ঢাকা, বাংলাদেশ || সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

অভিযোগ নিয়ে নতুন নেতৃত্বের বক্তব্য: শুটিং ফেডারেশনে আসলে কী ঘটছে?

অনলাইন ডেস্ক

  ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৫৩ পিএম

জাতীয় শুটিং ফেডারেশনের গোলাবারুদ ব্যবস্থাপনা নিয়ে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে, তার প্রতিটি আলাদা করে পরীক্ষা করার আগে বর্তমান কমিটির প্রকৃত প্রেক্ষাপটটা জানা জরুরি। এটি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) কর্তৃক গঠিত একটি এডহক কমিটি, যার মেয়াদ এখনও দুই মাসও পূর্ণ হয়নি। কমিটিতে আছেন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ, আর সদস্যদের একটি বড় অংশই এখানে নতুন। কোনো সিদ্ধান্তই এককভাবে নেওয়া হয় না—বোর্ডে আলোচনার মাধ্যমে সম্মিলিত মতামতের ভিত্তিতেই প্রতিটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দায়িত্ব নেওয়ার একদম শুরুতেই কমিটি সব গোলাবারুদ গুনে সিলগালা করে রেখেছে, যা স্বচ্ছতার প্রতি তাদের অবস্থানই প্রমাণ করে।

বুলেটিন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

পূর্ববর্তী কমিটির আমলের কোনো দায় এই এডহক কমিটির ওপর বর্তায় না। তারপরও অতীতের ঘাটতির কথা তারা অস্বীকার করছে না—বরং তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করছে এবং করার মানসিকতা নিয়েই এগোচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের অভিযোগগুলো পরীক্ষা করলে দেখা যায়—অভিযোগগুলোর অধিকাংশই অনুমানের উপর নির্ভরশীল এবং ঠিকমত যাচাইবাছাই ছাড়াই ফেডারেশনের জেনারেল সেক্রেটারিকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানোর একটি প্রয়াস।

মূল অভিযোগগুলোকে তিনটি স্তরে বিভক্ত করা যায়: এক, ফেডারেশনের গোলাবারুদ ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের অনিয়ম; দুই, তদন্তাধীন ব্যক্তিদের উপকমিটিতে বসিয়ে সাধারণ সম্পাদক সাকিফ শামীম তাঁদের পুনর্বাসন করেছেন—এমন ইঙ্গিত; তিন, এই পুরো প্রক্রিয়ায় বর্তমান নেতৃত্ব দায় এড়ানোর চেষ্টা করছে। প্রতিটি অভিযোগ এখানে আলাদাভাবে যাচাই করা হলো।

সবচেয়ে জোরালো অভিযোগ এটাই—তদন্তাধীন ব্যক্তিদের উপকমিটিতে যুক্ত করে পুনর্বাসন করা হয়েছে। এই অভিযোগ দাঁড়িয়ে আছে একটি অনুমানের ওপর: উপকমিটি গঠন আর তদন্ত শুরু একই সময়ে, বা তদন্তের প্রতিক্রিয়াতেই হয়েছে। কিন্তু তথ্য বলছে ভিন্ন কথা। বর্তমান উপকমিটিগুলো গঠিত হয়েছে বোর্ডের সিদ্ধান্তে—[তারিখ] তারিখে—অর্থাৎ গোলাবারুদ ব্যবস্থাপনা নিয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হওয়ারও আগে। একটি ঘটনা যদি অন্য ঘটনার আগেই ঘটে থাকে, সেটিকে পরের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বা ফল হিসেবে দেখানো তথ্যগতভাবে ভুল। এখানে প্রশ্ন একটাই—উপকমিটি গঠনের দিন সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কি আনুষ্ঠানিক তদন্ত চলছিল? উত্তর যদি না হয়, তাহলে “পুনর্বাসন” শব্দটা এখানে খাটে না—কারণ পুনর্বাসন করতে হলে আগে কাউকে দণ্ডিত বা প্রমাণিত অভিযুক্ত হতে হয়।

দ্বিতীয় অভিযোগের ভিত্তি হলো—কিছু উপকমিটি সদস্য একই সঙ্গে নির্দিষ্ট ক্লাবের প্রতিনিধিও, আর সেই ক্লাবগুলোর গোলাবারুদের হিসাবে গরমিলের অভিযোগ আছে। এখান থেকে ধরে নেওয়া হচ্ছে, উপকমিটিতে থাকা মানেই ক্লাবের গোলাবারুদ হিসাব অনুমোদন বা গোপন করার ক্ষমতাও তাঁর হাতে। এই অনুমান প্রাতিষ্ঠানিক বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না। ক্লাবের গোলাবারুদ উত্তোলন, ব্যবহার ও মজুদের হিসাব রক্ষার দায়িত্ব প্রথমত ক্লাব প্রশাসনের; জেলা পর্যায়ে সেই হিসাব অনুমোদন ও যাচাইয়ের একটি অংশ পড়ে জেলা প্রশাসনের (DC) এখতিয়ারে। উপকমিটির সদস্যপদ একটি সাংগঠনিক ভূমিকা; ক্লাবের অস্ত্র-গোলাবারুদ হিসাবরক্ষণ সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি প্রশাসনিক দায়িত্ব। কাউকে দ্বিতীয়টির সঙ্গে যুক্ত করতে হলে দেখাতে হবে তিনি নির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত, অনুমোদন বা হিসাব গোপনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন। শুধু নাম আর পদ এক জায়গায় থাকাই এর প্রমাণ নয়।
তৃতীয় অভিযোগ: দায় কি এড়ানো হচ্ছে?


তৃতীয় অভিযোগ—বর্তমান নেতৃত্ব দায় এড়াতে চাইছে। এটাও সময়রেখা দিয়েই পরীক্ষা করতে হবে। ২০২০ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে ক্লাবগুলোর গোলাবারুদ উত্তোলন ও ব্যবহার নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তার সিংহভাগ ঘটেছে এমন এক সময়ে, যখন বর্তমান অ্যাডহক কমিটি বা সাধারণ সম্পাদক দায়িত্বেই ছিলেন না। সাকিফ শামীম দায়িত্ব নিয়েছেন মাত্র মাসখানেক আগে—জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ঘোষিত ২৭টি ফেডারেশনের নতুন অ্যাডহক কমিটির অংশ হিসেবে, ১৮ জুলাই ২০২৬-এ। অতীতের অনিয়মের সময় দায়িত্বে না থাকা একজন মানুষকে সেই অনিয়মের জন্য দায়ী করা, আর তাঁর বর্তমান কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন করা—এই দুটো সম্পূর্ণ আলাদা প্রশ্ন। দায় এড়ানোর অভিযোগ তখনই যৌক্তিক হতো, যদি তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর তদন্তে অসহযোগিতা করতেন বা প্রমাণ লোপাটে জড়িত থাকতেন। এখন পর্যন্ত এমন কোনো নির্দিষ্ট অভিযোগ বা প্রমাণ সামনে আসেনি।


সাকিফ শামীম বলেছেন, গোলাবারুদ কোথায় ও কীভাবে খরচ হয় তা নিয়ে কার্যকর নজরদারির ঘাটতি ছিল। তাঁর ভাষায়— “গোলাবারুদ ব্যবস্থাপনায় অতীতে যে ঘাটতি ছিল, আমরা তা স্বীকার করি এবং সংশোধনে কাজ করছি। এই ঘাটতিকে কোনো একক ব্যক্তির ব্যর্থতা হিসেবে না দেখে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা হিসেবে দেখা এবং সমাধান করা প্রয়োজন। আমরা এই বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তকে স্বাগত জানাই এবং তাতে সম্পূর্ণ সহযোগিতা দিয়ে যাব।”

সালমানের সেঞ্চুরির পর পেসারদের নৈপুণ্যে পাকিস্তানের জয়
বড় লক্ষ্য তাড়ায় একশর আগে চার ব্যাটসম্যানকে হারানোর পর, পাভান রাত্নায়াকে ও জানিথ লিয়ানাগের শতরানের জুটিতে আশা জাগাল শ্রীলঙ্কা। কিন্তু এই দুজনের বিদায়ের পর হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ল তাদের ব্যাটিং। পেসারদের দারুণ বোলিংয়ে জিতল পাকিস্তান। ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের জয় ৩৭ রানে। রাওয়ালপিন্ডির ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে রোববার কোনো দলই পুরো পঞ্চাশ ওভার খেলতে পারেনি। এক বল বাকি থাকতে পাকিস্তান অলআউট হয় ৩০৫ রানে। জবাবে ১১ বল বাকি থাকতে ২৬৮ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। ৪৩ ওভার শেষে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ছিল ৫ উইকেটে ২৫১ রান। তখন ৪২ বলে প্রয়োজন ছিল ৫৫ রান। কিন্তু পরের ওভারে লিয়ানাগের (৭৪ বলে ৬০) বিদায়ের পর আর পেরে ওঠেনি সফরকারীরা। শেষ ৫ উইকেট হারায় তারা স্রেফ ১৫ রানের মধ্যে। পাকিস্তানের চার পেসার মিলে নেন ৯ উইকেট। ৫৫ রানে ৩ উইকেট নিয়ে দলের সফলতম বোলার অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি। অসাধারণ এক সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানের নায়ক মূলত সালমান আলি আগা। সম্প্রতি টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়কত্ব হারানো ব্যাটসম্যান পাঁচ নম্বরে নেমে ১০ চার ও এক ছক্কায় ৯০ বলে করেন ১০৭। ম্যাচ সেরার পুরস্কার জেতেন তিনিই। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে পাকিস্তানের শুরুটা ভালো ছিল না। ৩২ রানের মধ্যে বিদায় নেন দুই ওপেনার ফাখার জামান ও সাইম আইয়ুব। সেখান থেকে অভিষিক্ত সাদ বেগকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন বাবর আজম। দুজনের ব্যাটে একশ ছাড়িয়ে যায় দলের স্কোর। সাম্প্রতিক সময়ে বাবরের ভালো শুরু পেয়ে ইনিংস বড় করতে না পারার যে সমস্যা, সেটি দেখা যায় এবারও। ফিফটির কাছাকাছি গিয়ে ইশান মালিঙ্গার শর্ট বলে বিদায় নেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক (৫৭ বলে ৪৫)। থামে ৮৩ বলে ৭৪ রানের জুটি। মালিঙ্গা নিজের পরের ওভারে ফেরান সাদকেও (৪০ বলে ৩৯)। তখন ২২তম ওভারে ১১৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ভীষণ চাপে পাকিস্তান। সেই বিপর্যয় থেকে দলকে উদ্ধার করেন সালমান। প্রথমে হাসান নাওয়াজের সঙ্গে ৯৪ বলে ৯৭, এরপর আরাফাত মিনহাসের সঙ্গে ৪৬ বলে ৬৪ রানের জুটি উপহার দেন তিনি। নাওয়াজ ফেরেন ৪৯ বলে ৩৭ রান করে। ৪৮ বলে পঞ্চাশে পা রাখা সালমান সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ৮২ বলে। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের চারটি সেঞ্চুরিই সালমান করলেন পাঁচ নম্বরে কিংবা এর নিচে ব্যাটিংয়ে নেমে। এক্ষেত্রে পাকিস্তানের হয়ে যা সর্বোচ্চ। তিনি ছাড়িয়ে গেলেন মোহাম্মাদ ইউসুফকে (তিনটি)। ৪৪ ও ৪৫তম ওভার মিলিয়ে পাকিস্তান তোলে ২৬ রান। ৩৩০ ছাড়ানো স্কোরেই তখন দৃষ্টি থাকার কথা স্বাগতিকদের। কিন্তু শেষ পাঁচ ওভারে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় শ্রীলঙ্কার বোলাররা। এই সময়ে একের পর এক উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান তুলতে পারে কেবল ২৬ রান। সালমান ও মিনহাস ফেরেন ছক্কার চেষ্টায়। আফ্রিদির ১২ বলে ১৩ রানের সুবাদে তিনশ ছাড়াতে পারে পাকিস্তান। রান তাড়ায় শ্রীলঙ্কাও শুরুটা ভালো করতে পারেনি। আভিশকা ফার্নান্দো ফেরেন দুই অঙ্ক ছোঁয়ার আগেই। অধিনায়ক কুসাল মেন্ডিস ৩৪ বলে করতে পারেন ১৮ রান। ভালো শুরু পেয়ে ইনিংস টেনে নিতে পারেননি কামিন্দু মেন্ডিস (৫০ বলে ৪৪)। সাহান আরাচ্চিগে ফেরেন দ্রুতই। পরপর দুই ওভারে এই দুজনকে ফেরান আফ্রিদি। তখন ২০তম ওভারে ৯১ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে শ্রীলঙ্কা। সেখান থেকে তারা ঘুরে দাঁড়ায় রাত্নায়াকে ও লিয়ানাগের ব্যাটে। ৫৪ বলে ফিফটি করেন রাত্নায়াকে। এরপর আফ্রিদিকে টানা দুটি ছক্কা মারেন তিনি। দারুণ খেলতে থাকা রাত্নায়াকে বিদায় নেন আলগা শটে। ছয় চার ও দুই ছক্কায় ৭৪ বলে ৭৯ রান করেন তিনি। থামে ১০৭ বলে ১১৯ রানের দারুণ জুটি। লিয়ানাগে এরপর দাসুন শানাকার সঙ্গে এগিয়ে নেন দলকে। চার মেরে ফিফটি করেন তিনি ৬২ বলে। এই জুটি যতক্ষণ ক্রিজে ছিল, তখন শ্রীলঙ্কার জয়ের পাল্লাই ছিল বেশি ভারি। ৫ উইকেট হাতে নিয়ে শেষ সাত ওভারে ৫৫ রান তো কঠিন কিছু নয়। কিন্তু ৪৪তম ওভারে হারিস রউফের বলে লিয়ানাগের বিদায়ে ৪৩ রানের জুটি ভাঙার পর বদলে যায় চিত্র। পরের ওভারে শানাকাকে (১৮ বলে ২৮) ফেরান আফ্রিদি। এর পরের ওভারে নাসিম শাহর পরপর দুই বলে উইকেট পড়ে আরও দুটি, যার একটি রান আউট। আসিথা ফার্নান্দোকে ফিরিয়ে ম্যাচের ইতি টানেন রউফ। নাসিম, রউফ ও ফাহিম আশরাফের শিকার দুটি করে উইকেট। সংক্ষিপ্ত স্কোর: পাকিস্তান: ৪৯.৫ ওভারে ৩০৫ (ফাখার ১৬, সাইম ৭, বাবর ৪৫, সাদ ৩৯, সালমান ১০৭, নাওয়াজ ৩৭, মিনহাস ১৮, ফাহিম ৬, আফ্রিদি ১৩, নাসিম ০, রউফ ০; আসিথা ১০-১-৫৯-৩, মাদুশাঙ্কা ১০-০-৬৭-২, শানাকা ৭-০-৪১-০, মালিঙ্গা ৯.৫-১-৪৬-৪, কলম্বাগে ১০-০-৬১-০, কামিন্দু মেন্ডিস ২-০-১৯-০, আরাচ্চিগে ১-০-৮-০) শ্রীলঙ্কা: ৪৮.১ ওভারে ২৬৮ (কামিন্দু মেন্ডিস ৪৪, আভিশকা ৫, কুসাল মেন্ডিস ১৮, রাত্নায়াকে ৭৯, আরাচ্চিগে ৩, লিয়ানাগে ৬০, শানাকা ২৮, কলম্বাগে ১, মালিঙ্গা ২, আসিথা ৭, মাদুশাঙ্কা ১*; আফ্রিদি ১০-০-৫৫-৩, নাসিম ১০-০-৪৩-২, রউফ ৯.১-০-৪৮-২, ফাহিম ৮-০-৪৯-২, মিনহাস ৯-০-৫৬-০, সাইম ২-০-১৪-০) ফল: পাকিস্তান ৩৭ রানে জয়ী ম্যান অব দা ম্যাচ: সালমান আলি আগা
সালমানের সেঞ্চুরির পর পেসারদের নৈপুণ্যে পাকিস্তানের জয়
বার্সা কোচ বললেন, ‘লামিন ইয়ামালই বিশ্বের সেরা’
লামিন ইয়ামালের জাদুকরী পারফরম্যান্সে ডানা মেলে উড়ছে বার্সেলোনা। ১০ জনের রিয়াল বেতিসকে ৫-২ গোলে উড়িয়ে দিয়ে স্পর্শ করেছে রিয়াল মাদ্রিদের বহু পুরনো এক রেকর্ড। ম্যাচ শেষে ১৮ বছর বয়সী এই উইঙ্গারকে সংসংকোচে ‘বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়’ বলে আখ্যা দিয়েছেন বার্সা কোচ হানসি ফ্লিক। সেভিয়ার লা কারতুহা স্টেডিয়ামে শনিবার রাতে স্প্যানিশ লা লিগায় টানা নবম জয়ের স্বাদ পেল কাতালানরা। ১৯৬৮-৬৯ মৌসুমে টানা নয় জয় দিয়ে লিগ শুরুর রেকর্ড গড়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। দীর্ঘ ৫৭ বছর পর সেই কীর্তিতে ভাগ বসাল বার্সেলোনা। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত টানা ১১ ম্যাচ জিতল ফ্লিকের দল। এই পারফেক্ট জয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা আতলেতিকো মাদ্রিদের চেয়ে স্পষ্ট ৫ পয়েন্টে এগিয়ে থেকে শীর্ষস্থান সুসংহত করল তারা। ম্যাচের দশম মিনিটেই একক নৈপুণ্যে চোখধাঁধানো এক গোলে বার্সাকে এগিয়ে নেন ইয়ামাল। ডি-বক্সের মুখে চমৎকার টার্নে ফাকুন্দো বের্নালকে চক্কর খাইয়ে বাঁকানো শটে দূরের পোস্ট দিয়ে বল জালে জড়ান এই তরুণ। সংবাদ সম্মেলনে বার্সা কোচের মুখে তাই কেবলই ইয়ামাল-বন্দনা, ‘ফুটবলপ্রেমীদের জন্য ম্যাচটি দারুণ রোমাঞ্চকর ছিল। ইয়ামালের প্রথম গোলটার কথা যদি বলেন—এক কথায় অবিশ্বাস্য! আমার চোখে এই মুহূর্তে সে-ই বিশ্বের সেরা।’ আক্রমণে ঝড় তুললেও বার্সার রক্ষণে অবশ্য বেশ কিছু ভুলভ্রান্তি ছিল। ২৯ মিনিটে বালেনতিন গোমেসের হেডে সমতায় ফিরে ম্যাচের আমেজ বদলে দেয় বেতিস। তবে বেতিসের আনন্দ বেশি সময় স্থায়ী হতে দেয়নি সফরকারীরা। কর্নার থেকে আসা বলে নিখুঁত হেডে বার্সাকে ফের এগিয়ে দেন রদ্রি। এর পরপরই জিওভানি লো সেলসো দূরপাল্লার শটে গোল করলেও আক্রমণের শুরুতে কুচো এরনান্দেসের হ্যান্ডবল হওয়ায় ভিএআরে তা বাতিল হয়। বিরতির পর খেলা শুরুর ছয় মিনিটের মাথায় ব্যবধান ৩-১ করেন গাব্রিয়েল জেসুস। ইয়ামালের নিখুঁত কাট-ব্যাক থেকেই বল পান এই ব্রাজিলিয়ান। তবে কয়েক মিনিটের মাথায় বেতিসের হয়ে এক গোল শোধ করে ম্যাচে নাটকীয়তা ফেরান এজ আবদে। তবে সমতায় ফেরার সে চেষ্টা ভেস্তে যায় বের্নালের এক বোকামিতে। ইয়ামালকে মাথা দিয়ে আঘাত করে সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন তিনি। এ নিয়ে মাঠজুড়ে উত্তেজনা ছড়ালে অন্য ফুটবলারদের সঙ্গে ইয়ামালকেও হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া বেতিসকে চেপে ধরতে দেরি করেনি বার্সা। কাছ থেকে ব্যবধান ৪-২ করেন এরিক গার্সিয়া। আর শেষ দিকে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে থেকে নিপুণ শটে বড় জয় নিশ্চিত করেন দানি ওলমো। আগামী সপ্তাহে রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে এল ক্লাসিকোর মহারণ। তার আগে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে ইয়ামাল যাতে নিষিদ্ধ না হন, তাই শেষ দিকে তাকে তুলে নেন ফ্লিক। ফ্লিক বলেন, ‘এমন পরিস্থিতিতে তাকে তুলে নেওয়াটাই ছিল সঠিক সিদ্ধান্ত। তাকে বলেছি, তার আজকের খেলায় আমি অত্যন্ত গর্বিত।’ লা লিগায় জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার পর এবার ইউরোপ সেরার মঞ্চে নামছে বার্সেলোনা। মঙ্গলবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের হাইভোল্টেজ ম্যাচে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন পিএসজির মুখোমুখি হবে তারা।
বার্সা কোচ বললেন, ‘লামিন ইয়ামালই বিশ্বের সেরা’
মেসি জাদুকরের আরেকটি জাদুকরী ফুটবল শো
আরেকটি দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে আলো ছড়ালেন লিওনেল মেসি। তার চোখধাঁধানো জোড়া গোল এবং প্রথম গোলে প্রত্যক্ষ অবদানের ওপর ভর করে আটলান্টা ইউনাইটেডকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়েছে ইন্টার মায়ামি। মার্সেডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই জয়ে মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) টানা তৃতীয় সাফল্য তুলে নিল ‘দ্য হেরনস’ খ্যাত মায়ামি। একই সঙ্গে পেশাদার ফুটবলে নিজের ক্যারিয়ার গোলের সংখ্যা ৯৩৬-এ উন্নীত করলেন এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা। খেলার প্রথমার্ধে জর্জিয়ার দল আটলান্টা ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করলেও আক্রমণের দিক থেকে ইন্টার মিয়ামিই ছিল ক্ষুরধার। প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তে (৪৫তম মিনিট) গোলের খাতা খোলে কিয়ি গনসালেসের শিষ্যরা। মাঝমাঠ থেকে রদ্রিগো দে পল বল বাড়িয়ে দিলে জার্মেন বেরতেরামে ও লিওনেল মেসির পা ঘুরে বল পান লুইস সুয়ারেজ। চিলির ডিফেন্ডার পাওলো দিয়াজকে কাটিয়ে সুয়ারেসজর বাড়ানো নিখুঁত পাসে মেক্সিকান ফরোয়ার্ড বেরতেরামে লক্ষ্যভেদ করে মিয়ামিকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন। চলতি লিগে মেসির এটি ১৫তম অ্যাসিস্ট। এর ফলে  এমএলএসের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা তিন মৌসুমে অন্তত ১৫ অ্যাসিস্টের রেকর্ড গড়লেন তিনি।  বিরতির পর আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে খেলা আরও জমে ওঠে। ৫৬তম মিনিটে শুরু হয় ‘মেসি ম্যাজিক’। মাঝমাঠের ডান দিক থেকে বল নিয়ে একক প্রচেষ্টায় দৌড় শুরু করেন মেসি। বেরতেরামের সঙ্গে দুর্দান্ত ‘ডাবল ওয়ান-টু’ পাসিং কম্বিনেশনে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ চুরমার করে বক্সে ঢুকে পড়েন তিনি। এক ডিফেন্ডারকে ড্রিবল করে বোকা বানিয়ে আটলান্টার গোলরক্ষক লুকাস হোয়োসের পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে জড়ান (২-০)। এই নান্দনিক গোলের ঘোর কাটতে না কাটতেই চার মিনিট পর (৬০তম মিনিট) আবারও বল জালে পাঠান মেসি। এবার নিজের অর্ধে পেয়ে দূরপাল্লার পাস বাড়ান লুইস সুয়ারেস। বল ধরে একাই বক্সে ঢুকে আটলান্টার ডিফেন্ডার জুনিয়র আলোনসোকে নাচিয়ে নিখুঁত শটে দলের তৃতীয় গোলটি করেন আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী তারকা। চলতি মৌসুমে এটি মেসির ২৪ ও ২৫ নম্বর গোল, যার মাধ্যমে লিগের গোল্ডেন বুটের দৌড়ে নিজের অবস্থান শক্ত করলেন। এমএলএসের ইতিহাসে জোসেফ মার্তিনেজের পর দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে নিয়মিত মৌসুমে দুইবার অন্তত ২৫টি করে গোল করার কীর্তি গড়লেন তিনি। বর্তমানে মৌসুমে মেসির মোট গোল অবদান (গোল + অ্যাসিস্ট) দাঁড়িয়েছে ৪০-এ। ২০১৯ সালে লস অ্যাঞ্জেলেস এফসির হয়ে কার্লোস ভেলার গড়া সর্বোচ্চ ৪৯টি গোল অবদানের রেকর্ডটি ভাঙতে মেসির এখন আর প্রয়োজন মাত্র ৯টি গোল অবদান, যার জন্য হাতে রয়েছে আরও ৪টি ম্যাচ। ম্যাচের ৮৯তম মিনিটে হাইতিয়ান ফরোয়ার্ড ফাফা পিকল্ট পেনাল্টি থেকে আটলান্টার হয়ে একটি গোল পরিশোধ করলেও তা কেবল ব্যবধানই কমিয়েছে। সাবেক কোচ হেরার্দো ‘তাতা’ মার্তিনোর আটলান্টার বিপক্ষে ৩-১ গোলের নিশ্চিত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইন্টার মিয়ামি। এই জয়ে এমএলএস ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে নিজেদের শক্ত অবস্থান বজায় রাখল ইন্টার মায়ামি, নিশ্চিত করেছে প্লে অফের টিকিটও। 
মেসি জাদুকরের আরেকটি জাদুকরী ফুটবল শো
ত্রিদেশীয় সিরিজে জিম্বাবুয়ের কাছে হার দিয়ে শুরু টাইগারদের
ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচেই ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের দেওয়া ২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে লাল-সবুজের ব্যাটিং লাইনআপ; ফলে ১৭২ রানেই গুটিয়ে যায় সফরকারীরা। হারারেতে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় জিম্বাবুয়ে। ইনিংসের গোড়াতেই আগুনে বোলিংয়ে স্বাগতিক শিবিরে আঘাত হানেন তাসকিন আহমেদ। ব্রায়ান বেনেট, বেন কারান ও অভিষিক্ত তাফাদজওয়া টিসিগাকে ফিরিয়ে মাত্র ২৪ রানের মধ্যেই স্বাগতিকদের টপ অর্ডারের ৩ উইকেট তুলে নেন এই ডানহাতি পেসার। শুরুর সেই বিপর্যয় সামাল দেন দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার ক্রেইগ আরভিন ও ব্রেন্ডন টেলর। দারুণ দায়িত্বশীল ও আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে দুজনই ব্যক্তিগত অর্ধশতক পূর্ণ করেন। সেঞ্চুরির পথেই থাকা টেলরকে (৮১) বোল্ড করে এই বিপজ্জনক জুটি ভাঙেন অলরাউন্ডার সাইফ হাসান। নিজের পরের ওভারেই জিম্বাবুইয়ান অধিনায়ক সিকান্দার রাজাকে শূন্য রানে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান তিনি। এরপর ৯৩ রানের চমৎকার ইনিংস খেলা আরভিনকে সাজঘরে পাঠান পেসার শরিফুল ইসলাম। শেষ দিকে ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ও নিউম্যান নিয়ামহুরির ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৭১ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ দাঁড় করায় জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের পক্ষে তাসকিন আহমেদ ৩টি এবং শরিফুল ইসলাম ও সাইফ হাসান ২টি করে উইকেট শিকার করেন। ২৭২ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ভালো সূচনা এনে দিয়েছিলেন তানজিদ হাসান তামিম। শুরু থেকেই চড়াও হয়ে খেলতে থাকেন তিনি। তবে দলীয় সংগ্রহে গতি থাকলেও ব্যক্তিগত ৯ রানে মুজারাবানির বলে সৌম্য সরকার স্লিপে ক্যাচ দিলে প্রথম ধাক্কা খায় দল। ফিফটির দোড়গোড়ায় থাকা তানজিদ তামিম ৩৮ বলে ৪৬ রানের মারকুটে ইনিংস খেলে বিদায় নিলে ভাঙে প্রতিরোধ। দলীয় ৬৬ রানে তানজিদের আউটের পরই শুরু হয় ব্যাটিং ধস। মিডল অর্ডারে নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয়, মোসাদ্দেক হোসেন ও সাইফ হাসান উইকেটে থিতু হওয়ার আগেই সাজঘরে ফেরেন। ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মিছিলে দ্রুতই ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে বাংলাদেশ। শেষ দিকে রিশাদ হোসেনের ৩৩ বলে ২৩ রান এবং তাসকিন আহমেদের অপরাজিত ১৬ রান হারের ব্যবধান কমানো ছাড়া আর কোনো কাজে আসেনি। শেষ পর্যন্ত ১৭২ রানেই অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের হয়ে বল হাতে সফলতম ছিলেন ব্র্যাড ইভান্স, যিনি একাই তুলে নেন ৪টি উইকেট। এ ছাড়া সিকান্দার রাজা ও ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ২টি করে উইকেট নিয়ে দলের বড় জয় নিশ্চিত করেন।
ত্রিদেশীয় সিরিজে জিম্বাবুয়ের কাছে হার দিয়ে শুরু টাইগারদের
টঙ্গীবাড়ীতে নিতিরা ফুটবল টুর্নামেন্টে শানবাড়ি একাদশ চ্যাম্পিয়ন
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার আড়িয়ল ইউনিয়নে নিতিরা ঈদ উদযাপন ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় নিতিরা ফজুশা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনালে গোপিনপুর একাদশকে ২-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে শানবাড়ি একাদশ। ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টঙ্গীবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলী আসগর রিপন মল্লিক। আড়িয়ল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল আলী নান্টু মাদবরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ধীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি আকতার হোসেন মোল্লা, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান ইকু, দপ্তর সম্পাদক মাহবুব আলম রন্টি, প্রচার সম্পাদক আব্দুর রহিম, পাঁচগাও ইউনিয়ন বিএনপি সাধারন সম্পাদক মো: কাইয়ুম ফকির, বিএনপি নেতা আজিজুর রহমান দেওয়ান, আবুল বাসার শেখ, দেলোয়ার হোসেন,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের এবং আড়িয়ল ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি শান্তসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। খেলাকে ঘিরে মাঠে দর্শকদের উপস্থিতি ছিল। ফাইনাল ম্যাচে দুই দলের খেলোয়াড়েরা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলা উপহার দেন। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে শানবাড়ি একাদশ।
টঙ্গীবাড়ীতে নিতিরা ফুটবল টুর্নামেন্টে শানবাড়ি একাদশ চ্যাম্পিয়ন
আরও পড়ুন
চাঁদার দাবিতে কলেজ ক্যাম্পাস থেকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ!
মদিনায় মিসাইল হা'মলার অভিযোগ নিয়ে যা বলল হুথিরা
‘ক্রসফায়ার থেকে বাঁচতে ওসি লোকমানকে দিতে হয় ৭০ লাখ টাকা’
বাবার মৃত্যুর ৫ দিন পরই চার বছরের শিশু ধ'র্ষণের শিকার!
X