
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় তেঁতুলিয়া নদীর তীরবর্তী ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক এমপি। এ সময় নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৭৮ পরিবারের মাঝে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করেন তিনি।
রোববার সকাল ১১টার দিকে প্রতিমন্ত্রী উপজেলার তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনকবলিত হাজিরহাট এলাকা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে ক্ষতিগ্রস্ত ৭৮টি পরিবারের প্রত্যেকের হাতে ৩০ কেজি করে চাল তুলে দেন।
চাল বিতরণ শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বলেন, তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনকবলিত এলাকার মধ্যে হাজিরহাট, আউলিয়াপুর ও চরঘূর্ণী অন্যতম। এসব এলাকা সার্ভে করা হচ্ছে। সার্ভে শেষ হলে তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙন রোধে টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, নদীভাঙনে বসতভিটা হারানো পরিবারগুলোর জন্য যেখানে সরকারি খাসজমি রয়েছে, সেখানে জায়গা নির্বাচন করে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি আন্তরিক।
এর আগে উপজেলা মৎস্য দপ্তরের আয়োজনে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের রাজস্ব বাজেটের আওতায় উপজেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার পুকুর এবং সরকারি খাল-বিলে মাছ অবমুক্তকরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী।
পরে তিনি দশমিনায় অবস্থিত বাংলাদেশের চতুর্থ সার্ভে ইনস্টিটিউট হিসেবে পরিচিত পটুয়াখালী ল্যান্ড সার্ভে ইনস্টিটিউট কলেজ পরিদর্শন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (পুর) ও বাপাউবোর এমরান হোসেন, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) ডা. মো. শফিক উদ্দিন, উপপ্রকল্প পরিচালক ডা. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, পটুয়াখালী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুল লতিফ, পটুয়াখালী ল্যান্ড সার্ভে ইনস্টিটিউট কলেজের অধ্যক্ষ (আঃদাঃ) মীর মঞ্জুর মোর্শেদ, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অঃদাঃ) তপন মজুমদার, নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ফেরদাউস, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সদস্য সচিব শাহ আলম শানু, গণঅধিকার পরিষদের ঢাকা উত্তর মহানগরের সহসভাপতি মো. মিজানুর রহমান, পটুয়াখালী জেলা গণঅধিকার পরিষদের সহসভাপতি কালাম পঞ্চায়েত, যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব শামিক খানসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দ।




