক বাংলাদেশ, ফিশটেক বিডি লিমিটেড ও থার্মো কেয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। জাহাজ নির্মাণ, মেরামত ও সামুদ্রিক শিল্পের প্রযুক্তি দেখতে আইসিসিবিতে ভিড় করছেন সংশ্লিষ্ট খাতের পেশাজীবী, ব্যবসায়ী ও দর্শনার্থীরা। পুষ্পগুচ্ছ ও নবরাত্রি হলে চলছে মেরিটাইম ও অফশোর শিল্পের আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ‘৮ম বিমক্স ২০২৬’। গতকাল ছিল তিন দিনব্যাপী এ আয়োজনের দ্বিতীয় দিন। আজ শনিবার প্রদর্শনীর শেষ দিন। সেভর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ, নেদারল্যান্ডসসহ সাতটি দেশের ২০০টির বেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। বিভিন্ন স্টলে জাহাজ নির্মাণ ও মেরামতের যন্ত্রপাতি, নেভিগেশন ও যোগাযোগব্যবস্থা, মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সরঞ্জাম এবং অফশোর শিল্পের আধুনিক প্রযুক্তি প্রদর্শন করা হচ্ছে। আয়োজকদের ভাষ্য, দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণের ফলে মেরিটাইম খাতের নতুন প্রযুক্তি ও সরঞ্জাম সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ব্যবসায়িক যোগাযোগ, প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার পথও প্রসারিত হচ্ছে। প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ওশিয়ান ইলেকট্রনিক লিমিটেড, গোল্ডেন মেরিটাইম টেকনোলজি, টিএসআই মেরিটাইম, শ্রী বাংলা বোল্ড বিল্ডার্স, অফশোর ও মেরিন ইঞ্জিনিয়ার লিমিটেড, খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড, গ্রুপ নটিকা, এসিআই মেরিন অ্যান্ড রিভারাইন টেকনোলজি লিমিটেড, শিপডাইন লিমিটেড ও মেরিন হাউসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। তিন প্রদর্শনীর বিষয়বস্তু আলাদা হলেও ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও আধুনিক প্রযুক্তি পরিচিতির ক্ষেত্রে একটি অভিন্ন ক্ষেত্র তৈরি করেছে আইসিসিবির এই আয়োজনগুলো। গাড়ি, কৃষি-খাদ্য এবং মেরিটাইম শিল্পের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এখানে নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী পণ্য ও প্রযুক্তি দেখার পাশাপাশি সম্ভাব্য ব্যবসায়িক সহযোগিতার সুযোগও খুঁজছেন।##
গাড়ি, কৃষি প্রযুক্তি ও মেরিটাইম প্রদর্শনীতে মুখর আইসিসিবি
চালকদের দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা ও বিনামূল্যে চশমা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন
জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে চালকদের জন্য বিশেষ দৃষ্টি পরীক্ষা ও বিনামূল্যে চশমা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।  আজ রোববার বাংলাদেশ সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের মিনি কনফারেন্স রুমে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং ভিশনস্প্রিং বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি।  বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপি এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক।  এ সময় ভিশনস্প্রিং বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিশা মাহজাবিন উপস্থিত ছিলেন।  কর্মসূচির আওতায় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সহ ৩৯টি মন্ত্রণালয়ের প্রায় ৩০০ জন চালকের দৃষ্টি পরীক্ষা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।  জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচি মোট পাঁচ দিনব্যাপী চলবে। ১৮-১৯ অক্টোবর এবং ২৫-২৭ অক্টোবর পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ে এ কর্মসূচির আওতায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও কার্যালয়ের চালকদের দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা করা হবে এবং পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রয়োজন অনুযায়ী বিনামূল্যে চশমা প্রদান করা হবে। কর্মসূচিটি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে ভিশনস্প্রিং বাংলাদেশ। সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে চালকদের সুস্পষ্ট দৃষ্টিশক্তির গুরুত্ব তুলে ধরা এবং চালক ও যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে সহায়তা করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। দৃষ্টিশক্তির সমস্যার কারণে সড়কে সম্ভাব্য ঝুঁকি কমানো এবং চালকদের স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধিতেও এ কর্মসূচি ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।  সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চালকদের শারীরিক সক্ষমতা ও সুস্থতার পাশাপাশি দৃষ্টিশক্তির প্রতি যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে চালকদের দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চশমা সরবরাহের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় সড়কে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হবে। 
চালকদের দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা ও বিনামূল্যে চশমা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন
ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের সঙ্গে সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের বৈঠক
ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স (ভারপ্রাপ্ত) মি. ফিলিপ অং-এর একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।  আজ রবিবার ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিবেশ, প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে মি. ফিলিপ অং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব কর্তৃপক্ষকে (পিপিপি কর্তৃপক্ষ) একীভূত করে ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ গঠনের উদ্যোগের প্রশংসা করেন।  তিনি বলেন, এ ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের জন্য আরও সমন্বিত, দ্রুত ও কার্যকর সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক একীভূতকরণ ও সমন্বয়ের এ উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারিত হতে পারে এবং পর্যায়ক্রমে আরও প্রতিষ্ঠানকে এর সঙ্গে যুক্ত করার সুযোগ রয়েছে। তিনি জানান, বিনিয়োগকারীদের জন্য কার্যকর লজিস্টিকস সহায়তা নিশ্চিত করা, বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে বিনিয়োগ উৎসাহিত করা, বেসরকারিকরণ কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া, ডিজিটালাইজেশন ত্বরান্বিত করা এবং শিল্পের বিকাশে সহায়ক পরিবেশ তৈরি করা এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। বৈঠকে বাংলাদেশের অবকাঠামো ও লজিস্টিকস খাতে সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। এ সময় সিঙ্গাপুরের বৈশ্বিক বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান পিএসএ ইন্টারন্যাশনালের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতার প্রসঙ্গ তুলে ধরে বাংলাদেশের টার্মিনাল উন্নয়ন ও পরিচালনায় সম্পৃক্ত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। মি. ফিলিপ অং বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করার এবং দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে তিনি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধির জন্য নীতিগত ধারাবাহিকতা, স্বচ্ছতা এবং পূর্বানুমানযোগ্য ব্যবসায়িক পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বৈঠকে বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে বিনিয়োগ, অবকাঠামো, লজিস্টিকস এবং শিল্প উন্নয়ন খাতে সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের সঙ্গে সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের বৈঠক
আরও পড়ুন
ক্ষমতার চেয়ে মানুষের পরিবর্তন ও অর্থনৈতিক সচ্ছলতা মুখ্য: ডিএসসিসি প্রশাসক
সাবেক কমিশনার মো. নাজির হোসেনের মৃত্যুতে ডিএসসিসি প্রশাসকের শোক
বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে নাগরিক বান্ধব করতে এসটিএসের সৌন্দর্যবর্ধন করলো ডিএসসিসি
​উচ্ছেদকৃত মাদকের আড্ডায় ১ মাসের মধ্যে হবে খেলার মাঠ: ডিএসসিসি প্রশাসক
X